• ই-পেপার

মেসিকে নিয়ে বিশাল সুখবর আর্জেন্টিনা শিবিরে

বিশ্বকাপ ফুটবলের সব ম্যাচ দেখা যাবে মাই রবি অ্যাপে

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ফুটবলের সব ম্যাচ দেখা যাবে মাই রবি অ্যাপে

ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে বিশ্বজুড়ে চলছে উন্মাদনা। বাংলাদেশেও ফুটবলপ্রেমীরা অপেক্ষায় আছেন সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া আসরের জন্য। 

সেই উন্মাদনা আরো বাড়িয়ে তুলতে রবি নিয়ে এসেছে বিশেষ আয়োজন। বিশ্বকাপের সব ম্যাচ লাইভ দেখা যাবে মাই রবি অ্যাপের মাধ্যমে। 

এই উদ্যোগের ফলে ফুটবলপ্রেমীরা যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে তাদের প্রিয় দল ও তারকা খেলোয়াড়দের খেলা উপভোগ করতে পারবেন। মাই রবি অ্যাপে বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্ত থাকবে হাতের মুঠোয়।

মুঠোফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান রবি জানিয়েছে, গ্রাহকদের জন্য সর্বাধুনিক ডিজিটাল বিনোদন সেবা নিশ্চিত করতে রবি সবসময় প্রতিশ্রুতি। বিশ্বকাপ উপলক্ষে এই বিশেষ উদ্যোগ সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

বিশ্বকাপ উপলক্ষে মাই রবি অ্যাপে গ্রাহকেরা কীভাবে লাইভ ম্যাচ দেখার সুযোগ পাবেন, এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে।

আগামী ১১ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপ, ফাইনাল হবে ১৯ জুলাই। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ তিনটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল।

বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনায় ১০ দলের মধ্যে আর্জেন্টিনাকে রেখেছেন স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনায় ১০ দলের মধ্যে আর্জেন্টিনাকে রেখেছেন স্কালোনি

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার হিসেবে আর্জেন্টিনা বাদে আরো ৯ দেশের নাম উল্লেখ করেছেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। সম্প্রতি আর্জেন্টিনার ক্রীড়া দৈনিক ডেইলি ওলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে  এই ভবিষ্যদ্বাণী করেন তিনি। তবে তার এই তাৎক্ষণিক ভবিষ্যদ্বাণী তালিকায় জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের মতো ইউরোপীয় পরাশক্তিদের বাদ পড়া নিয়ে ফুটবল মহলে বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে। 

সাক্ষাৎকারে স্কালোনি স্পেন, ফ্রান্স, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা, মরক্কো এবং ক্রোয়েশিয়ার নাম উল্লেখ করেন। তবে কথা বলার সময় প্রথমে কিছু দলের নাম ভুলে সেগুলোকে যোগ করেন তিনি। তাতে মোট ৯টি দেশের সঙ্গে আর্জেন্টিনাকে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বেছে নেন।

স্পেন, ফ্রান্স, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, উরুগুয়েও, আর্জেন্টিনা, মরক্কো… আমি জানিই না কতগুলোর নাম বললাম, এর মধ্যেই কয়েকটার কথা ভুলে যাচ্ছি,” প্রধান কোচ বলতে থাকলেন এবং এরপর দশম একটি দলের নাম যোগ করলেন: “ক্রোয়েশিয়া, আমি ক্রোয়েশিয়ার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম! আরো কয়েকটার কথাও ভুলে যাচ্ছি।”

এদিকে উল্লেখযোগ্য যারা বাদ পড়েছেন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানি ও ইউরোপের অন্যতম ধারাবাহিক দুই পরাশক্তি নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়াম। এই তিন দলকে সম্ভাব্য ফাইনালিস্টের তালিকায় রাখেননি।

ইচ্ছাকৃতভাবে হোক কিংবা তাৎক্ষণিক আলোচনায় ভুলে যাওয়ার কারণে স্ক্যালোনির তালিকায় কিছু বড় নাম স্থান পায়নি এমনটি হতে পারে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

স্কালোনি আরো জানান, এই ১০ বা ১২ দলই মূলত টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে এবং ফাইনালে ওঠার চেষ্টা করবে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনার জন্য ট্রফি ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন হবে বলেও তিনি মনে করেন।

প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল আইসিসি

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল আইসিসি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে আলোচনা ও জল্পনার মাঝে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। 

বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া আইসিসির দুই প্রতিনিধি দক্ষিণ আফ্রিকার ড. মোহাম্মদ মোসাজে ও জিম্বাবুয়ের তাভেংওয়া মুকুলানি শুধুমাত্র বিভিন্ন পক্ষের মতামত ও তথ্য সংগ্রহ করে বোর্ডের কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা দেবেন। তারা কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না বা প্রকাশ্যে (সংবাদমাধ্যমে) মন্তব্য করবেন না। 

আজ আইসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির শিরোনামে উল্লেখ করা হয়, ‘শাসন ও নির্বাচনী বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করতে আইসিসি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর।’ প্রতিনিধি দলের সফরের বিষয়বস্তু ছোট করে তুলে ধরা হয় সেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

ড. মোহাম্মদ মোসাজে ও তাভেংওয়া মুকুলানি বাংলাদেশ সফরকালে বিসিবির বর্তমান প্রশাসন (অ্যাডহক কমিটি), সাবেক পরিচালক (আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা নেন।

জানা গেছে, বিসিবির কয়েকজন সাবেক পরিচালক প্রতিনিধি দলের কাছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অ্যাডহক কমিটির অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের বিষয়ে নিজেদের উদ্বেগ তুলে ধরেছেন। তারা আইসিসিকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার অনুরোধও জানিয়েছেন।

তবে আইসিসির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই সফরকে কোনো পক্ষের প্রতি সমর্থন বা বিরোধিতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রতিনিধি দলের দায়িত্ব কেবল তথ্য সংগ্রহ করা এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে আইসিসি বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া।

এদিকে, বিসিবির বর্তমান অ্যাডহক কমিটি এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে দায়ের করা একটি রিট আবেদন হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। ফলে আগামী ৭ জুন নির্বাচন আয়োজনের পথে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই।

সব মিলিয়ে বিসিবি নির্বাচন নিয়ে আইসিসি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায়নি। প্রতিনিধি দলের পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত বা মূল্যায়ন আসতে পারে।

ভারতের নতুন অধিনায়ক বাছাই নিয়ে কোচ-নির্বাচকের দ্বন্দ্ব!

ক্রীড়া ডেস্ক
ভারতের নতুন অধিনায়ক বাছাই নিয়ে কোচ-নির্বাচকের দ্বন্দ্ব!
ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর (বাঁয়ে) ও প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকার। ছবি : সংগৃহীত

ভারত টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকারের মধ্যে মতবিরোধের খবর ক্রিকেটবিশ্বে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। অথচ সেই সূর্যকুমারের অধিনায়কত্ব কেড়ে নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

সূর্যকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পেছনে দুটি কারণ সামনে এসেছে—(১) ব্যাট হাতে সাম্প্রতিক বাজে ফর্ম। বিশেষ করে সদ্য সমাপ্ত আইপিএলে ১৩ ইনিংসে ২০.৭৬ গড়ে ২৭০ রান মোটেও আহামরি কিছু নয়। (২) বয়সজনিত। আগামী সেপ্টেম্বরে তার বয়স ৩৬ বছর পূর্ণ হবে। 

সূর্যকুমারের এই শূন্য পদে কাকে বসানো হবে, তা নিয়েই গম্ভীর ও আগরকারের মধ্যে লেগেছে দ্বন্দ্ব।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে গম্ভীরের পছন্দ সঞ্জু স্যামসন। গম্ভীরের যুক্তি, আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক হিসাবে দারুণ অভিজ্ঞতা আছে এবং দলের সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবেও তার গ্রহণযোগ্যতা আছে।

কিন্তু অজিত আগরকারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটির মতে, স্যামসনের ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব আছে। তাই দীর্ঘমেয়াদি অধিনায়ক হিসেবে তাকে বিবেচনায় নেওয়া উচিত হবে না। 

ভারতের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে আগরকারের প্রথম পছন্দ শ্রেয়াস আইয়ার। ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং একই বছর লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক গেমসের কথা মাথায় রেখে আইয়ারকে তৈরি করতে চান আগরকার।

এ ক্ষেত্রে নির্বাচক কমিটির যুক্তি, আইপিএলে আইয়ারের অধিনায়কত্বের রেকর্ড চমৎকার। ২০২৪ সালে আইয়ারের নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। সেই দলের পরামর্শক ছিলেন গম্ভীর।

২০২৫ আইপিএলেও পাঞ্জাব কিংসকে ফাইনালে তোলেন আইয়ার। এ বছর পাঞ্জাব পয়েন্ট তালিকার পাঁচে থেকে আইপিএল শেষ করলেও ব্যাট হাতে আইয়ার ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে। ১৪ ম্যাচে ১৬৮.৮১ স্ট্রাইক রেটে করেন ৪৯৮ রান। 

কিন্তু ক্রিকেটীয় চিন্তাভাবনা কিংবা মাঠের কৌশলগত দিক থেকে আইয়ারের চেয়ে স্যামসনকেই বেশি কার্যকর মনে করছেন গম্ভীর।

আলোচনায় আছে আরো তিনটি নাম—ঈশান কিষান, তিলক ভার্মা ও অক্ষর প্যাটেল।

তবে ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচক কমিটির অনড় অবস্থানের কারণে আইয়ারকেই আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের জন্য টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক করা হতে পারে। সহ-অধিনায়ক হিসাবে দেখা যেতে পারে তিলক ভার্মাকে। 

ভারতের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ঠিক করতে আগামী শনিবার মুম্বাইয়ে বৈঠকে বসবেন বিসিসিআইয়ের শীর্ষ কর্তারা।