রেলওয়ে রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের পর গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। তবে প্রতিটি ট্রেনই ঘণ্টাখানেক দেরিতে স্টেশন ছেড়েছে। এতে করে ট্রেন চলাচল শুরু হলেও বিলম্বে ট্রেন ছাড়াতে বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
স্বাভাবিক সময়ে ঢাকার কমলাপুর থেকে ৪২ জোড়া আন্ত নগর এবং ২৫ জোড়া মেইল কমিউটার চলাচল করে।
কিন্তু গতকাল বিকেল পর্যন্ত ২৬টি ট্রেন কমলাপুর থেকে ছেড়ে গেছে এবং ২০টি ট্রেন ঢাকার বাইরে থেকে কমলাপুরে এসেছে। ঢাকায় দুটি ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার আনোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। ঢাকা থেকে প্রথম আন্ত নগর ধূমকেতু এক্সপ্রেস রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
রানিং স্টাফদের আন্দোলন থেমে গেলেও রেলের ইঞ্জিন (লোকোমোটিভ) সময়মতো রেডি করা যাচ্ছে না। এগুলোকে ট্র্যাকে এনে রেকে জোড়া দিতে বেশ সময় লাগছে।
এদিকে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার সংবাদে বাস ও বিমানপথে যাত্রীদের চাপ বাড়ে। বাসস্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড়ের কারণে মূল ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় অনেকেই টিকিট কিনতে বিমানবন্দর বাস কাউন্টারে ধরনা দেন। হঠাৎ যাত্রীর চাপ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাস কাউন্টারের টিকিটম্যানরাও।