ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

এবার আনন্দময় পরিবেশে দেশবাসী ঈদ উদযাপন করছে : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
এবার আনন্দময় পরিবেশে দেশবাসী ঈদ উদযাপন করছে : মির্জা ফখরুল
সংগৃহীত ছবি

ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনের পর এবার আনন্দময় পরিবেশে দেশবাসী ঈদ উদযাপন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার (৩১ মার্চ) সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গত ১৫ বছরের ঈদের সঙ্গে এবারের ঈদের পার্থক্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক পার্থক্য। এবার আমরা মুক্ত পরিবেশে একটা আনন্দময় পরিবেশে ঈদ উদযাপন করছি।

আজকের এ দিনে আমরা আশা করব, যে যেই দায়িত্ব নিয়েছেন সেই দায়িত্ব পালনে সবাই সফল হবেন এবং বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জনগণের কাছে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন করবেন। আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকেও অবশ্যই সেই প্রতিশ্রুতি পালন করব বলে শপথ নিয়েছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রত্যেক বাংলাদেশি যেন আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারে সেই জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি। দোয়া চেয়েছি আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ হয়ে দ্রুত আমাদের কাছে ফিরে আসেন এবং আমাদের নেতা তারেক রহমান তিনি যেন অতি শিগগিরই আমাদের মাঝে ফিরে আসেন সেই দোয়া চেয়েছি।

সকাল সাড়ে ১১টায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে এসে তার কবরে ফুল দেন ও দোয়া করেন।

এ সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আহমেদ আজম খান, আমান উল্লাহ আমান, মাহবুব উদ্দিন খোকন, রুহুল কবির রিজভী, হাবিব উন নবী খান সোহেল, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মীর সরফত আলী সপু, রফিকুল ইসলাম, সাইফুল আলম নীরব, মীর নেওয়াজ আলী, রফিক শিকদার, এসএম জাহাঙ্গীর, আমিনুল হকসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের পরে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের বলেন, আমরা দলের পক্ষ থেকে, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এবং স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে আমরা আপনাদের (গণমাধ্যম) সকলকে শুভেচ্ছা জানায়। আপনাদের মাধ্যমে আমরা পুরো দেশবাসীর কাছে ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি… ঈদ মোবারক।

আরো পড়ুন
নির্বাচন বিলম্বিত হলে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে : মঈন খান

নির্বাচন বিলম্বিত হলে জনগণের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে : মঈন খান

 

তিনি বলেন, আজকে আমরা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে এসেছিলাম। আমরা পরম করুণাময় আল্লাহতালার কাছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছি। আমরা একই সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছি।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই : সরোয়ার

নিজস্ব প্রতি‌বেদক, বরিশাল
নিজস্ব প্রতি‌বেদক, বরিশাল
শেয়ার
দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই : সরোয়ার

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, ‘একাত্তর ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে যারা কথা বলবে, তাদের বরদাশত করা হবেনা। দ্বিতীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই।  চব্বিশে বিপ্লবও হয়নি। একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে মাত্র।

তাই একাত্তর ঠিক রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাতে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন। গত ১৬ বছর এ দাবিতে আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি।

তাই অবিলম্বে তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রয়োজন। নির্বাচিত সরকার এলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং মানুষ তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসতে পারবে।’ 

মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে সরোয়ার আরো বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান অনেক বড় নেতা ছিলেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান আমরা অস্বীকার করতে পারি না।

তবে স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি সশস্ত্র অংশগ্রহণ করেননি। স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল একটা সশস্ত্র সংগ্রাম। সশস্ত্র সংগ্রামে অংশগ্রহণ করছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।’

সরোয়ার আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অনেক বড় দল, কিন্ত তাদের অহংকার বেশি। শেখ মুজিবর বড় মাপের নেতা।

কিন্ত তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী সহ্য করতে পারতেন না। শেখ হাসিনাও সেই পথে হাঁটায় আওয়ামী লীগের আজকের পরিণতি হয়েছে।’ 

এ সময় বিএনপি নেতা আনোয়ারুল হক তারিন, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মানবেন্দ্র ব্যটবল ও নুরুল আলম ফরিদ, সাংবাদিক নাছিমুল আলম ও হুমায়ুন কবীর, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস.এম জাকির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা : ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি
কিশোরগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি
শেয়ার
দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা : ফজলুর রহমান

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি একা এই দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি। আমি একা প্রথম এই কথা বলছি। ইলেকশন হবে, ভোট দেবে মানুষ। আমাকে ভোট দিলে আমি হবো এমপি।

বুধবার (২ এপ্রিল) রা‌তে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার এলংজুরি বাজারসংলগ্ন মাঠে এলংজুরি ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষে এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি যে বক্তব্য দিই, অনেকের পক্ষে-বিপক্ষে অনেক সময় হয়। কী বক্তব্য দিই? আমি কারো বিরুদ্ধে নয়, কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়। আমি মানুষের পক্ষে।

আর মানুষের পক্ষে বলি বলেই আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। কারণ মা না থাকলে যেমন কোনো সন্তানের জন্ম হবে না, ঠিক তেমনি মুক্তিযুদ্ধ না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। সেই মুক্তিযুদ্ধের যখন কেউ বিরোধিতা করে, তখনই তো আমি দেখি লোকটা কে রে? ওই যে লোকটা ৭১ সালে ওর বাবা যে দালাল ছিল, দালালের ছেলে। ৭১ সালে যে রাজাকার ছিল, সে রাজাকারের ছেলে।
আলবদর ছিল, আল বদরের নাতি। তা না হলে তো ৭১ সালের বিরোধিতা করা উচিত নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘হাসিনা আর মুক্তিযুদ্ধ এক রকম না। হাসিনা কেউ না, আরইলের ডিম। মুক্তিযুদ্ধ হলো মহাসাগর।

হাসিনা গ্যাছে গ্যাছে। হাসিনা খারাপ করছে মুক্তিযুদ্ধের কথা বইলা। হাসিনার বিচার হওয়া উচিত। মানুষ হত্যা করার অপরাধে তার ফাঁসি হওয়া ‍উচিত। মুক্তিযুদ্ধের দোষটা কী?’

তিনি বলেন, ‘এই দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা। আমি একা প্রথম বলছি, এটার জন্য জামায়াতে ইসলামী আমাকে বলবে (গা‌লাগাল কর‌বে)। কিন্তু ইলেকশন দিতে হবে। কারণ দেশটা হলো জনগণের। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে ভোটের মাধ্যমে দেশটা কারা চালাবে। ইলেকশন হবে, ভোট দেবে মানুষ। আমাকে ভোট দিলে আমি হবো এমপি। আমার দলকে বেশি ভোট দিলে আমার দল হবে সরকার। অন্য দলকে দিলে তারা হবে। ভোটটা হলে দেশ হবে জনগণের। আমি মনে করি, ভোট হওয়া উচিত।’

ফজলুর রহমান আরো বলেন, ‘ভোট যদি হয় আমি এই দেশে আসব। ভোট হলে আমি এ দেশে আসবই। আমি ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামের ঘরের দরজায় টোকা দিয়ে বলব, হে ইটনা, অষ্টগ্রাম, মিঠামইনের মানুষ, আপনার জন্য তো আমার জীবনের যৌবন ত্যাগ করেছি। আমি তো আপনার পাহারাদার বস্তিওয়ালা, জাগো। দেখেন বৃদ্ধ বয়সে ফজলুর রহমান আপনাদের কাছে এসেছে, আপনারা তাকে চান কি না, সেই কথা বলে দেন।’

ফজলুর রহমান বলেন, ‘রাজনীতি মানুষের জীবনের জন্য। মানুষের জীবন ভালো কাজ করার জন্য। এই যে মানুষের জীবন, এই মানুষের জীবনের পক্ষে আমি আমার জীবনে ৬১ বছর দিনের পর দিন সংগ্রাম করেছি। আমার জীবনে কোনো টাকা হয়নি, পয়সা হয়নি, ব্যাংক ব্যালান্স হয়নি। আমি জীবনে কোনো দিন মানুষকে ঠকাইনি। আমি ফোর টুয়েন্টি না, বাটপারি না, চিটার না। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী। ভাটি এলাকাতে জন্মগ্রহণ করে আমার জীবন ধন্য হয়েছে।’

এলংজুরি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. হারিছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে পথসভায় অন্যদের মধ্যে ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, সিনিয়র সহসভাপতি মো. মনির উদ্দিন প্রমুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন।

মন্তব্য

‘ঐক্যমতের ভিত্তিতে ড. ইউনূস ২ থেকে ৪ বছর সরকারে থাকতে পারেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
শেয়ার
‘ঐক্যমতের ভিত্তিতে ড. ইউনূস ২ থেকে ৪ বছর সরকারে থাকতে পারেন’
ছবি: কালের কণ্ঠ

সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে ড. ইউনূস ২ থেকে ৪ বছর সরকারে থাকতে পারেন বলে মন্তব্য করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, ‘এতে বাংলাদেশের গত ৫ দশক ধরে যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর হবার আকাংখা সেটা পূরণে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 

আরো পড়ুন
ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে গনঅভ্যুত্থানের সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সরকার এতো জনসমর্থন নিয়ে কোনোদিন আবির্ভূত হয়নি। রাজনৈতিক দলের গণতন্ত্র, নির্বাচনী দাবী ও সংস্কারের বিষয়ে তরুণদের যে আকাঙ্খা সবগুলোই যৌক্তিক।

কারণ সংস্কার, নির্বাচন, বিচার এই পুরোটা মিলেই ৭১ এর লড়াই, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান। কিন্তু এই প্রত্যেকটা কাজ করতে হবে ঐক্যমতের ভিত্তিতে।’

আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো ১৫ বছর ধরে বার বার বলে আসছে আমরা ভোট চাই, নির্বাচন চাই, গণতন্ত্র চাই। কিন্তু তরুণদের আঙ্খাকাগুলো যদি পড়েন, দেয়ালে দেয়ালে লেখা আছে তাদের শ্লোগানগুলো।

তবে ওখানে কিন্তু কোথাও লেখা নেই অবিলম্বে নির্বাচন দেন। ওরা বলছে “বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর”, “আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ”, “বাংলাদেশ দুই চাই, ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তর বিলোপ চাই”, “বাংলাদেশে যেন নতুন কোনো ফেরাউনের জন্ম না হয়”। এই যে তরুণদের আঙ্খাকাগুলো, এই আঙ্খাকাগুলো কিন্তু সেপারেট। কিন্তু দুইটাই হলো মর্যাদার জায়গায় সমান।

সভায় বক্তব্য দেন- বরিশাল জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক প্রকৌশলী কল্লোল চৌধুরী, সদস্য সচিব প্রকৌশলী মো. রাব্বী, যুগ্ম-আহ্বায়ক এস এস আনিক, এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ সহ বরিশালের সাংবাদিকগণ। 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন, জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন, জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
সংগৃহীত ছবি

সরকারি তত্ত্বাবধানে ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন করায় নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে সাধারণ মানুষের মাঝে ঈদ নিয়ে আলাদা ধরনের উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল না। কিন্তু এবারের ঈদ সবার মাঝেই যেন প্রকৃত ঈদ হয়ে ফিরে এসেছে। সরকারি উদ্যোগে সুলতানি আমলের মতো করে ঈদ উদযাপন আমাদের জীবনে আনন্দের নতুন মাত্রা তৈরি করেছে।

কিন্তু ঢাকায় ঈদ মিছিলে মূর্তিসদৃশ প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। 

বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি পবিত্র উৎসব এবং ইসলাম মূর্তি, প্রতিমা বা কোনো দৃশ্যমান অবয়বের মাধ্যমে ধর্মীয় আনন্দ প্রকাশের অনুমতি দেয় না। ইসলামের ইতিহাসে এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই, যেখানে রাসুল (সা.), সাহাবা বা পরবর্তী খলিফারা ঈদ উদযাপনে মূর্তি বা প্রতিমা বহন করেছেন।

আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই- ঈদ আমাদের ধর্মীয় আবেগের বিষয়।

একে সাংস্কৃতিক পরীক্ষাগারে পরিণত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামী ঐতিহ্যের বাইরে গিয়ে প্রতিমা সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা ঈদকে ঘিরে সরকারি উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আনন্দ মিছিলকে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পর্যালোচনা হচ্ছে : প্রেস সচিব

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পর্যালোচনা হচ্ছে : প্রেসসচিব

 

ওই বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি ঈদ মিছিলে মূর্তিসদৃশ প্রতীক বহনের ঘটনা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও ঈদের পবিত্রতার পরিপন্থী। যারা ঈদ আয়োজনে অপ্রয়োজনীয় এই বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ