ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন করে আরো ৬০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার রাত পর্যন্ত আসা ফলাফলে জেলায় ১৩৯৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন ৪৮৮ জন।
সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ একরাম উল্লাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন করে আরো ৬০ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার রাত পর্যন্ত আসা ফলাফলে জেলায় ১৩৯৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন ৪৮৮ জন।
সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ একরাম উল্লাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৪৯টি নমুনার রিপোর্টে ১৫জন ও ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ল্যাবরেটরিতে মেডিসিন এন্ড রেফারেল সেন্টার পিসিআর ল্যাবের ২৬৩টি নমুনা রিপোর্টে ৪৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় নতুন শনাক্ত ২০জন, আখাউড়া উপজেলায় চার জন, বিজয়নগর উপজেলায় তিন জন, নাসিরনগর উপজেলায় দুই জন, বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় চার জন, নবীনগর উপজেলায় ১০ জন, সরাইল উপজেলায় ছয় জন, আশুগঞ্জ উপজেলায় সাত জন ও কসবা উপজেলায় চার জন।
সম্পর্কিত খবর
নরসিংদীর মনোহরদীতে ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাই কাজল মিয়া (৫৭) মারা গেছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কাজল চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের আছির উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বসত ভিটার সীমানা নিয়ে কাজলের সঙ্গে তার ছোট ভাই বাদল মিয়ার বিরোধ চলছে।
বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি
তারা আরো জানায়, কাজলক উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জলার কটিয়াদী উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জব্বার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়
বগুড়ায় বাঙালি নদীর বেলগাছী ব্রিজ এলাকায় ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত নতুন একটি দর্শনীয় স্থানে গোসল করতে নেমে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবু সাদাত ইকবাল (১৩)। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদাত (১৩) ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের (আরডিএ) প্রভাষক ইকবাল হোসেন ও সুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সানজিদা পারভিন রিতা দম্পতির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে শেরপুর উপজেলার সুত্রাপুর গ্রামস্থ নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে স্থানীয় বেলগাছী ব্রিজ সংলগ্ন কথিত ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত স্থান ঘুরতে আসে সাদাত ইকবাল। একপর্যায়ে বাঙালি নদীতে নেমে জলকেলি করতে করতে ডুবে নিখোঁজ হয় সে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, নদী খননের ফলে ব্রিজের নিচে বালুর স্তর ও ছোট ছোট কুচি পাথর জমে যায়। যাকে স্থানীয়ভাবে ‘মিনি জাফলং’ বা ‘গরীবের জাফলং’ নাম দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ঈদের এক সপ্তাহ আগে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিজের ভেরিফাইড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন স্থানীয় দুই যুবক।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১১ জন নিহতদের ঘটনায় বাস চালকের হদিস এখনো পায়নি পুলিশ। দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও চালকের কোনো হদিস মেলেনি।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী মামলা হয়েছে, কিন্তু বাস চালককে শনাক্ত করা যায়নি।
গত বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত শিশু আরাধ্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে আরাধ্যকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন।
এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ নিয়ে লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে।
গত বুধবার সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়।