ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

স্বামী-সতীনের এসিডে ঝলসে গেলেন গৃহবধূ, দগ্ধ তিন শিশুও

রানীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
রানীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
শেয়ার
স্বামী-সতীনের এসিডে ঝলসে গেলেন গৃহবধূ, দগ্ধ তিন শিশুও

রাণীনগরে সদ্য প্রবাসফেরত এক গৃহবধূকে এসিডে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও সতীনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত দুজনকেই পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক করে পুলিশে দিয়েছে গ্রামবাসী।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের আতাইকুলা মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসিড হামলার শিকার নারীর নাম পাতাশি বেগম (৩৫)।

তিনি আতাইকুলা মধ্যপাড়া গ্রামের মজনু সরদারের মেয়ে।

এসিডে তাঁর মাথা, মুখ, হাত, পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলছে গেছে। তাঁকে রানীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠান।

আটক দুজন হলেন পাতাশির স্বামী ওসমান ও সতীন নারগিছ পারভীন।

ওসমান আত্রাই উপজেলার আন্ধারকোটা গ্রামের করিম প্রামাণিকের ছেলে। দগ্ধ তিন শিশু হলো আতাইকুলা মধ্যপাড়ার এন্তাজ সরদারের মেয়ে রিতা (১৩), সাগরের মেয়ে খাতিজা (৭) এবং আজিজুলের ছেলে আকাশ (৯)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

রাণীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তারিকুল ইসলাম জানান, এসিড নিক্ষেপ ঘটনার সাথে জড়িত দুজনকে আট করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
শেয়ার
ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

নরসিংদীর মনোহরদীতে ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাই কাজল মিয়া (৫৭) মারা গেছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কাজল চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের আছির উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বসত ভিটার সীমানা নিয়ে কাজলের সঙ্গে তার ছোট ভাই বাদল মিয়ার বিরোধ চলছে।

শুক্রবার সকালে বাড়িতে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাদল শাবল দিয়ে বড় ভাইয়ের মাথায় আঘাত করেন। 

আরো পড়ুন
বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি

বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি

তারা আরো জানায়, কাজলক উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জলার কটিয়াদী উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জব্বার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আরো পড়ুন
লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়

লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়

মন্তব্য

বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
শেয়ার
বগুড়া‌র মি‌নি জাফলং‌য়ে গোসল কর‌তে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

বগুড়ায় বাঙালি নদীর বেলগাছী ব্রিজ এলাকায় ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত নতুন একটি দর্শনীয় স্থানে গোসল করতে নেমে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবু সাদাত ইকবাল (১৩)। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সাদাত (১৩) ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের (আরডিএ) প্রভাষক ইকবাল হোসেন ও সুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সানজিদা পারভিন রিতা দম্পতির ছেলে।

সে আরডিএ স্কুল এন্ড কলেজের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে শেরপুর উপজেলার সুত্রাপুর গ্রামস্থ নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে স্থানীয় বেলগাছী ব্রিজ সংলগ্ন কথিত ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত স্থান ঘুরতে আসে সাদাত ইকবাল। একপর্যায়ে বাঙালি নদীতে নেমে জলকেলি করতে করতে ডুবে নিখোঁজ হয় সে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

এরপর তাকে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিতসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রসঙ্গত, নদী খননের ফলে ব্রিজের নিচে বালুর স্তর ও ছোট ছোট কুচি পাথর জমে যায়। যাকে স্থানীয়ভাবে ‘মিনি জাফলং’ বা ‘গরীবের জাফলং’ নাম দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ঈদের এক সপ্তাহ আগে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিজের ভেরিফাইড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন স্থানীয় দুই যুবক।

এতে মাত্র দুই দিনেই আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে ভাইরাল হয়ে যায় স্থানটি। পরবর্তীতে ঈদের দিন থেকে এই স্থানটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে।
 

মন্তব্য
লোহাগাড়া দুর্ঘটনা

বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১১ জন নিহতদের ঘটনায় বাস চালকের হদিস এখনো পায়নি পুলিশ। দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও চালকের কোনো হদিস মেলেনি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী মামলা হয়েছে, কিন্তু বাস চালককে শনাক্ত করা যায়নি।

গত বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত শিশু আরাধ্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে আরাধ্যকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন।

 

এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এ নিয়ে লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে। 

গত বুধবার সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়।

 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ