ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

থানা থেকে মুক্তি; মায়ের লাশ কাঁধে নিয়ে ফিরলেন দুই ছেলে

খুলনা অফিস
খুলনা অফিস
শেয়ার
থানা থেকে মুক্তি; মায়ের লাশ কাঁধে নিয়ে ফিরলেন দুই ছেলে

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজন-ইন্টার্ন চিকিৎসক মারামারি, সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। মৃত রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাদের মৃতদেহ নিতে দেননি। উল্টো মৃত রোগীর দুই ছেলেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। তবে চিকিৎসকরা বলেছেন, রোগীর স্বজনরা অসত্য অভিযোগ করছেন।

তারা চিকিৎসকদের মারধর, ভাঙচুর করেছেন।

আজ রবিবার ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

রোগীর স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার রাতে নগরীর দৌলতপুরের পাবলা কারিকরপাড়ার মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী পিয়ারুন্নেছা (৫৫) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

তার বুকে ব্যথা ও পায়খানা-প্রসাব না হওয়ায় রাতেই মেডিক্যাল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় ১১-১২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেই অনুয়ায়ী চিকিৎসা শুরু হয়। তবে শনিবার রাতে রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে তার ছেলেরা চিকিৎসক ডেকেও পাননি। রাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় রোগীর ছেলে মো. মোস্তাকিম গিয়ে ডাক্তারের কাছে তার মায়ের চিকিৎসার অবহেলার অভিযোগ তোলেন। 

\"\"এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে চিকিৎসকরা পুলিশ ডেকে রোগীর অপর দুই ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম কাবির ও সাদ্দাম হোসেনকে তুলে দেন এবং পিয়ারুন্নেছার মৃতদেহ নিতে বাধা দেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে রোগীর স্বজনরা খালিশপুরে নতুন রাস্তার মোড়ে আধাঘণ্টা অবরোধ করেন।

মৃত নারীর স্বামী মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, 'মায়ের এমন মৃত্যুতে আমার ছেলে মো. মোস্তাকিম গিয়ে ডাক্তারের কাছে জানতে চায় তারা কেন দেখতে আসলেন না।

এ নিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। আমি যখন জানতে পারি গিয়ে হাত-পা ধরে মাফ চাই। এ সময় একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক আমার গায়েও আঘাত করেন। তারা আমার অপর দুই ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম কাবির ও সাদ্দাম হোসেনকে পুলিশে দিয়ে দেন।'

\"\"

হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি সৈকত ঘোষ বলেন, রাত আড়াইটার দিকে চিকিৎসক রোগীর কাছে থাকা অবস্থায় রোগী মারা যান। চিকিৎসকদের কোনো ত্রুটি ছিল না। রোগী মারা যাওয়ার পার রোগীর ছেলেরা চিকিৎসকের রুমের চেয়ার-টেবিল ভেঙে ফেলেছেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পুলিশ হামলাকারীদের আটক করে নিয়ে যায়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, 'পুলিশ রোগীর দুই স্বজনকে আটকের পর তারা মৃতের লাশ ইচ্ছা করে নেয়নি। আমরা তাদের লাশ নিতে বারবার অনুরোধ করেছি। বিকেল ৪টার দিকে তারা লাশ গ্রহণ করেছে।'

খুলনা সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোমতাজুল হক বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও রোগীর স্বজনদের মাধ্যমে একটি সমাধান করেছি। মৃত নারীর আটক দুই ছেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তারা মৃতদেহ নিয়ে গেছেন।'

মন্তব্য

কাশিয়ানীতে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
শেয়ার
কাশিয়ানীতে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঈদ উপলক্ষে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বাগিয়া গ্রামে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বাগিয়া ফুটবল মাঠে মো. ইদ্রিস শেখের উদ্যোগে এ ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে নড়াইল, মাদারীপুর, ফরিদপুর, যশোর ও গোপালগঞ্জ জেলা থেকে ২৫টি ঘোড়া নিয়ে প্রতিযোগিরা অংশ নেয়।

বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা কয়েক রাউন্ডে প্রায় চার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ঘোড়াগুলো। এদিকে ঘোড়দৌড় উপলক্ষে বসে গ্রামীণ মেলা।

ঘোড়দৌড়ে নড়াইলের রবিউল মোল্যার ঘোড়া প্রথম, একই জেলার রাব্বি মোল্যার ঘোড়া দ্বিতীয়, শিমুল শেখের ঘোড়া তৃতীয় ও আরজু মোল্যার ঘোড়া চতুর্থ হয়। পরে বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থপুরস্কার তুলে দেন আয়োজকরা।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করা ঘোড়ার মালিক নড়াইলের রবিউল মোল্যা (৪৫) বলেন, নিজের ঘোড়া নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেই। প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে খুব ভালো লেগেছে।

ঘোড়দৌড় প্রতিযোগীতার আয়োজক মো. ইদ্রিস শেখ বলেন, আধুনিকতার ছোয়ায় আমাদের দেশ থেকে ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। এসব খেলাগুলো ধরে রাখা উচিত।

এছাড়া যুব সমাজকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখতে আগামীতে এসব খেলাগুলো ধরে রাখতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন এমন আয়োজন।’

মন্তব্য

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার সদস্য নিহত

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
শেয়ার
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার সদস্য নিহত
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাকচাপায় এক আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আরো পড়ুন
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রেসসচিব

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রেসসচিব

 

দেলদুয়ার থানার ওসি শোয়েব আহমেদ বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। আজ শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পড়ে হাঁটতে বের হন। একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রামট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ট্রাকটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।’

মন্তব্য

স্ত্রী-সন্তানের ওপর রাগ করে নিজবাড়িতে আগুন

নাটোর প্রতিনিধি
নাটোর প্রতিনিধি
শেয়ার
স্ত্রী-সন্তানের ওপর রাগ করে নিজবাড়িতে আগুন
ছবি: কালের কণ্ঠ

নাটোরের লালপুরে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের ওপর রাগ করে নিজবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন আমিনুল ইসলাম (৫০) নামে এক ব্যক্তি। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাতে লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের মোহরকয়া ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম নেশাগ্রস্ত। তিনি প্রায়ই নেশা করে বাড়ি ফেরায় পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকত।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নেশা করে বাড়ি ফিরলে স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পেট্রল বের করে নিজবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তার বাড়ির তিনটি ঘরে থাকা আসবাপত্রসহ সবকিছু পুড়ে যায়।

আরো পড়ুন
লাকসামে পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

লাকসামে পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

 

খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

লালপুর থানার ওসি নাজমুল হক জানান, নেশাগ্রস্থ আমিনুল ইসলামকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মন্তব্য

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাঘার ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতিকে অব্যাহতি

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
শেয়ার
শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাঘার ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতিকে অব্যাহতি
ফাইল ছবি

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাউসা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি রেজাউল করিমকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফকরুল হাসান বাবলু ও সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন স্বাক্ষরিত নোটিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে,দলের দায়িত্বশীল পদে থাকা অবস্থায় আপনার বিরুদ্ধে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে বাউসা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পদ থেকে ও প্রাথমিক সদস্য পদ হতে কেন অব্যাহতি প্রদান করা হবে না, তার উপযুক্ত জবাব বাঘা উপজেলা বিএনপির কাছে লিখিতভাবে জবাব দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হল। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফকরুল হাসান বাবলু ও সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ