নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে টিকার সরঞ্জাম গেলেও সেখানে যাননি দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য সহকারী মো. হযরত আলী। সে কারণে টিকা পায়নি ওই এলাকার শিশুরা। হাসপাতালে ফিরে গেছে টিকার সরঞ্জাম। এ ঘটনায় দৈনিক কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর সেই স্বাস্থ্য সহকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।
কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশ
দুর্গাপুরের সেই স্বাস্থ্য সহকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ
দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

আজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কালের কণ্ঠের প্রতিবেদককে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান।
এর আগে গত রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের জাগিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অস্থায়ী কেন্দ্রে আশপাশের এলাকার শিশুদের টিকা প্রদানের কথা থাকলেও সেখানে যাননি স্বাস্থ্য সহকারী মো. হযরত আলী। এ নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি ‘স্বাস্থ্য সহকারীর অবহেলায় টিকা পেল না শিশুরা’ শিরোনামে কালের কণ্ঠ অনলাইনে ও ১৮ ফেব্রুয়ারি ‘স্বাস্থ্য সহকারী না যাওয়ায় টিকা পেল না শিশুরা’ শিরোনামে কালের কণ্ঠ প্রিন্টে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এলে স্বাস্থ্য সহকারী মো. হযরত আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘কালের কণ্ঠে প্রচারিত সংবাদে স্বাস্থ্য সহকারী হযরত আলীর কর্মস্থলে অনুপস্থিত, গাফেলতি ও দায়িত্বে অবহেলার প্রেক্ষিতে সিভিল সার্জন স্যার কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিন কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর

লোহাগাড়া দুর্ঘটনা
বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি
অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১১ জন নিহতদের ঘটনায় বাস চালকের হদিস এখনো পায়নি পুলিশ। দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও চালকের কোনো হদিস মেলেনি।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী মামলা হয়েছে, কিন্তু বাস চালককে শনাক্ত করা যায়নি।
গত বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়
অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত শিশু আরাধ্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে আরাধ্যকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন।
এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ নিয়ে লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে।
গত বুধবার সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজার কোদালের আঘাতে চাচার মৃত্যু
আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজার কোদালের আঘাতে চাচার মৃত্যু হয়েছে। নিহত হাবিবুর রহমান (৪৫) উপজেলার বল্লী গ্রামের মৃত সাত্তার মিয়ার ছেলে। আর অভিযুক্ত তারাব নূর (৩৫) একই গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে।
আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরের দিকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে মৃতদেহের ময়নাতদন্তের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর পরিবার, স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমানের সঙ্গে অভিযুক্ত জয়নাল মিয়ার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে ভাতিজা কোদাল দিয়ে ভুক্তভোগীর বুকে আঘাত করেন।
এতে ভুক্তভোগী আহত হলে বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খালিয়াজুরী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন জানান, ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। আজ (শুক্রবার) হাসপাতাল মর্গে মৃতের ময়নাতদন্তের কার্যক্রম চলছে।

কুমিল্লার হোমনায় আন্ত জেলা ডাকাত সর্দার খুন
দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার হোমনায় আন্ত জেলা ডাকাতদলের সর্দার ও অর্ধশত মামলার আসামি পাণ্ডু মিয়া খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হোমনা পৌরসভার বাগমারা গ্রামে তিনি খুন হন। আজ শুক্রবার দুপুরে ডাকাত সর্দার পাণ্ডুর লাশ উদ্ধার করে হোমনা থানা পুলিশ।
নিহত ফারুক হোসেন ওরুফে পাণ্ডু মিয়া পৌরসভার বাগমারা গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার তিন বছর পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি এলাকায় আসেন। পুলিশ ও এলাকাবাসীর ধারণা, রাতের কোনো একসময় ডাকাতদলের লোকজনের হাতেই তিনি খুন হন।
স্থানীয় কবি দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ পাণ্ডু মিয়া ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে হোমনা থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় প্রায় অর্ধশত ডাকাতি ও লুটপাটের মামলা রয়েছে।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজেদুল আলম বলেন, আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার ৩/৪ বছর ধরে পলাতক রয়েছে। তবে ডাকাতির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তার দলের লোকজনের হাতে খুন হতে পারেন তিনি। নিহত ডাকাত পান্ডু মিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।