বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যান্য যেকোনো সময়ের চেয়ে খারাপ। ঘরে ঘরে চুরি, ডাকাতি ও লুটপাট হচ্ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। নির্বাচনে যারা বিজয়ী হবে, তাদের হাতে ক্ষমতা দিন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দ্রুত নির্বাচন দিন : দুদু
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সাধারণ পাঠাগার মাঠ চত্বরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে পতিত ফ্যাসিস্টদের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘কেউ কেউ বলছেন জাতীয় নির্বাচন আগে কেন, স্থানীয় নির্বাচন আগে হলেই ভালো। বিএনপি এখনো কাউকে নমিনেশন দেয়নি। কিন্তু একটি দল সব আসনে মনোনয়ন দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আজকে যারা ক্ষমতায় তারা বলছেন, এত তাড়াতাড়ি কেন? ছয় মাস হয়ে গেল, এখনো চালের দাম কমাতে পারেননি, লাখ লাখ মানুষ বেকার; কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেননি। বাজার সিন্ডিকেট হাসিনার আমলে যা ছিল, এখনো তাই আছে। রমজান মাস না আসতেই বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।
দুদু আরো বলেন, ‘বিএনপি সভানেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এখনো মাঠে নামেননি। নেতৃত্ব নিয়ে দলের মধ্যে একটু টানাপড়েন থাকতে পারে, কিন্তু চ্যালেঞ্জ আরো নিতে হবে এবং সবাইকে কাছাকাছি থাকতে হবে। সবার আগে দলকে নির্বাচনে বিজয় লাভ করাতে হবে।’
শেখ পরিবারের হাসিনাসহ সবাইকেই চোর উল্লেখ করে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘দেশের এমন কোনো ব্যাংক নেই যে শেখ পরিবার সেখানে চুরি করেনি। শেখ মুজিবের নাতনি দেশেও চুরি করেছে আবার বিদেশেও চুরি করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূসকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের একটা দল থাকা দরকার। তার মানে তিনি শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়েছেন, তিনি নিরপেক্ষ নন। তার পদত্যাগ এখনো বিএনপি দাবি তোলেনি। দুই নম্বরি কোনো নোবেল জয়ীদের চরিত্রে নেই। তিনি তা করলে তার যে সুনাম তা পদধূলিত হবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী পরিবার, সরকার, মন্ত্রী, এমপিসহ সবার তদন্ত করা হবে। বিএনপিকে নিয়ে টানাটানি করবেন না, বিএনপি চ্যালেঞ্জ নেওয়ার দল, যেকোনো পরিস্থিতিতে বিরূপ ঘটনায় বিএনপি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে; গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া বিএনপি পিছু হটবে না।’
এ সময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমিন, বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল খালেক, মো. আমিনুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পর্কিত খবর

ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু
মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর মনোহরদীতে ছোট ভাইয়ের শাবলের আঘাতে বড় ভাই কাজল মিয়া (৫৭) মারা গেছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কাজল চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাতপাড়া গ্রামের আছির উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বসত ভিটার সীমানা নিয়ে কাজলের সঙ্গে তার ছোট ভাই বাদল মিয়ার বিরোধ চলছে।

বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি
তারা আরো জানায়, কাজলক উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ জলার কটিয়াদী উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল জব্বার জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়

বগুড়ার মিনি জাফলংয়ে গোসল করতে নেমে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ায় বাঙালি নদীর বেলগাছী ব্রিজ এলাকায় ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত নতুন একটি দর্শনীয় স্থানে গোসল করতে নেমে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তার নাম আবু সাদাত ইকবাল (১৩)। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদাত (১৩) ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের (আরডিএ) প্রভাষক ইকবাল হোসেন ও সুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সানজিদা পারভিন রিতা দম্পতির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে শেরপুর উপজেলার সুত্রাপুর গ্রামস্থ নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে স্থানীয় বেলগাছী ব্রিজ সংলগ্ন কথিত ‘মিনি জাফলং’ খ্যাত স্থান ঘুরতে আসে সাদাত ইকবাল। একপর্যায়ে বাঙালি নদীতে নেমে জলকেলি করতে করতে ডুবে নিখোঁজ হয় সে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
প্রসঙ্গত, নদী খননের ফলে ব্রিজের নিচে বালুর স্তর ও ছোট ছোট কুচি পাথর জমে যায়। যাকে স্থানীয়ভাবে ‘মিনি জাফলং’ বা ‘গরীবের জাফলং’ নাম দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে ঈদের এক সপ্তাহ আগে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে নিজের ভেরিফাইড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেন স্থানীয় দুই যুবক।

লোহাগাড়া দুর্ঘটনা
বাসচালকের হদিস এখনো মেলেনি
অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাস সংঘর্ষে ১১ জন নিহতদের ঘটনায় বাস চালকের হদিস এখনো পায়নি পুলিশ। দোহাজারি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভ রঞ্জন চাকমা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও চালকের কোনো হদিস মেলেনি।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ অনুযায়ী মামলা হয়েছে, কিন্তু বাস চালককে শনাক্ত করা যায়নি।
গত বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

লোহাগাড়ায় আহত শিশু আরাধ্য উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায়
অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আহত শিশু আরাধ্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে আরাধ্যকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন।
এর আগে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা। একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ নিয়ে লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে।
গত বুধবার সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়।