ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

২০২৩ সালে সরকারি ছুটি ২২ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
২০২৩ সালে সরকারি ছুটি ২২ দিন

২০২৩ সালে সরকারি ছুটি ২২ দিন থাকবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। এর মধ্যে আট দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবার। চলতি বছর শুক্র ও শনিবার ছিল ছয় দিন।

আজ সোমবার (৩১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, ২০২৩ সালে ২২ দিন ছুটির মধ্যে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে আট দিন ছুটি। আগামী বছর ছুটি কমেছে। যদিও ছুটি গত বছরের মতো ২২ দিন। কিন্তু ২২ দিন ছুটির মধ্যে আট দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবার।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় দিবস এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষে ১৪ দিনের সাধারণ ছুটি। এটা জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় পর্ব উপলক্ষে। এর মধ্যে চার দিন হলো দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার।

সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, জুম’আতুল বিদা, মে দিবস, ঈদুল ফিতর, বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা), ঈদুল আজহা, জাতীয় শোক দিবস, জন্মাষ্টমী, দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), বিজয় দিবস ও যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন)।

অন্যদিকে বাংলা নববর্ষ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবস উপলক্ষে আট দিনের নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রেসসচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রেসসচিব
শফিকুল আলম। ফাইল ছবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকটি গঠনমূলক, কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

বৈঠক শেষে প্রেসসচিব জানান, বৈঠকে পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যতগুলো ইস্যু ছিল, সবগুলো নিয়ে কথা হয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককে সাংরিলা হোটেলে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন শেষে স্থানীয় সময় শুক্রবার (৪ এপ্রিল) মধ্যাহ্নের পর তাদের দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠক হয়েছে।

ওই বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি–বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসিম উদ্দিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের ‘বৈঠকে দুদেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট যতগুলো ইস্যু ছিল, সবগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। আমাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যতগুলো বিষয় ছিল, সবগুলো বিষয়ই প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন। যেমন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে কথা হয়েছে।

শেখ হাসিনা যে ওখানে (ভারতে) বসে ইনসিন্ডিয়ারে (হিংসাত্মক) কথা বলছেন, সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে। সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে কথা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, নতুন করে সেটা করা নিয়ে কথা হচ্ছে। তিস্তা পানি চুক্তি নিয়েও কথা হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হলো।

মন্তব্য

নরেদ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
নরেদ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আধা ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এ সময় নরেন্দ্র মোদিকে একটি ছবি উপহার দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককের হোটেল সাংগ্রিলা ব্যংককে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধান উপদেষ্টার উইং এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

প্রধান উপদেষ্টার উইং জানায়, ব্যাংককে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে একটি ছবি উপহার দেন। ছবিটিতে ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ১০২তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেসে অধ্যাপক ইউনূসকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বর্ণপদক দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা সম্পর্কে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান, পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যতগুলো ইস্যু ছিল, সবগুলো নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা হয়েছে।

 
 

মন্তব্য
ইউনূস-মোদি বৈঠক

হাসিনাকে ফেরত চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

বাসস
বাসস
শেয়ার
হাসিনাকে ফেরত চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ হয়েছে।

আমাদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে।’

প্রেসসচিব বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতে বসে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন— এসব বিষয় বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তে হত্যা, তিস্তা নদীর পানিবণ্টনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হলো।

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন ২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাই বিশিষ্টজনদের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাই বিশিষ্টজনদের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
সংগৃহীত ছবি

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আসিয়ানে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে ঢাকার প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন দানের জন্য থাইল্যান্ডের বিশিষ্টজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি থাই বিশিষ্টজনদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আসিয়ানের খাতভিত্তিক সংলাপ অংশীদার হিসেবে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের, তবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো এই গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক গোষ্ঠীর পূর্ণ সদস্য হওয়া।’

শুক্রবার ব্যাঙ্ককের একটি হোটেলে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে এক প্রাতঃরাশ বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই পথেই আমাদের ভবিষ্যৎ।

সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতায় বিশ্বাস করে এবং আমরা সার্ক ও বিমসটেকের গর্বিত সদস্য।

ড. ইউনূস বলেন, আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে আরো বেশি উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

বৈঠকে থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অভিজিৎ ভেজ্জাজীবা, সাবেক এক উপ-প্রধানমন্ত্রী, শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, ব্যাংকার, শিক্ষাবিদ এবং নাগরিক সমাজের নেতারাও অংশ নেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে আসিয়ানের সদস্যপদ অর্জনে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়াসহ আসিয়ানের শীর্ষ দেশগুলোর সমর্থন পাওয়া যাবে।

অধ্যাপক ইউনূস থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে আরো বৃহত্তর সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, উভয় দেশ একইরকম ইতিহাস ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

‘আমরা যে ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই, এই বৈঠকের মাধ্যমে তার সূচনা হলো,’ বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা সাম্প্রতিক বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, বিশ্ব এই ‘বিশৃঙ্খল অবস্থা’ কে তার সুবিধায় রূপান্তর করতে পারে।

সরকার প্রধান বলেন, বিশৃঙ্খলা অনেক কিছুকে নাড়িয়ে দিতে পারে। আমাদের আরও সহযোগিতা দরকার। আমরা একটি নতুন ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে ভাবতে পারি কী-না সে বিষয়ে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের কথা তুলে ধরে বলেন, এই অভ্যুত্থান একজন নিষ্ঠুর স্বৈরশাসককে উৎখাত করে দেশে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে।

আরো পড়ুন
ইউনূস-মোদি বৈঠক, হাসিনাসহ যেসব ইস্যুতে আলোচনা হলো

ইউনূস-মোদি বৈঠক, হাসিনাসহ যেসব ইস্যুতে আলোচনা হলো

 

বৈঠকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ