বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে মানহানির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ সোমবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে প্রতিবেদন না দেওয়ায় পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম আতাউল হক।
এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর পল্টন থানার ওসিকে আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।
তারেক ও ফখরুলের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল ১৩ নভেম্বর
কালের কণ্ঠ অনলাইন

এজাহারে আরও বলা হয়, মির্জা ফখরুল ৫ সেপ্টেম্বর সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ভাষণ শেষে জয় পাকিস্তান বলেন এবং বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। তাদের এসব বক্তব্য বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে এহাজারে উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর

গণহত্যার বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে : চিফ প্রসিকিউটর
অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণহত্যায় ট্রাইব্যুনালের বিচার বানচাল করতে পতিত সরকারের মোটা অঙ্কের বিনিয়োগের সুর্নিদিষ্ট তথ্য পেয়েছে প্রসিকিউশন।’
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একই সঙ্গে নেপথ্যের কুশীলবদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে।’
এর আগে বুধবার (২ এপ্রিল) চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘চূড়ান্ত তালিকা পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব। তবে খসড়ার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ফরমাল চার্জ গঠন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বহু প্রমাণ ও উপাত্ত রয়েছে। কখনো সরাসরি, কখনো টেলিফোনেসহ নানা মাধ্যমে গুলির নির্দেশ দিয়ে তা আবার নিশ্চিতও করেন শেখ হাসিনা। হেলিকপ্টার থেকে গুলি করার স্পষ্ট নির্দেশও দিয়েছিলেন তিনি। আইনের ভাষায় এ গণহত্যার সুপেরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি শেখ হাসিনার।

ডিআরইউ কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় উজ্জ্বলের জামিন, কারাগারে রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় উজ্জ্বল মিয়া নামের এক আসামিকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আব্দুর রহমান নামের আরেক আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, ডিআরইউ কার্যালয়ে শুধু সাংবাদিকদের জন্য টিসিবির পণ্য ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে আগে থেকেই টোকেন দেওয়া হয়। এসব টোকেনের একটি কারো মাধ্যমে করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিসের এক কর্মীর কাছে চলে যায়। তারা এটাকে নকল করে ৫০টি টোকেন তৈরি করে টিসিবির পণ্য নিতে আসেন।
পরে দুপুর ১২টার দিকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, লাঠিসোঁটা, রড, দা, চাপাতি, হকিস্টিক ইত্যাদি নিয়ে ডিআরইউর সামনে আমাদের কর্মচারী মো. জহিরুল ইসলাম (২৯) ও মো. রবিউল ইসলামের (২৭) ওপর হামলা চালায়। চাপাতির কোপে জহিরুলের মাথা ফেটে যায়।

নবনিযুক্ত প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল
অনলাইন ডেস্ক

বিতর্ক ওঠায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নবনিযুক্ত প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর (প্রশাসন) গাজী এম এইচ তামিম।
তিনি জানান, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের উপসলিসিটর (জিপি-পিপি) সানা মো. মাহরুফ হোসাইনের সই করা এক অফিস আদেশে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) এই নিয়োগ বাতিল করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদে আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগসংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হলো।
এর আগে, গতকালই আইন ও বিচার বিভাগের উপসলিসিটর সানা মো. মাহরুফ হোসাইনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে আফরোজ পারভীনসহ চারজনকে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ আদেশ হওয়ার পর আফরোজ পারভীনের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকালই তার নিয়োগ আদেশ বাতিল করা হয়।

গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা, শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
অনলাইন ডেস্ক

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে অনলাইন প্ল্যাটফরমের মিটিংয়ে গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা এবং সরকারকে উৎখাত ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলায় দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বি আলমকে। এ ছাড়া অনলাইন মিটিংয়ে অংশগ্রহণকারী আরো ৫০৩ জনকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারের তথ্যের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যে তারা জানতে পারেন যে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর অনলাইন প্ল্যাটফরমের মিটিংয়ে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ গঠন করে একটি গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে পলাতক শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বুঝিয়ে দেওয়া এবং তা নিশ্চিতকরণের জন্য শেষনিঃশ্বাস পর্যন্ত যুদ্ধ করে যাবেন বলে অনেকেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মোট ৫৭৭ জন অংশগ্রহণকারী দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ওই জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন এবং শেখ হাসিনার সব নির্দেশ পালন করার ব্যাপারে একাগ্রচিত্তে মত প্রকাশ করেন।
মামলার এজাহারে আরো বলা হয়, ড. রাব্বি আলমের (যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি) হোস্টিংয়ে (সঞ্চালনায়) শেখ হাসিনা এবং হোস্ট, কো-হোস্ট ও অংশগ্রহণকারীদের কথোপকথনে ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনায় ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামক প্ল্যাটফরমে দেশ-বিদেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা বৈধ সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে দেবে না মর্মে আলোচনা হয়।