• ই-পেপার

শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি নেতাকর্মীদের ভালোবাসা কমেনি, বরং বেড়েছে : গোলাম মাওলা রনি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে শাহবাগ সড়কে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

বিক্ষোভে অংশ নেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব এবং জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

বিক্ষোভ মিছিলে দলীয় নেতাকর্মীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ সময় বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। অবিলম্বে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং জনস্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেন।

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল

অনলাইন ডেস্ক
হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল
সংগৃহীত ছবি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় বিচার, খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ঘটনার নেপথ্যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত উদ্‌ঘাটনের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। এরপর শাহবাগ মোড় ঘুরে রাজু ভাস্কর্যর পাদদেশে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়। 

আরো পড়ুন
পদ ছাড়ছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নজির দেখালেন হুমায়ূন রশীদের

পদ ছাড়ছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নজির দেখালেন হুমায়ুন রশীদের

  

মশাল মিছিলে ‘মুখ খোলো মমতা, জানতে চায় জনতা, ওসমান হাদি, বাংলাদেশের আজাদী, উই ওয়ান্ট জাস্টিস ইত্যাদি স্লোগান দেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।

এর আগে গতকাল বুধবার (৩ জুন) ঢাবির মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বারবার সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে, তদন্ত প্রতিবেদন একাধিকবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। 

আরো পড়ুন
তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টির যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টির যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

 

তিনি দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আড়াল করতে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ‘ট্যাগ’ ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এমন ধারণা সঠিক নয়; এর পেছনে আরো গভীর দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ভারতের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার অভিযোগও উত্থাপন করেন সংগঠনটির এই সদস্যসচিব। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই বক্তব্য থেকে ধারণা করা যাচ্ছে যে হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশের এমন কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে, যার পরিচয় প্রকাশ পেলে দেশে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।

আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘ওসমান হাদিকে শুধু আওয়ামী বিরোধিতার কারণে হত্যা করা হয়নি। ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তী সরকারের) আমলে এবং ভারত এই খুনের পুরো প্রক্রিয়াটা সম্পন্ন করবার জন্য ইন্টেরিমকেও এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করেছিল কি না, সেইটা আমরা জানতে চাই।’

এ সময় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জাবের বলেন, হত্যার পরপরই সীমান্ত সিল করার কথা থাকলেও তা করতে বিলম্ব হয়েছে, যার ফলে খুনিরা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

প্রতি বছরই বাজেটে ১০–২০% ঘাটতি থাকে : ড. হেলাল উদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রতি বছরই বাজেটে ১০–২০% ঘাটতি থাকে : ড. হেলাল উদ্দিন
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) অ্যাক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, গত ২০ বছরে কোনো একটি বছর নেই যেখানে আমরা বলতে পারব, সরকারের বাজেটে যে প্রত্যাশা ছিল, যা ব্যয় করবে এবং যা সংগ্রহ করবে- সেটা পূরণ হয়েছে। একটি টার্গেট থাকে, তার থেকে ১০-২০% ঘাটতি থাকে, রেভিনিউ কালেকশন বা ব্যয় করার দিক থেকে। এটা বাস্তবতা। অন্যদিকে যেহেতু একটা নির্বাচনী ইশতেহারে কিছু কমিটমেন্ট ছিল, এর একটা রিফ্লেকশন এ বাজেটের পরিকল্পনায় থাকবে।

বুধবার (৩ জুন) দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফারুক মেহেদীর সঞ্চালনায় নিয়মিত আয়োজন ‘দ্য বিজনেস রিভিউ’ নামের বিজনেস শো-তে অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, বাস্তবায়ন কতটা হবে এবং যেই প্রতিশ্রুতি ছিল ইশতেহারে, সেগুলো ডেফিনেটলি বাস্তবায়ন করতে পারলে ভালো। সেটা হয়ত ৫ বছরের স্প্যানে চিন্তা করতে হবে যে অল্প অল্প করে আস্তে আস্তে সেদিকে যাচ্ছে কি না। যেহেতু কোন একটা মোমেন্টাম থেকে সরকারের যে যে মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেখানে চেষ্টার দিক থেকে আমরা চেষ্টা করছি, এই প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল, এগুলোকে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় এবং শেষ দিকে যখন এমন আসবে যে আমরা অর্থায়নের যে চাপ এবং এই প্রতিশ্রুতির বাহিরে যে বাস্তবতা, সবকিছু মিলে কতটুক করতে পারব। আমরা প্রত্যেকটা ইন্ডিভিজুয়াল বা একটা হাউসহোল্ডের যে বাজেট তার একটা বাস্তবতা, অর্থনীতির যে ডায়নামিক সেটার একটা বাস্তবতা আছে, আর সরকারের ব্যবস্থাপনা এই বাজেট হলো সরকারের ব্যবস্থাপনা। সরকার কতটুক স্প্যান্ড করবে, এই স্প্যান্ডিংটা কীভাবে ফাইন্যান্স করবে- তার একটা প্রজেকশন। এখন এর সঙ্গে আলটিমেটলি অর্থনীতির যে ব্যবস্থাপনা, তার সঙ্গে এটা চলে আসে। যেমন সরকার যদি অর্থায়নের জন্য ব্যাংক থেকে এগ্রেসিভলি টাকা ধার করে, তাহলে ডেফিনেটলি আমাদের প্রাইভেট সেক্টরে আমার যে টাকা দরকার, যে ফান্ড দরকার, সেখানে শর্ট হবে। তাই না?

অনুষ্ঠানের আরেক অতিথি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সরকারের প্রথম বাজেট এটা। আমার মনে হয় বাজেটের আকারটা, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, এটা অনেক বড়। এই অনেক বড় বাজেট যখন আমরা দেখি, আমরা একটু শঙ্কিত হই, আতঙ্কিত হই। কারণ বাজেটের আকার যখন বাড়ে, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রাটা বেড়ে যায়। আর রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা বেড়ে গেলে তখন আমরা চিন্তা করি যে ট্যাক্স নেটের আওতার মধ্যে আমরা যে কিছু লোকজন আছি, এদের উপরেই বোধহয় খড়্গটা, চাপটা বাড়বে আরো। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা প্রতিবারই ফেল করে এবং অন্তত ২৫-৩০% কম রাজস্ব আহরণ হয়।

তিনি বলেন, গত বছর যেটা টার্গেট দেওয়া হয়েছিল ৫ লাখ কোটি টাকার উপরে, সেটা কিন্তু হয়নি। সেখানেও প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব ঘাটতি ছিল। ধরে নিলাম, ওখানে ৪ লাখ পূরণ হয়েছে। তাহলে এমন কি ম্যাজিক হয়ে গেল, এমন কি ব্যবসা-বাণিজ্য বাম্পার হয়ে গেল যে এই বছর ৩ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব কালেক্ট হবে? প্রশ্নই আসে না।

আ. লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ : রাশেদ

অনলাইন ডেস্ক
আ. লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ : রাশেদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ। বুধবার (৩ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ। 

কালের কণ্ঠের পাঠকের জন্য রাশেদ খাঁনের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো : 

গণঅভ্যুত্থানের পরে সমন্নয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত। একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা পয়সার দরকার আছে! এ কথা শুনে একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান। 

২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সাথে এই ছেলেটি ছিল। তিনজন সমন্বয়কের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পিছনের মানুষটিই এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিগ্যেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসুদের বন্ধু, সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। হান্নান মাসুদের সাথে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছু দিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান ‘হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সাথে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসুদের সাথে থাকেনি।

রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্ট

নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসুদের এমপি হওয়ার পথেরকাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারো সাথে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নাই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সাথে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।