ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে মুসলিম বিশ্ব। ঈদ উদযাপন করছেন ক্রীড়াঙ্গনের তারকারাও। সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন ঈদের বিশেষ মুহুর্তগুলো।
ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে মুসলিম বিশ্ব। ঈদ উদযাপন করছেন ক্রীড়াঙ্গনের তারকারাও। সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন ঈদের বিশেষ মুহুর্তগুলো।
নেটিজেনদের অনেকেই বাবরের ড্রেস সেন্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে ছবিটি শেয়ার করার পর উমায়ের নামের একজন লিখেছেন ‘দুপাট্টা কেদার হ্যায় তেরা’।
এর মধ্যে বাবরের ব্যাটে রান খরার প্রসঙ্গটাও টেনে আনছেন কেউ। একজন লিখেছেন, ব্যাটিং ভালো না, ইংরেজি ভালো না; ড্রেসিং সেন্সও...!!! কেউ কেউ আবার ডিজাইনার পরিবর্তনের পরামর্শও দিয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
কামিন্দু মেন্ডিসকে সব্যসাচী ক্রিকেটার বললে ভুল হবে না। কেননা দুই হাতেই বোলিং করতে পারদর্শী তিনি। সঙ্গে ব্যাটিংটাও ভালো পারেন বাঁহাতি ব্যাটার। গতকাল ইডেন গার্ডেনসে এমন দক্ষতা দেখিয়ে রেকর্ডও গড়েছেন শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার।
আইপিএলে প্রথম বোলার হিসেবে দুই হাতে বোলিং করার কীর্তি গড়েছেন কামিন্দু। সেটিও আবার আইপিএলের অভিষেক ম্যাচে। শুধু কি ওভার করেই নিজের কাজ সেরেছেন তিনি, সঙ্গে একটি উইকেটও নিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী ব্যাটার। গতকাল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষেই এই কীর্তি গড়েছেন শ্রীলঙ্কার তিন সংস্করণের একাদশের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠা এই অলরাউন্ডার।
ম্যাচে অবশ্য একটি ওভারই করেছেন কামিন্দু। ১৩তম ওভারের তিনটি করে বল বাম ও ডান হাতে করেছেন তিনি। সেই ওভারের চতুর্থ বলে সতীর্থ হার্শাল প্যাটেলের দারুণ এক ক্যাচে অঙ্কৃশ রঘুবংশীকে আউট করেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার। এমন কীর্তি দিনে অবশ্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি।
দুই হাতে বল করার অভ্যাসটা শৈশব থেকেই করে আসছেন কামিন্দু। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলতে এসে দুই হাতে বোলিং করে আলোচনায় আসেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতা পরে জাতীয় দলেও দেখিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবশ্য দুই হাতে বল করা প্রথম ক্রিকেটার কামিন্দু নন, এমনকি শ্রীলঙ্কারও নন। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রথম বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েন বাংলাদেশের নারী দলের সাবেক প্রধান কোচ হাশান তিলকরত্নে। আর দুই শ্রীলঙ্কানের আগে এই কীর্তি গড়েছেন মোহাম্মদ হানিফ।
১৯৫৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই হাতে বল করেছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটার হানিফ। কিংস্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেদিন ৩৬৫ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেছিলেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্স। ১৯৯৪ সালের আগ পর্যন্ত টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস ছিল সেটি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেন্ট জনসে ৩৭৫ রানের ইনিংস খেলে পূর্বসূরীর রেকর্ড ভাঙেন ওয়েস্ট ইন্ডিজির আরেক কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা।
সময়টা বড্ড বাজে যাচ্ছে রোহিত শর্মার। জাতীয় ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলিয়ে সর্বশেষ ৯ ইনিংসে করতে পেরেছেন মাত্র এক ফিফটি। সেই ফিফটিই এসেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে। এরপর আগে পরে শুধুই রান খরা গেছে তার ব্যাটে।
আইপিএলে সেই বাজে ফর্ম চলমান থাকায় রোহিতকে শুনতে হচ্ছে নানান রকমের সমালোচনা। ভারতের সাবেক ব্যাটার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের মতে, ভারতীয় অধিনায়কের সময় ফুরিয়েছে এসেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন জানিয়েছেন, নামটা রোহিত বলেই তিনি মুম্বাইয়ের একাদশে এমন বাজে পারফরম্যান্সের পরও সুযোগ পাচ্ছেন।
সমালোচনা শুনে রোহিত কোনো জবাব না দিলেও তার হয়ে যেন ‘ব্যাট’ চালালেন কাইরন পোলার্ড।
রোহিত খুব শিগরিই ছন্দে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন পোলার্ড। তিনি বলেছেন, ‘অনেক সময় আসে যখন আপনি অল্প রানে আউট হবেন... তবে সে ব্যক্তি হিসেবে নিজের ক্রিকেট উপভোগ করছে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চাপের মুখেও পড়ে না।
ক্রিকেটে সে কিভাবে নিজেকে কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে তার ইতিহাসও কিছুটা তুলে ধরেছেন পোলার্ড।
এখন দেখার বিষয় এক সময়কার মুম্বাই সতীর্থ ও বর্তমানে গুরুর ভূমিকায় থাকা পোলার্ডের মুখের কথা ব্যাটে আনতে পারেন কি না রোহিত। এর জন্য অবশ্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে না তাকে। আজই সেই সুযোগ পাচ্ছেন তিনি, লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে।
দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন মার্ক চাপম্যান। কিন্তু ১৩২ রানের ইনিংসটির মুহূর্তটা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি ব্যাটার। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ে নেমে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি।
সেই চোটের কারণে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে পারেননি চাপম্যান।
পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় তৃতীয় ওয়ানডে থেকেও ছিটকে গেছেন চাপম্যান। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে যে ৩০ বছর বয়সী ব্যাটারকে পাওয়া যাচ্ছে তা আজ নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।
সর্বশেষ ২০১৯ সালে জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন সেইফার্ট। টি-টোয়েন্টির নিয়মিত মুখ হলেও ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মাত্র তিনটি।
ঘরের মাঠের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির হতাশা ঘোচাতে নিউজিল্যান্ড সফরে যায় পাকিস্তান। কিন্তু সাদা বলের দুই সংস্করণের সিরিজেই বাজেভাবে পরাজয় দেখেছে তারা। এমন হারের পর স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনা হচ্ছে ক্রিকেটারসহ কোচিং প্যানেলের। বাদ যাচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে সর্বশেষ দুই ওয়ানডে বিশ্বকাপের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও হতাশা উপহার দিয়েছেন বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ানরা। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় তারা। দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের এমন বাজে ফলের ক্ষোভ পিসিবির সভাপতি মহসিন নাকভির ওপর ঝেড়েছেন কামরান আকমল। পাকিস্তানের সাবেক উইকটেরক্ষক-ব্যাটার জানিয়েছেন, সম্মান থাকতেই নাকভির পদত্যাগ করা উচিত।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এমনটিই জানিয়েছেন আকমল। পাকিস্তানের হয়ে তিন সংস্করণ মিলেয়ে আড়াই শর ওপরে ম্যাচ সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘এটা বিব্রতকর। পিসিবি সভাপতির ভাবা উচিত যে যদি তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন তাহলে তার পদত্যাগ করা উচিত। নিজের সুনাম নষ্ট করবেন না।
বিশ্ব ক্রিকেটে সব সময় পাকিস্তানের বোলারা দাপট দেখালেও গত কয়েক বছর ধরে তা পারছে না। এশিয়ার মাঠে বোলারদের জন্য কিছু নেই বলে যারা অজুহাত দেখান তাদের উদ্দেশে কড়া বার্তাই দিয়েছেন আকমল। পাকিস্তানের বিপক্ষে শারীরিকভাবে অক্ষম ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না, এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানি বোলাররা যদি এমন উইকেটেও বোলিং করতে না পারে, তাহলে কোথায় পারবে? তাদের দাবি, এশিয়ার মাঠে বোলারদের জন্য কিছু নেই। কিন্তু যে মাঠে থাকে সেখানেও তারা কিছু করতে পারে না।