সুযোগের সদ্ব্যবহার করলেন ম্যাথেউস কুনহা। একাদশে জায়গা পেয়েই ব্রাজিলকে আনন্দের উপলক্ষ্য এনে দিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্ট্রাইকার। একবার নয়, দুইবার। তার দুটি গোলই অ্যাসিস্ট করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
অ্যাসিস্ট করে অবশ্য মন ভরেনি ভিনিসিয়ুসের। যোগ করা সময়ে গোল করে দলকে তৃতীয় লিড এনে দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার। পরে কুনহার জোড়া এবং তার গোলে ৩-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।
ফিলাডেলফিয়ায় আজ ম্যাচ শুরুর ১২ মিনিটে জালের দেখা পেয়েছিল ব্রাজিল। তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয় রাফিনিয়ার করা গোলটি।
২২ মিনিটে আরেকটি দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলেন রাফিনিয়া। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড। অবশ্য শটটি নেওয়ার আগে অফসাইডে ছিলেন তিনি।
ফিরতি মিনিটে ঠিকই গোল উদযাপন করে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুসের পাস থেকে গোলটি করেন ম্যাথেউস কুনহা। তাতে বিশ্বকাপে অভিষেক গোল পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফরোয়ার্ড।
ব্রাজিলের দ্বিতীয় গোলেও ভিনিসিয়ুস-কুনহার জুটির জাদুর দেখা মেলে। ৩৬ মিনিটে বাঁ পায়ের জোরাল শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। মাঝ মাঠ থেকে হাইতির ডি বক্সে দুর্দান্ত এক পাস বাড়ান ভিনিসিয়ুস।
যোগ করা সময়ে এবার জালের দেখা পান ভিনি। তৃতীয় মিনিটে হাইতির গোলরক্ষককে একা পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি তিনি। তাকে সহায়তা করেছেন লুকাস পাকেতা।
তবে বিরতি যাওয়ার আগে দুঃসংবাদ শুনেছে ব্রাজিল। পায়ের চোটে মাঠ ছেড়েছেন রাফিনিয়া। তার বদলে মাঠে নেমেছেন রায়ান।




