ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

আনন্দে মাছ ধরতে গিয়ে পায়ে বিঁধল বড়শি (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার

বাইরে সময় কাটানোর জন্য বের হয়েছিল সিঙ্গাপুরের একটি পরিবারের সদস্যরা। ইস্ট কোস্ট পার্কে তারা মাছ ধরার চেষ্টা করছিল। ওই সময় একটি বড়শি ওই পরিবারের একজন নারী সদস্যের পায়ে ঢুকে যায়।

এ ঘটনার ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন ফিডলি রোসিলি।

তিনি বলেন, আমার ১০ বছর বয়সী বোনের পায়ে খুবই বাজেভাবে বড়শি ঢুকে গেছে। বড়ষি একদিক দিয়ে ঢুকে অন্যদিকে বের হয়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন, আমি মাছ ধরার সময় সে আশেপাশেই ঘুরছিল। হুট করে বড়শিতে পা পড়ে তার।

দুর্ঘটনাবশত এটি তার পায়ে বিঁধে গেছে।

ফিডলি জানিয়েছেন, বড়শি যেভাবে গেঁথে গেছে, তা খুলে দেওয়া ততটা সহজ নয়। এটি সরাতে হলে দক্ষ কারো সহায়তা প্রয়োজন।

ভিডিওটি দেখতে পারেন

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

পরীক্ষায় ফেল, হতাশাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যা বললেন আহমাদুল্লাহ

শেয়ার
পরীক্ষায় ফেল, হতাশাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যা বললেন আহমাদুল্লাহ
শায়খ আহমাদুল্লাহ। ছবি : ফেসবুক থেকে নেওয়া

গত ১২ মে প্রকাশিত হয়েছে এসএসসি-২০২৩-এর ফল। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। গতবার পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গতবারের তুলনায় এবার বেড়েছে পাসের হার।

এসএসসির ফল প্রকাশের পর অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্য একটি অংশ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। কিছু শিক্ষার্থী আত্মহত্যার মতো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। এদের সম্পর্ক বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘এসএসসির ফলাফল প্রকাশের পর আটজন পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

এটা গণমাধ্যমে আসা খবর। প্রকৃত সংখ্যাটা আরো বেশি হতে পারে। আত্মহত্যার মূল কারণ ধর্মীয় শিক্ষার অভাব। দ্বিনি দিক্ষা পাওয়া মানুষ হতাশ হতে পারে না।
কারণ, তার ভরসার জায়গা আছে। পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী দুঃখ থেকে বাঁচতে সে জাহান্নামের আজাবে ঝাঁপ দিতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘পরীক্ষার পাস-ফেলই সফলতা কিংবা বিফলতার মানদণ্ড নয়। অনেক ফেল করা ছাত্র কর্মজীবনে সফল হয়। আবার ঈর্ষণীয় রেজাল্টের পরও অনেকের কর্মজীবন সুখের হয় না।

এর অসংখ্য উদাহরণ আমাদের চোখের সামনে আছে। সামগ্রিক জীবনের তুলনায় পরীক্ষার রেজাল্ট বিশেষ বড় কোনো ঘটনা নয়।’

সন্তানদের আত্মহত্যার পেছনে অনেক বাবা-মায়েরও দায় থাকে মন্তব্য করে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘নিজেদের অপূর্ণ স্বপ্নের বোঝা তারা এমনভাবে চাপিয়ে দেন সন্তানের কাঁধে, সেই ভার আর তারা বইতে পারে না। ফলে চক্ষুলজ্জায় তারা আত্মহননের পথ বেছে নেয়।’

তিনি বলেন, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের চেয়ে বেশি জরুরি ভালো মানুষ হওয়া। আমরা যদি আমাদের সন্তানদের নৈতিক ও দিনি চেতনাসমৃদ্ধ ভালো মানুষ বানাতে পারি, তবে এই ব্যাধি থেকে আমরা মুক্ত হতে পারব। নয়তো এই সংখ্যাটা দিন দিন আরো বাড়তেই থাকবে।

মন্তব্য

‘গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়’

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
‘গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়’

দেশের ৫২ জেলায় মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলমান এই তাপপ্রবাহ আরো এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের সব অঞ্চলে বর্ষা না আসা পর্যন্ত তাপপ্রবাহ কমার সম্ভাবনা নেই বলে মত আবহাওয়াবিদদের। দেশব্যাপী চলমান দাবদাহে অতিষ্ট মানুষ।

গরমের তীব্রতায় করণীয় সম্পর্কে বলছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গরমে সবাইকে সচেতন হতে বলেছেন।

আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, দেশ জুড়ে তীব্র দাবদাহ চলছে। নিকট অতীতে এই ধরনের গরম পরিলক্ষিত হয়নি।

সবাই বেশি করে পানি পান করি। খেটে খাওয়া শ্রমিকদের প্রতি সদয় হই। গরমের তীব্রতা আমাদেরকে জাহান্নামের উত্তাপের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

সুরা রুমের মধ্যে মহান আল্লাহ বলেছেন, জলে-স্থলে যত বিপর্যয় ঘটে, সব মানুষের হাতের কামাই।

 
একদিকে আমাদের জাগতিক বিশৃঙ্খলা ও অনিয়মের কারণে প্রকৃতি তার ভারসাম্য হারিয়ে বিপর্যয় সৃষ্টি করে। অপর দিকে আমাদের গুনাহের কারণে আল্লাহ প্রাকৃতিক শাস্তি দেন।

এমতাবস্থায় জাহান্নামের কথা স্মরণ করে আমাদের তাওবা ও গুনাহ বর্জন করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এবং অনাবৃষ্টি ও গরমের কারণ চিহ্নিত করে জাগতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। অপরিকল্পিত নগরায়ণের মাধ্যমে ব্যাপক হারে বৃক্ষ নিধন করা হচ্ছে।

এতে আমরা নিজেরাই নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনছি।

সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, ব্যাপকভিত্তিক বৃক্ষরোপণ ও বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ এবং পরিকল্পিত নগরায়ণের দিকে ধাবিত না হলে দাবদাহের এই অভিশাপ থেকে আমরা সহজে পরিত্রাণ পাব না। 
খাদ্যের জন্য এখনো আমাদেরকে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। তার উপর খরা ও অনাবৃষ্টির কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হলে একদিকে দরিদ্র কৃষকেরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, আমরাও খাদ্য সংকটে পড়ব।

তাই আসুন, আমরা গুনাহ বর্জন করি, আল্লাহর কাছে ফিরে আসি এবং দাবদাহ দূরীকরণে সামাজিক সচেতনতা ও শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করি।

হে আল্লাহ, আমাদের উপর উপকারী বৃষ্টি বর্ষণ করুন। কৃষিনির্ভর এই ছোট্ট দেশটিকে আপনার রহমত দিয়ে সজীব বানিয়ে দিন। আমীন। 
 

মন্তব্য

মাকে কাঁধে নিয়ে তাওয়াফ, ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মাকে কাঁধে নিয়ে তাওয়াফ, ভিডিও ভাইরাল

পবিত্র কাবাঘর প্রদক্ষিণ (তাওয়াফ) করছেন এক ব্যক্তি। তার কাঁধে বসে আছেন একজন বৃদ্ধা। দুজনের মুখেই হাসি। এমনই চিত্র ধরা পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে।

টুইটারে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওর ক্যাপশেন লেখা হয়েছে, 'মুতামার তার মাকে কাঁধে নিয়ে কাবা প্রদক্ষিণ করেন ওমরাহ পালনের জন্য।' তবে ওই বৃদ্ধা ও তার ছেলে কোন দেশের নাগরিক তা জানা যায়নি।

ভিডিওতে দেখা যায়, ছেলের কাঁধে চড়ে ওমরাহ করা বৃদ্ধার চোখে-মুখে আনন্দের হাসি। কাঁধে বসেই ছেলের মুখ ধরে আদর করে দিচ্ছেন বৃদ্ধ মা।

কাবার পাশে মা-ছেলের এমন দৃশ্য দেখে ক্যামেরাবন্দি করছেন অনেকে। তাদের দেখে হাত নাড়েন। অপরদিকে তার মাও হাসিমুখে এদিক-ওদিকে তাকাতে থাকেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাঁধে চড়ে মাকে তাওয়াফ করানোর দৃশ্য দেখে ছেলেকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন নেটিজেনরা।

মন্তব্য

অবশেষে মুক্তি পেলেন ভাইরাল কালু

ভাইরাল ডেস্ক
ভাইরাল ডেস্ক
শেয়ার
অবশেষে মুক্তি পেলেন ভাইরাল কালু
ডামান্ট ও ভাইরাল কালু

অস্ট্রেলিয়ান ব্লগারকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক দোভাষী আব্দুল্লাহ কালুকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাকে এক দিনের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। সোমবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত এ আদেশ দেন।

তবে তিনি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

সোমবার কালুকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।

পরে তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করলে আদালত তাকে ২০০ টাকা অর্থদণ্ডের বিনিময়ে মুক্তির আদেশ দেন। সিএমএম আদালতের হাজতখানার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

সম্প্রতি হোটেল থেকে বের হয়ে রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকায় ব্লগ করছিলেন লুক ডামান্ট। সে সময় সাবলীল ইংরেজিতে তাকে স্বাগত জানান আব্দুল্লাহ কালু।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ