ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

থানার লাগোয়া বাড়িতে ডাকাতি, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
শেয়ার
থানার লাগোয়া বাড়িতে ডাকাতি, বিএনপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ ডাকাত
সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত কিছু টাকাও উদ্ধার করা হয়েছে । 

রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চকরিয়া থানা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। 

গ্রেপ্তার তিন ডাকাত হলেন- চকরিয়া পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাহারিয়াঘোনাস্থ খোন্দকার পাড়ার নুরুল আমিনের ছেলে ও একই ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. নয়ন চৌধুরী (৪৫), একই ওয়ার্ডের ঘাট পাড়ার কবির আহমদের ছেলে মো. ইসমাইল (৩৫) ও পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বাটাখালী এলাকার মমতাজ উদ্দিন আহমদের ছেলে মো. হানিফ (৪৩)।

পুলিশ জানায়, থানার বাউন্ডারি লাগোয়া ও পুলিশের চকরিয়া সার্কেল অফিসের সামনের প্রবাসী শ্রীমন্ত দাশের বাড়িতে গত শনিবার ভোররাত আড়াইটার দিকে মুখোশধারী একদল সশস্ত্র ডাকাত হানা দেয়। দারোয়ান রবীন্দ্র দাশকে ছুরিকাঘাত ও হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখার পর প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী রুবী দাশ ও দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া সুক্তা দাশকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ লাখ টাকা, তাদের শরীরে থাকা চার ভরি স্বর্ণালঙ্কার, দুটি এনড্রয়েড মোবাইল ও দামি মালামালসহ প্রায় ৭ লাখ টাকার সম্পদ লুট করে। এই ঘটনার পর পুলিশ ডাকাতিতে সম্পৃক্তদের ধরতে মাঠে নামে এবং থানা ও সার্কেল অফিসের আশপাশের সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে।

সেই ফুটেজ দেখে প্রথমে হানিফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ডাকাতিতে সম্পৃক্ত আরো দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। 

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভুঁইয়া বলেন, প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় স্ত্রী রুবী দাশ বাদী হয়ে থানায় মামলা রুজু করেছেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার তিন ডাকাতকে আজ রবিবার আদালতে উপস্থাপন করা হলে তাদের জেলহাজতে পাঠান বিচারক।

 

তিনি বলেন, ডাকাতিতে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধার করতে গ্রেপ্তার তিন ডাকাতকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। এজন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

তরমুজ চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
শেয়ার
তরমুজ চুরিতে বাধা দেওয়ায় কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
সংগৃহীত ছবি

নিজের জমি থেকে তরমুজ চুরিতে বাধা ও চাঁদা না দেওয়ায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় কুদ্দুস হাওলাদার (৪৫) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে আহত করার পর তার মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোর পৌনে ৪টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত কৃষক ওই এলাকার আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার রানীরহাটের দিয়ারচর এলাকায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

আরো পড়ুন
এসির কার্টুনে মিলল তরুণীর নিথর দেহ, এলাকায় আতঙ্ক

এসির কার্টুনে মিলল তরুণীর নিথর দেহ, এলাকায় আতঙ্ক

 

উপ‌জেলার চরামদ্দি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই এনামুল হক শহীদ বলেন, ‘এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।’

নিহতের মামাতো ভাই মজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাড়ির পাশের জামিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন কুদ্দুস। সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকজন তার কাছে চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ক্ষেত থেকে কিছু তরমুজ নিয়ে যান। তরমুজ নেওয়ায় প্রতিবাদ করায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে একা পেয়ে কুদ্দুসকে মিরাজ, আনোয়ার, হাসনাইন, সরোয়ার সানি, মতিউর রহমান ও ফয়সালসহ ১০-১৫ জন মিলে তাকে মারধর করেন।’

আরো পড়ুন
‘সম্পর্কে প্রভাব ফেলে’ এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলতে ড. ইউনূসকে অনুরোধ মোদির : বিক্রম মিশ্রি

‘সম্পর্কে প্রভাব ফেলে’ এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলতে ড. ইউনূসকে অনুরোধ মোদির : বিক্রম মিশ্রি

 

চরামদ্দি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই এনামুল বলেন, ‘কিছুদিন ধরে চরাদি এলাকার কিছু লোক রাতের আঁধারে কৃষক কুদ্দুস হাওলাদারের ক্ষেতের তরমুজ চুরি করে আসছিল। সম্প্রতি তারা দিনের বেলাতেও তরমুজ নিয়ে যায়।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তরমুজ চুরি করে নেওয়ার সময় কুদ্দুস তাদের বাধা দেন। তখন তাকে ক্ষেতের পাশে থাকা একটি লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘স্থানীয়রা আহত অবস্থায় কুদ্দুসকে উদ্ধার করে আমাদের ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে কুদ্দুসের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে আনা হয়েছে।’

মন্তব্য
জেলা ও পৌর প্রশাসনকে চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি

মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ডের গুদাম ঘর পাবলিক টয়লেট

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
শেয়ার
মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ডের গুদাম ঘর পাবলিক টয়লেট
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশের অন্যতম ও প্রাচীনতম শিক্ষা বিদ্যাপিঠ ‘বগুড়া জিলা স্কুল’। ১৮৫৩ খিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয় কবি সাহিত্যক, লেখক, বিচারপতি, বিচারক, সচিব ও রাজনীতিকসহ দেশের অসংখ্য খ্যাতিমান ব্যক্তির পাঠশালা ছিল। শহরের কেন্দ্রস্থল সাতমাথা সংলগ্ন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান।

বিদ্যালয়ের প্রাচীর ঘেষে উত্তর-পূর্ব কোনায় রয়েছে পাবলিক টয়লেট।

প্রতিনিয়ত দূর্গন্ধযুক্ত নোংরা পানি উপচে উঠে বিদ্যালয়ের গেটে পারাপার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। টয়লেটের কোনায় সিগারেট বিক্রির নামে ছোট টেবিল-চেয়ারে সাজানো রয়েছে একটি দোকান। মূলতঃ এখান থেকেই সরবরাহ হয় মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ডের খদ্দের। জেলা প্রশাসন ও পৌরসভাকে একাধিকবার চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি।
 

শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, বিশেষ কোনো সুবিধার বিনিময়ে এখনো এই টয়লেটটি অপসারণ করা হচ্ছে না।

পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ১৫ বছর আগে ঐতিহ্যবাহী জিলাস্কুলের কোলঘেষে নির্মাণ করা হয় এই পাবলিক টয়লেট। এরপর নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বেসরকারিভাবে এক ব্যক্তিকে লিজ দেয় পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। বছরে একবার টাকা আদায় ছাড়া টয়লেটের মূল নিয়ন্ত্রণ লিজগ্রহীতা ব্যক্তির কাছে।

পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের অভিযোগ, লিজ দেওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয় কেন্দ্রিক পুরো পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায়। টয়লেটটি অপসারণের দাবিতে বেশ কিছুদিন যাবৎ জেলা প্রশাসনকে অবগত করে আসছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন টয়লেট কোনায় আসে মাদকসেবন ও অনৈতিক কাজের জন্য আসা বিশেষ শ্রেণির মানুষ। টয়লেট ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে নগদ টাকা আদায়কারী চেয়ারে বসা ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললেই মিলবে সবকিছু। কখনও গভীর রাত ও ভোরে টয়লেটেই মাদকসেবী ও অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য আগত বিশেষ শ্রেণির মানুষদের সুযোগ করে দেওয়া হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের সামনে টয়লেটের দূর্গন্ধযুক্ত নোংরা পানি জমে আছে। কেবল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকই নয়, চলাচলকৃত সকল পথচারী বিষয়টি নিয়ে জেলা ও পৌর প্রশাসনকে কটাক্ষ করে কথা বলছে। সরকারি আজিজুল হক কলেজ, শাহ সুলতান কলেজ, বগুড়া সরকারি কলেজ, মজিবুর রহমান মহিলা কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় যে, ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ বগুড়া জিলা স্কুলের সামনে এমন নোংলা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। 

বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, আইএফআইসি ও ডাচবাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তারাসহ ব্যবসায়ী সমিতির একাধিক নেতা জানান, নিশ্চয়ই এখানে অন্য কোনো মাসোহারা, দূর্ণীতি অথবা অসৎ বিষয় রয়েছে। যে কারণে বিদ্যালয় সংলগ্ন এই টয়লেটটি অপসারণ করা হচ্ছে না। 

বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) বগুড়ার আহ্বায়ক ডা. আফসারুল হাবীব রোজ এবং আদালতের সহকারি পাবলিক পসিকিউটর (এপিপি) এ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা জিয়ন জানান, জিলা স্কুলের সামনে এমন পরিবেশ নিঃসন্দেহে অস্বাস্থ্যকর এবং বে-আইনি। জেলা ও পৌর প্রশাসনের উচিত, নিজেদের ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে দ্রুত টয়লেটটি অপসারণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

নবম ও দশম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী জানান, একদিকে স্কুল গেটের সামনে দূর্গন্ধযুক্ত নোংরা-ময়লা পানি, অন্যদিকে টয়লেটকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে মাদকের ব্যবসা। এরপর আবার বে-আইনিভাবে টাকা নিয়ে বিদ্যালয়ের সামনে গাড়ি রাখাসহ অস্থায়ী দোকান বসানোয় ময়লা-আবর্জনার স্তুপ পড়ে থাকে। 

অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়ের সামনে এরকম পরিবেশ সত্যিই দুঃখজনক। 

সদ্য অবসরপ্রাপ্ত দুই প্রধান শিক্ষক তহমিনা বেগম এবং ড্যানিয়েল তাহেরসহ কর্মরত ৪ শিক্ষক জানান, এ বিষয়ে গত বছরের অক্টোবরেজেলা প্রশাসক ও পৌরসভার প্রশাসককে একটি চিঠি দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান গেটের পাশেই পাবলিক টয়লেটটি সকল ধরনের পরিবেশ খারাপ করে ফেলছে। ব্যাহত হচ্ছে পাঠদানসহ স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম। দ্রুত টয়লেটটি অপসারণ করা প্রয়োজন।

বগুড়া জেলা প্রশাসক ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হোসনা আফরোজা জানান, শিক্ষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি পৌর প্রশাসককে জানানো হয়েছে। তিনিই যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। পৌরসভার প্রশাসক মাসুম আলী বেগ বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, জানালেও টয়লেট অপসারন সম্পর্কে পরিস্কার করে কিছু জানাননি।

মন্তব্য
মানিকগঞ্জ

এসির কার্টুনে মিলল তরুণীর নিথর দেহ, এলাকায় আতঙ্ক

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
শেয়ার
এসির কার্টুনে মিলল তরুণীর নিথর দেহ, এলাকায় আতঙ্ক
সংগৃহীত ছবি

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের এগারোশ্রী এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ের পাশে পরিত্যক্ত এসির কার্টুন থেকে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে গোটা এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে এসির কার্টুনটি ঘিরে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় জমায়।

পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কার্টুনটি খোলে।

আরো পড়ুন
‘সম্পর্কে প্রভাব ফেলে’ এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলতে ড. ইউনূসকে অনুরোধ মোদির : বিক্রম মিশ্রি

‘সম্পর্কে প্রভাব ফেলে’ এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলতে ড. ইউনূসকে অনুরোধ মোদির : বিক্রম মিশ্রি

 

কার্টুনটি খোলার পর দেখা যায়, এর ভেতরে রয়েছে ২০/২৫ বছরের এক তরুণীর মরদেহ। পরে ঘটনাস্থল ঘিরে প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, কার্টুনটি থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল।

যা পচা মরদেহের গন্ধ বলেই ধারণা করছিলেন তারা। ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে। হত্যাকারী মরদেহ গোপনে এসির কার্টুনে ভরে এখানে ফেলে গেছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সকাল থেকেই আমরা কার্টুনের আশপাশে প্রচণ্ড গন্ধ পাচ্ছি।

প্রথমে গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু পরে সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেই।

আরো পড়ুন
ঈদ পরবর্তী আড্ডায় আমন্ত্রণ না পেয়ে হট্টগোল, যুবদল নেতা শোকজ

ঈদ পরবর্তী আড্ডায় আমন্ত্রণ না পেয়ে হট্টগোল, যুবদল নেতা শোকজ

 

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও কৌতূহল বিরাজ করছে।

মানিকগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সালাউদ্দিন বলেন, তরুণীর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

এটিকে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্যে নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

মন্তব্য

বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

আলম ফরাজী, ময়মনসিংহ
আলম ফরাজী, ময়মনসিংহ
শেয়ার
বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে আহত ছোট ভাই মারা গেছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) চিকিৎসাধীন মারা যান তিনি। 

নিহত মো. মাসুম (৩০) ভূজপুর ইউনিয়নের ফকিরা বন এলাকার ভোঁলা গাজীর বাড়ির আলী আহমেদের ছেলে। পেশায় তিনি মাদরাসা শিক্ষক ছিলেন।

 

ইউপি চেয়ারম্যান শিপন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বড় ভাই ইয়াসিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছোট ভাইয়ের ওপর হামলা করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম হয়। 

আরো পড়ুন
‘সম্পর্কে প্রভাব ফেলে’ এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলতে ড. ইউনূসকে অনুরোধ মোদির : বিক্রম মিশ্রি

‘সম্পর্কে প্রভাব ফেলে’ এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলতে ড. ইউনূসকে অনুরোধ মোদির : বিক্রম মিশ্রি

তিনি আরো জানান, তাকে রক্ষা করতে গিয়ে মা জুলেখা খাতুন আহত হন।

দুইজনকে চট্টগ্রাম নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার দুপুরে মাসুমের মৃত্যু হয়। জুলেখার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানান চিকিৎসক।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ