কুমিল্লার হোমনায় আন্ত জেলা ডাকাতদলের সর্দার ও অর্ধশত মামলার আসামি পাণ্ডু মিয়া খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হোমনা পৌরসভার বাগমারা গ্রামে তিনি খুন হন। আজ শুক্রবার দুপুরে ডাকাত সর্দার পাণ্ডুর লাশ উদ্ধার করে হোমনা থানা পুলিশ।
নিহত ফারুক হোসেন ওরুফে পাণ্ডু মিয়া পৌরসভার বাগমারা গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, হোমনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাণ্ডু মিয়ার নামে অর্ধশত মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার তিন বছর পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি এলাকায় আসেন। পুলিশ ও এলাকাবাসীর ধারণা, রাতের কোনো একসময় ডাকাতদলের লোকজনের হাতেই তিনি খুন হন।
সকালে রাস্তার পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয় কবি দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ পাণ্ডু মিয়া ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে হোমনা থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় প্রায় অর্ধশত ডাকাতি ও লুটপাটের মামলা রয়েছে।
সে তিনি-চার বছর এলাকা থেকে বিতারিত এবং নারায়ণগঞ্জে থাকত।
হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজেদুল আলম বলেন, আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার ৩/৪ বছর ধরে পলাতক রয়েছে। তবে ডাকাতির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তার দলের লোকজনের হাতে খুন হতে পারেন তিনি। নিহত ডাকাত পান্ডু মিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।