ঢাকা, শনিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৫
২২ চৈত্র ১৪৩১, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

স্ট্রোক মস্তিষ্কের রোগ, হার্টের রোগ নয়!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
শেয়ার
স্ট্রোক মস্তিষ্কের রোগ, হার্টের রোগ নয়!
বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জন আয়োজিত জনসচেতনতামূলক সংবাদ সম্মেলন। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘স্ট্রোক মস্তিষ্কের রোগ, হার্টের রোগ নয়।’ আজ মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলটন হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জন আয়োজিত জনসচেতনতামূলক সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্ট্রোক প্রধানত দুই প্রকারের হয়ে থাকে, মস্তিষ্কে হঠাৎ রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে মস্তিষ্কের এই অংশের কার্যক্ষমতা কিছু সময়ের জন্য অথবা সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পেলে স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে- এবং রোগী পক্ষাঘাতগ্রস্ত প্যারালিসিস সমস্যা, কথা বলতে অক্ষম হওয়া, মুখ বাঁকা হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনিতে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। একে ইস্কেমিক স্ট্রোক বলা হয়।

আরো পড়ুন

জার্মান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

জার্মানির নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

 

আবার অন্য আরেক রকম স্ট্রোক হয়, যেখানে মস্তিষ্কের রক্তনালি ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে সাধারণভাবে, যা ব্রেন হেমারেজ নামে পরিচিত। এ রকম স্ট্রোকের উপসর্গ সাধারণত আরো ভয়াবহ হয়, এ ছাড়া মস্তিষ্কের রক্তনালির অন্যান্য রোগ থাকার ফলে রক্তপাত হয়ে স্ট্রোক হয়। রক্তনালির বিশেষ অংশ ফুলে গিয়ে ফেটে যাওয়া ধমনি ও শিরার অস্বাভাবিকতা থেকেও স্ট্রোক হতে পারে।'

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনসের সদস্যসচিব ডা. নুরুজ্জামান খান বলেন, ‘স্ট্রোক মস্তিষ্কের রোগ, হার্টের রোগ নয়।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ অথবা মস্তিষ্কে হঠাৎ রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে স্ট্রোক হয়ে থাকে। বিশ্বজুড়ে পঙ্গুত্বের প্রধান কারণ স্ট্রোক এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর কারণ হিসেবেও স্ট্রোককে দায়ী করা যায়। অথচ অনেকাংশেই স্ট্রোক প্রতিরোধ করা সম্ভব।'

আরো পড়ুন

৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের সায়েন্সল্যাব অবরোধ

৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের সায়েন্সল্যাব অবরোধ

 

বিএসএমএমইউ উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, অল্প বয়সী মানুষের স্ট্রোকের অন্যতম কারণ ড্রাগ।

সম্প্রতি তরুণসমাজ একটি সুন্দর বিপ্লব করে নতুন বাংলাদেশের সূচনা করেছে। নতুন এ বাংলাদেশে যারা তরুণদের হাতে নেশাজাতীয় দ্রব্য তুলে দিচ্ছে, তাদের কঠোরতম শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস ২০২৪ উপলক্ষে 'বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনস' আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জনসের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা মো. মওদুদুল হক, সদস্যসচিব ডা. মো. নুরুজ্জামান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মো. জাহিদ রায়হান প্রমুখ। এর আগে সকালে একটি জনসচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বে প্রতিবছর ২১ অক্টোবর স্ট্রোক দিবস পালন করা হয়।

এই দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে স্ট্রোক কী তা জানা ও বোঝা এবং কিভাবে স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যায়, স্ট্রোক আক্রান্ত রোগীর পরিপূর্ণ যত্ন ও উপযুক্ত চিকিৎসা সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা। 

আরো পড়ুন

চলে গেলেন মেহেরপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ছমির উদ্দীন

চলে গেলেন মেহেরপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ছমির উদ্দীন

 

২০২৪ সালের বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের থিম হচ্ছে- "Greater than Stroke Active Challenge" অর্থাৎ শারীরিক পরিশ্রম ও খেলাধুলার মাধ্যমে স্ট্রোকের তীব্রতার ভয়াবহতা, সংখ্যা হ্রাসের ও  স্ট্রোক-পরবর্তী পুনর্বাসনের প্রক্রিয়াসমূহ এবং সচেতনতা।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

রেশ কাটেনি ঈদের ছুটির, এখনো বন্ধ অনেক দোকান-মার্কেট

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
রেশ কাটেনি ঈদের ছুটির, এখনো বন্ধ অনেক দোকান-মার্কেট
সংগৃহীত ছবি

ঈদুল ফিতরের পঞ্চম দিনেও ঢাকায় পরিপূর্ণ কর্মচাঞ্চল্য ফেরেনি। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক দোকান ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে। আবার ঈদের ছুটির শেষ সময়েও দোকানি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেকে কর্মস্থলে ফেরেননি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন জনবহুল এলাকার মার্কেট ও শপিং মলগুলোর অনেক দোকানের শাটার নামানো।

খোলা থাকা দোকানগুলোতেও বেচাকেনা কম, বিশেষ করে মোহাম্মদপুর, ধানমণ্ডি, নিউমার্কেট, গাউছিয়া ও মিরপুরের বিভিন্ন মার্কেটে অন্য ছুটির দিনের মতো ভিড় নেই। আবার এলাকা ও পাড়া-মহল্লার অনেক দোকানেও তালা ঝুলছে। খোলা দোকানগুলোতে বিক্রেতাদের অলস সময় কাটাতেও দেখা গেছে।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষ হয়ে এলেও মানুষের মধ্যে এখনো উত্সবের আমেজ বিরাজ করছে।

দীর্ঘ রোজা ও ঈদের ব্যস্ততা শেষে মানুষ একটু বিশ্রাম নিতে চাইছে। কর্মস্থলে ফেরার বিষয়েও অনেকে দেরি করছেন। সে জন্য এখনো রাজধানীতে ধীরগতি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে আরো কয়েক দিন সময় লাগবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

রাজন মাহমুদ নামের এক দোকানি বলেন, ‘ঈদের সময় অনেক ব্যস্ততা যায়। ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলাম, গতকাল (বৃহস্পতিবার) ফিরেছি। আজ (শুক্রবার) দোকান খুলেছি কিন্তু মার্কেটে মানুষের আনাগোনা খুই কম। ফলে বিক্রিও কম। তা ছাড়া এখনো স্টাফরা ফেরেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘ঢাকার বাইরে যাওয়া ক্রেতা এবং শ্রমজীবী মানুষ এখনো ঢাকায় পুরোপুরি না ফেরায় মার্কেট ও ফুটপাতে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে না। এ ছাড়া শহরের রাস্তাঘাটেও যানবাহনের চাপ কম। হয়তো আরো কয়েক দিন পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’

গাউছিয়া মার্কেটের আরেক বিক্রেতা মাহবুব বলেন, ‘ক্রেতা নেই বললেই চলে। যাঁরা ঢাকায় ফিরেছেন, তাঁরাও কাজ শুরু করেননি পুরোদমে। আরো দু-এক দিন পর হয়তো গতি ফিরবে।’

মন্তব্য

ফ্লাইওভারে প্রাইভেট কার-বাইকের সংঘর্ষ, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ফ্লাইওভারে প্রাইভেট কার-বাইকের সংঘর্ষ, ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর কালশী ফ্লাইওভারে প্রাইভেট কারের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছিটকে পড়ে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিক তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। 

ঢাকা মেডিক্যাল সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই দুই যুবককে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মিরপুর পল্লবীর কালশী এলাকা থেকে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুই যুবককে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পল্লবী থানার ওসি জানান, দুই তরুণ মোটরসাইকেলে করে ফ্লাইওভারে উঠছিলেন। এ সময় একটি টয়োটা সিএইচ-আর মডেলের প্রাইভেট কারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে পেছনে বসা আরোহী প্রায় ২৫ ফুট নিচে রাস্তায় ছিটকে পড়েন। আশপাশের পথচারীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ ছাড়া চালক ফ্লাইওভারের ওপরেই ছিটকে পড়েন।

মন্তব্য

ভাপসা গরমেও দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর চিড়িয়াখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
ভাপসা গরমেও দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর চিড়িয়াখানা
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় ঈদের পঞ্চম দিন শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ছিল উপচে পড়া ভিড়। দর্শনার্থীদের বেশির ভাগই মা-বাবার সঙ্গে আসা শিশু।

এদিকে দুপুর থেকেই রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ভাপসা গরম উপেক্ষা করেই চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে।

সরেজমিনে মিরপুর চিড়িয়াখানা পরিদর্শনে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ ঘুরতে এসেছে। শহরের যান্ত্রিকতা পাশে রেখে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেই চিড়িয়াখানায় এসেছে বলে জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা। তবে ঈদের তিন দিনের তুলনায় আজ দর্শনার্থীর সংখ্যা কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

একজন টিকিট বিক্রেতা বলেন, সকালে টিকিট বিক্রি হয়েছে কম।

দুপুরের পর থেকে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। বিকেলে ভিড় আরো বাড়বে আশা করছি।

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে মো. সাইদুর রহমান দুই সন্তান নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছেন। ভ্যাপসা গরমে ক্লান্ত হয়ে গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন।

এ সময় কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, আজকে গরম পড়েছে অনেকে। এই গরমে বাচ্চাদের নিয়ে হাঁটা যায় না। তাই গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছি।

মিরপুর ১০ নম্বর থেকে এসেছেন পরিবহন শ্রমিক হানিফ সরকার।

তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। পুরান ঢাকার থেকে দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করেন জ্ঞানেন্দ্রনাথ কুন্ড। বেলা সাড়ে ১২টায় বের হয়ে যান তারা। তিনি বলেন, ভ্যাপসা গরমে ছোট বাচ্চাদের পুরোটা ঘুরে দেখতে পারিনি।

এদিকে, চিড়িয়াখানায় নতুন প্রাণী না থাকায় বেশিক্ষণ ঘোরার আগ্রহ পাননি অনেকে। তারা বলছেন, ওই একই প্রাণী। তিন বছর আগেও এগুলো দেখেছি। বরং এবার প্রাণির সংখ্যা কম, অনেক খাঁচা খালি। দেখার কিছুই নেই।

মারিয়াম নামের এক দর্শনার্থী জানান, টিকিটের দামটা অনেক বেশি। প্রথম যখন এসেছিলাম তখন ১২ টাকা ছিল, এখন ৫০ টাকা। এটা একটু কম হলে ভালো হয়।

মন্তব্য

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তৎপর ট্রাফিক পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তৎপর ট্রাফিক পুলিশ
ছবি: লুৎফর রহমান

ঈদের ছুটিতে রাজধানীতে ট্রাফিক আইন মানছেন না অনেক চালক। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের আইন ভাঙার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সড়কে শৃঙ্খলা আনতে কাজ করছে ট্রাফিক পুলিশ। 

সরেজমিনে দেখা যায়, মোটরসাইকেলে চালকসহ দুইজনের বেশি ওঠা নিষেধ থাকলেও অনেকেই তা মানছেন না।

তিনজন এমনকি চারজন আরোহী নিয়ে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা গেছে অনেককে। আবার হেলমেট ছাড়া দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছেন অনেকে। 

১
ছবি: লুৎফর রহমান

উত্তরা এয়ারপোর্ট ট্রাফিক জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: সোহেল রানা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে বিমানবন্দর মোড়ে স্পিডগান দিয়ে গতি মেপে বিভিন্ন যানবাহনকে আটক করছে ট্রাফিক পুলিশ। আইন ভঙ্গকারীদের দেওয়া হচ্ছে মামলা।

ঈদের ছুটিতে সড়ক ফাঁকা থাকায় বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে মামলা দেওয়া নয়; চালকদের সচেতন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। 

২
ছবি: লুৎফর রহমান

এ সময় টিআই আমিনুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, সড়কের আইনশৃঙ্খলা ফেরাতে এবং ফাঁকা সড়কে দ্রুত গতিতে গাড়ি না চালানোর জন্য চালকদের আমরা সচেতন করছি। 

সিনিয়র সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় দত্ত বলেন, সহকর্মীদের নিয়ে সকাল থেকে চলছে আমাদের এই কার্যক্রম।

এটা প্রতিদিনই চলবে, বিমানবন্দর মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে। 

আফসদ
ছবি: লুৎফর রহমান

 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ