ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

সাড়ে চার লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে সহায়তা দেবে পিকেএসএফ

  • খরচ হবে ১৭০০ কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
সাড়ে চার লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে সহায়তা দেবে পিকেএসএফ

ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতে বিকাশের লক্ষ্যে রুরাল মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি) নামের নতুন একটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু করেছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। রবিবার ছয় বছরমেয়াদী এই প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। পিকেএসএফ, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) ও ড্যানিশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

ভার্চুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম।

সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। প্রকল্পের বিভিন্ন দিক উপস্থাপনা করেন পিকেএসএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুল কাদের। 

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশে ড্যানিশ দূতাবাসের সম্মানিত রাষ্ট্রদূত মিস উইনি এস্ত্রাপ পেটারসেন এবং ইফাদের কান্ট্রি ডিরেক্টর ওমার জাফর।

 

আরএমটিপি প্রকল্পকে একটি সময়োপযোগী প্রকল্প হিসেবে আখ্যায়িত করে সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোগ খাতের উন্নয়ন দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত জরুরি। প্রান্তিক পর্যায়ের উৎপাদক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য যথাযথ অর্থায়ন নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রকল্পের অর্থায়নসহ অন্যান্য উপাদান সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রকল্পটিতে উদ্ভাবনীমূলক প্রযুক্তি বিশেষত আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)-এর মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে পিকেএসএফ-কে বাংলাদেশের আইকোনিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থাসমূহের এই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। 

বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ডেনমার্কের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে ড্যানিশ রাষ্ট্রদূত মিস উইনি এস্ত্রাপ পেটারসেন বলেন, প্রান্তিক কৃষক ও উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদানের ফলে তাঁদের পারিবারিক আয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা ও সামগ্রিক দারিদ্র্যনিরসন নিশ্চিত করা গেছে। আরএমটিপি প্রকল্পকে যথাযথ উপাদানসম্পন্ন একটি প্রকল্প হিসেবে উদ্ধৃত করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এটি প্রান্তিক পর্যায়ের উৎপাদক ও উদ্যোক্তাদের বাণিজ্যিকভাবে সফল হতে ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিতে সহায়তা করবে।

এ প্রকল্পে সম্পৃক্ত হতে পেরে তাঁর সরকার আনন্দিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। ইফাদের কান্ট্রি ডিরেক্টর ওমার জাফর বলেন, গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোগ উন্নয়নে আরএমটিপি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করতে পেরে ইফাদ আনন্দিত।

উদ্ভাবনীমূলক প্রযুক্তি সন্নিবেশিত করে ও আদর্শ পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রকল্পটি নিরাপদ ও পুষ্টিসম্মৃদ্ধ উচ্চমূল্যমানের কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণে কাজ করবে।

এছাড়া, প্রকল্পটি অকৃষি উদ্যোগ বিকাশে সহায়তা করে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সভাপতির বক্তব্যে পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও গ্রামীণ ও কৃষি নির্ভর এবং এখানে ৮০ শতাংশ মানুষ অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। এই পরিস্থিতির রূপান্তর নিশ্চিত করতে হলে যথাযথ অর্থায়নের পাশাপাশি প্রযুক্তি হস্থান্তর, প্রশিক্ষণ, বাজার স¤প্রসারণ ও সংযোগ আবশ্যক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হবে। যাতে করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে জীবিকার প্রয়োজনে অন্যত্র স্থানান্তরিত হতে হবে না। তিনি বলেন, অতিদরিদ্র, দরিদ্র এবং উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে পিকেএসএফ কাজ করে যাচ্ছে, যার ফলে দরিদ্ররা টেকসইভাবে দরিদ্র অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসছে। 

নতুন এই প্রকল্প বিষয়ক উপস্থাপনায় ফজলুল কাদের জানান, প্রকল্পের আওতায় গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন, উচ্চ মূল্যমানের শস্য ও উদ্যান কৃষি, এবং মৎস্যচাষ- এই তিনটি প্রধান কৃষি খাতভুক্ত পণ্যের ভ্যালু চেইন কর্মকাণ্ড, ক্ষুদ্র উদ্যোগে আর্থিক পরিষেবা প্রদান এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশের ৪.৫ লক্ষ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে প্রত্যক্ষ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বাস্তবায়িতব্য এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ কোটি ডলার। যার মধ্যে ইফাদ অর্থায়ন করবে ৮ কোটি ডলার। সহ-অর্থায়নকারী হিসেবে ডানিডা আট কোটি ডলার দেবে। অবশিষ্ট টাকা পিকেএসএফ, সহযোগী সংস্থা, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও উদ্যোক্তারা যোগান দেবে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ তিন শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায় : প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বাংলাদেশ তিন শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায় : প্রধান উপদেষ্টা
সংগৃহীত ছবি

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিমসটেকের আমূল পরিবর্তনে বাংলাদেশ শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নির্গমন— এ তিনটি শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায়।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককে বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিমসটেক অঞ্চল বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। অনেকেই এ বিশাল জনসংখ্যাকে ‘সমস্যা’ হিসেবে দেখলেও সঠিক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে এ জনসংখ্যাই সবচেয়ে বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে।

নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সঠিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এ অঞ্চল বিশাল সম্ভাবনাময় হয়ে উঠতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সব সময় উন্মুক্ত আঞ্চলিক সহযোগিতার পক্ষে। আমরা এমন একটি অঞ্চল গঠনের স্বপ্ন দেখি, যেখানে সব দেশ সমতার ভিত্তিতে পারস্পরিক স্বার্থ ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য কাজ করবে।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বিআইএমএসটিইসি অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ২০১৮ সালে স্বাক্ষরিত বিআইএমএসটিইসি গ্রিড সংযোগ চুক্তি জ্বালানি খাতে সহযোগিতার জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করতে পারে।

আরো পড়ুন
মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

 

অনুষ্ঠানে থাই প্রধানমন্ত্রী এবং সম্মেলনের চেয়ারপারসন পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রা, বিমসটেক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্র মনি পান্ডে এবং বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

মায়ানমার ও থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্য বিমসটেক নেতারা।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আগে বিমসটেক নেতারা সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণ করেন।

এর আগে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এক যৌথ ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর নেতারা। শুক্রবার বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর আগে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর তিনি বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ফটোসেশন করেন।

পরবর্তী সময়ে বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক যৌথ ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা।

আরো পড়ুন
যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে ব্যাঙ্ককে অবস্থান করছেন।

২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য
প্রধান উপদেষ্টা

যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

বাসস
বাসস
শেয়ার
যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
ছবি : প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের জনগণকে আশ্বস্ত করেছি— একবার আমাদের দায়িত্ব সম্পন্ন হলে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে, আমরা একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করব।’

শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণদানকালে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানগত অধিকার নিশ্চিত করতে, বিশেষ করে নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে নৃশংস সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাস ধরে গণহত্যায় লাখ লাখ সাধারণ নারী, পুরুষ, শিশু এবং যুবক-যুবতী সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছিলেন। আমাদের জনগণ এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত এবং মুক্ত সমাজের আকাঙ্ক্ষা করেছিল, যেখানে প্রতিটি সাধারণ মানুষ তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গত ১৫ বছরে আমাদের জনগণ, বিশেষ করে তরুণসমাজ, ক্রমাগত তাদের অধিকার হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবক্ষয় ঘটেছে এবং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে।

এ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের বিপুল প্রতিরোধ গড়ে ওঠে এবং প্রায় দুই হাজার নিরপরাধ মানুষ, যার মধ্যে ১১৮ জন শিশু, এই আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করেন। বাংলাদেশের মানুষ তার ইতিহাসে এক পুনর্জন্ম প্রত্যক্ষ করেছে।

লিখিত বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য সুদূরপ্রসারী সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সুশাসন, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি জানান, সংস্কার পরিকল্পনার অন্যতম মূল ভিত্তি। অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা, সরকারি প্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন সংস্থা এবং সংবিধান সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, যা জনসাধারণের মালিকানা, জবাবদিহি ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।

তিনি আরো জানান, এ কমিশনগুলো এরই মধ্যে তাদের সুপারিশ প্রদান করেছে, যা সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তার নেতৃত্বে ও ছয়টি কমিশনের প্রধানদের অন্তর্ভুক্তিতে সাত সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ গঠনের মাধ্যমে কমিশনগুলোর সুপারিশসমূহ গৃহীত ও কার্যকর করা হবে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেক নেতারা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেক নেতারা

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এক যৌথ ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর নেতারা। শুক্রবার বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

​এর আগে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা থাইল্যান্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সকালের নাশতা করেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এরপর তিনি বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ফটোসেশন করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে ব্যাঙ্ককে অবস্থান করছেন। ২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ ছাড়া বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে আজ স্থানীয় সকাল ১১টা ১০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

 অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ