ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের রোগী-মৃত্যু দুটিই বাড়ছে

শিমুল মাহমুদ
শিমুল মাহমুদ
শেয়ার
শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের রোগী-মৃত্যু দুটিই বাড়ছে

দেশে শ্বাসতন্ত্রের রোগী এবং এই রোগজনিত মৃত্যু বাড়ছে। শ্বাসতন্ত্রের চিকিৎসায় নিয়োজিত দেশের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটে আসা রোগীদের গত চার বছরের উপাত্ত থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভোগা রোগীদের ৮ শতাংশের বয়স ১৫ বছরের নিচে। পঞ্চাশোর্ধ্ব রোগী ৪৬.৩১ শতাংশ এবং এই বয়সী রোগীর মৃত্যু ৭১.৯১ শতাংশ।

অ্যাজমা, যক্ষ্মা ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ এবং জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সেরাজুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, এসব রোগীর মৃত্যুর অন্যতম কারণ ফুসফুসের ক্ষতি। পরিবেশ ও বায়ুদূষণ, রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার, ধূমপান—এসব কারণে শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের রোগ বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে রোগীর মৃত্যু। শহরগুলো বেশি দূষণের শিকার হলেও এখন গ্রামের রোগী বেশ বেড়েছে।

সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত বাতাসে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায় এবং রোগীর চাপ বাড়তে থাকে।

আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছে

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত চার বছরে হাসপাতালে প্রতিবছর রোগী বেড়েছে। হাসপাতালে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে এক লাখ ৪৬ হাজার ৩০১ জন, মৃত্যু ৭২৮ জনের। চলতি বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মিলিয়ে রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু গত বছরের সংখ্যা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০২২ সালে এখানে চিকিৎসা নেয় এক লাখ ৬১ হাজার ৮৩৩ জন, মৃত্যু ৯৪৭ জনের। ২০২১ সালে চিকিৎসা নেয় এক লাখ ৩৮ হাজার ২৪৮ জন, মৃত্যু ৯৪৫ জনের। ২০২০ সালে হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নেয় এক লাখ ১০ হাজার ৭৭৪ জন, মৃত্যু ৮৭৭ জনের।

২০২২ সালে জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রোগীর ৬০ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০ শতাংশ নারী। বয়সের ভিত্তিতে ৭.৯৬ শতাংশের বয়স ১৫ বছরের নিচে, ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সী ১৫.৪২ শতাংশ, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ৩০.২৩ শতাংশ, পঞ্চাশোর্ধ্ব রোগী ৪৬.৩১ শতাংশ।

মৃত্যুর ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৭৭ শতাংশ পুরুষ এবং ২২.৯১ শতাংশ নারী। ১৫ বছরের নিচে মৃত্যু ১.৯০ শতাংশ, ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৫ শতাংশ, ২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ২১.১১ শতাংশ, পঞ্চাশোর্ধ্ব রোগী ৭১.৯১ শতাংশ।

ডা. মো. সেরাজুল ইসলাম বলেন, ১৫ বছরের নিচে যে শিশুরা চিকিৎসার জন্য আসে, তাদের সাধারণত নিউমোনিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বেশি। চিকিৎসায় এরা ৯৬ শতাংশ ভালো হয়ে যায়। বয়স্ক যাঁরা আসেন, তাঁদের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিরাময় করা যায় না। নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

তিনি বলেন, বয়স্ক যেসব রোগী আসে তারা নিউমোনিয়া, সিওপিডি, অ্যাজমা ও ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে আসে। এসব রোগীর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। এ জন্য মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি। বয়স্কদের শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিকটতম হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। 

শীতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেশি

গতকাল বুধবার বক্ষব্যাধি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগে রোগীর অনেক ভিড়। হাঁচি-কাশি, ব্রংকাইটিস, যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের নানা সমস্যা নিয়ে এসব রোগী এসেছে। টিকিট হাতে চিকিৎসকের সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকা বেশির ভাগ রোগী গ্রাম থেকে এসেছে।

চিকিৎসকের সঙ্গে সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকা গাজীপুরের রফিকুল ইসলাম (৪৫) কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শ্বাসকষ্টের সমস্যা ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে। প্রতিবছর শীতের সময় এই সমস্যা বাড়তে থাকে। ওষুধ নিলে ছয় মাস ভালো থাকি, ছয় মাস বিছানায়। শ্বাসকষ্টের কারণে কিছু করতে পারি না।’

ঢাকার নয়াবাজার এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ধুলাবালির যন্ত্রণায় রাস্তায় বের হওয়া দায়। মাস্ক ব্যবহার করেও টেকা যায় না। আমার দুই দিন ধরে শ্বাসকষ্ট বেড়েছে। বাসায় ছোট বাচ্চা, বাচ্চার মা—সবার হাঁচি-কাশির সমস্যা।’

শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, এ সময় শিশুদের অ্যাজমা, অ্যালার্জি, ব্রংকাইটিস ও কাশি বাড়ে। ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শ্বাসতন্ত্রের রোগ বাড়ে। এর মূল কারণ হলো বায়ুদূষণ। 

তিনি বলেন, এ সময় সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকে গর্ভবতী মা, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা। অটিস্টিক শিশু, জন্মকালীন ওজন কম হওয়ার একটি কারণও বায়ুদূষণ। বায়ুদূষণ কমানো না গেলে শিশু ও বৃদ্ধ সবাই অসুস্থ হবে, বিভিন্ন রোগ বাড়বে।

আরো পড়ুন: আয়ু কমছে, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিন

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা
বাঁ থেকে পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা, ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও শেরিং তোবগে। ছবি : কোলাজ

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম বলেন, বিমসটেক বে অব বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজিয়নাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে।

সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরো জোর দেবেন।’

‘তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যে কোনোভাবে হোক আরো সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে।

তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরো দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।’

প্রেসসচিব আরো বলেন, ‘ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেনশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।

আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দুই পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দুই পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।’

মন্তব্য

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ৩৪১ জন

বাসস
বাসস
শেয়ার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ৩৪১ জন
প্রতীকী ছবি

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী যৌথবাহিনীর অভিযানে গত এক সপ্তাহে ৩৪১ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীনস্থ ইউনিটসমূহ কর্তৃক অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সকল যৌথ অভিযানে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, একাধিক মামলার আসামি, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং সদস্য এবং মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ৩৪১ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৩টি বিভিন্ন ধরনের গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, জাল নোট ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

আটকদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানায় আইএসপিআর।

এ ছাড়াও, ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক করতে গণপরিবহনের টার্মিনাল ও স্টেশনসমূহে টহল, সচেতনতামূলক মাইকিং, কালোবাজারি রোধ ও টিকিটের সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

 

পাশাপাশি, মহাসড়কে বিকল্প রুট, পার্কিং ব্যবস্থা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং রোড ব্লক প্রতিরোধে দিনরাত কাজ করেছে সেনা টহল দল, যা ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাকে করেছে সহজ ও নিরাপদ।

শিল্পাঞ্চলে সম্ভাব্য অস্থিরতা রোধে মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সমঝোতার মাধ্যমে বেতন-বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করেছে সেনাবাহিনী। ফলে শ্রমিকদের ঈদ উদযাপন হয়েছে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন। এ ছাড়া, রোবাস্ট টহল, চেকপোস্ট, মাইকিং ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ঈদগাহ, সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ জনগণকে যেকোন সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্পে তথ্য প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আশাশুনিতে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ত্রাণ বিতরণে সেনাবাহিনী
ছবি : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট গ্রামে রিং বাঁধ নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের সহায়তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ইউনিটের সঙ্গে ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিটের সদস্যরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঙ্গে সমন্বয় করে বাঁধ মেরামতের কাজ বাস্তবায়ন করছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্থানীয় জনগণ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় দুই পাশ থেকে রিং বাঁধ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে মোট পাঁচটি বাল্কহেড বাঁধ মেরামতের কাজ করছে।

গতকাল ৯৬ মিটার এবং আজ পর্যন্ত ২৪০ মিটার জিওটেক্সটাইল ব্যাগ স্থাপন করা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন, আজকের মধ্যে ৫০% নির্মাণকাজ সম্পন্ন হতে পারে। এ ছাড়াও, ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী আজ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের পানিবন্দী মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করেছে।

আজ বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এবং সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ সকাল ১১টার দিকে উল্লেখিত বেড়িবাঁধটির একটি অংশ ভেঙে প্রায় ১৫০ ফুট জায়গা খোলপেটুয়া নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।

মন্তব্য

ব্যাঙ্ককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ব্যাঙ্ককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ছবি : প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিবের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া

বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে বহুখাতীয়, কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ—বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে এক টেবিলে অংশ নিয়েছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের নেতাদের জন্য বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এই নৈশভোজের আয়োজন করেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা।

সেখানে অজিত ডোভালের সঙ্গে আলাপ হয় প্রধান উপদেষ্টার উচ্চপ্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের। প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এ সময় অজিত ডোভাল ও ড. খলিলুর রহমান নিজেদের চিন্তা-ভাবনা ভাগাভাগি করেন।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ