জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী মারা গেছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২ মে) সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ সময় ২টা ২৪ মিনিটে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ও বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘উনি প্রোস্টেট ক্যান্সারে ভুগছিলেন।
সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসার উদ্দেশেই গত ২৮ এপ্রিল তিনি সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন।’
এ জে মোহাম্মদ আলীর জানাজা ও দাফনের বিষয়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘আগামীকালের মধ্যে উনার মৃতদেহ দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। বনানী কবরস্থানে উনাকে দাফন করা হবে বলে জানতে পেরেছি।
’
এ জে মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। আলাদা শোক বর্তায় প্রয়াত এ আইনজীবীর শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তাঁরা।
২০০৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত এ জে মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশের দ্বাদশ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বাবা এম এইচ খন্দকার ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল।
তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।
এ জে মোহাম্মদ আলী ১৯৮০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। এরপর ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর তিনি রাষ্ট্রের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত হন। ২০০৫ সালের ৩০ এপ্রিল তাঁকে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা (অ্যাটর্নি জেনারেল) করা হয়। ২০০৭ সালের ২৪ জানুয়ারি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।
এ ছাড়া তিনি সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটিরও দায়িত্ব পালন করেছেন।