এক সময় ক্রিকেটবিশ্বে রাজত্ব করত উইন্ডিজ। তাদের ক্রিকেটাঙ্গন যেন রীতিমতো রত্নভাণ্ডার। সেই রত্নভাণ্ডারে থাকা অন্যতম সেরা রত্নটি হলেন ব্রায়ান চার্লস লারা। যাকে বলা হয় 'প্রিন্স অব ত্রিনিদাদ' কিংবা 'রেকর্ডের বরপুত্র'।
শুভ জন্মদিন
ব্রায়ান লারার মুখে শুনুন তার ১০টি সেরা মুহূর্তের গল্প
কালের কণ্ঠ অনলাইন

স্যার গ্যারি সোবার্সের সঙ্গে দেখা
স্যার গ্যারফিল্ড সোবার্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচের ঘটনা।
টেস্ট অভিষেক
১৯৯০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে লাহোরে আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। সুযোগটি পাওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞ কার্লাইল বেস্টের প্রতি! আমার একাদশে থাকার কথা ছিল না। কিন্তু ম্যাচের আগে স্লিপ ফিল্ডিং অনুশীলন করতে গিয়ে বেস্টের হাত ফেটে যাওয়ায় আমার সুযোগ হয়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৭৭ (১৯৯৩)
ওই সিরিজে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। সিডনিতে আগে আমাদের রেকর্ডও তেমন ভালো ছিল না। সব মিলিয়ে ম্যাচটা ছিল চ্যালেঞ্জিং। এত কম বয়সে ও নিজের মাত্র পঞ্চম টেস্টেই শেন ওয়ার্ন, মার্ভ হিউজ ও ক্রেইগ ম্যাকডারমটদের মতো বোলারদের সামলে অমন একটা ইনিংস খেলতে পারা ছিল অসাধারণ অনুভূতি। প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিই নিয়ে গেছি ২৭৭ পর্যন্ত। মনে আছে, চা-বিরতির সময় আমি ১২০ রানে অপরাজিত ছিলাম। কোচ রোহান কানহাই আমাকে বললেন উইকেট আঁকড়ে রাখতে এবং যতটা সম্ভব লম্বা সময় ব্যাট করতে। ইনিংসটি আমার খুব প্রিয় বলেই মেয়ের নাম রেখেছি সিডনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৭৫ রানের ইতিহাস গড়া ইনিংস
প্রথম তিন টেস্ট জিতেই আমরা সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিলাম। বার্বাডোজে চতুর্থ টেস্টে ইংল্যান্ড জিতে যায়। পঞ্চম টেস্টে অ্যান্টিগায় আমরা তাই দাপটে শেষ করতে চেয়েছিলাম। রেকর্ডের ভাবনা অবশ্যই আমার মাথায় ছিল না। তবে লক্ষ্য ছিল, অধিনায়ক ইনিংস ঘোষণা করা পর্যন্ত আমি উইকেটে থাকব। কোর্টনি ওয়ালশ ও কার্টলি অ্যামব্রোসের চোখের ভাষা যেন বলছিল, 'সাবধান! আউট হয়ে যেও না, এই ট্র্যাকে আমরা বোলিং করতে চাই না!'
আমার ক্যারিয়ারের দারুণ স্মরণীয় একটি মুহূর্ত ছিল ওই রেকর্ড। ইনিংসটি আমার ভাগ্যেই লেখা ছিল। সিডনিতে ২৭৭ রানের ইনিংসটিতে আমি রান আউট হয়ে যাওয়ায় স্যার গ্যারি সোবার্স বেশ হতাশ হয়েছিলেন। আমি খুবই উচ্ছ্বসিত ছিলাম যে তাকে ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ার সময় তিনি মাঠেই ছিলেন।
ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে ডারহামের বিপক্ষে ৫০১ রানের ইনিংস
১৯৯১ সালে ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিলাম। কন্ডিশন খুব কঠিন মনে হয়েছিল। সেবার যদিও টেস্টে সুযোগ পাইনি। মিডিয়াম পেসারদের সামলাতে সমস্যা হচ্ছিল। ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে কাউন্টি খেলতে গিয়ে (১৯৯৪) আমি তাই সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলাম, মানিয়ে নিতে সময় লাগতে পারে।
সৌভাগ্যবশত, আমি শুরু থেকেই রান করতে শুরু করি। প্রথম ৭ ইনিংসেই ৬ সেঞ্চুরি! ডারহামের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়া ইনিংসটি খেলার সময় আমার মনে হচ্ছিল, রানের বন্যা কি থামতে যাচ্ছে? ১০ রানে বোল্ড হলাম, কিন্তু সেটি ছিল নো বল। ১৪ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গেলাম। আমি শুরু থেকে সারাদিনই আগ্রাসী ব্যাট করে গেছি, একের পর এক মাইলফলক পেরিয়ে গেছি। স্রেফ মাথা নিচু করে চূড়ার দিকে ছুটে গেছি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ বাঁচানো ১৭৯ রানের ইনিংস (১৯৯৫)
সেটি খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ ছিল। ইংল্যান্ড সমানতালে লড়াই করছিল। যতবারই আমরা এগিয়ে যাচ্ছিলাম, ততবারই ওরা ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল। ব্যাট হাতে ৫ টেস্টে ৩ সেঞ্চুরি, ৩ ফিফটিতে সিরিজটি আমার ভালোই কেটেছিল। ইংল্যান্ড আশা করছিল যে ওভালে শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজ জিতবে। প্রথম ইনিংসে ভালো স্কোরও গড়েছিল (৪৫৪)। তবে আমার ও কার্ল হুপারের সেঞ্চুরিতে জয় ইংল্যান্ডের সেই আশা শেষ হয়ে যায়। বড় একটি সেঞ্চুরি দিয়ে সিরিজ শেষ করতে পারায় ভালো লেগেছিল। যদিও দল জিতলে আরও ভালো লাগত।
৩ টেস্টে ৬৮৮ রান (২০০১)
শ্রীলঙ্কায় ওই সিরিজে আমার পারফরম্যান্স দারুণ ছিল। ক্যারিয়ারের অনেক বড় একটি মুহূর্ত সেটি। আমরা তিন টেস্টেই হেরেছিলাম কিন্তু আমি ম্যান অব দা সিরিজ হয়েছিলাম। হোয়াইটওয়াশড হওয়া দলের ক্রিকেটার কীভাবে সিরিজের সেরা হতে পারে! ওই সিরিজে আসলেই খুব ভালো ব্যাট করেছিলাম। মনে আছে, একটি টেস্টে আমি প্রথম ইনিংসে ২২১ করলাম, দ্বিতীয় ইনিংসে ১৩০। তারপরও দল ম্যাচ হেরে গেল দুই সেশন বাকি থাকতেই!
সর্বোচ্চ রানের নতুন বিশ্বরেকর্ড-৪০০ (২০০৪)
১০ বছর আগের চেয়ে সেবারের প্রেক্ষাপট ছিল পুরো ভিন্ন। সেবার আমরা সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলাম। কিন্তু এই দফায় আমরা ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার মুখে ছিলাম। অধিনায়ক হিসেবে আমার একটাই চাওয়া ছিল যেন ৪-০ ব্যবধানে হারতে না হয়। মাইকেল ভনকে জিজ্ঞেস করলে বলবে যে আমি শূন্য রানে আউট ছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয়নি, বল আমার ব্যাটে লেগেছে। আর আমি তখনই ক্রিজ ছেড়ে যাব, যখন বুঝব যে আমি নিশ্চিত আউট।
টেস্ট শুরুর আগে দলের উদ্দেশে বলেছিলাম, কাউকে বড় ইনিংস খেলতে হবে। ভালো লেগেছিল যে আমিই সেটি করতে পেরেছিলাম। আমার জীবনের আরেকটি অবিস্মরণীয় মুহূর্ত সেটি। সেই ম্যাচে এমন দুজন ছিলেন (নাসের হুসেইন ও গ্রাহাম থর্প) যাদের আমার আগের রেকর্ডের সময় প্রতিপক্ষ পেয়েছি। ৩৭৫ ও ৪০০, দুটি ইনিংসই দেখে তাদের ভালো লাগার কথা নয়!
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, ইংল্যান্ড, ২০০৪
সেটা এমন একটা সময় ছিল যখন কিছুদিনের ব্যবধানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮ টেস্টের ৭টি হেরেছিলাম আমরা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে তাই বারমুডায় গিয়ে আমরা বিশ্রাম নিয়েছি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মঞ্চে নিজেদের নিয়ে অনেক সংশয় ছিল। আত্মবিশ্বাস ছিল তলানিতে। দলে দেখা দিয়েছিল আত্মকেন্দ্রীকতা। আমরা চেষ্টা করেছি সব কিছু জয় করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামতে। রোমাঞ্চকর ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জয় ছিল অভাবনীয় অনুভূতি। অধিনায়ক হিসেবে আমার বলার মতো কিছু নেই, ওই ট্রফি জয় ছিল তাই স্পেশাল মুহূর্ত।
সেরার সেরা ঘটনা
আমার প্রিয় ইনিংসের কথা উঠলেই সবাই আমাকে বার্বাডোজের অপরাজিত ১৫৩ রানের ইনিংসটির দিকেই টেনে নিয়ে যায়। কিন্তু আগের টেস্টে জ্যামাইকায় করা ২১৩ আমার সবচেয়ে প্রিয়। তখন সদ্যই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ৫-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরে ফিরেছি। দেশে ফিরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টও হেরেছি। সবাই ধারণা করছিল, স্টিভ ওয়াহর দল সহজেই সিরিজ জিতবে। আমাকে শর্ত দিয়ে স্রেফ প্রথম দুই টেস্টের জন্য অধিনায়ক করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে প্রচণ্ড চাপে ছিলাম।
ম্যাচ জেতানো ইনিংস ও ম্যাচ বাঁচানো ইনিংস তো অনেক খেলেছি, কিন্তু জ্যামাইকার ওই ইনিংস ছিল অন্যরকম। ভাঙাচোরা দলকে আমি উদ্বুদ্ধ করেছিলাম। নিজে পারফর্ম করে খাদের কিনারা থেকে দলকে উদ্ধার করতে পেরেছিলাম। জ্যামাইকার এই ইনিংসটিতেই ক্যারিয়ারের সেরা ব্যাটিং করেছি। হয়তো আমার নিজের স্টাইলে খেলতে পারিনি। সিডনির ২৭৭ রান অনেকটা নিজের মতো খেলেই করেছিলাম। তবে চাপ ও পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় জ্যামাইকার ২১৩ রানের ইনিংসটাই ছিল সেরার সেরা।
সম্পর্কিত খবর

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’
ক্রীড়া ডেস্ক

সময়টা বড্ড বাজে যাচ্ছে রোহিত শর্মার। জাতীয় ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলিয়ে সর্বশেষ ৯ ইনিংসে করতে পেরেছেন মাত্র এক ফিফটি। সেই ফিফটিই এসেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে। এরপর আগে পরে শুধুই রান খরা গেছে তার ব্যাটে।
আইপিএলে সেই বাজে ফর্ম চলমান থাকায় রোহিতকে শুনতে হচ্ছে নানান রকমের সমালোচনা। ভারতের সাবেক ব্যাটার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের মতে, ভারতীয় অধিনায়কের সময় ফুরিয়েছে এসেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন জানিয়েছেন, নামটা রোহিত বলেই তিনি মুম্বাইয়ের একাদশে এমন বাজে পারফরম্যান্সের পরও সুযোগ পাচ্ছেন।
সমালোচনা শুনে রোহিত কোনো জবাব না দিলেও তার হয়ে যেন ‘ব্যাট’ চালালেন কাইরন পোলার্ড।
রোহিত খুব শিগরিই ছন্দে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন পোলার্ড। তিনি বলেছেন, ‘অনেক সময় আসে যখন আপনি অল্প রানে আউট হবেন... তবে সে ব্যক্তি হিসেবে নিজের ক্রিকেট উপভোগ করছে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চাপের মুখেও পড়ে না।
ক্রিকেটে সে কিভাবে নিজেকে কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে তার ইতিহাসও কিছুটা তুলে ধরেছেন পোলার্ড।
এখন দেখার বিষয় এক সময়কার মুম্বাই সতীর্থ ও বর্তমানে গুরুর ভূমিকায় থাকা পোলার্ডের মুখের কথা ব্যাটে আনতে পারেন কি না রোহিত। এর জন্য অবশ্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে না তাকে। আজই সেই সুযোগ পাচ্ছেন তিনি, লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান
ক্রীড়া ডেস্ক

দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন মার্ক চাপম্যান। কিন্তু ১৩২ রানের ইনিংসটির মুহূর্তটা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি ব্যাটার। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ে নেমে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি।
সেই চোটের কারণে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে পারেননি চাপম্যান।
পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় তৃতীয় ওয়ানডে থেকেও ছিটকে গেছেন চাপম্যান। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে যে ৩০ বছর বয়সী ব্যাটারকে পাওয়া যাচ্ছে তা আজ নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।
সর্বশেষ ২০১৯ সালে জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন সেইফার্ট। টি-টোয়েন্টির নিয়মিত মুখ হলেও ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মাত্র তিনটি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ডিজঅ্যাবল ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না প্রশ্ন আকমলের
ক্রীড়া ডেস্ক

ঘরের মাঠের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির হতাশা ঘোচাতে নিউজিল্যান্ড সফরে যায় পাকিস্তান। কিন্তু সাদা বলের দুই সংস্করণের সিরিজেই বাজেভাবে পরাজয় দেখেছে তারা। এমন হারের পর স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনা হচ্ছে ক্রিকেটারসহ কোচিং প্যানেলের। বাদ যাচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে সর্বশেষ দুই ওয়ানডে বিশ্বকাপের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও হতাশা উপহার দিয়েছেন বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ানরা। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় তারা। দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের এমন বাজে ফলের ক্ষোভ পিসিবির সভাপতি মহসিন নাকভির ওপর ঝেড়েছেন কামরান আকমল। পাকিস্তানের সাবেক উইকটেরক্ষক-ব্যাটার জানিয়েছেন, সম্মান থাকতেই নাকভির পদত্যাগ করা উচিত।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এমনটিই জানিয়েছেন আকমল। পাকিস্তানের হয়ে তিন সংস্করণ মিলেয়ে আড়াই শর ওপরে ম্যাচ সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘এটা বিব্রতকর। পিসিবি সভাপতির ভাবা উচিত যে যদি তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন তাহলে তার পদত্যাগ করা উচিত। নিজের সুনাম নষ্ট করবেন না।
বিশ্ব ক্রিকেটে সব সময় পাকিস্তানের বোলারা দাপট দেখালেও গত কয়েক বছর ধরে তা পারছে না। এশিয়ার মাঠে বোলারদের জন্য কিছু নেই বলে যারা অজুহাত দেখান তাদের উদ্দেশে কড়া বার্তাই দিয়েছেন আকমল। পাকিস্তানের বিপক্ষে শারীরিকভাবে অক্ষম ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না, এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানি বোলাররা যদি এমন উইকেটেও বোলিং করতে না পারে, তাহলে কোথায় পারবে? তাদের দাবি, এশিয়ার মাঠে বোলারদের জন্য কিছু নেই। কিন্তু যে মাঠে থাকে সেখানেও তারা কিছু করতে পারে না।

নারী বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের দায়িত্বে বাংলাদেশের ২ আম্পায়ার
ক্রীড়া ডেস্ক

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলতে আজ পাকিস্তানের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। মাঠে যখন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা খেলবেন তখন টুর্নামেন্টে ভিন্ন ভূমিকায় থাকবেন আরো দুই বাংলাদেশি।
তাদের কাজ হবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচ পরিচালনা করা। সেই দুই আম্পায়ার হচ্ছেন মাসুদুর রহমান মুকুল ও সাথিরা জাকির জেসি।
বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচ দিয়ে আইসিসির কোনো বড় ইভেন্টে আম্পায়ারিং করার সুযোগ পাচ্ছেন জেসি। এর আগে অবশ্য নারীদের এশিয়া কাপ ও অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলা জেসি।
ছয় দলকে নিয়ে বাছাই পর্বের টুর্নামেন্টটি আগামী ৯ এপ্রিল শুরু হবে। আর শেষ হবে ১৯ এপ্রিল।
আম্পয়ারদের তালিকা :
মাসুদুর রহমান মুকুল (বাংলাদেশ), সাথিরা জাকির জেসি (বাংলাদেশ), বাবস গকুমা (দক্ষিণ আফ্রিকা), ক্যান্ডেস লা বোর্ডে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), দেদুনু ডি সিলভা (শ্রীলঙ্কা), ডনোভান কচ (অস্ট্রেলিয়া), ফয়সাল খান আফ্রিদি (পাকিস্তান), সালিমা ইমতিয়াজ (পাকিস্তান), সারাহ ডামবানেভানা (জিম্বাবুয়ে), শন হেইগ (নিউজিল্যান্ড)।
ম্যাচ রেফারিদের তালিকা :
আলী নাকভি (পাকিস্তান), শান্দ্রে ফ্রিটজ (দক্ষিণ আফ্রিকা), ট্রুডি অ্যান্ডারসন (নিউজিল্যান্ড)।