ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

চ্যাম্পিয়নস ট্রফি কোথায় দেখা যাবে

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি কোথায় দেখা যাবে
১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ছবি : সংগৃহীত

১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ৮ দলের এ টুর্নামেন্ট ৯ মার্চ শেষ হয় শিরোপা নির্ধারণের মধ্য দিয়ে। 

ওয়ানডে সংস্করণের শীর্ষ দলগুলোর জমজমাট লড়াই টিভি কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে দেখা যাবে দুনিয়ার সব প্রান্ত থেকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সম্প্রচারের বিস্তারিত প্রকাশ করেছে।

সম্প্রচার বিস্তারিত (টিভি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফরম)

বাংলাদেশ : নাগরিক টিভি ও টি-স্পোর্টস। ওটিটি- ট্রফি অ্যাপ।

ভারত : জিওস্টার (হটস্টার পোর্টাল, স্টার নেটওয়ার্কের ১৮টি চ্যানেল)

পাকিস্তান : পিটিভি ও টেন স্পোর্টস। ওটিটি- মাইকো ও তামাশা অ্যাপ।

সংযুক্ত আরব আমিরাত : ক্রিকলাইফ ম্যাক্স ও ক্রিকলাইফ ম্যাক্স ২, ওটিটি- স্টার্সপ্লে।

যুক্তরাজ্য :  স্কাই স্পোর্টস, স্কাই স্পোর্টস মেইন ইভেন্ট, স্কাই স্পোর্টস অ্যাকশন। ওটিটি- স্কাই গো, নাও, স্কাই স্পোর্টস অ্যাপ।

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা : উইলো টিভি।

ওটিটি : ক্রিকবাজ অ্যাপ।

ক্যারিবিয়ান আইল্যান্ডস : ইএসপিএন ক্যারিবিয়ান অন টিভি। ওটিটি : ইএসপিএন প্লে ক্যারিবিয়ান অ্যাপ।

অস্ট্রেলিয়া : প্রাইম ভিডিও

নিউজিল্যান্ড : স্কাই স্পোর্টস নিউজিল্যান্ড, ওটিটি : স্কাই গো, নাও।

দক্ষিণ আফ্রিকা ও শাহারান অঞ্চল : সুপারস্পোর্ট ও সুপারস্পোর্ট অ্যাপ।

আফগানিস্তান : এটিএন।

শ্রীলঙ্কা : মহারাজা টিভি। ওটিটি : সিরাসা।

রেডিও

বাংলাদেশ : রেডিও স্বাধীন ৯৪.৪ ও রেডিও ভূমি ৯২.৮ এফএম।

যুক্তরাজ্য : বিবিসি রেডিও ৫ স্পোর্টস এক্সট্রা।

ভারত : সর্বভারতীয় বেতার।

পাকিস্তান : হাম ১০৬.২ এফএম।

সংযুক্ত আরব আমিরাত : টক ১০০.৩ এফএম বিগ ১০৬.২ এফএম।

শ্রীলঙ্কা : লাখান্দা রেডিও।

এ ছাড়া আইসিসি টিভি থেকে খেলা দেখা যাবে সাবস্ক্রিপশন নিয়ে। আইসিসির ওয়েবসাইট থেকে খেলার অডিও ধারাবিবরণী শোনা যাবে বিনা মূল্যে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

নারাইনের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
নারাইনের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’
উইকেটের ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ করেছেন নারাইন। ছবি : ক্রিকইনফো

অভিষেক ম্যাচ খেলতে নেমে আইপিএলের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে গতকাল দুই হাতে বল করে রেকর্ড গড়েছেন কামিন্দু মেন্ডিস। শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের রেকর্ডের দিনে তাকে আউট করেই একটা মাইলফলক ছুঁয়েছেন আরেক স্পিনার সুনীল নারাইন।

আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রথম বোলার হিসেবে ২০০ উইকেট নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার। শুধু কলকাতার নয়, আইপিএলের যেকোনো দলের হয়েও।

তবে ক্লাব ক্রিকেটের হিসেবে দ্বিতীয় বোলার। তার আগে এই কীর্তি গড়েছেন সামিত প্যাটেল। গতকাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৮০ রানের জয়ের ম্যাচে ৩০ রান দিয়ে ১ উইকেটই পেয়ছেন নারাইন।

আরো পড়ুন
৬৪ দলের বিশ্বকাপ ভাবনাকে বাজে বললেন উয়েফা সভাপতি

৬৪ দলের বিশ্বকাপ ভাবনাকে বাজে বললেন উয়েফা সভাপতি

 

২০১২ সালে কলকাতার হয়ে আইপিএল শুরু করা নারাইন সব উইকেট অবশ্য ভারতীয় ফ্র্যাঞ্জাইজি টুর্নামেন্টে পাননি।

১৮২ উইকেটের বিপরীতে ১৮ উইকেট পেয়েছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টিতে। একক দলের হয়ে দুই শ উইকেটে শীর্ষ বোলার হলেও আইপিএলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় চারে আছেন ৩৬ বছর বয়সী বোলার। ২০৬ উইকেট নিয়ে শীর্ষে আছেন ভারতের লেগস্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল।

আরো পড়ুন
দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের

দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের

 

স্বীকৃতি টি-টোয়েন্টিতে সামিত উইকেটের ‘ডাবল সেঞ্চুরির’ রেকর্ডটি গড়েন নটিংহামশায়ারের হয়ে।

ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারের উইকেট সংখ্যা ২০৮টি। ২০২৩ সালে কাউন্টি দলটির সঙ্গে ছাড়াছড়ি হওয়ায় তার কীর্তিকে পেছনে ফেলার সুযোগ পাচ্ছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অফস্পিনার।

আরো পড়ুন
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

 

সামিত-নারাইনের কীর্তিতে ভাগ বসানোর খুব কাছে আছেন ক্রিস উড। হ্যাম্পশায়ারের হয়ে ১৯৯ উইকেট নিয়ে তিনে আছেন ইংল্যান্ডের বাঁহাতি পেসার। চারে থাকা শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি পেসার লাসিথ মালিঙ্গার সেই সুযোগ অবশ্য নেই।

মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে ১৯৫ উইকেট নিয়ে অবসরে যান তিনি। তবে গ্লুস্টারশায়ারের হয়ে ১৯৩ উইকেট নিয়ে পাঁচে থাকা আরেক ইংলিশ পেসার ডেভিড পেইনের সুযোগ আছে। সুযোগ আছে ১৬৮ উইকেট নেওয়া মুম্বাইয়ের ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত বুমরাহও।

মন্তব্য

৬৪ দলের বিশ্বকাপ ভাবনাকে বাজে বললেন উয়েফা সভাপতি

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
৬৪ দলের বিশ্বকাপ ভাবনাকে বাজে বললেন উয়েফা সভাপতি
উয়েফার সভাপতি সেফেরিন। ছবি : এএফপি

তিন মহাদেশে হবে ২০৩০ বিশ্বকাপ। তবে মূল আয়োজক স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো হলেও বিশ্বকাপের শতবছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি করে ম্যাচ হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। ১৯৩০ সালে বিশ্বকাপের প্রথম আসর বসেছিল উরুগুয়েতে।

আরো পড়ুন
‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও

‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও

 

সেই বিশ্বকাপে দল সংখ্যা বাড়ানো যায় কি না তা নিয়ে গত ৬ মার্চ অনলাইনে সভা করে ফিফা।

সেখানেই উরুগুয়ের এক প্রতিনিধি ৬৪ দলের বিশ্বকাপ করা প্রস্তাব দেয়। তাতে সায় দেন ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তবে তাদের সঙ্গে একমত নন উয়েফা সভাপতি আলেক্সজান্ডার সেফেরিন।

আরো পড়ুন
দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের

দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের

 

সম্প্রতি উয়েফার বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সেফেরিন জানিয়েছেন, এটা বাজে পরিকল্পনা।

সার্বিয়ার বেলগ্রেডে হওয়া সভা শেষে ফিফার সহসভাপতি বলেছেন, ‘প্রস্তাব শুনে আপনাদের চেয়েও বেশি অবাক হয়েছিলাম। আমি মনে করি, এটি বাজে পরিকল্পনা। বিশ্বকাপের জন্য এটি ভালো পরিকল্পনা নয়, এমনকি বাছাইপর্বের জন্যও। জানি না এটি কোত্থেকে এসেছে।
অদ্ভূত লাগছে যে, ফিফা কাউন্সিলে প্রস্তাবের আগে আমরা কিছুই জানতাম না!’

আরো পড়ুন
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

 

সেফেরিনের এমন মন্তব্যর পর নিশ্চয়ই ফিফাতে আলোচনা হবে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ হবে কি না। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ ৪৮ দলের হবে তাতে কারো দ্বিমত নেই। আগের থেকে বেড়েছে ১৬ দল। আগামী বিশ্বকাপ হবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায়।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও

    ওয়ানডে নিয়ে আমাদের ধারণাটা খুব পরিষ্কার ছিল যে কিভাবে খেলতে হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এদিক থেকে সবার ফোকাসটা আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে। সামনে আরো কমে যাবে। আমাদের উপায় নেই। আসল যুদ্ধে টিকে থাকতে গেলে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টিতে আমাদের ভালো করতেই হবে। -নাজমুল আবেদীন ফাহিম, বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
শেয়ার
‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও
অনুশীলনে বাংলাদেশ দল। ছবি : কালের কণ্ঠ

ওয়ানডে একসময় ভালো খেলত বাংলাদেশ। ‘একসময়’ বলার কারণ এখন আর সেভাবে এই সংস্করণে নিজেদের তারা মেলে ধরতে পারে না। নিকট অতীত অন্তত সে সাক্ষ্যই দিচ্ছে। তাই বলে পেছনের সোনালি দিনগুলোও মুছে যায়নি।

টেস্ট আর টি-টোয়েন্টির তুলনায় এই সংস্করণই তাদের জন্য বেশি মানানসই ছিল। কিন্তু কেন?

এর একটি ব্যাখ্যাও আছে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের কাছে, ‘৫০ ওভারের সংস্করণটি আমাদের সঙ্গে খুব যেত। কারণ টেস্ট ক্রিকেট খেলতে গেলে যেসব দক্ষতা থাকা চাই, এই সংস্করণে এর শতভাগ দরকার পড়ে না। আবার টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য যে ধরনের শারীরিক সক্ষমতা ও গতি থাকা দরকার, সেদিকটাতেও আমরা পিছিয়ে আছি।

তবে ওয়ানডেতে এসবেরও শতভাগ প্রয়োজন হয় না। এ জন্যই ৫০ ওভারের সংস্করণে আমাদের ছেলেরা মানিয়ে নিতে পারত বেশি।’

অবচেতনেই হোক বা সচেতনে, তিনিও বলছেন যে ‘পারত’। এখন এই না পারার চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে গেলে এই সংস্করণে বেশি বেশি ম্যাচ খেলার কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু ম্যাচের সংখ্যা উল্টো কমছে। মে মাসের পাকিস্তান সফর থেকেই যেমন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ছেঁটে ফেলা হয়েছে। সেখানে গিয়ে শুধুই পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। আগামী বছরের কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই সফর থেকে ওয়ানডে বাদ পড়েছে।

এই চর্চা অবশ্য নতুন নয়।

যখন যে সংস্করণের বিশ্ব আসর সামনে থাকে, সেটি নিয়েই বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসন বুঁদ হয়ে থাকে। সম্ভব হলে সামনের কোনো সফরসূচি থেকেও ওয়ানডে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ফাহিমের বক্তব্যে আছে সেই সুরও, ‘যেহেতু সামনের বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে, তাই চেষ্টা থাকবে এই সংস্করণের ম্যাচ একটু বেশি খেলার জন্য। সব সময় চাইলেই যে ওয়ানডে বাদ দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ করে ফেলতে পারব, তা-ও নয়। যেমন—পাকিস্তান সফরের ক্ষেত্রে পেরেছি। সব সময় তা সম্ভব না-ও হতে পারে।’

অবশ্য বর্তমান বাস্তবতায় ওয়ানডে আর তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমনকি বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কাছেও। প্রায়ই এই আলোচনাও উঠতে শোনা যায় যে চার বছরে ওয়ানডে বলতে শুধু একটি বিশ্বকাপই হবে। এর বাইরে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে দুই পক্ষ চাইলেই শুধু ওয়ানডে জায়গা পেতে পারে। এসব আলোচনাকে অবাস্তবসম্মত বলেও মনে হয় না ফাহিমের, ‘এমন আলোচনা বাস্তবসম্মতই। এখন সব কিছুকে সমানভাবে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়াটা প্রায় অসম্ভব। অগ্রাধিকারের কথা বললে এখানে প্রথমে আসে টেস্ট আর টি-টোয়েন্টির কথাই। তারপর হয়তো ৫০ ওভারের সংস্করণের কথা আসে। এ জন্যই হয়তো ওয়ানডেটা একটু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি এই মুহূর্তে।’

নিজেদের অগ্রাধিকারও বদলানোর সময় এসে গেছে বলে মনে করেন ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান, ‘(টেস্টে বাংলাদেশ যে অবস্থায় আছে) এখান থেকে বের না হয়ে কোনো উপায় নেই। ক্রিকেটে ভালো করতে গেলে এই সংস্করণে ভালো করতেই হবে। এই জায়গাটায় আমরা গুরুত্ব দেব।’ আসল যুদ্ধের প্রস্তুতিতে ক্রমেই গুরুত্ব হারাতে থাকা ওয়ানডের বাস্তবতাও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দেখেন না তিনি, ‘ওয়ানডে নিয়ে আমাদের ধারণাটা খুব পরিষ্কার ছিল যে কিভাবে খেলতে হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এদিক থেকে সবার ফোকাসটা আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে। সামনে আরো কমে যাবে। আমাদের উপায় নেই। আসল যুদ্ধে টিকে থাকতে গেলে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টিতে আমাদের ভালো করতেই হবে।’

মন্তব্য

দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের
আইপিএলে দুই হাতে বল করা প্রথম ক্রিকেটার কামিন্দু। ছবি : এক্স থেকে

কামিন্দু মেন্ডিসকে সব্যসাচী ক্রিকেটার বললে ভুল হবে না। কেননা দুই হাতেই বোলিং করতে পারদর্শী তিনি। সঙ্গে ব্যাটিংটাও ভালো পারেন বাঁহাতি ব্যাটার। গতকাল ইডেন গার্ডেনসে এমন দক্ষতা দেখিয়ে রেকর্ডও গড়েছেন শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার।

আরো পড়ুন
পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

 

আইপিএলে প্রথম বোলার হিসেবে দুই হাতে বোলিং করার কীর্তি গড়েছেন কামিন্দু। সেটিও আবার আইপিএলের অভিষেক ম্যাচে। শুধু কি ওভার করেই নিজের কাজ সেরেছেন তিনি, সঙ্গে একটি উইকেটও নিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী ব্যাটার। গতকাল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষেই এই কীর্তি গড়েছেন শ্রীলঙ্কার তিন সংস্করণের একাদশের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠা এই অলরাউন্ডার।

ম্যাচে অবশ্য একটি ওভারই করেছেন কামিন্দু। ১৩তম ওভারের তিনটি করে বল বাম ও ডান হাতে করেছেন তিনি। সেই ওভারের চতুর্থ বলে সতীর্থ হার্শাল প্যাটেলের দারুণ এক ক্যাচে অঙ্কৃশ রঘুবংশীকে আউট করেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার। এমন কীর্তি দিনে অবশ্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি।

কলকাতার কাছে ৮০ রানের পরাজয় দেখেছে তার দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ব্যাট হাতে দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন তিনি।

দুই হাতে বল করার অভ্যাসটা শৈশব থেকেই করে আসছেন কামিন্দু। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলতে এসে দুই হাতে বোলিং করে আলোচনায় আসেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতা পরে জাতীয় দলেও দেখিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

গত বছর ভারতের দুই ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব ও ঋষভ পন্তের বিপক্ষে বোলিং করে।

আরো পড়ুন
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবশ্য দুই হাতে বল করা প্রথম ক্রিকেটার কামিন্দু নন, এমনকি শ্রীলঙ্কারও নন। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রথম বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েন বাংলাদেশের নারী দলের সাবেক প্রধান কোচ হাশান তিলকরত্নে। আর দুই শ্রীলঙ্কানের আগে এই কীর্তি গড়েছেন মোহাম্মদ হানিফ।
 
১৯৫৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই হাতে বল করেছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটার হানিফ। কিংস্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেদিন ৩৬৫ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেছিলেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্স। ১৯৯৪ সালের আগ পর্যন্ত টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস ছিল সেটি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেন্ট জনসে ৩৭৫ রানের ইনিংস খেলে পূর্বসূরীর রেকর্ড ভাঙেন ওয়েস্ট ইন্ডিজির আরেক কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ