ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

অস্ট্রেলিয়ায় শিশু-কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে আইন পাস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
অস্ট্রেলিয়ায় শিশু-কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করে আইন পাস
ছবি : এএফপি

১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেছে অস্ট্রেলিয়া। দীর্ঘ তর্ক-বিতর্কের পর বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে প্রস্তাবটি পাস হয়। এই নিষেধাজ্ঞাটি স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, রেডডিট এবং এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রযোজ্য হবে বলে জানা যাচ্ছে। এই তালিকা আরো দীর্ঘ হতে পারে।

 

জানা গেছে, শিশুরা যাতে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে প্রযুক্তি কম্পানিগুলোর প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আইন অমান্য করলে পাঁচ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বিভিন্ন দেশে এ বিষয়ে বিধি-নিষেধ থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার আইনকে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর আইন হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

প্রস্তাবটির নাম ‘দ্য সোশ্যাল মিডিয়া মিনিমাম এজ’।

প্রস্তাবটি আইনে পরিণত হওয়ার পর আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। পরীক্ষামূলকভাবে চালুর এক বছরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ আইন প্রণেতাদের বলেন, প্রত্যেক দায়িত্ববান সরকারই শিশুদের ওপর সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে সংগ্রাম করছে। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ‘ক্ষতি’ থেকে রক্ষার জন্য আইনটি দরকারি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

যদিও তাড়াহুড়া করে আইনটি প্রণয়নের জন্য দেশটির সরকারকে সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে। বিধি-নিষেধগুলো কিভাবে কার্যকর করা হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই আইনে। ফলে আইনটি প্রয়োগ অযোগ্য আইন হিসেবেই থেকে যাবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ব্যবহারকারীর বয়স কিভাবে নিশ্চিত করা হবে, কে কিভাবে সেই তথ্য সংগ্রহ করবে, সেই প্রশ্ন সামনে আসছে।  

ইউনিসেফ অস্ট্রেলিয়ার পলিসি প্রধান কেটি মাসকিয়েল বলেন, অনলাইনে তরুণদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।

তবে ডিজিটাল বিশ্বে তাদের অন্তর্ভুক্তও করা দরকার। এই নিষেধাজ্ঞা শিশুদের গোপন এবং অনিয়ন্ত্রিত অনলাইন স্পেসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অনলাইন জগতে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেবে। 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

গাজার স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
গাজার স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭
ছবিসূত্র : এএফপি

গাজার উত্তরাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত পরিবারের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় একটি হাসপাতালের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গাজা শহরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তুফাহ জেলার দার আল-আরকাম স্কুলে হামলায় আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা শহরের ‘হামাস কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারে থাকা বিশিষ্ট সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা চালিয়েছে।

তবে তারা কোনো স্কুলের নাম উল্লেখ করেনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় আরো ৯৭ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিশাল অংশ দখলের জন্য তাদের স্থল অভিযান সম্প্রসারিত হচ্ছে।

গাজার হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, দার আল-আরকাম স্কুলে হামলায় নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারীও রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, অন্তঃসত্ত্বা এক নারী (তার গর্ভে যমজ সন্তান ছিল), এ ছাড়া তার স্বামী, তার বোন এবং তিন সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।

কাছের আল-আহলি হাসপাতালের ভিডিওতে দেখা গেছে, শিশুদের গাড়ি ও ট্রাকে করে গুরুতর আহত অবস্থায় সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজা শহরের যে স্থানে হামলা চালানো হয়েছে, সেখানে হামাস যোদ্ধারা ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করার জন্য ব্যবহার করেছে। এতে আরো বলা হয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি কমাতে অসংখ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, রাতভর গাজা শহরের পূর্ব শেজাইয়া জেলার বেশ কয়েকটি বাড়িতে বোমা হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। তারা একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে, উদ্ধারকারীরা একটি ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে দুটি ছোট শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, তিনি ঘুমাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠেন। আইডিএফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে তারা শেজাইয়া এবং পার্শ্ববর্তী চারটি এলাকার বাসিন্দাদের পশ্চিম গাজা শহরে অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এ ছাড়া সতর্ক করে বলেছে, ‘সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য... কাজ করছে।’

সূত্র : বিবিসি

মন্তব্য

দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। এই রায়ের অর্থ এখন দেশটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। খবর সিএনএনের।

ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ইওলকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর শুক্রবার আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এখন তার অপসারণ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ত্যাগ করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত গত বছরের শেষের দিকে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণের রায় দিয়েছে। 

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন।

সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে।

কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

আরো পড়ুন
দুপুর পর্যন্ত যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

দুপুর পর্যন্ত যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

 

এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

জনশূন্য পেঙ্গুইনের দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
জনশূন্য পেঙ্গুইনের দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প!
সংগৃহীত ছবি

অ্যান্টার্কটিকার কাছে বরফে ঢাকা, জনশূন্য আগ্নেয়গিরিময় দ্বীপপুঞ্জ। সেখানে শুধু পেঙ্গুইনদের বাস। তা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কারোপ থেকে রক্ষা পায়নি এসব দ্বীপ। এসব দ্বীপের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছেন তিনি।

খবর দ্য গার্ডিয়ান ও এএফপির।

অস্ট্রেলিয়ার দূরবর্তী ভূখণ্ড হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ পৃথিবীর অন্যতম প্রত্যন্ত অঞ্চল। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থ থেকে নৌকায় সেখানে পৌঁছতে দুই সপ্তাহ লাগে। ধারণা করা হয়, একেবারে জনশূন্য এই দ্বীপে প্রায় এক দশক আগে শেষবার মানুষের পা পড়েছিল।

তবু যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস প্রকাশিত নতুন শুল্কের তালিকায় ‘দেশ’ হিসেবে জায়গা পেয়েছে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ। এর পরিপ্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেছেন, ‘পৃথিবীর কোনো জায়গা নিরাপদ নয়।’

হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডের বাইরের আরো কিছু অঞ্চল যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের তালিকায় আলাদা করে স্থান পেয়েছে, যেগুলোর ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।

আরো পড়ুন
মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

 

অস্ট্রেলিয়ার এসব দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সরাসরি স্বায়ত্তশাসিত নয়, তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিশেষ প্রশাসনিক সম্পর্ক রয়েছে।

শুল্ক তালিকায় থাকা অন্য দ্বীপের মধ্যে কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ, ক্রিসমাস দ্বীপ ও নরফোক দ্বীপও রয়েছে।

মন্তব্য

মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়েছিলেন যে ধনকুবের ইলন মাস্ক সরকারি দায়িত্ব থেকে শিগগির সরে দাঁড়াবেন। গত বুধবার পলিটিকো এবং সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজ এসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 

তবে হোয়াইট হাউস এই খবর নাকচ করে দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এই ‘বিশেষ’ খবরকে আবর্জনা বলে মন্তব্য করেছেন।

টেসলার প্রতিষ্ঠাতা মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি দক্ষতা বিভাগের (ডিওজিই) প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

মূলত ফেডারেল সরকারের ব্যয় কমাতে বিভাগটি চালু করা হয়েছে। মাস্কের কার্যক্রম নিয়ে ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীদের মতবিরোধ আছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তবে পলিটিকোর প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ আখ্যা দিয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, ইলন মাস্ক এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উভয়ই প্রকাশ্যে বলেছেন যে, ডিওজিইতে তার অবিশ্বাস্য কাজ শেষ হলে মাস্ক একজন বিশেষ সরকারি কর্মচারী হিসেবে সরকারি পরিষেবা থেকে প্রস্থান করবেন।

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, মাস্ক কোনো একসময় তার কম্পানিতে ফিরে যাবেন।

আরো পড়ুন
নৈশভোজে এক টেবিলে ইউনূস-মোদি

নৈশভোজে এক টেবিলে ইউনূস-মোদি

 

তিনি বলেন, আমি মনে করি তিনি (মাস্ক) বিস্ময়কর। তবে একটি বড় কম্পানি পরিচালনার কাজ করতে হয় তাঁকে। কোনো একসময় তিনি সেখানে ফিরে যাবেন।

’ সূত্র : ডয়চে ভেলে

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ