ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

উড়োজাহাজ-হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের যে বর্ণনা দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
উড়োজাহাজ-হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের যে বর্ণনা দিলেন প্রত্যক্ষদর্শীরা
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী জেট বিমানের সঙ্গে একটি সামরিক হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ হয়েছে। যাত্রীবাহী বিমানটিতে মোট ৬০ জন যাত্রী এবং চারজন ক্রু সদস্য ছিলেন। আর হেলিকপ্টারে তিনজন মার্কিন সৈন্য ছিলেন।

হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না করা গেলেও পুলিশ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন তারা।

এই দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন দুজন প্রত্যক্ষদশী। তারা আকাশে উজ্জ্বল আলো দেখেছেন বলে জানান।

প্রত্যক্ষদর্শী অরি শুলম্যান বলেছেন, তিনি আকাশে 'বিশাল আতশবাজির' মতো এক ধরনের 'স্ফুলিঙ্গ' দেখতে পেয়েছেন। সেসময় তিনি বিমানবন্দরের পাশেই জর্জ ওয়াশিংটন পার্কওয়েতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন।

শুলম্যান বলেন, তিনি প্রায়ই সেখানে বিমান অবতরণ করতে দেখেন, তাই প্রথমে কিছু অস্বাভাবিক মনে হয়নি। সবকিছু স্বাভাবিক ছিল, বিমানটি ঠিকঠাক এগিয়ে আসছিল। তবে, এরপর হঠাৎ করে তিনি দেখেন, বিমানটি ডানদিকে প্রায় ৯০ ডিগ্রি কোণে কাত হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমি বিমানের নিচের অংশ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম, যা এত অন্ধকারে দেখা যাওয়ার কথা নয়।

তিনি বিমানটির নিচে উজ্জ্বল হলুদ আলো এবং সামনের দিক থেকে পেছন পর্যন্ত স্ফুলিঙ্গ দেখতে পান - যা অনেকটা আতশবাজির মতো। কিন্তু বিস্ফোরণের শব্দ না পাওয়ায়, আর আগুনের গোলা বা দুর্ঘটনার অন্য কোনো লক্ষণ না দেখায় তিনি রাস্তার দিকে মনোযোগ দেন।

তিনি আরও বলেন, আমি ভেবেছিলাম, আমি কি ভুল দেখলাম? এত বড় দুর্ঘটনার পর কেন কিছুই দেখতে পেলাম না? তবে কিছুক্ষণ পর যখন তিনি সামনে এগিয়ে যান, তখন দেখতে পান, চারদিকে জরুরি উদ্ধারকর্মীদের ভিড় জমে গেছে।

আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শীও তারার আলোকচ্ছটার মতো সাদা আলো দেখেছেন আকাশে। একজন যাত্রীর জন্য অপেক্ষমাণ হামাদ রাজা নামে দুর্ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, তিনি রিগ্যান ওয়াশিংটন জাতীয় বিমানবন্দরে তার স্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন, যিনি আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বিমানে ছিলেন।

সে আমাকে টেক্সট করেছিল যে সে ২০ মিনিটের মধ্যে অবতরণ করবে।

তবে এখন তিনি আশা করছেন, নদী থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যের আইনপ্রণেতারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আমেরিকান এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী রবার্ট ইসম বলেছেন, দুর্ঘটনার শিকার যাত্রীদের উদ্ধারে সম্ভাব্য সব কিছু করা হচ্ছে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার পরিচালক টিমোথি হফ বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার পরিচালক টিমোথি হফ বরখাস্ত
টিমোথি হফ। ছবি : এক্স থেকে নেওয়া

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) পরিচালক টিমোথি হফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। দুই বর্তমান এবং একজন সাবেক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, মার্কিন সাইবার কমান্ডের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন টিমোথি হফ।

এনএসএ-তে তাকে তার সহকারী ওয়েন্ডি নোবেলের সঙ্গে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নোবেলকে পেন্টাগনের গোয়েন্দা বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি অফিসের অধীনে একটি পদে পুনর্নিযুক্ত করা হয়েছে। মূলত জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা বা এনএসএ মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের অংশ।

ওয়াশিংটন পোস্টের উদ্ধৃতি দিয়ে বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা হগের বরখাস্ত বা নোবেলের পুনর্নিয়োগের কারণ জানেন না।

মার্কিন সাইবার কমান্ডের ডেপুটি উইলিয়াম হার্টম্যানকে ভারপ্রাপ্ত এনএসএ পরিচালক এবং শিলা থমাসকে ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি মনোনীত করা হয়েছে বলে সংবাদপত্রটি জানিয়েছে।

পেন্টাগন এবং হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। এদিকে রয়টার্স বলছে, মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের গোয়েন্দা বিষয়ক স্থায়ী নির্বাচন কমিটির র‍্যাঙ্কিং সদস্য ডেমোক্র্যাট জিম হিমস এনএসএ পরিচালক টিমোথি হফকে বরখাস্ত করার নিন্দা জানিয়েছেন।

এনএসএ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য শীর্ষ-স্তরের, বিশেষায়িত প্রযুক্তি এবং সিস্টেম ব্যবহার করে।

মার্কিন সাইবার কমান্ড আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক উভয় কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের নেটওয়ার্কও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

সূত্র : রয়টার্স

মন্তব্য

গাজার স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
গাজার স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭
ছবিসূত্র : এএফপি

গাজার উত্তরাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত পরিবারের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় একটি হাসপাতালের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গাজা শহরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তুফাহ জেলার দার আল-আরকাম স্কুলে হামলায় আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা শহরের ‘হামাস কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারে থাকা বিশিষ্ট সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা চালিয়েছে।

তবে তারা কোনো স্কুলের নাম উল্লেখ করেনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় আরো ৯৭ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিশাল অংশ দখলের জন্য তাদের স্থল অভিযান সম্প্রসারিত হচ্ছে।

গাজার হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, দার আল-আরকাম স্কুলে হামলায় নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারীও রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, অন্তঃসত্ত্বা এক নারী (তার গর্ভে যমজ সন্তান ছিল), এ ছাড়া তার স্বামী, তার বোন এবং তিন সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।

কাছের আল-আহলি হাসপাতালের ভিডিওতে দেখা গেছে, শিশুদের গাড়ি ও ট্রাকে করে গুরুতর আহত অবস্থায় সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজা শহরের যে স্থানে হামলা চালানো হয়েছে, সেখানে হামাস যোদ্ধারা ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করার জন্য ব্যবহার করেছে। এতে আরো বলা হয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি কমাতে অসংখ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, রাতভর গাজা শহরের পূর্ব শেজাইয়া জেলার বেশ কয়েকটি বাড়িতে বোমা হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। তারা একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে, উদ্ধারকারীরা একটি ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে দুটি ছোট শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, তিনি ঘুমাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠেন। আইডিএফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে তারা শেজাইয়া এবং পার্শ্ববর্তী চারটি এলাকার বাসিন্দাদের পশ্চিম গাজা শহরে অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এ ছাড়া সতর্ক করে বলেছে, ‘সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য... কাজ করছে।’

সূত্র : বিবিসি

মন্তব্য

দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। এই রায়ের অর্থ এখন দেশটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। খবর সিএনএনের।

ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ইওলকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর শুক্রবার আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এখন তার অপসারণ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ত্যাগ করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত গত বছরের শেষের দিকে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণের রায় দিয়েছে। 

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন।

সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে।

কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

আরো পড়ুন
দুপুর পর্যন্ত যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

দুপুর পর্যন্ত যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

 

এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

জনশূন্য পেঙ্গুইনের দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
জনশূন্য পেঙ্গুইনের দ্বীপেও শুল্ক বসালেন ট্রাম্প!
সংগৃহীত ছবি

অ্যান্টার্কটিকার কাছে বরফে ঢাকা, জনশূন্য আগ্নেয়গিরিময় দ্বীপপুঞ্জ। সেখানে শুধু পেঙ্গুইনদের বাস। তা সত্ত্বেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কারোপ থেকে রক্ষা পায়নি এসব দ্বীপ। এসব দ্বীপের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছেন তিনি।

খবর দ্য গার্ডিয়ান ও এএফপির।

অস্ট্রেলিয়ার দূরবর্তী ভূখণ্ড হার্ড দ্বীপ ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ পৃথিবীর অন্যতম প্রত্যন্ত অঞ্চল। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থ থেকে নৌকায় সেখানে পৌঁছতে দুই সপ্তাহ লাগে। ধারণা করা হয়, একেবারে জনশূন্য এই দ্বীপে প্রায় এক দশক আগে শেষবার মানুষের পা পড়েছিল।

তবু যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস প্রকাশিত নতুন শুল্কের তালিকায় ‘দেশ’ হিসেবে জায়গা পেয়েছে হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ। এর পরিপ্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ বলেছেন, ‘পৃথিবীর কোনো জায়গা নিরাপদ নয়।’

হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডের বাইরের আরো কিছু অঞ্চল যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের তালিকায় আলাদা করে স্থান পেয়েছে, যেগুলোর ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।

আরো পড়ুন
মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

মাস্কের সরকারি পদ ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিল হোয়াইট হাউস

 

অস্ট্রেলিয়ার এসব দূরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন অঞ্চল সরাসরি স্বায়ত্তশাসিত নয়, তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিশেষ প্রশাসনিক সম্পর্ক রয়েছে।

শুল্ক তালিকায় থাকা অন্য দ্বীপের মধ্যে কোকোস (কিলিং) দ্বীপপুঞ্জ, ক্রিসমাস দ্বীপ ও নরফোক দ্বীপও রয়েছে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ