ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

উ.কোরিয়া রাশিয়ায় আরো সেনা মোতায়েন করেছে : সিউল

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
উ.কোরিয়া রাশিয়ায় আরো সেনা মোতায়েন করেছে : সিউল
ছবিসূত্র: এএফপি

উত্তর কোরিয়া রাশিয়ায় আরো সেনা পাঠিয়েছে এবং কুরস্কে ফ্রন্টলাইনে বেশ কয়েকজনকে পুনরায় মোতায়েন করা হয়েছে। সিউলের গোয়েন্দা সংস্থা এএফপি’কে এই খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর রাশিয়ার ১০ হাজারেরও বেশি সেনাকে কুরস্ক সীমান্ত অঞ্চলে ইউক্রেনীয়দের আকস্মিক আক্রমণ মোকাবেলায় সহায়তা করার জন্য রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। দক্ষিণ কোরিয়া এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিষয়টি নিশ্চিত করে।

 

এই মাসের শুরুতে সিউল বলেছিল, উত্তর কোরিয়ার সেনারা যারা পূর্বে কুরস্ক ফ্রন্টলাইনে রুশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছিল তারা জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে যুদ্ধে জড়িত ছিল না। ইউক্রেন আরো বলেছে, ভারী ক্ষয়ক্ষতির পর তাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল।

তবে সিউলের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের সেখানে ‘পুনরায় মোতায়েন’ করা হয়েছে।
কর্মকর্তা আরো বলেছেন, ‘কিছু অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে কতজন উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে।’ মস্কো বা পিয়ংইয়ং কেউই সেনা মোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

ইউক্রেন এর আগে বলেছে, তারা কুরস্কে বেশ কয়েকজন উত্তর কোরিয়ার সেনা বন্দি বা হত্যা করেছে। চলতি মাসে সিউলের চোসুন ইলবো সংবাদপত্র উত্তর কোরিয়ার একজন সেনার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে।

সেখানে তারা ফ্রন্টলাইনে ব্যাপক লড়াইয়ের বর্ণনা দিয়েছে। 

আহত ওই সৈনিক সংবাদপত্রকে বলেছিলেন, কামানের গোলাগুলিতে অনেকে নিহত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ‘যারা সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিল তারা সবাই মারা গেছে’।

সূত্র: আলজাজিরা। 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

চিকেন’স নেকে নিরাপত্তা বাড়াল ভারত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
চিকেন’স নেকে নিরাপত্তা বাড়াল ভারত
সংগৃহীত ছবি

চীন সফরে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্যের পর চিকেন'স নেকে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ভারত। ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। 

ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র স্থলপথটি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি যা চিকেন’স নেক হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গের এই সংকীর্ণ ভূখণ্ড নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান ও চীনের সীমান্তবর্তী এলাকা।

 

সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার চীন সফরে গিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্য বা সেভেন সিস্টার্সকে ল্যান্ডলকড উল্লেখ করে বলেছিলেন, তাদের সমুদ্রের ব্যবহারের ক্ষেত্রেই বাংলাদেশই একমাত্র অভিভাবক। আর এর পরপরই চিকেন’স নেক অঞ্চলে ব্যাপক ভারী অস্ত্রশস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। 

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতীয় সেনাবাহিনী সিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন বলে মনে করে এবং সম্ভাব্য হুমকির মোকাবিলায় উন্নত সামরিক প্রস্তুতি নিয়েছে তারা। এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ত্রিশক্তি কোর; যার সদর দফতর শিলিগুড়ির নিকটবর্তী সুকনাতে অবস্থিত।

এই কোর অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত, যার মধ্যে রয়েছে রাফাল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র, এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় সেনাপ্রধান স্পষ্টভাবে বলেছেন যে ‘চিকেনস নেক’ ভারতের জন্য কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটি সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক অঞ্চল, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বাহিনী দ্রুত মোতায়েন করা সম্ভব।

ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এই অঞ্চলে একাধিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছে বলে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—

উন্নত সামরিক অস্ত্র : ভারতীয় বিমানবাহিনী হাসিমারা বিমানঘাঁটিতে রাফাল যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে, যেখানে আগে থেকেই মিগ বিমান রয়েছে।

ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র রেজিমেন্ট : ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে, যা যেকোনো সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

সারফেস-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা : ভারতের অত্যাধুনিক এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম এই অঞ্চলে স্থাপন করা হয়েছে, যাতে শত্রুদের আকাশসীমা লঙ্ঘন প্রতিহত করা যায়।

এমআরএসএএম (এমআরএসএএম) এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা : এগুলো আকাশসীমার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাড়তি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে।

নিয়মিত সামরিক মহড়া : ত্রিশক্তি কোর নিয়মিত সামরিক অনুশীলন পরিচালনা করছে, যেখানে টি-৯০ ট্যাংকের মাধ্যমে লাইভ-ফায়ার ড্রিল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়ায়।

কৌশলগত সতর্কতা
ভারত আঞ্চলিক নিরাপত্তার পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) প্রকল্পে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ, ভারতের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিশেষত, এটি সিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরো পড়ুন
বাংলাদেশ তিন শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায় : প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ তিন শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায় : প্রধান উপদেষ্টা

 

এই পরিস্থিতিতে ভারত তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরো জোরদার করেছে। প্রতিরক্ষা প্রধান (সিডিএস) জেনারেল অনিল চৌহান সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফর করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। তিনি সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শন ও উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক করেছেন, যা ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার প্রতিশ্রুতিকে আরো জোরদার করেছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার পরিচালক টিমোথি হফ বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার পরিচালক টিমোথি হফ বরখাস্ত
টিমোথি হফ। ছবি : এক্স থেকে নেওয়া

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসএ) পরিচালক টিমোথি হফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। দুই বর্তমান এবং একজন সাবেক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, মার্কিন সাইবার কমান্ডের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন টিমোথি হফ।

এনএসএ-তে তাকে তার সহকারী ওয়েন্ডি নোবেলের সঙ্গে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নোবেলকে পেন্টাগনের গোয়েন্দা বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি অফিসের অধীনে একটি পদে পুনর্নিযুক্ত করা হয়েছে। মূলত জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা বা এনএসএ মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের অংশ।

ওয়াশিংটন পোস্টের উদ্ধৃতি দিয়ে বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা হগের বরখাস্ত বা নোবেলের পুনর্নিয়োগের কারণ জানেন না।

মার্কিন সাইবার কমান্ডের ডেপুটি উইলিয়াম হার্টম্যানকে ভারপ্রাপ্ত এনএসএ পরিচালক এবং শিলা থমাসকে ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি মনোনীত করা হয়েছে বলে সংবাদপত্রটি জানিয়েছে।

পেন্টাগন এবং হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি। এদিকে রয়টার্স বলছে, মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের গোয়েন্দা বিষয়ক স্থায়ী নির্বাচন কমিটির র‍্যাঙ্কিং সদস্য ডেমোক্র্যাট জিম হিমস এনএসএ পরিচালক টিমোথি হফকে বরখাস্ত করার নিন্দা জানিয়েছেন।

এনএসএ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য শীর্ষ-স্তরের, বিশেষায়িত প্রযুক্তি এবং সিস্টেম ব্যবহার করে।

মার্কিন সাইবার কমান্ড আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক উভয় কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং প্রতিরক্ষা বিভাগের নেটওয়ার্কও পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

সূত্র : রয়টার্স

মন্তব্য

গাজার স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
গাজার স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭
ছবিসূত্র : এএফপি

গাজার উত্তরাঞ্চলে বাস্তুচ্যুত পরিবারের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্থানীয় একটি হাসপাতালের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গাজা শহরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় তুফাহ জেলার দার আল-আরকাম স্কুলে হামলায় আরো বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা শহরের ‘হামাস কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারে থাকা বিশিষ্ট সন্ত্রাসীদের’ ওপর হামলা চালিয়েছে।

তবে তারা কোনো স্কুলের নাম উল্লেখ করেনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় আরো ৯৭ জন নিহত হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিশাল অংশ দখলের জন্য তাদের স্থল অভিযান সম্প্রসারিত হচ্ছে।

গাজার হামাস পরিচালিত সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, দার আল-আরকাম স্কুলে হামলায় নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারীও রয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, অন্তঃসত্ত্বা এক নারী (তার গর্ভে যমজ সন্তান ছিল), এ ছাড়া তার স্বামী, তার বোন এবং তিন সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।

কাছের আল-আহলি হাসপাতালের ভিডিওতে দেখা গেছে, শিশুদের গাড়ি ও ট্রাকে করে গুরুতর আহত অবস্থায় সেখানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজা শহরের যে স্থানে হামলা চালানো হয়েছে, সেখানে হামাস যোদ্ধারা ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক এবং সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করার জন্য ব্যবহার করেছে। এতে আরো বলা হয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি কমাতে অসংখ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, রাতভর গাজা শহরের পূর্ব শেজাইয়া জেলার বেশ কয়েকটি বাড়িতে বোমা হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। তারা একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে, উদ্ধারকারীরা একটি ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে দুটি ছোট শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, তিনি ঘুমাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠেন। আইডিএফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে তারা শেজাইয়া এবং পার্শ্ববর্তী চারটি এলাকার বাসিন্দাদের পশ্চিম গাজা শহরে অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এ ছাড়া সতর্ক করে বলেছে, ‘সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামো ধ্বংস করার জন্য... কাজ করছে।’

সূত্র : বিবিসি

মন্তব্য

দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণ করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দেশটির সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়। এই রায়ের অর্থ এখন দেশটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। খবর সিএনএনের।

ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ইওলকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেওয়ার পর শুক্রবার আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্ত করা হলো। এখন তার অপসারণ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং তাকে প্রেসিডেন্টের বাসভবন ত্যাগ করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত গত বছরের শেষের দিকে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলকে তার পদ থেকে অপসারণের রায় দিয়েছে। 

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ইউন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সামরিক আইন ঘোষণা করেন।

সে সময় তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রবিরোধী এবং উত্তর কোরিয়ার শক্তি সরকারে অনুপ্রবেশ করেছে।

কিন্তু দেশের জাতীয় পরিষদ বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পাঠানো ঊর্ধ্বতন সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তখনকার প্রেসিডেন্ট ইউন তার প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিবিদদের আটক করতে এবং তার সামরিক শাসনের আদেশ প্রত্যাহারের জন্য সংসদকে ভোটদান থেকে বিরত রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

আরো পড়ুন
দুপুর পর্যন্ত যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

দুপুর পর্যন্ত যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া

 

এদিকে, ৬৪ বছর বয়সী ইউন রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এখনো ফৌজদারি বিচারের মুখোমুখি। তিনি জানুয়ারির ১৫ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম বর্তমান প্রেসিডেন্ট হিসেবে গ্রেপ্তার হন, যদিও মার্চ মাসে আদালত তার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল করলে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ