ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

অনুমোদন ছাড়াই করোনা টেস্ট, রূপপুর মেডিকেয়ারের মালিক আটক

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
শেয়ার
অনুমোদন ছাড়াই করোনা টেস্ট, রূপপুর মেডিকেয়ারের মালিক আটক

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পাবনা সিভিল সার্জন কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়াই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে (আরএনপিপি) কর্মরত রাশিয়ান মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য কম্পানির শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের করোনা টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ ও ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে ঈশ্বরদীর রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের মালিক আব্দুল ওহাব রানাকে আটক করেছে পুলিশ। গত ( মঙ্গলবার) রাতে তাকে আটক করা হয়। রানা রূপপুর এলাকার জামাত আলীর ছেলে।

আরএনপিপিতে কর্মরত করোনা টেস্টের রিপোর্টপ্রাপ্ত শ্রমিক ও থানাসূত্র মতে, রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের মালিক আব্দুল ওহাব রানা এবং নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামের আরশেদ আলী সরকারের ছেলে সুজন আহমেদ পরস্পর যোগসাজশে গোপনে তিন দিন ধরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত রাশিয়ান কম্পানিসহ বিভিন্ন কম্পানির শ্রমিকদের করোনা পরীক্ষার জন্য প্রকল্পসংলগ্ন ফটু মার্কেট এলাকার একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার মাঠে তাবু টাঙিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন।

 
এই নমুনা তাঁরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এ জন্য প্রতিটি রিপোর্টে পাঁচ-ছয় হাজার টাকা নেন তাঁরা। আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান প্রতি রিপোর্টের জন্য সাড়ে তিন হাজার টাকা।  এরপর অনলাইনে রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের ঠিকানায় রিপোর্ট আসে।
সেখান থেকেই কম্পিউটার প্রিন্টের মাধ্যমে রিপোর্ট প্রার্থীর কাছে পাঠানো হয়। 

তবে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট প্রদানের ক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে, সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলো নমুনা সংগ্রহ করবে। সিভিল সার্জনের অনুমতিতে সেগুলো নির্ধারিত পিসিআর ল্যাবে যাবে। রিপোর্টগুলোও সিভিল সার্জন অফিস কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।

কিন্তু এসব নিয়মের কোনোরূপ তোয়াক্কা না করেই রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের পরিচালক অবৈধভাবে করোনার নমুনা সংগ্রহ করে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করোনা টেস্টের রিপোর্টগুলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে চেয়ারম্যান ডাক্তার আবু সাইদের স্বাক্ষর রয়েছে। প্রকল্পের শ্রমিকদের হাতে করোনা টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট। তার পরও প্রতিনিয়তই প্রকল্পের শ্রমিকদের মধ্যে আক্রান্তের হার বাড়ছেই। ফলে রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিক থেকে প্রাপ্ত টেস্টের রিপোর্ট নিয়েও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

চলতি মাসের গত ৪ থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত প্রকল্পে কর্মরত বিভিন্ন কম্পানির প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক ও কর্মচারীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে পাঁচ-ছয় হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার আবু সাইদ মুঠোফোনে কালের কণ্ঠ'র এই প্রতিনিধিকে জানান, রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের মালিক আব্দুল ওহাব রানাকে আমি চিনি না। ওই নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আসা ৫০ জনের নমুনা টেস্টের রিপোর্ট আমরা গত ৬ তারিখে পাঠিয়েছি। তিনি আরো জানান, রূপপুর প্রকল্পের শ্রমিকদের করোনা টেস্টের জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। আমাদের ধারণা ছিল, রূপপুর মেডিকেয়ার সরকারি অনুমোদন নিয়ে এই কাজ করছে। কিন্তু তাদের কোনোরূপ অনুমোদন নেই জানতে পেরে তাদের কোনো নমুনা আমরা আর গ্রহণ করছি না। এ জন্য তাঁরা হয়তো বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টেস্ট করাচ্ছেন। তবে রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিক সম্পর্কে  খোঁজখবর না নিয়ে কাজ করাটা আমাদের ভুল হয়েছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার এফ এ আসমা খান মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে জানান, উপজেলা ও জেলা হাসপাতালেই করোনার নমুনা সংগ্রহের কিট বা এম্পুলের তীব্র সংকট। এ জন্য আমরাই নিরুপায়। সেখানে অনুমোদনহীন রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিক কিভাবে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট প্রদান করছে, তা আমার জানা নেই। তবে ক্লিনিকের মালিক অভিনব প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতেই করোনার নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট দিয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাসীর উদ্দিন জানান, রূপপুর মেডিকেয়ার ক্লিনিকের মালিক অবৈধভাবে করোনা পরীক্ষার জন্য আরএনপিপিতে কর্মরত শ্রমিক নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট প্রদান করেছেন। পাবনা সিভিল সার্জন অফিসে যোগাযোগ করা হয়েছে। সেখান থেকে দিকনির্দেশনা এলেই আটক আব্দুল ওহাব রানাসহ দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে পাবনা সিভিল সার্জন ডাক্তার ইকবাল মেহেদীর মুঠোফোনে বারবার রিং দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজার কোদালের আঘাতে চাচার মৃত্যু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
শেয়ার
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজার কোদালের আঘাতে চাচার মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজার কোদালের আঘাতে চাচার মৃত্যু হয়েছে। নিহত হাবিবুর রহমান (৪৫) উপজেলার বল্লী গ্রামের মৃত সাত্তার মিয়ার ছেলে। আর অভিযুক্ত তারাব নূর (৩৫) একই গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে।

আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরের দিকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে মৃতদেহের ময়নাতদন্তের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীর পরিবার, স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী হাবিবুর রহমানের সঙ্গে অভিযুক্ত জয়নাল মিয়ার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে ভাতিজা কোদাল দিয়ে ভুক্তভোগীর বুকে আঘাত করেন।

এতে ভুক্তভোগী আহত হলে বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে খালিয়াজুরী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে প্রাথমিকভাবে মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন জানান, ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। আজ (শুক্রবার) হাসপাতাল মর্গে মৃতের ময়নাতদন্তের কার্যক্রম চলছে।

কীভাবে মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে তা জানা যাবে। 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

কুমিল্লার হোমনায় আন্ত জেলা ডাকাত সর্দার খুন

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
শেয়ার
কুমিল্লার হোমনায় আন্ত জেলা ডাকাত সর্দার খুন
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার হোমনায় আন্ত জেলা ডাকাতদলের সর্দার ও অর্ধশত মামলার আসামি পাণ্ডু মিয়া খুন হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে হোমনা পৌরসভার বাগমারা গ্রামে তিনি খুন হন। আজ শুক্রবার দুপুরে ডাকাত সর্দার পাণ্ডুর লাশ উদ্ধার করে হোমনা থানা পুলিশ। 

নিহত ফারুক হোসেন ওরুফে পাণ্ডু মিয়া পৌরসভার বাগমারা গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, হোমনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাণ্ডু মিয়ার নামে অর্ধশত মামলা রয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি ডাকাত সর্দার তিন বছর পলাতক ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি এলাকায় আসেন। পুলিশ ও এলাকাবাসীর ধারণা, রাতের কোনো একসময় ডাকাতদলের লোকজনের হাতেই তিনি খুন হন।

সকালে রাস্তার পাশে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

স্থানীয় কবি দেলোয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ পাণ্ডু মিয়া ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে হোমনা থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় প্রায় অর্ধশত ডাকাতি ও লুটপাটের মামলা রয়েছে।

সে তিনি-চার বছর এলাকা থেকে বিতারিত এবং নারায়ণগঞ্জে থাকত।

হোমনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজেদুল আলম বলেন, আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার ৩/৪ বছর ধরে পলাতক রয়েছে। তবে ডাকাতির টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে তার দলের লোকজনের হাতে খুন হতে পারেন তিনি। নিহত ডাকাত পান্ডু মিয়ার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

চলে গেল প্রেমা, বেঁচে রইল না পরিবারের কেউ

    নিহত বেড়ে ১১
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
চলে গেল প্রেমা, বেঁচে রইল না পরিবারের কেউ
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার চার দিনের মাথায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন কলেজ শিক্ষার্থী তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে।

আরো পড়ুন
ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

 

গত বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুই দম্পতিসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকার মিরপুরের রফিকুল ইসলাম শামীম ও লুৎফুন নাহার সুমি দম্পতি এবং তাদের দুই মেয়ে আনীসা আক্তার (১৪) ও লিয়ানা (৮) এবং শামীমের ভাগ্নি তানিফা ইয়াসমিনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হয় শামীম-সুমি দম্পতির বড় মেয়ে তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা (১৮)।

জানা যায়, ওই দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল শিশু আরাধ্য বিশ্বাস (৬) ও তার মামাতো ভাই দুর্জয় কুমার বিশ্বাস (১৮)।

আরাধ্যের বাবা দিলীপ বিশ্বাস ও মা সাধনা রানীও মারা গেছেন। গত বুধবার প্রেমাকে ও গতকাল বৃহস্পতিবার আরাধ্যকে ওয়ার্ড থেকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

আরো পড়ুন
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তৎপর ট্রাফিক পুলিশ

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে তৎপর ট্রাফিক পুলিশ

 

অন্যিদকে একই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

ভূরুঙ্গামারীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আটক

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
শেয়ার
ভূরুঙ্গামারীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা আটক
ছবি: কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা সালেকুর রহমান (৩৪)-কে আটক করেছে থানা পুলিশ। আজ শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সাড়ে ১২টার দিকে ভূরুঙ্গামারী বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।

সালেকুল উপজেলার সদর ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক।

আরো পড়ুন
সার্ভার জটিলতায় অনলাইনে টিকিট কাটতে ভোগান্তি

সার্ভার জটিলতায় অনলাইনে টিকিট কাটতে ভোগান্তি

 

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আল হেলাল মাহমুদ আটকের সত‍্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত ৪ আগস্ট ভূরুঙ্গামারীতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় সালেকুরকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ