রাজধানীজুড়ে পুলিশের ৫০০ টহলদল, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ২৪৮

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
রাজধানীজুড়ে পুলিশের ৫০০ টহলদল, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ২৪৮
ফাইল ছবি

জননিরাপত্তা বিধান ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে রাজধানীতে পুলিশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এরই অংশ হিসেবে ডিএমপিসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে সমন্বিত চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ এসব তথ্য জানিয়েছে।

ডিএমপির ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৫০টি থানা এলাকায় জননিরাপত্তা বৃদ্ধিতে ডিএমপির ৫০০টি টহল টিম দায়িত্ব পালন করে।

এ ছাড়া মহানগর এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে ডিএমপি কর্তৃক ৫৪টি পুলিশি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির টহল টিমের পাশাপাশি মহানগরীর বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় সিটিটিসির সাতটি, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) চারটি এবং র‍্যাবের ১০টি টহল টিম দায়িত্ব পালন করে।

এ ছাড়া ডিএমপির চেকপোস্টের পাশাপাশি পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট এপিবিএন কর্তৃক ৩১টি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ২৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ১৪ জন ডাকাত, ১৬ জন পেশাদার সক্রিয় ছিনতাইকারী, সাতজন চাঁদাবাজ, ১১ জন চোর, ২২ জন চিহ্নিত মাদক চোরাকারবারি, ৪৪ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ অন্যান্য অপরাধে জড়িত অপরাধী। 

অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহৃত তিনটি ছুরি, চারটি চাকু, একটি প্লায়ার্স, একটি স্ক্রু ড্রাইভার, একটি লোহার শাবল, একটি চাপাতি, একটি দা ও দুটি রড উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ৪৯ কেজি ৮৭০ গ্রাম গাঁজা ও ৭০৪ পিস ইয়াবা। 

গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ৫৯টি মামলা রুজু করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

‘হিরোস অব ২৪’-দের মাঝে সেফটি নেটওয়ার্কের ঈদ উপহার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
‘হিরোস অব ২৪’-দের মাঝে সেফটি নেটওয়ার্কের ঈদ উপহার বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

সেফটি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ জুলাই ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের বীরদের অদম্য চেতনাকে সম্মান জানাতে ‘হিরোস অব ২৪’ গ্র্যান্ড ইফতার এবং শহীদ পরিবার ও আহতদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করেছে। ‘হিরোস অব ২৪’ নামের ইফতারের আয়োজনে জুলাই-আগস্ট মাসের গণ-অভ্যুত্থানের কিছু বিশেষ ছবি আর পুরনো পত্রিকার প্রদর্শনী ছিল গুলশানের লেকশোর হোটেলে।  

গত মঙ্গলবার গুলশানের হোটেল লেকশোরে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিদেশি কূটনীতিক, বিশিষ্ট সমাজ-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের জন্য আত্মত্যাগকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের প্রতি সমর্থন জানান।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি জুনিয়র অফিসারদের উপস্থিতি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘সাবেক সামরিক কর্মীদের অনুরোধেই সেনাবাহিনী গণহত্যা থেকে বিরত থাকে।’ তিনি তরুণদের এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দেশ পরিচালনায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ক্যাপ্টেন (অব.) আশিক তার ভাইরাল প্রতিবাদের ভিডিওর মাধ্যমে অভ্যুত্থানের অন্ধকার দিনগুলোকে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শহীদদের সম্মান জানানোর অর্থ হলো তাদের পরিবার ও বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের অসহায় অবস্থায় ফেলে না রাখা।

ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা যোগ দিয়েছিলেন। 

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস ওয়াই রমাদান, ন্যায়বিচারের জন্য বিশ্বব্যাপী সংগ্রামের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ খচিত উত্তরীয় বিশিষ্ট অতিথিদের গায়ে জড়িয়ে দিয়ে তিনি ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের জন্য সেফটি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অনুপ্রেরণার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। পাকিস্তান, সুইডেন, ফিলিস্তিন, তুরস্ক, কমোরোস এবং অস্ট্রেলিয়ার কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে এই গল্পের সর্বজনীন আবেদনকে তুলে ধরেন।

সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সেফটি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা এস এম তাসদিদ সোয়াদ জানান, একটি সাধারণ স্মরণসভা হিসেবে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ, ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচারের এক শক্তিশালী সংলাপের রূপ নিয়েছে।  

স্বাধীনতা দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে সারা দিন ও রাত ধরে শহীদ পরিবার এবং আহত বীরদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। এই মানবিক উদ্যোগ ঈদুল ফিতর পর্যন্ত চলবে। সেফটি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ, আত্মোৎসর্গকারী ও সাহসী ব্যক্তিদের সম্মানিত করে, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবিক সহায়তার মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনের লক্ষ্যে অবিচল।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

নানাবাড়িতে ঈদ করতে এসে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ২ শিশুর

দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
শেয়ার
নানাবাড়িতে ঈদ করতে এসে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল ২ শিশুর

ঢাকার দোহার খালপার এলাকায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে খালের পানিতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে ঢাকার জেলার দোহার উপজেলার সুতারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো উপজেলার নারিশা লঞ্চঘাট এলাকার সামছুল হকের মেয়ে সামিয়া আক্তার (৮) ও উপজেলার সুতারপাড়া ঘারমোড়া এলাকার মো. মুকসেদের মেয়ে রাইসা আক্তার (৭)। রাইসা ও সামিয়া আক্তার সম্পর্কে খালাতো বোন।

ঈদ উপলক্ষে তারা তাদের নানাবাড়ি সুতারপাড়া খালপার গ্রামে বেড়াতে এসেছিল।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সামিয়া ও রাইসা খালপারে গোসল করতে যায়। এ সময় সাঁতার না জানার কারণে তারা খালের পানিতে তলিয়ে যায়। সালমা নামের আরেক শিশু ঘটনাটি দেখতে পেয়ে তার চাচি বিলকিস আক্তারকে জানায়।

বিলকিস আক্তার ঘটনাটি জানার পর খালপারে গিয়ে খালের পানিতে নেমে তাদের দুজনকে ডুবন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা ছুটে তাদের উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে দোহার থাকার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নুরুন্নবী জানান, পুলিশ জানতে পেরে হাসপাতালে গিয়েছিল। এ বিষয়ে পরিবারের কারো কোনো অভিযোগ না থানায় লাশ নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

ডাকাত ধরে চাকরি পাচ্ছেন ৫ শ্রমিক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ডাকাত ধরে চাকরি পাচ্ছেন ৫ শ্রমিক
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে এম এ হান্নান আজাদ নামের এক জুয়েলার্স মালিকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ধরতে সাহসিকতার পরিচয় দেওয়ায় পুরস্কার পাচ্ছেন পাঁচ শ্রমিক। সেই সঙ্গে পুলিশের অক্সিলিয়ারি ফোর্স হিসেবেও নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

আরো পড়ুন
আদালত চত্বরে ২ সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা, অগ্নিসংযোগ

আদালত চত্বরে ২ সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা, অগ্নিসংযোগ

 

তিনি বলেন, ‘ধানমণ্ডিতে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতদের প্রতিরোধ করা এবং তাদের ধরতে সহায়তা করায় ৫ জন শ্রমিকের নাম পাওয়া গেছে। সাহসিকতার জন্য ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী পাঁচ শ্রমিকের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া এই পাঁচজনকে অক্সিলিয়ারি ফোর্স হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।’

চলমান রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ডিএমপি বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে তালেবুর রহমান বলেন, ‘এ সময় টহল জোরদার, কৌশলগত জায়গায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া দু-একটি যে ঘটনা ঘটছে সেগুলোর সঙ্গে সঙ্গে উদঘাটন করে আসামি গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। পুলিশ অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। এর মধ্যে কেউ যদি অপরাধ করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

মেয়র হিসেবে শপথ নেব কি না, সেটা দলীয় বিষয় : ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
মেয়র হিসেবে শপথ নেব কি না, সেটা দলীয় বিষয় : ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক
সংগৃহীত ছবি

২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ফল বাতিল করেছেন আদালত। একই সঙ্গে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে রায় দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন। 

এ রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ইকরাক হোসেন বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি, এটা হলো মূল বিজয়।

আমি মেয়র হতে পারব কি না বা শপথ নেব কি না, সেটা সম্পূর্ণ দলীয় বিষয়।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে ন্যায়বিচার ফিরে আসুক। ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার পতনের পর সাধারণ মানুষ যে ন্যায়বিচার পায়, সেটার ধারা শুরু হচ্ছে বা শুরু হয়েছে। এই ধারাটা অব্যাহত থাকুক।

বাংলাদেশের সর্বস্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য।’ 

আরো পড়ুন
চকোলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, দোকানি গ্রেপ্তার

চকোলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, দোকানি গ্রেপ্তার

 

নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। সেই নির্বাচনে দিনদুপুরে ভোট ডাকাতি হয়েছিল। নির্বাচনের প্রচারণার শুরু থেকেই আমরা অভিযোগ দিয়ে আসছিলাম।

তখন আমাদের প্রচারণাকে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল। তখনকার বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিনা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। আমাদের প্রচারণার মাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। পোস্টা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। প্রচারণার শেষ পর্যায়ে আমার মিছিলে হামলা করে আমাদের অংসখ্য নেতাকর্মীদের মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছে।
নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি ও ভোট কারচুপি করা হয়। আমরা তখন মামলা করেছিলাম। সব কিছু আইনগতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ