আইসিইউ চিকিৎসকদের সংগঠন এসআইবির যাত্রা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
আইসিইউ চিকিৎসকদের সংগঠন এসআইবির যাত্রা শুরু

বাংলাদেশের আইসিইউ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংগঠন সোসাইটি অব ইনটেসিভিস্ট বাংলাদেশ (এসআইবি) যাত্রা শুরু করেছে। 

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা ক্লাবে প্রথম সাধারণ সভার (এজিএম) মধ্য দিয়ে সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। সভায় আগামী দুই বছরের জন্য সোসাইটির প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বার্ষিক সভায় সংগঠনের উপস্থিত সদস্যদের ভোটে অধ্যাপক এ কে কামরুল হুদা সভাপতি এবং ডা. রায়হান রাব্বানী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।

এ সময় ৬ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ, ১০ সদস্যের নির্বাহী কমিটি এবং ১০ সদস্যের কার্যনির্বাহী সদস্য নিয়ে আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি দেশের আইসিইউ চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং আর্ন্তাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আইসিইউ সেবার মানোন্নয়নে কাজ করবে।

সভার আগে ইনটেনসিভ কেয়ার নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন- সেপসিস, এন্টিবায়োটিক রেজিসট্যান্স, ইনফেকশন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়। সাইন্টিফিক এই অধিবেশনে আলোচনা করেন- অধ্যাপক একে কামরুল হুদা, ডা. মো. তাহসিন সালাম, ডা. রায়হান রাব্বানী ও ডা. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ইকবাল হোসেন চৌধুরী এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. রিজওয়ানুর রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ এনেসথেসিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের এনেসথেসিয়া বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোজাফফর হোসেন এবং বর্তমান বিভাগীয় প্রধান জনাব সুব্রত কুমার মন্ডল। 

সভায় নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে অধ্যাপক একে কামরুল হুদা বলেন, আমাদের লক্ষ্য দেশের আইসিইউ সেবার উন্নয়ন নিশ্চিত করা, চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন নিবিড় পরিচর্যা সেবা নিশ্চিত করা। এই কমিটি একসঙ্গে কাজ করে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে অগ্রসর হবে।

এদেশের শীর্ষস্থানীয় আইসিইউ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি আগামী দুই বছর সংগঠনের নেতৃত্ব দেবে এবং দেশের আইসিইউ চিকিৎসার উন্নয়নে কাজ করবে। 

সোসাইটি অব ইনটেনসিভিস্ট বাংলাদেশ-এর সফলতা কামনা করে ধন্যবাদ বক্তৃতা দেন রেডিয়েন্ট বিজনেস কনসোর্টিয়াম লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু শাহরিয়ার জাহেদী। তিনি সংগঠনের সার্বিক সহায়তায় নিয়মিত ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বিশ্বমানের প্রযুক্তিতে প্রস্তুতকৃত গুণগত ও মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহের মাধ্যমে রোগীদের উন্নত চিকিৎসায় রেডিয়েন্ট এর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ তিন শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায় : প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বাংলাদেশ তিন শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায় : প্রধান উপদেষ্টা
সংগৃহীত ছবি

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বিমসটেকের আমূল পরিবর্তনে বাংলাদেশ শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নির্গমন— এ তিনটি শূন্যের বিশ্ব গড়তে চায়।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককে বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিমসটেক অঞ্চল বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল। অনেকেই এ বিশাল জনসংখ্যাকে ‘সমস্যা’ হিসেবে দেখলেও সঠিক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে এ জনসংখ্যাই সবচেয়ে বড় সম্পদে পরিণত হতে পারে।

নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সঠিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এ অঞ্চল বিশাল সম্ভাবনাময় হয়ে উঠতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ সব সময় উন্মুক্ত আঞ্চলিক সহযোগিতার পক্ষে। আমরা এমন একটি অঞ্চল গঠনের স্বপ্ন দেখি, যেখানে সব দেশ সমতার ভিত্তিতে পারস্পরিক স্বার্থ ও সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য কাজ করবে।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বিআইএমএসটিইসি অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ বাণিজ্য এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ২০১৮ সালে স্বাক্ষরিত বিআইএমএসটিইসি গ্রিড সংযোগ চুক্তি জ্বালানি খাতে সহযোগিতার জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করতে পারে।

আরো পড়ুন
মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

 

অনুষ্ঠানে থাই প্রধানমন্ত্রী এবং সম্মেলনের চেয়ারপারসন পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রা, বিমসটেক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ইন্দ্র মনি পান্ডে এবং বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
মায়ানমার-থাইল্যান্ডে ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন বিমসটেক নেতাদের

মায়ানমার ও থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্য বিমসটেক নেতারা।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আগে বিমসটেক নেতারা সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণ করেন।

এর আগে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এক যৌথ ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর নেতারা। শুক্রবার বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর আগে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা। এরপর তিনি বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ফটোসেশন করেন।

পরবর্তী সময়ে বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক যৌথ ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা।

আরো পড়ুন
যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে ব্যাঙ্ককে অবস্থান করছেন।

২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য
প্রধান উপদেষ্টা

যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

বাসস
বাসস
শেয়ার
যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার
ছবি : প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের জনগণকে আশ্বস্ত করেছি— একবার আমাদের দায়িত্ব সম্পন্ন হলে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে, আমরা একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করব।’

শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণদানকালে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানগত অধিকার নিশ্চিত করতে, বিশেষ করে নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে নৃশংস সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাস ধরে গণহত্যায় লাখ লাখ সাধারণ নারী, পুরুষ, শিশু এবং যুবক-যুবতী সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছিলেন। আমাদের জনগণ এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত এবং মুক্ত সমাজের আকাঙ্ক্ষা করেছিল, যেখানে প্রতিটি সাধারণ মানুষ তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গত ১৫ বছরে আমাদের জনগণ, বিশেষ করে তরুণসমাজ, ক্রমাগত তাদের অধিকার হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবক্ষয় ঘটেছে এবং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে।

এ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের বিপুল প্রতিরোধ গড়ে ওঠে এবং প্রায় দুই হাজার নিরপরাধ মানুষ, যার মধ্যে ১১৮ জন শিশু, এই আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করেন। বাংলাদেশের মানুষ তার ইতিহাসে এক পুনর্জন্ম প্রত্যক্ষ করেছে।

লিখিত বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য সুদূরপ্রসারী সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সুশাসন, দুর্নীতি দমন এবং অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি জানান, সংস্কার পরিকল্পনার অন্যতম মূল ভিত্তি। অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা, সরকারি প্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন সংস্থা এবং সংবিধান সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, যা জনসাধারণের মালিকানা, জবাবদিহি ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।

তিনি আরো জানান, এ কমিশনগুলো এরই মধ্যে তাদের সুপারিশ প্রদান করেছে, যা সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তার নেতৃত্বে ও ছয়টি কমিশনের প্রধানদের অন্তর্ভুক্তিতে সাত সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’ গঠনের মাধ্যমে কমিশনগুলোর সুপারিশসমূহ গৃহীত ও কার্যকর করা হবে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেক নেতারা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেক নেতারা

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এক যৌথ ফটোসেশনে অংশ নিয়েছেন বিমসটেকের সদস্য দেশগুলোর নেতারা। শুক্রবার বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

​এর আগে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা থাইল্যান্ডের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে সকালের নাশতা করেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এরপর তিনি বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ফটোসেশন করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে ব্যাঙ্ককে অবস্থান করছেন। ২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ ছাড়া বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে আজ স্থানীয় সকাল ১১টা ১০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

 অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ