ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

পুলিশের বড় জয়, আবারও মুক্তিযোদ্ধার হার

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
শেয়ার
পুলিশের বড় জয়, আবারও মুক্তিযোদ্ধার হার

ছয় গোলের রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ এফসি। রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে হ্যাটট্রিক করে জয়ের নায়ক পুলিশের আফগান ফরোয়ার্ড আমিরউদ্দিন শরিফি। বাকি একটি গোল করেছেন আদিল কুসকুস। স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘের হয়ে ব্যবধান কমান রাফায়েল জাবরোভস্কি ও নেদো তুর্কোভিচ।

 

দিনের অন্য ম্যাচে গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে সোমবার মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটি। এ নিয়ে চলতি লিগে ষষ্ঠ হারের স্বাদ পেল মুক্তিযোদ্ধা।

পুরো ম্যাচে রহমতগঞ্জ আক্রমণের পসরা বসালেও তেমন সুযোগ বানাতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ। ৩৬ মিনিটে সিয়োভুস আসরোরভের ফ্রি কিকে জটলার মধ্যে থেকে একজন হেড করার পর গোললাইন থেকে লাফিয়ে উঠে ডিফেন্ডার তারেক মিয়া ফেরালে রক্ষা পায় মুক্তিযোদ্ধা।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে সানডে চিজোবার লং পাস ধরে বক্সে ঢুকে ফিলিপে আজাহর কোনাকুনি উঁচু শট গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে আবারও বেঁচে যায় মুক্তিযোদ্ধা। তবে ৫৭ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে রহমতগঞ্জকে জয় উপহার দেন কামারা। ডান দিক থেকে আজাহর আড়াআড়ি ক্রস বক্সে ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন গিনিয়ান এই ডিফেন্ডার।

লিগের সাত রাউন্ড শেষে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বসুন্ধরা কিংস। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আবাহনী লিমিটেডের পয়েন্ট ১৬। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব। সাত ম্যাচের মধ্যে ছয়টিতে হারা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে তলানিতে। স্বাধীনতা সংঘ ৪ পয়েন্ট নিয়ে আছে ১১তম অবস্থানে।

১১ পয়েন্ট নিয়ে পুলিশ এফসি পঞ্চম এবং ৭ পয়েন্ট নিয়ে রহমতগঞ্জ অষ্টম স্থানে আছে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও

    ওয়ানডে নিয়ে আমাদের ধারণাটা খুব পরিষ্কার ছিল যে কিভাবে খেলতে হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এদিক থেকে সবার ফোকাসটা আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে। সামনে আরো কমে যাবে। আমাদের উপায় নেই। আসল যুদ্ধে টিকে থাকতে গেলে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টিতে আমাদের ভালো করতেই হবে। -নাজমুল আবেদীন ফাহিম, বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
শেয়ার
‘আসল যুদ্ধের’ বাস্তবতায় বাংলাদেশও
অনুশীলনে বাংলাদেশ দল। ছবি : কালের কণ্ঠ

ওয়ানডে একসময় ভালো খেলত বাংলাদেশ। ‘একসময়’ বলার কারণ এখন আর সেভাবে এই সংস্করণে নিজেদের তারা মেলে ধরতে পারে না। নিকট অতীত অন্তত সে সাক্ষ্যই দিচ্ছে। তাই বলে পেছনের সোনালি দিনগুলোও মুছে যায়নি।

টেস্ট আর টি-টোয়েন্টির তুলনায় এই সংস্করণই তাদের জন্য বেশি মানানসই ছিল। কিন্তু কেন?

এর একটি ব্যাখ্যাও আছে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের কাছে, ‘৫০ ওভারের সংস্করণটি আমাদের সঙ্গে খুব যেত। কারণ টেস্ট ক্রিকেট খেলতে গেলে যেসব দক্ষতা থাকা চাই, এই সংস্করণে এর শতভাগ দরকার পড়ে না। আবার টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য যে ধরনের শারীরিক সক্ষমতা ও গতি থাকা দরকার, সেদিকটাতেও আমরা পিছিয়ে আছি।

তবে ওয়ানডেতে এসবেরও শতভাগ প্রয়োজন হয় না। এ জন্যই ৫০ ওভারের সংস্করণে আমাদের ছেলেরা মানিয়ে নিতে পারত বেশি।’

অবচেতনেই হোক বা সচেতনে, তিনিও বলছেন যে ‘পারত’। এখন এই না পারার চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে গেলে এই সংস্করণে বেশি বেশি ম্যাচ খেলার কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু ম্যাচের সংখ্যা উল্টো কমছে। মে মাসের পাকিস্তান সফর থেকেই যেমন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ছেঁটে ফেলা হয়েছে। সেখানে গিয়ে শুধুই পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। আগামী বছরের কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই সফর থেকে ওয়ানডে বাদ পড়েছে।

এই চর্চা অবশ্য নতুন নয়।

যখন যে সংস্করণের বিশ্ব আসর সামনে থাকে, সেটি নিয়েই বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসন বুঁদ হয়ে থাকে। সম্ভব হলে সামনের কোনো সফরসূচি থেকেও ওয়ানডে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ফাহিমের বক্তব্যে আছে সেই সুরও, ‘যেহেতু সামনের বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে, তাই চেষ্টা থাকবে এই সংস্করণের ম্যাচ একটু বেশি খেলার জন্য। সব সময় চাইলেই যে ওয়ানডে বাদ দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ করে ফেলতে পারব, তা-ও নয়। যেমন—পাকিস্তান সফরের ক্ষেত্রে পেরেছি। সব সময় তা সম্ভব না-ও হতে পারে।’

অবশ্য বর্তমান বাস্তবতায় ওয়ানডে আর তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমনকি বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কাছেও। প্রায়ই এই আলোচনাও উঠতে শোনা যায় যে চার বছরে ওয়ানডে বলতে শুধু একটি বিশ্বকাপই হবে। এর বাইরে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে দুই পক্ষ চাইলেই শুধু ওয়ানডে জায়গা পেতে পারে। এসব আলোচনাকে অবাস্তবসম্মত বলেও মনে হয় না ফাহিমের, ‘এমন আলোচনা বাস্তবসম্মতই। এখন সব কিছুকে সমানভাবে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়াটা প্রায় অসম্ভব। অগ্রাধিকারের কথা বললে এখানে প্রথমে আসে টেস্ট আর টি-টোয়েন্টির কথাই। তারপর হয়তো ৫০ ওভারের সংস্করণের কথা আসে। এ জন্যই হয়তো ওয়ানডেটা একটু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি এই মুহূর্তে।’

নিজেদের অগ্রাধিকারও বদলানোর সময় এসে গেছে বলে মনে করেন ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান, ‘(টেস্টে বাংলাদেশ যে অবস্থায় আছে) এখান থেকে বের না হয়ে কোনো উপায় নেই। ক্রিকেটে ভালো করতে গেলে এই সংস্করণে ভালো করতেই হবে। এই জায়গাটায় আমরা গুরুত্ব দেব।’ আসল যুদ্ধের প্রস্তুতিতে ক্রমেই গুরুত্ব হারাতে থাকা ওয়ানডের বাস্তবতাও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দেখেন না তিনি, ‘ওয়ানডে নিয়ে আমাদের ধারণাটা খুব পরিষ্কার ছিল যে কিভাবে খেলতে হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এদিক থেকে সবার ফোকাসটা আস্তে আস্তে সরে যাচ্ছে। সামনে আরো কমে যাবে। আমাদের উপায় নেই। আসল যুদ্ধে টিকে থাকতে গেলে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টিতে আমাদের ভালো করতেই হবে।’

মন্তব্য

দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
দুই হাতে বোলিং করে উইকেট নিয়ে আইপিএলে রেকর্ড শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডারের
আইপিএলে দুই হাতে বল করা প্রথম ক্রিকেটার কামিন্দু। ছবি : এক্স থেকে

কামিন্দু মেন্ডিসকে সব্যসাচী ক্রিকেটার বললে ভুল হবে না। কেননা দুই হাতেই বোলিং করতে পারদর্শী তিনি। সঙ্গে ব্যাটিংটাও ভালো পারেন বাঁহাতি ব্যাটার। গতকাল ইডেন গার্ডেনসে এমন দক্ষতা দেখিয়ে রেকর্ডও গড়েছেন শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার।

আরো পড়ুন
পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

 

আইপিএলে প্রথম বোলার হিসেবে দুই হাতে বোলিং করার কীর্তি গড়েছেন কামিন্দু। সেটিও আবার আইপিএলের অভিষেক ম্যাচে। শুধু কি ওভার করেই নিজের কাজ সেরেছেন তিনি, সঙ্গে একটি উইকেটও নিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী ব্যাটার। গতকাল কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষেই এই কীর্তি গড়েছেন শ্রীলঙ্কার তিন সংস্করণের একাদশের নিয়মিত মুখ হয়ে ওঠা এই অলরাউন্ডার।

ম্যাচে অবশ্য একটি ওভারই করেছেন কামিন্দু। ১৩তম ওভারের তিনটি করে বল বাম ও ডান হাতে করেছেন তিনি। সেই ওভারের চতুর্থ বলে সতীর্থ হার্শাল প্যাটেলের দারুণ এক ক্যাচে অঙ্কৃশ রঘুবংশীকে আউট করেন শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার। এমন কীর্তি দিনে অবশ্য জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি।

কলকাতার কাছে ৮০ রানের পরাজয় দেখেছে তার দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ব্যাট হাতে দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন তিনি।

দুই হাতে বল করার অভ্যাসটা শৈশব থেকেই করে আসছেন কামিন্দু। ২০১৬ সালে বাংলাদেশে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলতে এসে দুই হাতে বোলিং করে আলোচনায় আসেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতা পরে জাতীয় দলেও দেখিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

গত বছর ভারতের দুই ব্যাটার সূর্যকুমার যাদব ও ঋষভ পন্তের বিপক্ষে বোলিং করে।

আরো পড়ুন
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবশ্য দুই হাতে বল করা প্রথম ক্রিকেটার কামিন্দু নন, এমনকি শ্রীলঙ্কারও নন। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রথম বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েন বাংলাদেশের নারী দলের সাবেক প্রধান কোচ হাশান তিলকরত্নে। আর দুই শ্রীলঙ্কানের আগে এই কীর্তি গড়েছেন মোহাম্মদ হানিফ।
 
১৯৫৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই হাতে বল করেছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ব্যাটার হানিফ। কিংস্টন টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেদিন ৩৬৫ রানের অপরাজিত এক ইনিংস খেলেছিলেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি গ্যারি সোবার্স। ১৯৯৪ সালের আগ পর্যন্ত টেস্টে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস ছিল সেটি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেন্ট জনসে ৩৭৫ রানের ইনিংস খেলে পূর্বসূরীর রেকর্ড ভাঙেন ওয়েস্ট ইন্ডিজির আরেক কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা।

মন্তব্য

‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
‘বড় ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখেই প্রশংসা শুনবেন রোহিত’
রোহিতের সঙ্গে খোশগল্পে পোলার্ড। ছবি : বিসিসিআই

সময়টা বড্ড বাজে যাচ্ছে রোহিত শর্মার। জাতীয় ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলিয়ে সর্বশেষ ৯ ইনিংসে করতে পেরেছেন মাত্র এক ফিফটি। সেই ফিফটিই এসেছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে। এরপর আগে পরে শুধুই রান খরা গেছে তার ব্যাটে।

আইপিএলে সেই বাজে ফর্ম চলমান থাকায় রোহিতকে শুনতে হচ্ছে নানান রকমের সমালোচনা। ভারতের সাবেক ব্যাটার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের মতে, ভারতীয় অধিনায়কের সময় ফুরিয়েছে এসেছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন জানিয়েছেন, নামটা রোহিত বলেই তিনি মুম্বাইয়ের একাদশে এমন বাজে পারফরম্যান্সের পরও সুযোগ পাচ্ছেন।

আরো পড়ুন
পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

 

সমালোচনা শুনে রোহিত কোনো জবাব না দিলেও তার হয়ে যেন ‘ব্যাট’ চালালেন কাইরন পোলার্ড।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাবেক অলরাউন্ডার ও বর্তমান ব্যাটিং কোচ জানিয়েছেন, সামনে বড় ইনিংস খেলে রোহিতই সমালোচকদের মুখ থেকে প্রশংসা কাড়বেন। সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার জানিয়েছেন, কয়েকটা ইনিংস দিয়ে রোহিতকে বিচার না করতে।

রোহিত খুব শিগরিই ছন্দে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন পোলার্ড। তিনি বলেছেন, ‘অনেক সময় আসে যখন আপনি অল্প রানে আউট হবেন... তবে সে ব্যক্তি হিসেবে নিজের ক্রিকেট উপভোগ করছে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চাপের মুখেও পড়ে না।

তাই কয়েকটি অল্প ইনিংসে তাকে বিচার করবে না। জানি, ক্রিকেটে সাফল্যের চেয়ে আমরা বেশি ব্যর্থই হই। আমি নিশ্চিত, বড় ইনিংস খেলে সে প্রশংসা কাড়বে। সে সামনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।’

আরো পড়ুন
পাকিস্তানের বিপক্ষে ডিজঅ্যাবল ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না প্রশ্ন আকমলের

পাকিস্তানের বিপক্ষে ডিজঅ্যাবল ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না প্রশ্ন আকমলের

 

ক্রিকেটে সে কিভাবে নিজেকে কিংবদন্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে তার ইতিহাসও কিছুটা তুলে ধরেছেন পোলার্ড।

৩৭ বছর বয়সী কোচ বলেছেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ থেকেই তার সঙ্গে খেলছি। খেলাটির যেকোনো সংস্করণে, যেকোনো পরিস্থিতিতে রেকর্ড বইয়ে তার নাম খোদাই করে রাখতে সে বাধ্য করেছে। খেলাটির কিংবদন্তি সে এবং মানুষ হিসেবেও’।

এখন দেখার বিষয় এক সময়কার মুম্বাই সতীর্থ ও বর্তমানে গুরুর ভূমিকায় থাকা পোলার্ডের মুখের কথা ব্যাটে আনতে পারেন কি না রোহিত। এর জন্য অবশ্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে না তাকে। আজই সেই সুযোগ পাচ্ছেন তিনি, লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে।

মন্তব্য

পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর চাপম্যানের উদযাপন। ছবি : ক্রিকইনফো

দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন মার্ক চাপম্যান। কিন্তু ১৩২ রানের ইনিংসটির মুহূর্তটা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি ব্যাটার। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ে নেমে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি।

সেই চোটের কারণে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে পারেননি চাপম্যান।

তাকে ছাড়াও অবশ্য টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডে সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছে কিউইরা। আগামীকাল যখন পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করতে নামবে নিউজিল্যান্ড, তখন প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ানকে পাবেন না উইল ইয়ং-ড্যারিল মিচেলরা।

পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় তৃতীয় ওয়ানডে থেকেও ছিটকে গেছেন চাপম্যান। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে যে ৩০ বছর বয়সী ব্যাটারকে পাওয়া যাচ্ছে তা আজ নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

তার পরিবর্তে ডাকা হয়েছে টিম সেইফার্টকে। এতে করে দীর্ঘ ছয় বছরের বেশি সময় পর ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

সর্বশেষ ২০১৯ সালে জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন সেইফার্ট। টি-টোয়েন্টির নিয়মিত মুখ হলেও ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মাত্র তিনটি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ৪-১ ব্যবধানের জয়ে সিরিজসেরা হয়েছিলেন তিনি। ২০৭.৫০ স্ট্রাইক রেটে করেছিলেন ২৪৯ রান। এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সই তাকে আবারও ওয়ানডে খেলার সুযোগ করে দিয়েছে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ