ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬
মুখোমুখি

গোলটা স্মরণীয় হয়ে আছে

  • ফিলিস্তিনের বিপক্ষে ছয় দেখায় বাংলাদেশের একমাত্র যে ফুটবলার তাদের জালে বল জড়াতে পেরেছিলেন, তিনি মেহেদী হাসান তপু। ২০০৬ সালে ঢাকায় এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের ম্যাচে বাংলাদেশের ১-১ গোলের ড্রয়ে একমাত্র গোলটি তাঁর। আবার ফিলিস্তিনের মুখোমুখি হওয়ার আগে সেই মেহেদী মুখোমুখি হয়েছিলেন কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের
শেয়ার
গোলটা স্মরণীয় হয়ে আছে
ফাইল ছবি

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ফিলিস্তিনের বিপক্ষে এখনো বাংলাদেশের একমাত্র গোলটি আপনার...

মেহেদী : হ্যাঁ, ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে। আমাদের গ্রুপে ফিলিস্তিন ছাড়াও ছিল কম্বোডিয়া ও গুয়াম। আমাদের ও ফিলিস্তিনের পয়েন্ট সমান থাকায় শেষ ম্যাচে ওদের বিপক্ষে ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই। আমার গোলে ওই ড্রয়ের পর ফিলিস্তিন অবশ্য গোল ব্যবধানে চ্যাম্পিয়নই হয়েছিল, আমরা রানার্স আপ।

প্রশ্ন : ওই টুর্নামেন্টে তো আলফাজ আহমেদ, আবুল হোসেন, জাহিদ হাসান এমিলির মতো স্ট্রাইকাররা ছিলেন, আপনিও তাতে দাগ কাটলেন...

মেহেদী : আসলে আমাদের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় কোচ আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি মূল একাদশের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেন। তো আলফাজ ভাই, জয় (আরিফ খান) ভাইদের  নিয়ে দ্বিতীয় যে দলটি খেলানো হলো দেখা গেল তারা আরো ভাল খেলেছে। আমিও সেই ম্যাচেই প্রথম শুরুর একাদশে খেলি। আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে একমাত্র গোলও সেটা।

প্রশ্ন : এর বাইরে জাতীয় দলে তো খুব বেশি খেলেনওনি...

মেহেদী : না, তেমন খেলা হয়নি। এর পরপরই শ্রীলঙ্কায় এসএ গেমস খেলেছিলাম। ওই সময়টায় আন্তর্জাতিক ক্লাব টুর্নামেন্টও খেলেছি ব্রাদার্সের হয়ে, লেবাননের ক্লাবের বিপক্ষে এএফসি কাপেও গোল আছে। তবে জাতীয় দলে একমাত্র গোলটা তো স্মরণীয়।

প্রশ্ন : ক্লাব ফুটবল তো খেলেছেন দীর্ঘদিন...

তপু : হ্যাঁ, ২০১৭ পর্যন্ত খেলেছি। এর মধ্যে জাতীয় দলেও ডাক পেয়েছি আরো অনেকবার। কিন্তু ম্যাচ পাওয়া ছিল কঠিন। তখন তো অনেক স্ট্রাইকার—আলফাজ ভাই, ফরহাদ, কাঞ্চন মনি ভাই। তাঁদের সঙ্গে লড়াই করে আসা অনেক কঠিন ছিল।

এখন তো স্ট্রাইকার সেভাবে পাওয়াই যায় না বাংলাদেশে।

প্রশ্ন : ফিলিস্তিনের বিপক্ষে আপনার পর আর কেউ গোলও করতে পারেনি, আজ সেটা কি সম্ভব?

তপু : আসলে দলগুলো বিদেশি স্ট্রাইকারে নির্ভরশীল হয়ে পড়ায়ই এই অবস্থা। সারা বছর বেঞ্চে কাটিয়ে জাতীয় দলে এসে গোল করা কঠিন। আলফাজ ভাইয়ের পর এমিলি অনেক গোল করেছে, এরপর আর সেভাবে কেউ আলোচনায় নেই। তবে কিছুদিন ধরে রাকিব, মোরসালিনরা ভালো করছে। আশা তো করি আজও ওরা ভালো করবে।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতেও নেই প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর চাপম্যানের উদযাপন। ছবি : ক্রিকইনফো

দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন মার্ক চাপম্যান। কিন্তু ১৩২ রানের ইনিংসটির মুহূর্তটা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি ব্যাটার। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ে নেমে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি।

সেই চোটের কারণে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে পারেননি চাপম্যান।

তাকে ছাড়াও অবশ্য টি-টোয়েন্টির পর ওয়ানডে সিরিজও নিজেদের করে নিয়েছে কিউইরা। আগামীকাল যখন পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করতে নামবে নিউজিল্যান্ড তখন প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ানকে পাবেন না উইল ইয়ং-ড্যারিল মিচেলরা।

পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় তৃতীয় ওয়ানডে থেকেও ছিটকে গেছেন চাপম্যান। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে যে ৩০ বছর বয়সী ব্যাটারকে পাওয়া যাচ্ছে তা আজ নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

তার পরিবর্তে ডাকা হয়েছে টিম সেইফার্টকে। এতে করে দীর্ঘ ৬ বছরের বেশি সময় পর ওয়ানডে খেলার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

সর্বশেষ ২০১৯ সালে জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন সেইফার্ট। টি-টোয়েন্টির নিয়মিত মুখ হলেও ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মাত্র ৩টি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ৪-১ ব্যবধানের জয়ে সিরিজসেরা হয়েছিলেন তিনি। ২০৭.৫০ স্ট্রাইক রেটে করেছিলেন ২৪৯ রান। এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সই তাকে আবারো ওয়ানডে খেলার সুযোগ করে দিয়েছে।

মন্তব্য

পাকিস্তানের বিপক্ষে ডিজঅ্যাবল ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না প্রশ্ন আকমলের

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
পাকিস্তানের বিপক্ষে ডিজঅ্যাবল ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না প্রশ্ন আকমলের
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে বিদায়ের সময় এভাবেই হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়েন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। ছবি : ক্রিকইনফো

ঘরের মাঠের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির হতাশা ঘোচাতে নিউজিল্যান্ড সফরে যায় পাকিস্তান। কিন্তু সাদা বলের দুই সংস্করণের সিরিজেই বাজেভাবে পরাজয় দেখেছে তারা। এমন হারের পর স্বাভাবিকভাবেই সমালোচনা হচ্ছে ক্রিকেটারসহ কোচিং প্যানেলের। বাদ যাচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে সর্বশেষ দুই ওয়ানডে বিশ্বকাপের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও হতাশা উপহার দিয়েছেন বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ানরা। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় তারা। দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের এমন বাজে ফলের ক্ষোভ পিসিবির সভাপতি মহসিন নাকভির ওপর ঝেড়েছেন কামরান আকমল। পাকিস্তানের সাবেক উইকটেরক্ষক-ব্যাটার জানিয়েছেন, সম্মান থাকতেই নাকভির পদত্যাগ করা উচিত।

আরো পড়ুন
মেসির অনুজ্জ্বল দিনে হেরেছে মায়ামি

মেসির অনুজ্জ্বল দিনে হেরেছে মায়ামি

 

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এমনটিই জানিয়েছেন আকমল। পাকিস্তানের হয়ে তিন সংস্করণ মিলেয়ে আড়াই শর ওপরে ম্যাচ সাবেক ওপেনার বলেছেন, ‘এটা বিব্রতকর। পিসিবি সভাপতির ভাবা উচিত যে যদি তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন তাহলে তার পদত্যাগ করা উচিত। নিজের সুনাম নষ্ট করবেন না।

যদি পদত্যাগ করতে না চান তাহলে বর্তমান দলের উন্নতি করান।’

আরো পড়ুন
দেড় বছর পর পাওয়া গোলটি ভাইকে উৎসর্গ গ্রিলিশের

দেড় বছর পর পাওয়া গোলটি ভাইকে উৎসর্গ গ্রিলিশের

 

বিশ্ব ক্রিকেটে সব সময় পাকিস্তানের বোলারা দাপট দেখালেও গত কয়েক বছর ধরে তা পারছে না। এশিয়ার মাঠে বোলারদের জন্য কিছু নেই বলে যারা অজুহাত দেখান তাদের উদ্দেশে কড়া বার্তাই দিয়েছেন আকমল। পাকিস্তানের বিপক্ষে শারীরিকভাবে অক্ষম ক্রিকেটারদের খেলানোর সময় এসেছে কি না, এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেছেন, ‘পাকিস্তানি বোলাররা যদি এমন উইকেটেও বোলিং করতে না পারে, তাহলে কোথায় পারবে? তাদের দাবি, এশিয়ার মাঠে বোলারদের জন্য কিছু নেই। কিন্তু যে মাঠে থাকে সেখানেও তারা কিছু করতে পারে না।

এখন কি আমাদের বিপক্ষে ডিজঅ্যাবল ক্রিকেটারদের খেলানো উচিত? কোথায় বোলিং করতে হবে আমরা জানি না। এর অর্থ হলো অবশ্যই পরিবর্তন করা উচিত।’

মন্তব্য

নারী বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের দায়িত্বে বাংলাদেশের ২ আম্পায়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
নারী বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের দায়িত্বে বাংলাদেশের ২ আম্পায়ার
জেসি ও মুকুল। ছবি : সংগৃহীত

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে খেলতে আজ পাকিস্তানের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। মাঠে যখন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা খেলবেন তখন টুর্নামেন্টে ভিন্ন ভূমিকায় থাকবেন আরো দুই বাংলাদেশি।

আরো পড়ুন
মেসির অনুজ্জ্বল দিনে হেরেছে মায়ামি

মেসির অনুজ্জ্বল দিনে হেরেছে মায়ামি

 

তাদের কাজ হবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচ পরিচালনা করা। সেই দুই আম্পায়ার হচ্ছেন মাসুদুর রহমান মুকুল ও সাথিরা জাকির জেসি।

তাদের রেখেই আজ ১০ জনের আম্পয়ার তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। সঙ্গ তিনজন ম্যাচ রেফারির নামও জানিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। 

আরো পড়ুন
দেড় বছর পর পাওয়া গোলটি ভাইকে উৎসর্গ গ্রিলিশের

দেড় বছর পর পাওয়া গোলটি ভাইকে উৎসর্গ গ্রিলিশের

 

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচ দিয়ে আইসিসির কোনো বড় ইভেন্টে আম্পায়ারিং করার সুযোগ পাচ্ছেন জেসি। এর আগে অবশ্য নারীদের এশিয়া কাপ ও অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের হয়ে দুটি ম্যাচ খেলা জেসি।

অন্যদিকে আইসিসির বিভিন্ন ইভেন্টে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে মুকুলের। ২০২০ এবং ২০২৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপেও আম্পায়ার হিসেবে ছিলেন তিনি।

ছয় দলকে নিয়ে বাছাই পর্বের টুর্নামেন্টটি আগামী ৯ এপ্রিল শুরু হবে। আর শেষ হবে ১৯ এপ্রিল।

টুর্নামেন্টের শীর্ষ ২ দল ভারতে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে।

আম্পয়ারদের তালিকা :

মাসুদুর রহমান মুকুল (বাংলাদেশ), সাথিরা জাকির জেসি (বাংলাদেশ), বাবস গকুমা (দক্ষিণ আফ্রিকা), ক্যান্ডেস লা বোর্ডে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), দেদুনু ডি সিলভা (শ্রীলঙ্কা), ডনোভান কচ (অস্ট্রেলিয়া), ফয়সাল খান আফ্রিদি (পাকিস্তান), সালিমা ইমতিয়াজ (পাকিস্তান), সারাহ ডামবানেভানা (জিম্বাবুয়ে), শন হেইগ (নিউজিল্যান্ড)।

ম্যাচ রেফারিদের তালিকা :

আলী নাকভি (পাকিস্তান), শান্দ্রে ফ্রিটজ (দক্ষিণ আফ্রিকা), ট্রুডি অ্যান্ডারসন (নিউজিল্যান্ড)।

মন্তব্য

ভারতের বিপক্ষে ড্র করে সুখবর পেয়েছেন হামজারা, শীর্ষে আর্জেন্টিনাই

ক্রীড়া ডেস্ক
ক্রীড়া ডেস্ক
শেয়ার
ভারতের বিপক্ষে ড্র করে সুখবর পেয়েছেন হামজারা, শীর্ষে আর্জেন্টিনাই
বাংলাদেশ ফুটবল দল। ছবি : কালের কণ্ঠ

শিলংয়ে যতগুলো সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ তাতে ভারতের বিপক্ষে জয় পাওয়াটা প্রাপ্যই ছিল হামজা চৌধুরী-মিতুল মারমাদের। সেই আক্ষেপ থাকলেও এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে প্রতিপক্ষকে রুখে দেওয়ার পুরস্কারই পেয়েছে বাংলাদেশ।

আরো পড়ুন
দেড় বছর পর পাওয়া গোলটি ভাইকে উৎসর্গ গ্রিলিশের

দেড় বছর পর পাওয়া গোলটি ভাইকে উৎসর্গ গ্রিলিশের

 

ভারতের বিপক্ষে ড্র করায় দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। অর্থাৎ ১৮৫তম পরিবর্তে এখন বাংলাদেশের স্থান ১৮৩তম।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর যা সর্বোচ্চ। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ১১০ নম্বরে ছিল। আর ২০১৮ সালে সর্বনিম্ন ১৯৭ নম্বর পর্যন্ত পৌঁছেছিল বাংলাদেশ। ফিফার সর্বশেষ র‌্যাংকিং হালনাগাদে ৫.৩৫ পয়েন্ট বেড়েছে বাংলাদেশের।
এতে বর্তমানে মোট পয়েন্ট ৯০৪.১৬।

অন্যদিকে ড্র করে এক ধাপ পিছিয়েছে ভারত। তাদের বর্তমান অবস্থান এখন ১২৭ নম্বর। এশিয়ার মধ্যে সবার ওপরে আছে জাপান।

১৫ নম্বরে আছে সূর্যোদয়ের দেশটি। আর সব মিলিয়ে যথারীতি শীর্ষেই আছে আর্জেন্টিনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে হারিয়ে ১৮.৯১ পয়েন্ট বাড়িয়ে নিজেদের শীর্ষস্থান আরো সুসংহত করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আরো পড়ুন
মেসির অনুজ্জ্বল দিনে হেরেছে মায়ামি

মেসির অনুজ্জ্বল দিনে হেরেছে মায়ামি

 

বর্তমানে লিওনেল মেসিদের পয়েন্ট ১৮৮৬.১৬। অন্যদিকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ১৭৭৬.০৩ পয়েন্টে ৫ নম্বরে আছে।

এক ধাপ উন্নতিতে ফ্রান্সকে তিনে নামিয়ে দুইয়ে জায়গা পেয়েছে স্পেন। আর শীর্ষ পাঁচের চারে আছে ইংল্যান্ড।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ