কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : ফিলিস্তিনের বিপক্ষে এখনো বাংলাদেশের একমাত্র গোলটি আপনার...
মেহেদী : হ্যাঁ, ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে। আমাদের গ্রুপে ফিলিস্তিন ছাড়াও ছিল কম্বোডিয়া ও গুয়াম। আমাদের ও ফিলিস্তিনের পয়েন্ট সমান থাকায় শেষ ম্যাচে ওদের বিপক্ষে ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই। আমার গোলে ওই ড্রয়ের পর ফিলিস্তিন অবশ্য গোল ব্যবধানে চ্যাম্পিয়নই হয়েছিল, আমরা রানার্স আপ।
প্রশ্ন : ওই টুর্নামেন্টে তো আলফাজ আহমেদ, আবুল হোসেন, জাহিদ হাসান এমিলির মতো স্ট্রাইকাররা ছিলেন, আপনিও তাতে দাগ কাটলেন...
মেহেদী : আসলে আমাদের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় কোচ আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি মূল একাদশের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেন। তো আলফাজ ভাই, জয় (আরিফ খান) ভাইদের নিয়ে দ্বিতীয় যে দলটি খেলানো হলো দেখা গেল তারা আরো ভাল খেলেছে। আমিও সেই ম্যাচেই প্রথম শুরুর একাদশে খেলি। আমার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে একমাত্র গোলও সেটা।
প্রশ্ন : এর বাইরে জাতীয় দলে তো খুব বেশি খেলেনওনি...
মেহেদী : না, তেমন খেলা হয়নি। এর পরপরই শ্রীলঙ্কায় এসএ গেমস খেলেছিলাম। ওই সময়টায় আন্তর্জাতিক ক্লাব টুর্নামেন্টও খেলেছি ব্রাদার্সের হয়ে, লেবাননের ক্লাবের বিপক্ষে এএফসি কাপেও গোল আছে। তবে জাতীয় দলে একমাত্র গোলটা তো স্মরণীয়।
প্রশ্ন : ক্লাব ফুটবল তো খেলেছেন দীর্ঘদিন...
তপু : হ্যাঁ, ২০১৭ পর্যন্ত খেলেছি। এর মধ্যে জাতীয় দলেও ডাক পেয়েছি আরো অনেকবার। কিন্তু ম্যাচ পাওয়া ছিল কঠিন। তখন তো অনেক স্ট্রাইকার—আলফাজ ভাই, ফরহাদ, কাঞ্চন মনি ভাই। তাঁদের সঙ্গে লড়াই করে আসা অনেক কঠিন ছিল।
এখন তো স্ট্রাইকার সেভাবে পাওয়াই যায় না বাংলাদেশে।
প্রশ্ন : ফিলিস্তিনের বিপক্ষে আপনার পর আর কেউ গোলও করতে পারেনি, আজ সেটা কি সম্ভব?
তপু : আসলে দলগুলো বিদেশি স্ট্রাইকারে নির্ভরশীল হয়ে পড়ায়ই এই অবস্থা। সারা বছর বেঞ্চে কাটিয়ে জাতীয় দলে এসে গোল করা কঠিন। আলফাজ ভাইয়ের পর এমিলি অনেক গোল করেছে, এরপর আর সেভাবে কেউ আলোচনায় নেই। তবে কিছুদিন ধরে রাকিব, মোরসালিনরা ভালো করছে। আশা তো করি আজও ওরা ভালো করবে।