বৈধ জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস ডিএমপি কমিশনারের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বৈধ জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস ডিএমপি কমিশনারের
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সদস্যভুক্ত বৈধ জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা দিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।  

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাজুসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশ্বাস দেন।

এ সময় ডিএমপি কমিশনার ঢাকা মহানগরীর বাজুসের সদস্যভুক্ত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা বিধানে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবেন বলে বাজুস নেতাদের আশ্বস্ত করেন। তবে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের মালিকদেরও ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

 

ডিএমপি কমিশনার বাজুস নেতাদের প্রত্যেক মার্কেট ও দোকানের সামনে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ সিকিউরিটি গার্ডদের সতর্ক অবস্থানে রাখার পরামর্শ দেন। এছাড়া বৈধ জুয়েলারি ব্যবসায়ী যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখবেন বলে জানান তিনি।

সৌজন্য সাক্ষাতে বাজুসের প্রতিনিধিদলে ছিলেন গুলজার আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বাদল চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক, আনোয়ার হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য, সমিত ঘোষ অপু, সহ-সভাপতি, উত্তম বণিক, কোষাধ্যক্ষ।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ভারত থেকে এলো ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন চাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
ভারত থেকে এলো ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন চাল
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় (প্যাকেজ-৮) ভারত  থেকে ১০ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে এমভি এইচটি ইউনিটি নামের একটি জাহাজ।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় খাদ্য মন্ত্রণালয়।

আরো পড়ুন
পাবনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুন

পাবনায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুন

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাহাজে রক্ষিত চালের নমুনা পরীক্ষা শেষ হয়েছে। চাল খালাসের  কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে।

এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। 

এতে আরো বলা হয়, উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোট পাঁচ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি প্যাকেজে মোট চার লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির চুক্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে চুক্তি মোতাবেক তিন লাখ ছয় হাজার ৭৬৯ মেট্রিক টন চাল দেশে পৌঁছেছে।

 
 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

তিন মাসে ১৪ বার বেড়েছে সোনার দাম

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
তিন মাসে ১৪ বার বেড়েছে সোনার দাম

বিশ্ব বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশে বাড়ছে সোনার দাম। গত তিন মাসে এই অলঙ্কারটির দাম বেড়েছে ১৪ বার। কমেছে মাত্র ৩ বার। এক বছর আগে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ছিল ১ লাখ ১১ হাজার টাকা।

এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা বেড়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দেড় লাখ টাকার বেশি। 

আরো পড়ুন
যেসব দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

যেসব দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

 

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বা বাজুস নিয়মিতই সোনার হালনাগাদ দাম প্রকাশ করে থাকে। বাজুস চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ) মোট ১৭ বার সোনার দাম পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে।

এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৪ বার আর দাম কমানো হয়েছে মাত্র ৩ বার।

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি সোনার দাম বাড়ানো হয়। তখন ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ দাম আরো বাড়িয়ে ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

দেশের বাজারে এটিই এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ বা রেকর্ড দাম। 

আরো পড়ুন
ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার সহজ উপায়

ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার সহজ উপায়

 

বর্তমানে ২১ ক্যারেট মানের সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের সোনা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা।

এদিকে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বিভিন্ন দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির চাপ ও তার জেরে শুল্ক যুদ্ধের আশঙ্কা। ফলে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্র হিসেবে অনেকে সোনার দিকে ঝুঁকছেন।

শেয়ারবাজার থেকে পুঁজি প্রত্যাহার করেও অনেকে সোনা কিনছেন।
 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছেন, যাকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে অনেক দেশ। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে। এতদিন দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক ছিল।

বাংলাদেশের প্রধান দুই রপ্তানি বাজারের একটি যুক্তরাষ্ট্র।

বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের একটি বড় অংশ রপ্তানি হয় দেশটিতে। যুক্তরাষ্ট্রে বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি হয় প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলার, যা প্রধানত তৈরি পোশাক। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি দাঁড়ায় ৭ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন (৭৩৪ কোটি) ডলারে।

নতুন করে উচ্চ মাত্রায় এই শুল্ক আরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা।

ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বুধবার বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত ২টা) হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন করে শুল্ক ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

হোয়াইট হাউজের রোজ গার্ডেনে উপস্থিত সাংবাদিকসহ সমবেতদের উদ্দেশে বক্তব্যের শুরুতেই ট্রাম্প বলেন, ‘আজ খুব ভালো খবর’ থাকবে। এ সময় দর্শক সারি থেকে করতালি দিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়।

এই দিনকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ অভিহিত করেন ট্রাম্প।

নতুন শুল্ক আরোপকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, এই দিনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করছে।

বাংলাদেশি পণ্য

ট্রাম্পের পাল্টা এই শুল্ক আরোপে ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর ২৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ।

এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ আরোপ করা হয়েছে।

অন্যান্য যেসব দেশের পণ্যের ওপর বেশি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

পাল্টা এই শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানে থাকা ট্রাম্প বলেছেন, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কখনো কখনো ‘বন্ধু শত্রুর চেয়ে খারাপ হয়’। যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের বিদেশি গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় যেসব গাড়ি উৎপাদন করা হয় তার ৮০ শতাংশের বেশি সেদেশে বিক্রি হয়। আর জাপানে যেসব গাড়ি বিক্রি হয় সেগুলোর ৯০ শতাংশের বেশি সেদেশে তৈরি হয়। এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি বিক্রি হয় খুব সামান্য।

মার্কিন কম্পানি ফোর্ড অন্যান্য দেশে খুব কম গাড়ি বিক্রি করে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, অন্য যে কোনো দেশে তৈরি মোটরযানের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হবে এবং এটা আজ মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হবে।

শুল্ক আরোপের ঘোষণাকে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির প্রতিফলন উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, আজকের দিনকে আমেরিকান শিল্পের ‘পুনর্জন্ম’ এবং আমেরিকাকে ‘আবার সম্পদশালী’ করার দিন হিসেবে স্মরণ করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বাধার মুখে রয়েছে।

অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে অশুল্ক বাধা আরও খারাপ অবস্থা তৈরি করেছে। বিভিন্ন দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মেধাসত্ত চুরিসহ অন্যান্য বিধিনিষেধ আরোপের অভিযোগ করেছেন তিনি। সূত্র : রয়টার্স

মন্তব্য
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান

অনিশ্চয়তার মধ্যে আমাদের বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
অনিশ্চয়তার মধ্যে আমাদের বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান
অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো ও খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। 

সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। 

দেশের অর্থনীতি নিয়ে এক প্রশ্নে জবাবে অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত কয়েক বছরে শুধুমাত্র প্রান্তিক মানুষ না, এখানে নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত যারা আছেন, তারাও মূল্যস্ফীতির একটা চাপের মধ্যে আছেন। আমাদের কর্মসংস্থান-বিনিয়োগ এগুলোও একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে।

আবার অন্যদিক থেকে অনেক চেষ্টা করা হচ্ছে। বৈদেশিক খাতটা একটা ইতিবাচক অবস্থার মধ্যে আছে, আমাদের এক্সচেঞ্জটা স্ট্যাবল আছে, রিজার্ভ যেভাবে অবনমন হচ্ছিল সেটা রোধ করা গেছে। 

আরো পড়ুন
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চালু হচ্ছে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চালু হচ্ছে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি

 

তিনি বলেন, আমদানি আরো একটু উদার করা সম্ভব হচ্ছে, যেটা নিয়ন্ত্রিত করতে হয়েছিল বাধ্য হয়ে। ব্যাংকিং সেক্টরকে কিছুটা পুনর্গঠন করা, সংস্কার করা; এগুলো সহজ না এবং এগুলো এই সরকারও পারবে বলে মনে হয় না।

সেইজন্য সংস্কার কর্মসূচিগুলোকে শুরু করা, সেগুলোতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যাতে তাদের অঙ্গীকার করেন, ইশতেহারে যাতে তাদের প্রতিফলন করেন। যাতে জনগণের কাছে তারা বলেন এবং জনগণ যাতে সেটাকে মনিটর করতে পারে, একবার ইলেকশন হয়ে যাওয়ার পরে সেটা কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনারা তো শ্বেতপত্র করলেন এবং সেখানে আপনি সদস্য ছিলেন। তার মূল্যায়ন বর্তমান সরকার কিভাবে করেছে বা করছে- এমন প্রশ্নে জবাবে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, আমাদের ম্যানডেট ছিল  ‘স্টেট অব দ্য ইকোনোমি’টা কি? প্রকৃত অবস্থা কি- আমরা সেটা বের করার চেষ্টা করেছি।

কোন জায়গাগুলোতে সমস্যা আছে সেটা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে হোক, টাকা পাচারের ক্ষেত্রে হোক, ব্যাংকিং সেক্টরের ক্ষেত্রে হোক, শিক্ষা-স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে হোক আমরা ‘স্টেট অব দ্য ইকোনোমি’টা কি- আমরা একটা স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার কারণ তথ্য উপাত্তের অনেক বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখার প্রবণতা ছিল। তো সেটাকে আমরা চেষ্টা করছি যে প্রকৃত কী অবস্থা সেটা তুলে ধরার। 

আরো পড়ুন
এক পাঞ্জাবির দাম ৪ লাখ, শাড়ি দেড় লাখ টাকা! যা বলছেন বিক্রেতারা

এক পাঞ্জাবির দাম ৪ লাখ, শাড়ি দেড় লাখ টাকা! যা বলছেন বিক্রেতারা

 

তিনি আরো বলেন, আমরা যেরকম আশা করেছিলাম আশানুরূপভাবে হয়নি। এখন প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে বলা হচ্ছে, একটা হলেও সংস্কার যাতে তারা বাস্তবায়ন করেন।

কিন্তু সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা কিন্তু আরো অনেক ব্যাপক এবং এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তো একটা সাময়িক সময়ের জন্য আসছে; তারা যে সবটা করতে পারবেন তা না, তবে একটা ভালো শুরু তারা করে দিতে পারেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে তারা যে অঙ্গীকারটা নিতে চাচ্ছেন, আমার মনে হয় যেটা ভালো। আমরা দেখব যে, তারা অঙ্গীকার পরবর্তীতে বাস্তবায়ন কতটুকু করতে পারেন।  

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ