ন্যাটোতে যোগ দিতে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে রাজি জেলেনস্কি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ন্যাটোতে যোগ দিতে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে রাজি জেলেনস্কি
ছবি : এএফপি

সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিতে প্রয়োজনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়তে রাজি ভলোদিমির জেলেনস্কি। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কিকে প্রশ্ন করা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে কী ধরনের নিশ্চয়তা চান তিনি? ইউক্রেনের শান্তির জন্য যদি প্রেসিডেন্ট পদ থেকে তাকে সরে যেতে বলা হয়, তাহলে কি তিনি খুশি হয়ে মেনে নেবেন?

জেলেনস্কি বলেন, ‘হ্যাঁ, ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা হলে আমি খুশি মনেই মেনে নেব।’

তিনি এ-ও বলেন, ‘আমি চেয়ার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত।

ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ পাওয়ার বিনিময়েও আমি এটি করতে পারি।’

ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিয়েই বেশি ভাবছেন জেলেনস্কি। বক্তব্যের শুরুতে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠকের ব্যাপারে কথা বলেন তিনি। ইউরোপীয় নেতা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেনের ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়া নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান জেলেনস্কি।

বছরের পর বছর ধরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের পদে থাকাও তার স্বপ্ন নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

২০১৯ সালে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জেলেনস্কি। গত বছর তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি দেশটিতে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে ‘স্বৈরশাসক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। যদিও ট্রাম্পের এ মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন ইউরোপীয় নেতারা।

সূত্র : বিবিসি

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

ভিয়েতনামে সবচেয়ে বড় মাদক তৈরির কারখানায় অভিযান, ৬ মাস পর সফল পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভিয়েতনামে সবচেয়ে বড় মাদক তৈরির কারখানায় অভিযান, ৬ মাস পর সফল পুলিশ
উপকূলীয় পর্যটন শহর নাহা ট্রাং-এ মোট ১.৪ টন কেটামিন জব্দ করা হয়েছে। ছবি : এএফপি

ভিয়েতনামের পুলিশ দেশের বৃহত্তম সিন্থেটিক মাদক কারখানায় অভিযান চালিয়েছে। মাদক চক্রটিকে ধরতে ছয় মাস ধরে অভিযান চলছিল। অবশেষে গত শনিবার শেষ হয় এই অভিযান। 

২০০ জন কর্মকর্তা দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরটিতে তিনটি সংযুক্ত স্থাপনায় অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেন।

যাদের মধ্যে একজন তাইওয়ানের নাগরিকও ছিলেন। তিনি মাস্টারমাইন্ড হিসেবে অভিযুক্ত। দেশটির উপকূলীয় পর্যটন শহর নাহা ট্রাংয়ের ওই কারখানা থেকে ১.৪ টন কেটামিন জব্দ করা হয়েছে বলে সরকার

জানিয়েছে।গতকাল বুধবার দেশটির সরকারি নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত এক বিবৃতি অনুসারে, এটি ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় সিন্থেটিক ড্রাগ উৎপাদন কারখানা।

মাদক-সম্পর্কিত অপরাধ তদন্ত বিভাগের পরিচালক নগুয়েন ভ্যান ভিয়েন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো বলেন, ‘কারখানাটিতে উন্নত প্রযুক্তিসহ বৃহৎ আকারে মাদক উৎপাদন করা হতো।’

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চারজন ভিয়েতনামের নাগরিক, চারজন চীনা নাগরিক এবং তিনজন তাইওয়ানর নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া তাদের মধ্যে ৫১ বছর বয়সী অভিযুক্ত চক্রের নেতা চ্যাং চুন মিংও রয়েছেন।

তিনি গত আগস্টে কাচের টিউবের একটি বিশাল চালান নিয়ে ভিয়েতনামে প্রবেশ করেন এবং এরপর থেকেই পুলিশ তাদের ওপর নজরদারি চালিয়ে আসছিল বলে নিউজ পোর্টালটি জানিয়েছে।

চ্যাং গত নভেম্বরে নহা ট্রাংয়ের শহরের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১ হাজার ৩০০ বর্গমিটার (১৪ হাজার বর্গফুট) জমি ভাড়া নিয়েছিলেন এবং মাদক উৎপাদনে বিশেষজ্ঞ তাইওয়ানের দুইজন নাগরিককে নিয়োগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। চীনা পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় শহর নহা ট্রাং। 

কারখানার কার্যক্রম মূলত রাতে পরিচালিত হতো এবং আধা-সমাপ্ত পণ্যটি পরে পরিশোধনের জন্য অন্য একটি স্থানে স্থানান্তরিত করা হত। সরকারি বিবৃতিতে পুলিশের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে, ‘ জব্দ করা মাদক পরিশোধিত হলেও  এখনও ভিয়েতনাম বা বিদেশে পাঠানো বা বিক্রি করা হয়নি।

কমিউনিস্ট ভিয়েতনামে বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর মাদক আইন রয়েছে এবং আদালত নিয়মিতভাবে মাদক পাচারে দোষী সাব্যস্ত হলে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। ভিয়েতনামের একটি আদালত হেরোইন, কেটামিন এবং মেথামফেটামিনসহ ৬০০ কিলোগ্রামের (১ হাজার ৩২০ পাউন্ড) বেশি মাদক পাচারের অভিযোগে ২৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। 

৬০০ গ্রামের (২১ আউন্স) বেশি হেরোইন বা ২.৫ কিলোগ্রামের বেশি মেথামফেটামিনসহ যে কেউ ধরা পড়লে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। ভিয়েতনাম ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল’ মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত, যেখানে লাওস, থাইল্যান্ড এবং মায়ানমার মিলিত হয়।

ভিয়েতনামের পুলিশ জানিয়েছে, ব্যবসায়িক কেন্দ্র বিশেষ করে হো চি মিন সিটি ক্রমবর্ধমানভাবে পাচারকারীদের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠছে। কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পরিবহন অবকাঠামো উন্নত হয়েছে।

সূত্র : এএফপি

মন্তব্য

যে কারণে ভাড়াটে যুবককে জীবন্ত কবর দিলেন বাড়ির মালিক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
যে কারণে ভাড়াটে যুবককে জীবন্ত কবর দিলেন বাড়ির মালিক
প্রতীকী ছবি

ভারতের হরিয়ানায় বন্ধুদের সহযোগিতায় এক ব্যক্তি আরেক ব্যক্তিকে অপহরণের পর সাত ফুট গভীর গর্তে ফেলে জীবন্ত কবর দিয়েছেন। রোমহর্ষক এই ঘটনা ঘটেছে হরিয়ানার রোহতকে। স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহে তাকে হত্যা করা হয়। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, নিহত জগদীপ যুবক একজন যোগব্যায়ামের শিক্ষক ছিলেন।

তাকে হত্যা করা হয় গত বছরের ডিসেম্বরে। মৃতদেহটি খুঁজে পাওয়া যায় গত সোমবার।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কর্মকর্তারা বলেন, নিহত জগদীপ রোহতকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগব্যায়ামের শিক্ষক ছিলেন। তিনি হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হারদীপের বাড়ির একটি অংশে ভাড়া থাকতেন।

গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর জগদীপ মাত্র কাজ থেকে ফিরেছেন। এরপরই হারদীপ তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তাকে অপহরণ করেন। তারা জগদীপের হাত-পা বেঁধে প্রথমে তাকে প্রচণ্ড মারধর করেন। এর পরে মুখ বেঁধে কুয়োয় ফেলে দেন।
তার উপর কাদা চাপা দিয়ে দেন অভিযুক্তরা।

ওই ঘটনার ১০ দিন পর গত ৩ জানুয়ারি শিবাজী কলোনি থানায় জগদীপের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার পরে তদন্তে নামে পুলিশ। দিন কয়েক আগে জগদীপের কলের রেকর্ড খতিয়ে দেখে পুলিশ। তার পরেই হারদীপকে আটক করে তারা।

তার বন্ধু ধর্মপালকেও আটক করা হয়। জেরায় তারা খুনের কথা স্বীকার করেন। এর পরে সোমবার জগদীপের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

মন্তব্য

ভারত সফরের পরিকল্পনা পুতিনের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভারত সফরের পরিকল্পনা পুতিনের
সংগৃহীত ছবি

ভারত সফরের পরিকল্পনা করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এ কথা জানিয়েছেন। খবর রাশিয়ান সংবাদ সংস্থা তাসের।

খবরে বলা হয়, রাশিয়ান আন্তর্জাতিক বিষয়ক কাউন্সিল আয়োজিত ‘রাশিয়া এবং ভারত: একটি নতুন দ্বিপাক্ষিক এজেন্ডার দিকে’ শীর্ষক একটি সম্মেলনে বক্তব্য দেন সের্গেই ল্যাভরভ।

 

সেখানে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতীয় সরকার প্রধানের সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। তাই রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের প্রস্তুতি চলছে।

আরো পড়ুন
ভয়াবহ দাবানলে দ.কোরিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ২৪

ভয়াবহ দাবানলে দ.কোরিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ২৪

 

লাভরভ বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বছর পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর রাশিয়ায় তার প্রথম বিদেশ সফর করেছিলেন। সে সময় তিনি আমন্ত্রণ জানিয়ে গিয়েছিলেন।

সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ‘এখন আমাদের পালা।’

মন্তব্য

ভয়াবহ দাবানলে দ.কোরিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ২৪

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভয়াবহ দাবানলে দ.কোরিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ২৪
ছবিসূত্র : এএফপি

দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে একাধিক দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ২৪ জনে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগের বয়স ৬০ থেকে ৭০ এর মধ্যে। আহত হয়েছেন ২৬ জন, যাদের মধ্যে ১২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

এই দাবানলে ২৩ হাজারের বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হান ডাক-সু বলেছেন, ‘আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল এটি।’ আগুনে উইসং শহরের ১ হাজার ৩০০ বছরের পুরনো একটি মন্দির পুড়ে গেছে। যেখান থেকে অনেক সাংস্কৃতিক নিদর্শন সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

গত শুক্রবার সানচেং কাউন্টিতে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা উইসেওং কাউন্টিতে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রবল ও শুষ্ক বাতাসের কারণে দাবানল পার্শ্ববর্তী কাউন্টি গিয়ংবুক, উইসেওং, আন্দং, চেওংসং, ইয়ংইয়ং এবং সানচেং-এ ছড়িয়ে পড়ে। 

গতকাল বুধবার উইসেওং পাহাড়ে একটি অগ্নিনির্বাপক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট নিহত হন। কর্মকর্তারা কারণ অনুসন্ধান করছেন। হাজার হাজার অগ্নিনির্বাপক কর্মী এবং প্রায় ৫ হাজার সামরিক কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

পাশাপাশি কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় দাবানল তুলনামূলকভাবে অস্বাভাবিক। তবে বর্তমান দাবানল ইতিমধ্যেই এর ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক। প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর (৪২ হাজার একর) বন ধ্বংস হয়ে গেছে, আয়তনের দিক থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে তৃতীয় বৃহত্তম দাবানল এটি।

আন্দংয়ের একটি গ্রামের একজন বাসিন্দা বিবিসি কোরিয়াকে বলেন, ‘আমাদের বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

প্রায় সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।’ উইসংয়ে বসবাসকারী ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বলেন, ‘উপরের তলা এবং পাশের বাড়ি উভয়ই পুড়ে গেছে।’

উইসংয় শহরে আগুনে ৬১৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত প্রদেশের বৃহত্তম মন্দিরগুলোর মধ্যে একটি গৌনসা ধ্বংস হয়ে যায়। ৬৮ বছর বয়সী এক সন্ন্যাসী বলেন, গৌনসা মন্দির ধ্বংসের কথা শুনে তিনি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা মন্দিরের কার্যকারিতা পুনরুদ্ধারের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’

বন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, জোসেন রাজবংশের (১৩৯২-১৯১০) জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত একটি বৌদ্ধ স্থাপত্য কাঠামোও ধ্বংস হয়েছে। আন্দং-এ ট্রাক চালক লি সেউং-জু বলেছেন, তিনি গাড়ি চালানোর সময় পাহাড়গুলোকে পুড়তে দেখেছেন। এএফপি অনুসারে, ৩৯ বছর বয়সী এই ব্যক্তি বলেন, ‘এটি ছিল সর্বনাশের মতো।’

ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান বলেন, তীব্র বাতাস এখনও অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার প্রচেষ্টায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ‘আগুন নেভাতে সাহায্য করার জন্য আমরা বৃষ্টিপাতের আশায় ছিলাম।’ কোরিয়া আবহাওয়া প্রশাসনের মতে, গতকাল বুধবার এই অঞ্চলে কোনো বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ছিল না এবং আজ বৃহস্পতিবার মাত্র অল্প পরিমাণে পাঁচ থেকে ১০ মিমি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়া স্বাভাবিকের চেয়ে শুষ্ক পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং কম বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই বছর ইতিমধ্যেই ২৪৪টি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২.৪ গুণ বেশি। সরকার দাবানলের অন্যতম প্রধান কারণ অবৈধভাবে কিছু পোড়ানোর বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ জোরদার করার এবং ব্যক্তিগত অসাবধানতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ