ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
১৪ ফাল্গুন ১৪৩১, ২৭ শাবান ১৪৪৬

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
১৪ ফাল্গুন ১৪৩১, ২৭ শাবান ১৪৪৬

কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ আটক ১০

কুমিল্লা (উত্তর ও সিটি) সংবাদদাতা
কুমিল্লা (উত্তর ও সিটি) সংবাদদাতা
শেয়ার
কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ আটক ১০

কুমিল্লায় সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ ১০ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় আদর্শ সদর সেনাবাহিনী ক্যাম্প-১। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে পিস্তল, রিভলবার, এলজি, কার্টুজ, পিস্তলের গুলি ও ম্যাগাজিন ও বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

পরে তাদের কোতয়ালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  

গ্রেফতারকৃতরা হলো- কুমিল্লা নগরীর ঝাউতলা এলাকার মো. নাইমুল ইসলাম নাঈম (৩৬), কালিয়াজুড়ি এলাকার আবির হামিদ মাহি (২১), ঈদগাহ এলাকার মো. সাজিদুল ইসলাম (২১), ছোটররা এলাকার মোহাম্মদ আলী (২৪) ও মো. সাব্বির হোসেন (২১), ছোটরা ঝাউতলা এলাকার মো. জাবেদুর রহমান (২৯), ধর্মসাগর পাড় এলাকার অভিজিৎ রায় সরকার (৩০), বুড়িচং সাধকপুর এলাকার মো. আবুল খায়ের (৩৯), ধর্ম সাগর এলাকার মো. অপু (৪২) ও কালিয়াজুরি এলাকার রাকিব (২১)।

সেনাবাহিনী জানায়, অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে ২টি পিস্তল, ৬ রাউন্ড গুলি, ২টি রিভালবার রাশিয়ান পিস্তল, ২টি রামদা, ৯টি রাউন্ড গুলি, তলোয়ার ও চাকু জব্দ করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ওসি মাহিনুল ইসলাম বলেন, সেনাবাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুপুরে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হবে।
 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

শিশু অপহরণ করে লাখ টাকায় বিক্রি, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
শেয়ার
শিশু অপহরণ করে লাখ টাকায় বিক্রি, গ্রেপ্তার ২
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়া এলাকায় ১ বছর বয়সী শিশু রাব্বী অপহরণের ঘটনায় অপহরণ চক্রের মূলহোতাসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় শিশু রাব্বীকে উদ্ধার করা হয়েছে।  

আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম চান্দগাঁও ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম। গ্রেপ্তাররা হলেন, মো. দুলাল মিয়া ও মোরশেদ মিয়া।

 

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম বলেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ফাতেমা আক্তার নামে এক মহিলা ৫ বছর বয়সী কন্যা ও ১ বছর ৩ মাস বয়সী শিশুপুত্র রাব্বীকে নিয়ে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে আসলে দুলালের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুবাদে ফাতেমা আক্তার দুলাল মিয়াকে নেত্রকোনা ট্রেনের সময় জিজ্ঞাসা করলে দুলাল মিয়া তাকে ওইদিন নেত্রকোনাগামী কোনো ট্রেন নাই বলে জানান। 

তখন ফাতেমা আক্তার দুলাল মিয়াকে চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী এলাকায় তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু দুলাল মিয়া বাড়িতে না পৌঁছে দিয়ে কৌশলে বাকলিয়া থানার বাসুর কলোনিতে নিয়ে যায়।

সেখানে একটি রুম ভাড়া করে অবস্থান করে। পরর্বতীতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ফাতেমা আক্তার বাথরুমে গেলে এই সুযোগে দুলাল মিয়া ফাতেমা আক্তারের ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় ফাতেমার স্বামী দুলালকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। 

তিনি আরো বলেন, মামলা দায়েরের পর র‌্যাব আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।

পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার কিশোরগঞ্জের সদর থানায় অভিযান পরিচালনা করে আসামি মো. দুলাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর দুলাল জানান, ব্রাহ্মবাড়ীয়া জেলায় তাদের পরিচিত এক প্রবাসী দম্পতির কাছে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে অপহৃত শিশুটিকে বিক্রয় করে দিয়েছে। দুলালের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সরাইল এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে কিনে নেওয়া অপর আসামি মোরশেদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন,  সিডিএমএস পর্যালোচনা করে জানা গেছে, মো. দুলাল মিয়া আড়াই বছর বয়সী শিশু সারা মনিকে অপহরণের মামলায় অভিযুক্ত এক নম্বর আসামি।

এই মামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে মো. দুলাল মিয়ার স্ত্রী রুনা বেগম বর্তমানে কিশোরগঞ্জ ভৈরব থানার মামলায় কারাগারে রয়েছে। আসামি দুলাল মিয়ার মোবাইলে বাচ্চা বিক্রি সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে কথোপকথনের প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। 

তিনি বলেন, আসামি এবং তার পরিবার এক ভয়ংকর সক্রিয় অপহরণ চক্রের সদস্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের দ্রুত ধরার বিষয়ে র‍্যাব সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম বলেন, আসামি মোরশেদ মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, সে প্রবাসে ১৭ বছর ছিল। তিনি ৫টি কন্যা সন্তানের জনক। মূলত, পুত্র সন্তানের আকাঙ্ক্ষা সে এই অপহরণ চক্রের সঙ্গে যোগসাজশে প্ররোচনা দিয়ে শিশু বাচ্চাটিকে তার কাছে নিয়ে যায়।

মন্তব্য

সরকারি রাস্তা দখল করে আ. লীগ নেতার দেয়াল নির্মাণ

রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)
রামগতি-কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)
শেয়ার
সরকারি রাস্তা দখল করে আ. লীগ নেতার দেয়াল নির্মাণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে সরকারি রাস্তা দখল করে ওয়াল নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে সানাউল্লাহ সানু নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। 

উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের চর-আফজল গ্রামের চৌধুরী বাজার-আযাদ মেমোরিয়াল সড়কের পাশেই সানাউল্লাহ সানুর বাড়ি। তিনি ওই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। 

সানাউল্লাহ সানু উপজেলার চররমিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার চৌধুরী বাজার-আযাদ মেমোরিয়াল সড়কের সানাউল্লাহ সানুর বাড়ির সামনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির পাকা রাস্তার পূর্ব পাশ দখল করে তার বাড়ির ইটের দেয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে বড় যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টিসহ ভবিষ্যতে রাস্তা প্রশস্তকরণেও নানা ব্যাঘাত পোহাতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। 

বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করার ফলে বড় বড়  যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। এছাড়া ভবিষ্যতে রাস্তা প্রশস্ত করতে গেলেও পাকা দেয়ালের কারণে তা আর সম্ভব হবে না।

এতে স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুব আলী, সালমান হোসেন ও হোসেন আহমদ অভিযোগ করে বলেন, সরকারি রাস্তা ঘেঁষে বিশাল বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করার কারণে বড় যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। এ ছাড়া রাস্তা প্রশস্ত করার পথও বন্ধ করে দিচ্ছে সানু। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

অভিযুক্ত সানাউল্লাহ সানু বলেন, সরকারি রাস্তা  দখলের প্রশ্নই আসে না। আমার জায়গায় আমি বাড়ির বাউন্ডারি ওয়াল করছি। 

রামগতি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী স্নেহাল রায় বলেন, সরকারি রাস্তার পাশে দেয়াল বা অন্য কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে হলে কিছু জায়গা রেখেই করা উচিত। ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ আমজাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে বলা হয়েছে।

মন্তব্য

দুর্যোগ মোকাবেলায় ১০০ স্বেচ্ছাসেবককে সার্ভাইভাল প্রশিক্ষণ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
শেয়ার
দুর্যোগ মোকাবেলায় ১০০ স্বেচ্ছাসেবককে সার্ভাইভাল প্রশিক্ষণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

বরগুনার তালতলীর শুভসন্ধ্যা সৈকতে তিন দিনের সার্ভাইভাল প্রশিক্ষণে এসেছেন ১০০ নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছাসেবকের একটি দল। বুধবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে সৈকতের প্রশিক্ষণস্থল।

‘আঁধার, দুর্যোগ, শান্তিতে, স্বেচ্ছাসেবক সবার আগে’— এই স্লোগান সামনে রেখে বুধবার থেকে তিন দিনব্যাপী অ্যাডভান্স সার্ভাইভাল স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। দেশে দুর্যোগ মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ এটাই প্রথম।

অক্সফ্যাম বাংলাদেশের সহায়তায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে স্বেচ্ছাসেবী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা জাগো নারী। 

বরগুনা জেলা রোভার স্কাউটের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিক বিন আনসারী সুমনের সঞ্চালনায় প্রথম দিনের সূচনা অধিবেশনে বক্তব্য দেন অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডো ট্রেনার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, জাগো নারীর স্বেচ্ছাসেবক প্রকল্পের কর্মকর্তা সুবীর কুমার কর প্রমুখ। 

প্রশিক্ষণার্থীদের প্রথম দিনে গাইডলাইন পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করেন।

স্বেচ্ছাসেবক প্রকল্পের কর্মকর্তা সুবীর কুমার কর বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০০-এর বেশি স্বেচ্ছাসেবক বেসিক দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ পেয়েছে। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ১০০ জন অ্যাডভান্স সার্ভাইভাল প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। বরগুনা জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে তালিকাভুক্ত স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্য থেকে বিভিন্ন ধাপে বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে এই প্রশিক্ষণের জন্য ১০০ অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫০ জন নারী এবং ৫০ জন পুরুষ।

 

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডো, স্কাউট ও বিএনসিসির অভিজ্ঞ ট্রেনার, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তার ও মানবিক কার্যক্রম বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণের বিভিন্ন অধিবেশন পরিচালনা করবেন। 

প্রশিক্ষণ থেকে স্বেচ্ছাসেবকরা দুর্যোগকালের কঠিন সময়ের জন্য শক্তিশালী হওয়ার কলাকৌশল শিখবে। প্রশিক্ষণটি ভবিষ্যতে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবকদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। যাতে তারা দুর্যোগ আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে এবং দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে। 

জাগো নারীর প্রধান নির্বাহী হোসনে আরা হাসি বলেন, করোনা মহামারির জরুরি সময় থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে জাগো নারী।

এই প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত দক্ষ প্রশিক্ষকদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দুর্যোগ মোকাবেলার বাস্তবভিত্তিক কলাকৌশলগুলো শিখতে পারবে স্বেচ্ছাসেবকরা। ওই অ্যাডভান্স প্রশিক্ষণ বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

মন্তব্য
চট্টগ্রাম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
শেয়ার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল জনতা
শামীমা সীমা। সংগৃহীত ছবি

নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখার নেত্রী শামীমা সীমাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে জনতা। গতকাল বুধবার বিকেলে নগরের চকবাজার থানার গোলপাহাড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আজ নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে সোপর্দ করছে পুলিশ।

জানা গেছে, শীমামা সীমা চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে অফিসের ফ্রন্ট ডেস্কে কাজ করতেন।

তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের দাপুটে নেত্রী ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নারীদের গ্রুপ সংগ্রামের নেতৃত্ব দিতেন। 

জানা গেছে, বুধবার বিকেলে চারটার দিকে ঐ অফিসে কিছু লোকজন গিয়ে শামীমাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশে খবর দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে সপোর্দ করে।

আরো পড়ুন

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার হলেন দুই সমন্বয়ক

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার হলেন দুই সমন্বয়ক

 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহেদুল কবির। তিনি বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতা নিষিদ্ধঘোষিত চবি শাখা ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

টঙ্গীতে ডেভিল হান্টে আটক ১৮

টঙ্গীতে ডেভিল হান্টে আটক ১৮

 

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী শামীমা সীমা নিষিদ্ধঘোষিত চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ