হাইপারসনিক অস্ত্র বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ তিন মিত্র

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
হাইপারসনিক অস্ত্র বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ তিন মিত্র
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: এএফপি

সর্বাধুনিক হাইপারসনিক (শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির) অস্ত্র তৈরিতে কাজ করছে তিন মিত্র যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়া। ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি অকাসের অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাজ্য সরকারের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হাইপারসনিক অস্ত্র প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়াতে পারে। তাদের পরিকল্পিত অস্ত্রটি শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে ছুটতে পারবে।

 

পশ্চিমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়াকে সম্প্রতি এ ধরনের সামরিক প্রযুক্তি প্রথমবারের মতো ইউক্রেনে ব্যবহার করতে দেখা গেছে। এমন প্রেক্ষাপটেই নিজেদের সামরিক সক্ষমতা খতিয়ে দেখা শুরু করল পশ্চিমা দেশগুলো।

অকাসের এক যৌথ বিবৃতি থেকে জানা গেছে, ‘উন্নত হাইপারসনিক অস্ত্র তৈরি এবং হাইপারসনিক প্রতিরোধী সক্ষমতার গতি বৃদ্ধি’ করাই তাদের মূল পরিকল্পনা।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া ও বিবিসি।

মন্তব্য

ভুলবশত সালভাদরে পাঠানো ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরাতে আদালতের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভুলবশত সালভাদরে পাঠানো ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরাতে আদালতের নির্দেশ
কিলমার আব্রেগো গার্সিয়া। ছবি : সংগৃহীত

একজন মার্কিন ফেডারেল বিচারক শুক্রবার একজন সালভাদরান অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ওই ব্যক্তিকে গত মাসে ভুল করে এল সালভাদরে একটি কুখ্যাত কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ওয়াশিংটন থেকে বাংলাদেশ সময় শনিবার এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

১৫ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসন একদল অবৈধ অভিবাসীকে এল সালভাদরে পাঠায়, যাদের মধ্যে ছিলেন পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য মেরিল্যান্ডে বসবাসকারী ২৯ বছর বয়সী কিলমার আব্রেগো গার্সিয়া।

বিচার বিভাগের আইনজীবীরা আদালতে দায়েরকৃত নথিতে স্বীকার করেছেন, আব্রেগো গার্সিয়া এক মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করেছেন। তাকে ‘প্রশাসনিক ত্রুটির’ কারণে নির্বাসিত করা হয়েছিল।

জরুরি আদালতের শুনানিতে শুক্রবার ফেডারেল বিচারক পলা জিনিস বলেন, আব্রেগো গার্সিয়াকে গত ১২ মার্চ ‘আইনি ভিত্তি ছাড়াই’ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল এবং তিন দিন পর ‘কোনো প্রক্রিয়া বা আইনি যুক্তি ছাড়াই’ তাকে নির্বাসিত করা হয়েছিল। এ সময় তিনি আগামী ৭ এপ্রিল স্থানীয় সময় রাত ১১ টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিচারক হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ও অন্যান্য সংস্থাগুলোকে দেওয়া তার আদেশে বলেছেন, এল সালভাদরে তার অব্যাহত উপস্থিতি, স্পষ্টতই তার অপূরণীয় ক্ষতি।

এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এক্সে এক পোস্টে বিচারকের রায়ের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি এল সালভাদরার প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা বিচারককে প্রেসিডেন্ট নায়েব বুকেলের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ আমরা জানি না, এল সালভাদর দেশের ওপর বিচারকের এখতিয়ার বা কর্তৃত্ব রয়েছে।

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গত ১৫ মার্চ তিনটি বিমানে করে অবৈধ অভিবাসীদের এল সালভাদরে পাঠানো হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, বেশির ভাগ নির্বাসিত ব্যক্তি ভেনিজুয়েলার গ্যাং ট্রেন ডি আরাগুয়ার সদস্য এবং তাদের সংক্ষিপ্ত বহিষ্কারকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য তারা অল্প পরিচিত ১৭৯৮ এলিয়েন শত্রু আইন প্রয়োগ করেছে।

অন্যদিকে বহিষ্কৃত অভিবাসীদের বেশ কয়েকজনের আইনজীবী বলেছেন, তাদের মক্কেলরা ট্রেন ডি আরাগুয়ার সদস্য ছিলেন না। তারা কোনো অপরাধও করেননি এবং মূলত তাদের ট্যাটুর কারণেই তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। 

আব্রেগো গার্সিয়া ২০১৯ সাল থেকে সুরক্ষিত আইনি মর্যাদায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন।

তখন একজন বিচারক রায় দিয়েছিলেন, তাকে বহিষ্কার করা উচিত নয়। কারণ তাকে এল সালভাদরে ক্ষতিগ্রস্থ করা হতে পারে।

অপ্রকাশিত প্রমাণের বরাত দিয়ে হোয়াইট হাউস এই সপ্তাহের শুরুতে জোর দিয়ে বলেছিল, আব্রেগো গার্সিয়া সালভাদরান গ্যাং এমএস-১৩-এর সদস্য ছিলেন।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেন, ‘প্রশাসনের অবস্থান হলো, যে ব্যক্তিকে এল সালভাদরে নির্বাসিত করা হয়েছিল, সে নৃশংস ও নিষ্ঠুর এমএস-১৩ গ্যাংয়ের সদস্য ছিল।’

আরেক ফেডারেল বিচারক জেমস বোসবার্গ ট্রাম্প প্রশাসনকে এলিয়েন এনিমিজ অ্যাক্টের অধীনে আরো নির্বাসন কার্যকর করতে নিষেধ করেছেন, যা পূর্বে শুধু ১৮১২ সালের যুদ্ধ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হয়েছিল।

ট্রাম্প প্রশাসন এল সালভাদরের কারাগারে অভিযুক্ত গ্যাং সদস্যদের শিকলবদ্ধ ও মাথা ন্যাড়া করার ছবি ব্যবহার করেছে, যা অবৈধ অভিবাসন দমনে তাদের কঠোর পদক্ষেপের প্রমাণ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

মন্তব্য

আফগান শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন শুরু করেছে পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আফগান শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন শুরু করেছে পাকিস্তান

পাকিস্তানে বসবাসকারী আফগান শরণার্থীদের জন্য সময়সীমা ৩১ মার্চ শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে পাকিস্তান সরকার ১ এপ্রিল থেকে আফগান নাগরিক কার্ডধারী (এসিসি) এবং অন্যান্য অবৈধ শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার করাচিতে সিটি প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ১৬ হাজার ১৩৮  এসিসি ধারীর প্রত্যাবাসন শুরু করেছে। সরকারের অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়নের নীতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ১৫০ জনের বেশি আফগানকে আটক করা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এর আগে অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় ৬ মার্চ এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, ‘সব অবৈধ বিদেশি এবং এসিসিদের ৩১ মার্চ ২০২৫-এর আগে স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করতে বলা হচ্ছে; এরপর ১ এপ্রিল থেকে জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন শুরু হবে।’

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি সিন্ধু সরকারকে অবৈধ বিদেশি প্রত্যাবাসন পরিকল্পনার (আইএফআরপি) অধীনে সব এসিসি ধারীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই পরিকল্পনায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসনের সময়সীমা ছিল, যা শেষ হওয়ার পর ১ এপ্রিল থেকে ‘জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন’ শুরু হয়েছে।

সিন্ধু স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তৈরি করা আইআরএফপি অনুসারে, করাচি এবং জ্যাকোবাবাদে একটি ‘হোল্ডিং পয়েন্ট’ স্থাপন করা হয়েছে।

এ ছাড়া শহীদ বেনজীরাবাদের সাকরুন্দে একটি ‘ট্রানজিট পয়েন্ট’ রয়েছে, যার মোট ধারণক্ষমতা এক হাজার ৫০০ জন।

সাউথ ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) সৈয়দ আসাদ রেজা জানান, এখন পর্যন্ত ১৬২ এসিসিধারীকে হোল্ডিং ক্যাম্পে আনা হয়েছে, যাদের মধ্যে কিছু প্রমাণপত্রধারী (পিওআর) হওয়ায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৩ এপ্রিল বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১৯৬ আফগানকে ক্যাম্পে আনা হয়, যাদের মধ্যে ২০ জন পিওআর থাকায় মুক্তি পেয়েছে। ৪ এপ্রিল (শুক্রবার) আরো ৯০ জন এলে ১০ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়।

অর্থাৎ মোট ২৪২ জন আফগানকে প্রত্যাবাসনের জন্য আনা হয়েছে।

আরো পড়ুন
সেই ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন ট্রাম্পের, কবে থেকে পাওয়া যাবে?

সেই ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন ট্রাম্পের, কবে থেকে পাওয়া যাবে?

 

রেজা জানান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং অন্যান্য সংস্থার যৌথ ম্যাপিংয়ে করাচিতে মোট ১৬ হাজার ১৩৮ জন এসিসিধারীর উপস্থিতি চিহ্নিত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ পূর্ব ও পশ্চিম জেলায় বসবাস করছে।

মন্তব্য

বেলুচিস্তানে রাজনৈতিক কর্মী জাহির বালোচ গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বেলুচিস্তানে রাজনৈতিক কর্মী জাহির বালোচ গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

ঈদুল ফিতরের দিনে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার অভিযোগে বেলুচিস্তানের কোয়েটার সিনিয়র রাজনৈতিক কর্মী জাহির বালোচকে পাকিস্তানি বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গেছে।

দ্য বেলুচিস্তান পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে জাহির বালোচকে তার নিজ বাসা থেকে আটক করে হুদা জেলে স্থানান্তর করা হয়।

তার পরিবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে।

ন্যাশনাল পার্টি এই গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, সিনিয়র রাজনৈতিক কর্মী জাহির বালোচকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

এদিকে, গোটা বেলুচিস্তানজুড়ে বেলুচ কর্মীদের মুক্তির দাবিতে এবং গুম ও বেআইনি গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীরা এই অব্যাহত গ্রেপ্তারে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং কর্তৃপক্ষকে মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।

মন্তব্য

সেই ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন ট্রাম্পের, কবে থেকে পাওয়া যাবে?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
সেই ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন ট্রাম্পের, কবে থেকে পাওয়া যাবে?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবারের মতো ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করেছেন। ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে এই ভিসায় বিদেশি নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এয়ার ফোর্স ওয়ানে এই ভিসা উন্মোচন করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গোল্ড কার্ডে ট্রাম্পের মুখমণ্ডলে ছবি ও ‘দ্য ট্রাম্প কার্ড’ লেখা রয়েছে।

 

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কার্ডটি দেখিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশেষ এই ভিসা সম্ভবত আগামী দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পাওয়া যাবে।’ তিনি বলেন, ‘আমিই প্রথম ক্রেতা। বেশ উত্তেজনাপূর্ণ, তাই না?'

গত ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রশাসন ‘১০ লাখের মতো’ কার্ড বিক্রির আশা করছে। রাশিয়ার ধনকুবেররাও এই কার্ড পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন-এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি তিনি।

এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, নতুন এই কার্ড ঐতিহ্যবাহী ‘গ্রিন কার্ডের’ একটি উচ্চমূল্যের সংস্করণ। নতুন এই ভিসা বিক্রি দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং মার্কিন জাতীয় ঘাটতি কমাতে ব্যবহার করা যাবে।’ সাবেক রিয়েল এস্টেট ধনকুবের ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের লাখ লাখ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের নির্বাসনে পাঠাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এই নতুন কার্ড উচ্চ মূল্যের মার্কিন নাগরিকত্ব লাভের পথ তৈরি করবে।

সূত্র : এএফপি

 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ