যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব তারা মানতে পারছেন না বলে জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ। রিয়াবকভ বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির যে প্রস্তাব করেছে, আমরা তা খুব ভালোভাবে খতিয়ে দেখেছি। কিন্তু বর্তমান আকারে এই প্রস্তাব আমরা মানতে পারছি না।’ রাশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন তিনি।
যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ডয়চে ভেলে

রাশিয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘মস্কো মনে করে, মার্কিন প্রস্তাবে রাশিয়ার উদ্বেগের বিষয়গুলো রাখা হয়নি। যে কারণে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই বিষয়গুলো নেই।’ রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল। তার আগে ২০১৪ সালে তারা ইউক্রেনের ক্রাইমিয়া দখল করে নেয়।
গত সপ্তাহান্তে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুটিনকে নিয়ে বিরক্ত। রাশিয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব না মানলে মস্কোর তেলের ওপর আরো কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বলে তিনি হুমকি দিয়েছিলেন।
ইউক্রেনকে ৩৫০ কোটি ইউরো দিলো ইইউ
ইউক্রেনকে ৩৫০ কোটি ইউরো দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। ইউক্রেনের অর্থমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩১০ কোটি ইউরো হলো সহজ শর্তে ঋণ এবং চারশ ইউরো অনুদান।
এখন পর্যন্ত কিয়েভ এক হাজার ছয়শ কোটি ইউরো পেয়েছে। এই অর্থ দিয়ে রাশিয়ার আগ্রাসন থেকে তারা নিজেদের রক্ষা করবে। রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণ করে।
এদিকে সুইজারল্যান্ডে রাশিয়ার ৮০০ কোটি ডলারেরও বেশি সম্পদ ফ্রিজ হয়ে আছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর মস্কোর সম্পদ ফ্রিজ করা শুরু হয়। মঙ্গলবার সুইস সরকার জানিয়েছে, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সেই সম্পদের পরিমাণ হলো ৮৪০ কোটি ডলার। এক বছরে আরো ১৮০ কোটি ডলারের সম্পদ চিহ্নিত করে ফ্রিজ করা হয়েছে।
যে সব সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে, তার মধ্যে আছে, রিয়েল এস্টেট, বিলাসবহুল গাড়ি এবং শিল্পদ্রব্য। সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ নয়। তা সত্ত্বেও তারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইইউ-র নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি সমর্থন করে।
সম্পর্কিত খবর

পকেটে মোবাইল ফোন বিস্ফোরণ, তরুণের গোপনাঙ্গে আঘাত
অনলাইন ডেস্ক

এক তরুণের পকেটে রাখা মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে প্যান্টে আগুন লেগে যায়। পুড়ে যায় তার শরীরের নিচের অংশ। ভারতের মধ্য প্রদেশে গত মঙ্গলবার এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯ বছর বয়সী এক যুবকের পকেটে থাকা মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের ফলে কুঁচকিতে আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে মার্চ মাসের শেষের দিকে।
পুলিশের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, ১৯ বছর বয়সী অরবিন্দ নামের এক তরুণ বাজার থেকে সবজি কিনে মোটরবাইক চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ঠিক সেই সময় টোল বুথের কাছে প্যান্টের পকেটে রাখা মোবাইল ফোনটিতে বিস্ফোরণ ঘটে।
দুর্ঘটনার পর সারঙ্গপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার করানো হয় অরবিন্দের।
আহতর পরিবার জানিয়েছে, অরবিন্দ টাকা জমিয়ে একটি মোবাইল ফোন কিনেছিলেন। সেটিতেই বিস্ফোরণ হয়েছে।
এ ছাড়া সারঙ্গপুর হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনের বিস্ফোরণের কারণে ওই যুবক যৌনাঙ্গেও আঘাত পেয়েছেন। যদিও এই মুহূর্তে তিনি বিপদমুক্ত।

ফ্লাইটে শিশুর গলা থেকে সোনার চেইন চুরি, ক্রুর বিরুদ্ধে মামলা
অনলাইন ডেস্ক

স্বল্পমূল্যের ভারতীয় এয়ারলাইনস ইন্ডিগোর এক ক্রু সদস্যর বিরুদ্ধে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর গলা থেকে সোনার চেইন চুরির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে। ভারতের বেঙ্গালুরুতে দায়ের করা এফআইআরে শিশুটির মা প্রিয়াঙ্কা মুখার্জি বলেন, ফ্লাইটের এক অ্যাটেনডেন্ট তার সন্তানকে টয়লেটের দিকে নিয়ে গেলে শিশুটির গলা থেকে সোনার চেইনটি নিখোঁজ হয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, ইন্ডিগোর ৬ই ৬৬১ ফ্লাইটে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি কেরালার তিরুবনন্তপুরম থেকে বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে ভ্রমণ করছিলেন।
ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট অদিতি আশ্বিনী শর্মার বিরুদ্ধে করা এফআইআরে বলা হয়েছে, তিনি শিশুটির গলা থেকে ২০ গ্রাম ওজনের সোনার চেইনটি চুরি করেছেন, যার আনুমানিক মূল্য ৮০ হাজার রুপি। পুলিশ এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে।
ইন্ডিগো এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘তিরুবনন্তপুরম থেকে বেঙ্গালুরুগামী ৬ই ৬৬১ নম্বর ফ্লাইটে আমাদের এক কর্মীকে ঘিরে গ্রাহকের উত্থাপিত একটি অভিযোগের বিষয়ে আমরা অবগত।

গাজায় নিহত সহায়তাকর্মীদের শেষ মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ
- ইসরায়েলের দাবি খণ্ডন
এএফপি, বিবিসি

গাজায় নিহত এক সহায়তাকর্মীর মোবাইল থেকে উদ্ধার করা একটি ভিডিওতে তাদের শেষ মুহূর্তের চিত্র দেখা গেছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (পিআরসিএস)। ভিডিওতে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত অ্যাম্বুল্যান্স ও জ্বলজ্বল করা জরুরি আলোর মধ্যে তীব্র গুলির শব্দ শোনা যায়।
জাতিসংঘ ও পিআরসিএস জানিয়েছে, ২৩ মার্চ ইসরায়েলি বাহিনীর এক হামলায় ১৫ জন মানবিক সহায়তা কর্মী নিহত হন। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা কোনো অ্যাম্বুল্যান্সে ‘এলোপাতাড়ি হামলা’ চালায়নি; বরং ‘সন্দেহজনক যানবাহনে’ আসা ‘সন্ত্রাসীদের’ লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাদাভ শোশানি জানান, যে গাড়িগুলোর ওপর গুলি চালানো হয়েছে, সেগুলোর জন্য আগে থেকে অনুমোদন ছিল না এবং সেগুলোর আলোও বন্ধ ছিল। অন্যদিকে পিআরসিএস শনিবার যে ভিডিও প্রকাশ করেছে, তা সেনাবাহিনীর এসব দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভিডিওতে দেখা যায়, হেডলাইট ও জরুরি বাতি চালু অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্সগুলো চলছিল।
সম্ভবত একটি চলমান গাড়ি থেকে ধারণ করা ওই ভিডিওতে আরো দেখা যায়, একটি লাল ফায়ার ট্রাক ও একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স রাতে চলাচল করছে। এগুলো রাস্তায় থেমে একটি অন্য গাড়ির পাশে দাঁড়ালে দুজন ইউনিফর্মধারী ব্যক্তি গাড়ি থেকে নামেন। এর পরই তীব্র গুলির শব্দ শোনা যায়।
ভিডিওতে দুইজন চিকিৎসাকর্মীর কণ্ঠও শোনা যায়।
পিআরসিএস জানায়, নিহত সহায়তাকর্মী রিফাত রাদওয়ানের মোবাইল ফোন থেকে এই ভিডিওটি উদ্ধার করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, ‘এই ভিডিও নির্ভেজালভাবে প্রমাণ করে, অ্যাম্বুল্যান্সে ইসরায়েলি বাহিনীর এলোপাতাড়ি হামলা না চালানোর দাবি মিথ্যা। কিছু গাড়ি আলো বা জরুরি চিহ্ন ছাড়া এগিয়ে এসেছিল—সেই কথাও অসত্য।
নিহতদের মধ্যে ছিলেন পিআরসিএসের আট কর্মী, গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থার ছয় সদস্য ও জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর এক কর্মী। তাদের মরদেহ রাফার কাছে একটি গণকবরে পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় অফিস (ওসিএইচএ)। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, মরদেহগুলো ‘বালু ও কাপড়ে ঢাকা ছিল, যাতে সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়’ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের পর সেগুলো উদ্ধার করা যায়। এই হামলার তদন্ত চলছে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
ভয় ও প্রার্থনায় শেষ মুহূর্ত
ওসিএইচএ জানিয়েছে, ওই দিন ভোরে প্রথম দলটিকে ইসরায়েলি বাহিনী লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এরপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে সহকর্মীদের খোঁজে এগিয়ে যাওয়া আরো কয়েকটি উদ্ধার ও সহায়তা দলের ওপর ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়।
পিআরসিএস বলেছে, রাফায় গোলাবর্ষণের মধ্যে আটকে পড়া বেসামরিক লোকদের ডাকে সাড়া দিয়েই এই বহরটি পাঠানো হয়েছিল।
ভিডিওতে যে চিকিৎসাকর্মী দৃশ্য ধারণ করছিলেন, তাকে বারবার কালেমা শাহাদাত পাঠ করতে শোনা যায়—‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসূল’—কম্পিত কণ্ঠে তিনি এটি বারবার উচ্চারণ করেন, গুলির শব্দের মধ্যে। তাকে আরো বলতে শোনা যায়, ‘মা, ক্ষমা করো, কারণ আমি এই পথ বেছে নিয়েছি—মানুষের সেবা করার পথ।’ এরপর তিনি বলেন, ‘আমার শাহাদাত (মৃত্যু) কবুল করো হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করো।’
ভিডিও শেষ হওয়ার আগে ইসরায়েলি সেনাদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ইহুদিরা আসছে, ইহুদিরা আসছে।’
এই হামলায় সহায়তাকর্মীদের মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। ফিলিস্তিন অঞ্চলে ওসিএইচএর প্রধান জোনাথন হুইটল বলেন, নিহতদের মরদেহ ‘ইউনিফর্ম ও হাতে গ্লাভস পরা’ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, এতে ইসরায়েলি বাহিনীর ‘যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের সম্ভাবনা’ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘আমি ১৫ জন চিকিৎসা ও সহায়তাকর্মীর হত্যাকাণ্ডে স্তম্ভিত। এতে ইসরায়েলি সেনাদের যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের বিষয়টি আরো পরিষ্কার হয়ে উঠছে।’ এ ছাড়া তুর্ক একটি ‘স্বাধীন, দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের’ আহ্বান জানান।
‘আমাদের সব কর্মীই সাধারণ নাগরিক’
এদিকে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্যারামেডিক মুনথের আবেদ বলেন, ‘দিনে হোক বা রাতে—সব সময়ই একইভাবে গাড়ির বাইরের ও ভেতরের আলো জ্বলে। গাড়ির গায়ে স্পষ্ট করে লেখা থাকে যে এটি ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের অ্যাম্বুল্যান্স। গাড়ির সব আলো জ্বলছিল, যতক্ষণ না তা সরাসরি গুলির শিকার হয়।’
তিনি ও তার দলের সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে আবেদ বলেন, ‘আমাদের সব কর্মীই সাধারণ নাগরিক। আমরা কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য নই। আমাদের একমাত্র কাজ অ্যাম্বুল্যান্স সেবা দেওয়া ও মানুষের জীবন রক্ষা করা—এর বাইরে কিছু নয়।’
এ ছাড়া জাতিসংঘে গতকাল দেওয়া এক ভাষণে পিআরসিএস প্রেসিডেন্ট ড. ইউনিস আল-খাতিব সেই ভিডিওর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “আমি নিহত হওয়া এক সহকর্মীর কণ্ঠস্বর শুনেছি। গুলি খাওয়ার ঠিক আগেই তার শেষ কথা ছিল…‘আমাকে মাফ করে দিও মা, আমি শুধু মানুষকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। আমি জীবন বাঁচাতে চেয়েছিলাম।’ এটি হৃদয়বিদারক।” তিনি এ ঘটনাকে ‘নৃশংস অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে ‘জবাবদিহি’ ও ‘একটি স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত’ দাবি করেন।

জনগণের দুঃসময়ে বিলাসিতা, ইরানে এবার ডেপুটি প্রেসিডেন্ট বরখাস্ত
অনলাইন ডেস্ক

অর্থনৈতিক সংকটে ধুঁকতে থাকা ইরানে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তার ডেপুটিকে বরখাস্ত করেছেন, যিনি সম্প্রতি ব্যয়বহুল অ্যান্টার্কটিকা সফরে গিয়েছিলেন।
সদ্য বরখাস্ত হওয়া ডেপুটি প্রেসিডেন্ট শাহরাম দাবিরিকে নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি ও তার স্ত্রী বলে ধারণা করা এক নারী নেদারল্যান্ডসের পতাকাবাহী বিলাসবহুল জাহাজ প্ল্যানসিয়াসের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ২০০৯ সাল থেকে জাহাজটি অ্যান্টার্কটিকায় বিলাসবহুল ভ্রমণ করিয়ে থাকে। এক এজেন্সির তথ্যানুসারে, আট দিনের এ ধরনের একটি ট্রিপের খরচ জনপ্রতি তিন হাজার ৮৮৫ ইউরো।
সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনায় শনিবার প্রকাশিত এক চিঠিতে দাবিরিকে বরখাস্তের কথা উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান লেখেন, ‘এমন একটি প্রেক্ষাপটে, যেখানে জনগণের ওপর অর্থনৈতিক চাপ চরমে...সেখানে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যয়বহুল বিনোদনমূলক সফর, তা ব্যক্তিগত খরচেই হোক না কেন, কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য বা সমর্থনযোগ্য নয়।’
৬৪ বছর বয়সী দাবিরি পেশায় একজন চিকিৎসক এবং পেজেশকিয়ানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। গত আগস্টে তিনি ডেপুটি প্রেসিডেন্ট (সংসদবিষয়ক) হিসেবে নিযুক্ত হন।
ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রেসিডেন্টের অনুগত অনেকেই দাবিরিকে বরখাস্তের দাবি জানান।
এর আগে মার্চের শুরুতে মার্কিন ডলারের বিপরীতে রিয়ালের দরপতন ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে অর্থমন্ত্রী আবদুল নাসের হেম্মাতিকে পার্লামেন্ট বরখাস্ত করে।
সূত্র : এএফপি