গাজায় হামলা মাত্র শুরু : নেতানিয়াহু

  • হোয়াইট হাউসের সামনে ও জেরুজালেমে বিক্ষোভ
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
গাজায় হামলা মাত্র শুরু : নেতানিয়াহু
গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে গতকাল জেরুজালেমে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেয় ইসরায়েলিরা। ছবি : এএফপি

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি তাণ্ডব চলছেই। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাতভর ইসরায়েলি হামলায় উপত্যকাটিতে কমপক্ষে ২৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবারও ইসরায়েলি হামলা চলছিল বলে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে। এর মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা সবে শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

দুই দিনের হামলায় চার শতাধিক মানুষের প্রাণহানির পর এই মন্তব্য করেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে হামাস কর্মকর্তা তাহের আল-নোনো বলেছেন, গাজা উপত্যকায় নতুন করে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের পরও তারা আলোচনার দরজা বন্ধ করেনি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এরই মধ্যে একটি চুক্তি চলমান। তাই নতুন চুক্তির প্রয়োজন নেই।

এদিকে নেতানিয়াহু স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার রাতে বলেছেন, গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে তার দেশ পূর্ণ শক্তিতে ফের যুদ্ধ শুরু করেছে। একটি ভিডিও বিবৃতিতে তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেন, আলোচনা কেবল হামলার মধ্যেই চলবে এবং এটি (হামলা) কেবল শুরু। গাজায় ব্যাপক মাত্রায় ইসরায়েলি বিমান হামলা চালানোর পরে তাঁর এই মন্তব্য এসেছে।

গত ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে এটাই গাজায় সবচেয়ে বড় হামলা।

যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর অবস্থায় টিকে থাকলেও গাজায় একের পর এক আক্রমণে এখন মনে হচ্ছে, যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির আলোচনা হয়তো নস্যাৎ হয়ে যেতে পারে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ১৮ মাস ধরে চলা ইসরায়েলের অব্যাহত আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৪৮ হাজার ৫৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ১১২,০৪১ জন আহত হয়েছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) ভয়াবহ হামলার প্রতিবাদে ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকারীরা। গাজায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে ট্রাম্প প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন তাঁরা। এ সময় তাঁদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে ইসরায়েলে সব ধরনের মার্কিন সহায়তা বন্ধ কর, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র চাই, যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো বোমায় নিহত হচ্ছে ফিলিস্তিনিরাসহ বিভিন্ন বক্তব্য লেখা ছিল।

এ ছাড়া হাজারো বিক্ষোভকারী গতকাল জেরুজালেমে সমবেত হয়ে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, তিনি গণতন্ত্র দুর্বল করার পাশাপাশি গাজায় হামলা ফের শুরু করেছেন, যা সেখানে আটক জিম্মিদের জীবনের তোয়াক্কা না করেই করা হয়েছে। সূত্র : আলজাজিরা, বিবিসি, আনাদোলু এজেন্সি

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সংক্ষিপ্ত

জম্মু ও কাশ্মীরে ফের সংঘর্ষ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
জম্মু ও কাশ্মীরে ফের সংঘর্ষ

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে ফের সংঘর্ঘের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজবাগে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু হলে সেনা জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করেন বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। শুরু হয় দুই পক্ষের গুলির লড়াই।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গুলিতে দুই পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মন্তব্য
৬ জন নিহতের আশঙ্কা

লোহিত সাগরে দুর্ঘটনার কবলে পর্যটক সাবমেরিন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
লোহিত সাগরে দুর্ঘটনার কবলে পর্যটক সাবমেরিন

লোহিত সাগরে একটি পর্যটকবাহী সাবমেরিন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। এতে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মিসরের হারগাদা শহরে গতকাল বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে।

২৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সাবমেরিনটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিল।

সিন্দবাদ নামের সাবমেরিনটি উপকূলের কাছে ডুবে যায়। মিসরের রুশ দূতাবাস জানায়, সাবমেরিনটিতে থাকা সব পর্যটকই ছিল রাশিয়ার।

ফেসবুকে এক পোস্টে দূতাবাস বলেছে, সাবমেরিনটিতে শিশুসহ ৪৫ জন যাত্রী ছিল। চারজন নিহত হয়েছে এবং অন্যদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তারা তা জানার অপেক্ষায় আছে বলে জানানো হয়েছে পোস্টে। হারগাদায় এ ধরনের দুর্ঘটনা এই প্রথম নয়। গত বছরের নভেম্বরে সি স্টোরি নামের আরেকটি নৌকা ডুবে এক ব্রিটিশ দম্পতিসহ ১১ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছিল।
আর ৩৫ জন বেঁচে ফিরেছিল। সেই সময় এই দুর্ঘটনার জন্য মিসর কর্তৃপক্ষ চার মিটার উঁচু ঢেউকে দায়ী করেছিল। সূত্র : বিবিসি

মন্তব্য

তুরস্কে বিক্ষোভের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৯ শতাধিক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
তুরস্কে বিক্ষোভের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৯ শতাধিক

তুরস্কের ইস্তাম্বুলের মেয়র একরেম ইমামোগলুকে গ্রেপ্তারের জেরে বিক্ষোভের ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী ১৯ শতাধিক লোককে আটক করা হয়েছে। ইমামোগলুকে আটকের প্রতিবাদে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের পক্ষপাতদুষ্ট বিবৃতিও খারিজ করে দিয়েছে তুরস্ক।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ একরেম ইমামোগলুকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠানোর ঘটনা দেশটিতে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। বিক্ষোভ দমনে সরকারকে গণগ্রেপ্তার করতে হয়েছে।

এর আগে বেশ কয়েকটি জরিপে জনপ্রিয়তায় এরদোয়ানকে ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে ইমামোগলুকে। বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি (সিএইচপি) ইমামোগলুকে তাদের ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করার কথা জানিয়েছে। সূত্র : এএফপি

মন্তব্য

যুদ্ধ পরিকল্পনা ফাঁসের ঘটনাকে ‘ডাইনি শিকার’ বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
শেয়ার
যুদ্ধ পরিকল্পনা ফাঁসের ঘটনাকে ‘ডাইনি শিকার’ বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ম্যাসেজিং গ্রুপ সিগন্যাল অ্যাপে ইয়েমেনের যুদ্ধ পরিকল্পনা ফাঁসের ঘটনাকে ডাইনি শিকার বা সমাজের হুমকি হিসেবে বিবেচিত গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। একই সঙ্গে এর জেরে ডেমোক্র্যাটরা মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী তথা পেন্টাগনপ্রধান পিট হেগসেথের পদত্যাগ দাবি করলেও তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন ট্রাম্প।

ওভাল অফিসে গত বুধবার সাংবাদিকরা এই কেলেঙ্কারির জেরে হেগসেথের পদত্যাগ করা উচিত কি না জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, হেগসেথ দারুণ কাজ করেছে। তার এই ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

এর মধ্যে আপনারা হেগসেথকে টানছেন কেন? দেখুন পুরো ব্যাপারটাই আসলে ডাইনি শিকারের বিষয়।

এদিকে ভুল করে ম্যাসেজিং গ্রুপ সিগন্যাল অ্যাপে ইয়েমেনের যুদ্ধ পরিকল্পনা ফাঁসের দায় সম্পূর্ণ নিজের কাঁধে নিয়েছেন মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ। ওই গ্রুপটিতে একজন সাংবাদিক যুক্ত থাকায় বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। ওই সাংবাদিককে গ্রুপ ওয়াল্টজ নিজেই যোগ করেন।

স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে ওয়াল্টজ বলেন, ‘আমি সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিচ্ছি। আমিই এই গ্রুপটি তৈরি করেছি। বিষয়টি বিব্রতকর।

অন্যদিকে মার্কিন সাময়িকী আটলান্টিকের সম্পাদক জেফ্রি গোল্ডবার্গ ভুলে ইয়েমেনের যুদ্ধ পরিকল্পনা ফাঁসের প্রতিবেদন প্রকাশের পর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রত্যেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার রোষানলে পড়েছেন।

কয়েক দিন ধরে জেফ্রি গোল্ডবার্গকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হতভাগাবস্তাপচা নোংরা বলে গালাগাল দিচ্ছেন। পাশাপাশি মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ওয়াল্টজও তাঁকে মিথ্যাবাদীনোংরা বলেছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে তিনিই জেফ্রিকে ভুল করে একটি গ্রুপ চ্যাটে যুক্ত করেছিলেন।  সূত্র : বিবিসি, এএফপি

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ