গণ-অভ্যুত্থান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি জাতীয় পার্টির অনুকূলে নেই। ফলে এবার রমজানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দলটির ইফতার মাহফিলে বাধার ঘটনাও ঘটেছে। এমন প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঈদকে কেন্দ্র করে দলটি বাড়তি কোনো আয়োজন রাখেনি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার দলের বেশির ভাগ নেতা রাজধানীতে ঈদ করবেন।
কেউ কেউ ঈদের পর নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার কথা ভাবলেও তেমন কোনো কর্মসূচি রাখেননি দলটির সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দলের চেয়ারম্যানসহ বেশির ভাগ জ্যেষ্ঠ নেতা রাজধানীতে ঈদ করবেন। ঈদের পর হয়তো নির্বাচনী এলাকায় যাবেন কেউ কেউ।’ তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যান ছাড়াও মহাসচিব মজিবুর রহমান চুন্নু, কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী, রুহুল আমিন হাওলাদার, সালমা ইসলামসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা রাজধানীতেই ঈদ করবেন।
৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে সরব ছিল জাপা। তবে আওয়ামী লীগের সহযোগী দল হিসেবে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বৈষম্যবিরোধীদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি। এখন সরকারের সমালোচনা করে জাতীয় পার্টি দ্রুত নির্বাচন দাবি করছে।