বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন ড. ইউনূস

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন ড. ইউনূস
সংগৃহীত ছবি

বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান হচ্ছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২ এপ্রিল) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান। তাই সব দেশের প্রধানদের সঙ্গে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা দরকার।

আরো পড়ুন
কেউ কেউ নব্য ফ্যাসিবাদী হিসেবে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে : শিবির সভাপতি

কেউ কেউ নব্য ফ্যাসিবাদী হিসেবে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে : শিবির সভাপতি

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্কক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। সম্মেলনের প্রথমদিন ইয়ুথ কনফারেন্সে যোগ দেবেন তিনি। পরদিন সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। 

এতে আরো জানানো হয়, সেখানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে পারে।

এ ছাড়া সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সম্মেলনে তিনটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম ও ডেপুটি প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

আলোচিত-১০ (৬ এপ্রিল)

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার

আধুনিক ‘ল্যান্ড সার্ভিস গেটওয়ে’ চালুর উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আধুনিক ‘ল্যান্ড সার্ভিস গেটওয়ে’ চালুর উদ্যোগ
সংগৃহীত ছবি

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের জরুরি নির্দেশনা অনুসারে, ভূমি ডিজিটাইজেশনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ঢাকা জেলার ১৯টি ভূমি সার্কেলে ই-মিউটেশনের উন্নততর ভার্সন এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যারের পাইলটিং শুরু হয়েছে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানায়।

তথ‍্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের নেতৃত্বে চার ধরনের ভূমিসেবা অনলাইনে নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। সেবাগুলো হচ্ছে—এলডি ট্যাক্স (সারা দেশে), ই-মিউটেশন (পাইলট ফেজ, ঢাকার ১৯টি সার্কেল), ই-পর্চা (সারা দেশে), ই-খতিয়ান এবং মৌজা ম্যাপ (সারা দেশে)।

এলডি ট্যাক্স সেবাটি সারা দেশে উন্মুক্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২০০ কোটি টাকার ভূমি রাজস্ব আদায় সম্পন্ন হয়েছে।

নাগরিক ভোগান্তি কমাতে বিচ্ছিন্নভাবে আলাদা আলাদা সফটওয়্যার সিস্টেমে ডিজিটাল ভূমিসেবা না দিয়ে সরকার এলডি ট্যাক্স, ই-মিউটেশন, ই-পর্চা/ই-খতিয়ানসহ চারটি সেবাকে আন্তঃসংযুক্ত করে একটি আধুনিক ‘ল্যান্ড সার্ভিস গেটওয়ে’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এতে সেবাগুলোর জন্য আলাদা রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন হবে না।

এই সিঙ্গেল সার্ভিস গেটওয়ে সারা দেশের সব ভূমি সার্কেলের উন্মুক্ত করা গেলে নাগরিকদের আরো সহজে ভূমি সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

যেহেতু ই-মিউটেশন পদ্ধতিগতভাবে বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত, পাশাপাশি এতে একাধিক সংস্থা ও দফতর সংস্থার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, এই সেবাটির পদ্ধতিগত সহজীকরণ এবং ই-নথি ব্যবস্থা সহজ করতে আরো পর্যাপ্ত পাইলটিং প্রয়োজন।

প্রধান উপদেষ্টা নিজে এবং তার দপ্তর, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এবং ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ভূমিসেবার ট্রান্সফর্মেশনে যৌথভাবে কাজ করছেন।

ভূমিসেবা ডিজিটাইজেশনের পরবর্তী পর্যায়ে বেসরকারি উদ্যোক্তা এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের ট্রেইনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

এর মাধ্যমে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে অনলাইন ভূমিসেবাগুলোকে উদ্যোক্তাদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশের আদালতগুলোতে মোট মামলা এবং অপরাধের প্রায় ৭০ শতাংশের বেশি ভূমির মালিকানা, দখল, বেদখল, অধিগ্রহণ ও হস্তান্তরকেন্দ্রিক। এমতাবস্থায় সরকার ভূমিসেবাগুলোকে যথাসম্ভব দ্রুততার সঙ্গে সহজে ব্যবহারযোগ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে উন্মুক্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট এ মাসেই

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে চার্জশিট এ মাসেই
সংগৃহীত ছবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই ও আগস্টে গণহত্যার একটি মামলার চার্জশিট চলতি মাসেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

জামার্নভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে এ তথ্য জানিয়েছেন তাজুল ইসলাম।

জুলাই ও আগস্ট গণহত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনটি মামলার তদন্ত চূড়ান্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে প্রথমে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আশুলিয়ায় থানার সামনে ভ্যান গাড়িতে ছয়জনের মরদেহ পুড়িয়ে হত্যার তদন্ত রিপোর্ট। তারপর রাজধানীর চানখাঁরপুলে হত্যার তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা হবে।

এরপর যে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হবে সেটি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। এটি একটি পৃথক রিপোর্ট হবে। যেখানে শেখ হাসিনাকে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দায়) অভিযোগে সারা দেশে যে গণহত্যা হয়েছে সেই অভিযোগে অভিযুক্ত করা হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব কটি মামলাতে শেখ হাসিনাকে আনা হবে না, একটি মামলার মধ্যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো উপস্থাপন করা হবে।

সেখানে আমরা অভিযোগ প্রমাণের পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পেয়েছি। আমাদের কাছে যে অকাট্য প্রমাণ এসেছে তাতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ একাধিকবার প্রমাণ করা যাবে।’

ওই মামলায় কি শুধু শেখ হাসিনাই একমাত্র আসামি থাকবেন? জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘এখনো এটা ঠিক করা হয়নি। শুধু শেখ হাসিনাও থাকতে পারেন।

আবার তার কমান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে যারা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছেন তাদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও আসামি হতে পারেন।’

কবে নাগাদ এই চার্জশিট দাখিল হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক রিপোর্ট আমাদের হাতে চলে এসেছে। এটি এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ লাগতে পারে। অর্থাৎ এ মাসেই তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনায় সারা দেশে প্রায় দেড় হাজার মামলা হয়েছে। এর মধ্যে হত্যার অভিযোগে প্রায় ৬০০ মামলা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মোট মামলার সংখ্যা ৩২৪টি, যার মধ্যে ঢাকাতেই মামলা হয়েছে ২৯৭টি। বাকি ২৭টি মামলা হয়েছে ঢাকার বাইরে।

মন্তব্য

ভূমিকম্প-পরবর্তী মায়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রম চলমান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভূমিকম্প-পরবর্তী মায়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রম চলমান
সংগৃহীত ছবি

মায়ানমারে সাম্প্রতিক শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত উদ্ধার, চিকিৎসা ও ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে।

দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে প্রেরিত এই বিশেষ দল উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রমে নিবেদিতভাবে অংশগ্রহণ করছে।

গতকাল মায়ানমারের উপপ্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ উদ্ধারকারী দলকে মায়ানমার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল এবং আজ মায়ানমার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ধসে পড়া ভবনে বাংলাদেশ উদ্ধারকারী দল অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রসহ অন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ চিকিৎসা সহায়তা দল আজ নেপিদো শহরের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট যবুথিরি টাউনশিপ হাসপাতাল, ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল এবং ১০০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে। আজ মোট ৫০ জন রোগীকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান এবং তিনটি জটিল অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়।

উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত ভূমিকম্পে আহত রোগীদের মধ্যে ১৫টি জটিল অস্ত্রোপচারসহ সর্বমোট ৪৫৭ জন রোগীকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বাধীন উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম আগামীকালও চলমান থাকবে। 

গত ২৮ মার্চ মায়ানমারে সংঘটিত ভূমিকম্পের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে ১ এপ্রিল সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ উদ্ধার ও চিকিৎসা সহায়তা দল মায়ানমারের নেপিদো শহরে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ