ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৩ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৩ শাওয়াল ১৪৪৬

একাদশে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
একাদশে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
ফাইল ছবি

আসন্ন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণের সময় দুই দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। সোমবার (১০ জুন) এসংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে আগামী ১৩ জুন বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। যে সকল শিক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তন হবে তারাও ওই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবে।

এর আগে গত ২৬ মে থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। তখন আবেদনের সম্ভাব্য শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ জুন।

জানা যায়, এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ড থেকে মোট ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছে। আর সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন আছে ২৫ লাখের মতো।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

থানায় বসেই সমন্বয়ক পরিচয়ে ওসিকে বদলির হুমকি

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
থানায় বসেই সমন্বয়ক পরিচয়ে ওসিকে বদলির হুমকি
সাব্বির হোসেন।

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসানকে সাত দিনের মধ্যে বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাব্বির হোসেন নামে একজনের বিরুদ্ধে। তিনি নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় থানার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া একই সময় তিনি থানার ভেতর ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওসি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা সমাধান করতে থানায় আসেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা থানায় সমাধানের জন্য একমত হলেও বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাব্বির নিজেকে সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে হট্টগোল শুরু করেন। থানার ভেতর দাঁড়িয়ে এসপি ও ডিআইজিকে কল করে সাত দিনের মধ্যে ওসিকে বদলির হুমকি দেন সাব্বির হোসেন।

ইবি থানার ওসি শেখ মেহেদী হাসান বলেন, ‘ইবি থানাধীন সুগ্রীবপুর জমিসংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে থানায় মীমাংসা হয়।

মীমাংসার পর এলাকাবাসী আমার সঙ্গে দেখা করতে এলে সমন্বয়ক পরিচয়দাতা সাব্বির ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন বলে অফিসার ও এলাকাবাসী আমাকে জানান। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। একজন শিক্ষার্থী বা সমন্বয়কের কাছ থেকে বিষয়টি প্রত্যাশিত না।’

তিনি আরো বলেন, ‘সাব্বির মাঝেমধ্যেই থানার অফিসারদের হুমকি-ধমকি দেন।

সমন্বয়ক পরিচয়ে তিনি পুলিশ অফিসারদের মাঝেমধ্যেই খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ট্রান্সফারের হুমকি দেন।’

সাব্বির হোসেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবিথানাধীন আব্দালপুর ইউনিয়নের সুগ্রীবপুর গ্রামের আবুল হোসেন পুন্টুর ছেলে। তিনি কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজে পড়াশোনা করেন। অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে সমন্বয়ক পরিচয়ধারী সাব্বির হোসেন বলেন, ঘটনাটি গ্রাম্যভাবে সমাধান হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ক্যাম্পাসেই ঈদ, চাকরির স্বপ্নে উৎসবে ভিন্ন রং

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
শেয়ার
ক্যাম্পাসেই ঈদ, চাকরির স্বপ্নে উৎসবে ভিন্ন রং
চাকরিপ্রত্যাশী নিয়ন লেখাপড়ায় মন দিতে এবার ক্যাম্পাসেই ঈদ করছেন

বাংলাদেশের তরুণদের বড় একটি অংশের স্বপ্ন সরকারি চাকরি। কিন্তু এই স্বপ্ন পূরণের পথটা সহজ নয়—প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং নিয়মিত পড়াশোনা। চাকরির প্রস্তুতির এই চাপে উৎসবের দিনগুলোতেও পড়ার টেবিল ছাড়ার সুযোগ মেলে না। ঈদের মতো আনন্দঘন মুহূর্তগুলো যখন পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়, তখন সেই উৎসবের রংও হয় অন্যরকম।

ঠিক তেমনই এক গল্প শোনালেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ নাজমুল আহসান হলের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান নিয়ন।

নিয়নের মতো অনেক শিক্ষার্থী আছেন, যারা চাকরির প্রস্তুতির জন্য ঈদের ছুটিতেও ক্যাম্পাসে থেকে যান। পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটানোর ইচ্ছা থাকলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির তাগিদে নিজেকে পড়ার টেবিলে আবদ্ধ রাখতে হয়। নিয়ন বললেন, 'অনেকেই মনে করেন, উৎসবের দিনে পড়াশোনা করতে কষ্ট হয়।

সত্যি বলতে, কষ্ট তো হয়ই। পরিবার ও প্রিয়জনদের কাছ থেকে দূরে থাকা সহজ নয়। তবে একটা লক্ষ্য সামনে রেখে এগিয়ে চলার জন্য এই ত্যাগ মেনে নিতে হয়।'

ক্যাম্পাসে ঈদ উদযাপনও এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

নিয়ন বলেন, ‘আমার মতো আরো অনেকেই ঈদের ছুটিতে ক্যাম্পাসে থাকেন। বন্ধু, সিনিয়র, জুনিয়র সবাই মিলে একসঙ্গে ঈদের দিনটি কাটানোর চেষ্টা করি। কাছে কোনো পরিচিতজনের বাসা থাকলে, সেখান থেকে আসা খাবার ভাগাভাগি করি, মজার গল্পে সময় কেটে যায়। হলে যারা কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তাদের সঙ্গে গল্প-গুজব হয়। তবুও যখন সন্ধ্যা নামে, পরিবারের কথা আরো বেশি মনে পড়ে।
'

চাকরির প্রস্তুতির তাগিদে পরিবার থেকে দূরে থাকা নিঃসন্দেহে কষ্টকর। তবে নিয়নের মতে, এই কষ্টই ভবিষ্যতের জন্য অনুপ্রেরণা জোগায়। ‘আমরা যারা ক্যাম্পাসেই ঈদ করি, তাদের উৎসবটা হয়তো একটু ভিন্ন; কিন্তু স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলার শক্তি জোগায়। এই সাময়িক কষ্টের পর একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে পারব—এই বিশ্বাসই আমাদের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে, বললেন নিয়ন।

নিজের স্বপ্ন পূরণ করে পরিবারের হাল ধরার জন্য যারা নিরলস পরিশ্রম করছেন, তাদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে নিয়ন বলেন, ‘চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিটি তরুণের ত্যাগ যেন তাদের সাফল্যের পথকে সুগম করে, সেই প্রত্যাশা করি। সবার কাছে দোয়া চাই যেন একদিন এই পরিশ্রমের ফল মেলে এবং আমরা আমাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারি।’

পরিবার থেকে দূরে থাকলেও স্বপ্নের পথচলায় অনুপ্রাণিত নিয়নদের মতো হাজারো তরুণ। তাদের এই ত্যাগ আর পরিশ্রমই হয়তো বদলে দেবে আগামীর বাংলাদেশ।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

বাকৃবিতে ছিনতাইয়ের সময় ছিনতাইকারী ও অটোচালক আটক

বাকৃবি প্রতিনিধি
বাকৃবি প্রতিনিধি
শেয়ার
বাকৃবিতে ছিনতাইয়ের সময় ছিনতাইকারী ও অটোচালক আটক
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) সংলগ্ন আমবাগান এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় এক ছিনতাইকারী ও তার সহযোগী অটোচালককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোখলেছুর রহমান। এর আগে শনিবার (২৯ মার্চ) রাত সাড়ে ১১ টার তাদের আটক করা হয়। 

আটককৃতরা হলেন—ময়মনসিংহের ফকিরাকান্দা এলাকার মো. আসিফ (১৯) এবং একই এলাকার অটোচালক মো. ইয়াসিন মিয়া (জিয়াদ)।

উপপরিদর্শত মোখলেছুর রহমান জানান, শিকারাকান্দা থেকে ব্রিজের মোড়ে যাওয়ার জন্য এক যাত্রী মো. ইয়াসিন মিয়ার অটোতে উঠেছিলেন। পথে ছিনতাইয়ের শিকার হয় ওই যাত্রী। ছিনতাইকারীরা তার কাছ থেকে মানিব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে অটো থেকে নামিয়ে দেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড়ে পৌঁছালে ছিনতাইকারীদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।

এতে আশপাশের লোকজনের সন্দেহ হলে তারা ছিনতাইকারীদের দুইজন সদস্যকে আটক করেন। এ সময় আরো ৩-৪ জন পালিয়ে যায়।

এসআই মোখলেছুর রহমান বলেন, ‌‌‌‘প্রথমে ছিনতাইকারীরা তাদের অপরাধ অস্বীকার করলেও পরে নিজেদের দোষ স্বীকার করে নেয়। এরপর তাদের বাকৃবি পুলিশ ক্যাম্পে রাখা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।’
 

মন্তব্য

জালিয়াতির অভিযোগে তামীরুল মিল্লাতের অধ্যক্ষ বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
জালিয়াতির অভিযোগে তামীরুল মিল্লাতের অধ্যক্ষ বরখাস্ত
সংগৃহীত ছবি

খাতা মূল্যায়নে জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক অভিযোগে তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা যাত্রাবাড়ীর অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মাদ আবু ইউছুফকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ১২ মার্চ মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. কোরবান আলী স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

অফিস আদেশে বলা হয়, তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির ১২ মার্চের সভায় আপনার বিরুদ্ধে ট্রাস্ট কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির আনীত ২০টি অভিযোগের প্রতিবেদন আলোচিত হয়। সব দিক বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে আপনার বরখাস্তের মেয়াদ ২০ মার্চ থেকে আরো দুই মাস বাড়িয়ে ছয় মাস নির্ধারণ করা হয়েছে।

বরখাস্তকালে মাদরাসা থেকে সব প্রকার সুযোগ-সুবিধা বন্ধ থাকবে।

আরো পড়ুন
কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে গুজব

কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে গুজব

 

এ বিষয়ে মাওলানা আবু ইউছুফ বলেন, ‘কোনো বিষয়ে অভিযোগ থাকলে প্রথমে শোকজ দিতে হয়। শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট না হলে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সে রকম হয়নি, আমাকে সরাসরি বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্তের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আবার দুই মাস বাড়িয়ে আরেকটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। এটিও আইনসংগত হয়নি।’

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ