ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৫
১৩ চৈত্র ১৪৩১, ২৬ রমজান ১৪৪৬

ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ ২০২৫
১৩ চৈত্র ১৪৩১, ২৬ রমজান ১৪৪৬

কোটচাঁদপুরের সাবরেজিস্ট্রার অবরুদ্ধ

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি
কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি
শেয়ার
কোটচাঁদপুরের সাবরেজিস্ট্রার অবরুদ্ধ
ছবি: কালের কণ্ঠ

দলিল প্রতি অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ায় জমি রেজিস্ট্রি বন্ধ করে দিয়েছেন ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর সাবরেজিস্ট্রার। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এমন অভিযোগে সাবরেজিস্ট্রারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন জমি ক্রয়-বিক্রয়কারীরা।

কোটচাঁদপুরের সাবরেজিস্ট্রার তামিম আহমেদ চৌধুরী গত বছরের ২৬ মে যোগদান করেন। অভিযোগ রয়েছে, এই সাবরেজিস্ট্রার যোগদান করার পর থেকেই দলিল প্রতি অতিরিক্ত টাকা না দিলে তিনি জমি রেজিস্ট্রি করেন না।

বিষয়টি নিয়ে দলিল লেখক ও ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। 

তালিনা গ্রামের আজহার আলী জমি রেজিস্ট্রি করতে এসে বলেন, 'বেলা ৩টা বাজে। জমি রেজিস্ট্রির জন্য লেখালেখি অনেক আগেই শেষ। অথচ অতিরিক্ত টাকা না দিলে সাবরেজিস্ট্রার জমি রেজিস্ট্রি করবেন না।

এখনো পর্যন্ত একটিও জমি রেজিস্ট্রি হয়নি। কাগজপত্র সব থাকার পরও সাবরেজিস্ট্রারকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। যে কারণে অতিষ্ঠ হয়েই ক্রেতা-বিক্রেতা ও দলিল লেখকরা সাবরেজিস্ট্রারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছি। অতিরিক্ত টাকা কেনো নেন এর জবাব না দেওয়া পর্যন্ত তাকে ছাড়া হবে না।

জগন্নাথপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, 'এর মধ্যে আমি কয়েকটি জমি রেজিস্ট্রি করেছি। আমার কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রির স্বার্থে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে সাবরেজিস্ট্রারকে।

কোটচাঁদপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আনিসুল ইসলামের হস্তক্ষেপ ও দলিল লেখকদের মধ্যস্থতায় বিকাল ৪টার পর থেকে দলিল রেজিস্ট্রি কাজ শুরু হয়।

জেলা রেজিস্ট্রার সাব্বির আহমেদের সঙ্গে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান।

এদিকে ইউএনওকে কয়েকবার মোবাইল ফোন করলেও তা রিসিভ করেননি তিনি।

সাবরেজিস্ট্রার তামিম আহমেদ চৌধুরী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 'এ অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে নয়। এর বেশী কিছু বলতে রাজী হননি।

কোটচাঁদপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, 'ইউএনও মহোদয় পুলিশ চেয়ে ছিলেন, আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। আমি ঝিনাইদহে আছি। এর বাইরে আমি কিছু জানি না।'

দলিল লেখক সমিতির সভাপতি বদর উদ্দিন বলেন, ঝামেলা একটু হয়েছিল তার সমাধান হয়েছে। ৪টার পর থেকে জমি রেজিস্ট্রির কাজ শুরু হয়।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

দীঘিনালায় দুস্থদের ঈদসামগ্রী দিল সেনাবাহিনী

দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি
দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি
শেয়ার
দীঘিনালায় দুস্থদের ঈদসামগ্রী দিল সেনাবাহিনী
সংগৃহীত ছবি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেছে সেনাবাহিনী। বৃহষ্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় কবাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনের পক্ষ্য থেকে এসব উপহার দেওয়া হয়। 

দেড় শতাধিক পরিবার এসব ঈদ সামগ্রী পেয়েছেন। 

সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ওমর ফারুক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আগত পরিবারদের হাতে ঈদসামগ্রী তুলে দেন।

ঈদসামগ্রীর মাঝে ছিল সেমাই, চিনি, দুধ, নুডুলস, চাল, ডাল ও তেল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জোন উপ অধিনায়ক মো. মেহেদী হাসান, এ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন মো. আহনাফ হোসেন, কবাখালি ইউপি চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা ও কবাখালি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বদিউজ্জামান।

মন্তব্য

সাবেক যুবদল নেতার পোস্টারে শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক আখ্যা

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
শেয়ার
সাবেক যুবদল নেতার পোস্টারে শেখ মুজিবকে স্বাধীনতার ঘোষক আখ্যা
সংগৃহীত ছবি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যুবদল নেতা রোকনুজ্জামান রাজিব শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করায় চরম সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ভাঙ্গুড়া পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। এর আগে তিনি ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

গতকাল বুধবার (২৬ মার্চ) ওই পোস্টটি দেন তিনি।

তার এই পোস্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীরা ব্যাপক সমালোচনা করছেন।

আরো পড়ুন
২৬ মার্চ গৌরব ও অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস : সেনাপ্রধান

২৬ মার্চ গৌরব ও অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস : সেনাপ্রধান

 

জানা যায়, রাজিব পেশায় একজন পিকআপ চালক। তবে তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে রাজনীতিতেই বেশি সময় দেন। বিভিন্ন তদবির ও সালিশ বাণিজ্য করে অর্থ আয় করেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

এসব ঘটনায় তাকে নিয়ে রয়েছে নানা সমালোচনা।

বুধবার রাতে রাজিব ফেসবুকে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত একটি পোস্টারের ছবি পোস্ট করেন। এতে লেখা, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।’ তার ওই ফেসবুক পোস্টে অনেকেই তাকে ‘অল্প বিদ্যা ভয়ংকর’ বলে মন্তব্য করেন।

ছবিটি পোস্টের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর রাজীব সমালোচনার মুখে ওই পোস্টটি ফেসবুক থেকে সরিয়ে নেন।

রোকনুজ্জামান রাজিব বলেন, ‘কম্পিউটার ম্যান পোস্টারটি লিখতে ভুল করেছে। এ বিষয়ে আমি বিব্রত বোধ করছি। তবে বিষয়টি জানার পরে ফেসবুক থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

আরো পড়ুন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের পদত্যাগ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের পদত্যাগ

 

ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য

যমুনা সেতুতে ৩৩ হাজার যান পারাপার, প্রায় ৩ কোটি টাকা টোল আদায়

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
শেয়ার
যমুনা সেতুতে ৩৩ হাজার যান পারাপার, প্রায় ৩ কোটি টাকা টোল আদায়
সংগৃহীত ছবি

ঈদুল ফিতর আসন্ন। ঈদের আনন্দ পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোনো যানজট নেই।

এদিকে বাড়ছে যমুনা সেতুতে টোল আদায়ের পরিমাণ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু থেকে দুই কোটি ৭৮ লাখ ৯৯ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ। এর বিপরীত যানবাহন পারাপার হয়েছে ৩৩ হাজার ৭৬৬ টি।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য জানান।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৭৬৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৮ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ৪৫০টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৫২৭ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪০ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ টাকা।

সেতু কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, মঙ্গলবারের চেয়ে বুধবার যমুনা সেতু দিয়ে ৪ হাজার ৫৩৩টি যানবাহন বেশি পারাপার হয়েছে। গত ৩ দিনে সেতুর ওপর দিয়ে মোট ৮৭ হাজার ৯৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৭ কোটি ৬২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, 'মহাসড়কে যানজট নিরসনে যমুনা সেতু পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে ৯টি করে ১৮টি টোল বুথ স্থাপনসহ মোটরসাইকেলের জন্য ৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই যানজট। আশা করছি ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে।'

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, 'মহাসড়কে ৭ শতাধিক পুলিশ সদস্য দায়িত্বপালন করছেন। এরমধ্যে মোবাইল টিম ও মোটরসাইকেল টিম কাজ করছে। মহাসড়ককে চারটি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। মহাসড়কে যাতে কেও অতিরিক্ত ভাড়া নিতে না পারে সেদিকে নজরদারি রয়েছে।'

উল্লেখ্য, রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সড়ক পথে উত্তরবঙ্গের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম এ মহাসড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের অংশ ৬৫ কিলোমিটার। ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যানবাহনের ভিড়ে এই মহাসড়কে সৃষ্টি হয় যানজট। 
প্রতিবছর ঈদে এ মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ যাতায়াত করেন। যা অন্যান্য সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি হয়। এ সড়ক দিয়ে  উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার যানবাহন চলাচল করে। গড়ে প্রতিদিন ১৮/২০ হাজার যানবাহন সেতু দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু ঈদে এর সংখ্যা ২ থেকে ৩ গুণ বেড়ে যায়।

মন্তব্য
বকশীগঞ্জ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের পদত্যাগ

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
শেয়ার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা শাখার আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের পদত্যাগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জামালপুর বকশীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সুলতানুস ছালেহীন ও সদস্যসচিব জিসানুর রহমান জিসান পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত কারণে তারা পদত্যাগ করেছেন বলে আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাদের ব্যক্তিগত আইডিতে পদত্যাগের বিষয়ে পোস্ট করেন। 

জানা যায়, ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানে জামালপুরের বকশীগঞ্জে যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের মধ্যে সুলতানুস ছালেহীন ও জিসানুর রহমান জিসান ছিলেন অন্যতম।

আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সুলতানুস ছালেহীনকে আহ্বায়ক ও জিসানুর রহমান জিসানকে সদস্যসচিব করে ১৬১ সদস্যের বকশীগঞ্জ উপজেলার শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি অনুমোদন করেন জামালপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক মীর ইসহাক হাসান ইখলাস ও সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল আবিদ সৌরভ। দায়িত্ব পাওয়ার দেড় মাসের মধ্যে পদ ছাড়লেন কমিটির শীর্ষ এই দুই নেতা। 

এ বিষয়ে জিসানুর রহমান জিসান বলেন, ‘উপজেলার সদস্যসচিব হিসেবে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।

এই সংগঠনের সঙ্গে থাকতে পেরে গর্ববোধ করছি। তবে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। যারা আমার সঙ্গে ছিলেন, সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং সংগঠনের সফলতা কামনা করছি।’ 

সুলতানুস ছালেহীন বলেন, ব্যক্তিগত কারণেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছি।

জুলাই আন্দোলনের পর বিভিন্ন নৈতিক দাবি নিয়ে কাজ করেছি। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে রাজপথে থেকেছি। সংগঠনে জড়ানোর পর মনের ভুলে যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি ক্ষমা করে দেবেন। দেশের স্বার্থে রাজপথে এসেছিলাম ব্যক্তি স্বার্থে নয়। তাই আমি মনে করি এখন পরিবার এবং নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার সময় হয়েছে।
এছাড়া পদে থাকলে অসৎপথ অবলম্বন করার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া। যারা পাশে ছিলেন তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ আজীবন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জামালপুর জেলার আহ্বায়ক মীর ইসহাক হাসান ইখলাস বলেন, সুলতানুস ছালেহীনের পদত্যাগের বিষয়টা জানি। তবে সদস্যসচিব জিসানের বিষয়টি জানা নেই। পদত্যাগপত্র দিয়ে থাকলে তার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ