গড়াই নদীতে কুমির, আতঙ্কে গ্রামবাসী

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ী প্রতিনিধি
শেয়ার
গড়াই নদীতে কুমির, আতঙ্কে গ্রামবাসী
গড়াই নদী। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজবাড়ী ও মাগুরা জেলার সীমান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া গড়াই নদীতে এক মাসেরও অধিক সময় ধরে কুমির ঘুরছে। কখনো একটা, কখনো ৩-৪টা কুমির দেখেছেন নদী তীরের বাসিন্দারা। এতে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন তারা। 

রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের কেওয়া গ্রামের মোহনের ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, কুমির দেখতে নদী পাড়ে অপেক্ষা করছে স্কুলশিক্ষার্থী ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দর্শনার্থীরা।

তারা জানায়, অনেক দিন ধরে কুমির দেখার সংবাদ শুনছে। তাই কুমির দেখতে এসেছে তারা। 

স্থানীয়রা জানায়, নদীতে যখন পানি বেশি ছিল তখন এখানে কুমির এসেছে। এখন নদীর পানি কমে গেছে।

এখানে একটু পানি বেশি। প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে এখানে কুমিরগুলো দেখা যায়। প্রতিদিন দুই থেকে তিন বার নদীতে কুমির ভাসতে দেখা গেছে।

তারা আরো জানায়, প্রতিদিন এলাকার শত শত মানুষ এই নদীতে গোসল, জামা-কাপড় ধোয়াসহ দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজ করত।

এখন কুমির আতঙ্কে কেউ নদীতে নামতে পারছে না।

কমবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহরিয়ার সুফল মাহমুদ বলেন, 'প্রায় দেড় মাস আগে নদীতে কুমির দেখা যায়। আমরা ভেবেছিলাম চলে যাবে। এখন মাঝে মাঝেই দেখা যায়। উপজেলা প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উপজেলা প্রশাসন বরাবর লিখিত আবেদন করা হবে।'

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আবু দারদা বলেন, 'বিষয়টি আমি শুনেছি এবং সরেজমিনে গিয়েছি। কুমির দেখতে পাইনি। তবে কয়েকটি ভিডিও দেখেছি। ভিডিওতে যেটা দেখা যাচ্ছে, সেটা কুমির কি না বোঝা যাচ্ছে না। কুমির শনাক্ত করা মাত্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।'

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সখীপুরে মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতিতে প্রাণ গেল তরুণের

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
শেয়ার
সখীপুরে মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতিতে প্রাণ গেল তরুণের
সংগৃহীত ছবি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদ (১৮) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা-সখীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দেওদীঘি বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহত জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার দক্ষিণ দরিয়াবাদ এলাকার মন্তাজ শেখের ছেলে। তিনি টিকটকার ছিলেন।

সখীপুরে অপর টিকটকার বন্ধু রবিউলের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।

আরো পড়ুন
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে টিকটক ভিডিও করার সুবাদে সখীপুরের রবিউল নামের এক যুবকের সঙ্গে বাবুলের বন্ধুত্ব হয়। গতকাল শনিবার বাবুল ইসলামপুর থেকে সখীপুরে ঘুরতে আসেন। তারা কয়েকজন বন্ধু মিলে পাঁচটি মোটরসাইকেল নিয়ে উপজেলার হাতীবান্ধা তালিম ঘরে বেড়াতে যান।

সেখান থেকে সন্ধ্যায় তারা বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে সখীপুরে ফিরছিলেন।

পরে দেওদীঘি বাজারে এলে বাবুলের মোটরসাইকেলটি প্রথমে একজন পথচারীকে ও পরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাবুল। এ ঘটনায় পথচারী ও এক অটোরিকশাযাত্রী গুরুতর আহত হন।

তাদের টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরো পড়ুন
টেলি সামাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

টেলি সামাদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 

থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘নিহতের মরদেহ থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তার পরিবারকে খবর পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

মন্তব্য
রামপাল

২৮ বছর ধরে পড়ে আছে ফেরি

রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
শেয়ার
২৮ বছর ধরে পড়ে আছে ফেরি
রামপালে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ফেরি। ছবি : কালের কণ্ঠ

বিআইডব্লিউটিসির গাফিলতির কারণে লোকবল আর জ্বালানি সংকটের দোহাই দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া বাগেরহাটের রামপালে একটি ফেরি ২৮ বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। ১৯৯৬ সালে ফেরিটি উদ্বোধন করা হয়। দুই বছর পর ফেরি সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, রামপাল-পেড়িখালী খেয়াঘাট দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে ব্যস্ততম একটি খেয়াঘাট।

আরো পড়ুন
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

 

একসময় রামপাল নদী ছিল প্রমত্তা। প্রবল স্রোত ও ঢেউ উপেক্ষা করে মানুষ এই ঘাট দিয়ে নৌকায় পারাপার হতো। অনেক সময় নদী পার হতে গিয়ে এই ঘাটে নৌকাডুবিতে অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। দীর্ঘদিনের পারাপারের দুর্ভোগ লাঘবে ১৯৯৬ সালে তৎকালীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী তালুকদার আব্দুল খালেক এই ঘাটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের ফেরি সার্ভিস উদ্বোধন করেন।

প্রায় দুই বছর ধরে সার্ভিসটি চালু থাকলেও লোকবল আর আর্থিক সংকটের দোহাই দিয়ে বিআইডব্লিউটিসি এ ঘাটের ফেরি সার্ভিস বন্ধ করে দেয়। দেখা দেয় আবারও পারাপারের সংকট। বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ফেরিটি রামপাল সদর পুরাতন ডাকবাংলার সামনে নদীর চরে ফেলে রাখা হয়। পরে ফেরিটি রামপাল উপজেলা এলজিইডির তত্ত্বাবধানে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি সিন্ডিকেট ফেরির দুটি ইঞ্জিনের প্রায় সব মূল্যবান যন্ত্রাংশ খুলে নিয়ে যায়।

আরো পড়ুন
প্রেস সচিবের বক্তব্যকে ‘ক্ষতিকর’ বলছে ভারতীয় মিডিয়া

প্রেস সচিবের বক্তব্যকে ‘ক্ষতিকর’ বলছে ভারতীয় মিডিয়া

 

এদিকে ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রামপাল-পেড়িখালী খেয়াঘাটে ফেরির পন্টুন ও গ্যাংওয়ে পড়ে ছিল অনেক দিন। মোংলার একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি সিন্ডিকেট ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ফেরির পন্টুন ও গাংওয়ে কেটে নিয়ে যায়।

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী আ. মতিন বলেন, বিআইডব্লিউটিএ সাধারণত নদীর বিষয়টি নিয়ে কাজ করে। আর জাহাজ চলাচলের বিষয়টি নিয়ে বিআইডব্লিউটিসি কাজ করে।

ফেরির বিষয়টি বিআইডব্লিউটিসি ভালো বলতে পারবে। অবশ্য বিআইডব্লিউটিসির কার্যালয় না থাকায় এ বিষয় নিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তত্ত্বাবধানে থাকা রামপাল এলজিইডি বিভাগের একটি সূত্র জানায়, এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসিকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।
 

মন্তব্য
লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনা

ঘুম ভাঙলেই মা-বাবাকে খুঁজছে ছোট্ট আরাধ্য

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ঘুম ভাঙলেই মা-বাবাকে খুঁজছে ছোট্ট আরাধ্য
সংগৃহীত ছবি

চোখ খুলেই চারপাশে মা-বাবাকে খুঁজে ফিরছে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাস ও মাইক্রোবাসের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ছয় বছর বয়সী শিশু আরাধ্য বিশ্বাস। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতির দিকে। ঘুম ভাঙলেই চিকিৎসক থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন সবার কাছে জানতে চাইছে, মা-বাবা কোথায়। তবে কেউই ছোট্ট শিশুটির কথার উত্তর দিতে পারছে না।

 

আরাধ্য এখন ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সবকিছু ঠিক থাকলে আজ রবিবার তার পায়ে অস্ত্রোপচার হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে আরাধ্যকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

স্কয়ার হাসপাতালে আরাধ্যর সঙ্গে থাকা তার আত্মীয় অসিত কুমার বাড়ৈ মোবাইল ফোনে শনিবার জানান, তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে।

সবকিছু ঠিক থাকলে রবিবার পায়ে অস্ত্রোপচার করবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আপাতত তাকে মুখে খাবার দেওয়া যাচ্ছে না। বাইরের কারো সঙ্গে দেখাও করতে দেওয়া হচ্ছে না। তপতী বিশ্বাস নামে তার এক মামাতো বোন দেখাশোনা করছেন।

অসিত বাড়ৈ বলেন, ‘ঘুম থেকে উঠলেই মা-বাবা কোথায়, জানতে চাইছে সে। তখন তপতীকে কাছে পাঠিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছি। তবে এভাবে কতদিন পারব জানি না। সবাই আরাধ্যর জন্য আশীর্বাদ করবেন, যাতে সে নতুন জীবন পায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আরাধ্য সুস্থ হতে সময় লাগবে।

ভালোভাবে হাঁটতে না পারা পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে থাকতে হবে।’

গত বুধবার লোহাগাড়ার ওই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান আরাধ্যর বাবা দিলীপ বিশ্বাস ও মা সাধনা মণ্ডল। দুর্ঘটনায় প্রাণে বাঁচলেও আরাধ্যর দুই পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। আঘাত পেয়েছে মাথা, হাত, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে। রক্ত জমাট বেঁধেছে নানা অংশে। ঘটনার পর প্রথমে তাকে চমেক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে ও পরে অর্থোপেডিক বিভাগে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার তাকে স্থানান্তর করা হয় আইসিইউতে। শুক্রবার দুপুরে তাকে নেওয়া হয় ঢাকায়।

আরাধ্যর বাবা দিলীপ বিশ্বাসের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ছিলেন। মা-বাবার মৃত্যুর কারণে এতিম হয়ে গেল আরাধ্য। এ পর্যন্ত এই সড়ক দুর্ঘটনায় আরাধ্যর মা-বাবাসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মা-বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে সনাতনী স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন আরাধ্যর পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। চমেক হাসপাতালের মতো স্কয়ার হাসপাতালেও ফাউন্ডেশনের সদস্যরা আরাধ্যর চিকিৎসা ও সেবাযত্নে পাশে রয়েছেন।

এদিকে, একই দুর্ঘটনায় আহত দুর্জয় কুমার মণ্ডল চট্টগ্রাম ম্যাডিকেলে চিকিৎসাধীন। তিনি সম্পর্কে আরাধ্যর মামা। দুর্ঘটনায় তিনি হাত-পায়ে আঘাত পেয়েছেন।  

মন্তব্য

বনে ফিরল খাঁচায় বন্দি মেছো বিড়াল

নেত্রকোনা ও দুর্গাপুর প্রতিনিধি
নেত্রকোনা ও দুর্গাপুর প্রতিনিধি
শেয়ার
বনে ফিরল খাঁচায় বন্দি মেছো বিড়াল

নেত্রকোনায় হাঁসের খামারে ফাঁদে ধরা পড়া খাঁচায় বন্দি মেছো বিড়াল বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে দুর্গাপুর উপজেলার পাহাড়ি সীমান্ত নদী সোমেশ্বরীর পাড় ঘেঁষা বনে বিরল প্রাণীটিকে অবমুক্ত করে বন বিভাগ।

এর আগে গতকাল (৪ এপ্রিল) শুক্রবার কলমাকান্দা উপজেলার পাঁচুড়া গ্রামের শেখ জামালের হাঁসের খামার থেকে মেছো বিড়ালটি আটকা পরে। মেছো বিড়ালটির উচ্চতা প্রায় দুই ফুট এবং লম্বায় তিন ফুট।

 

জানা গেছে, পাচুড়া গ্রামের শেখ জামালের খামারে শেয়ালের উপদ্রব বাড়ায় একটি লোহার খাঁচার ফাঁদ তৈরি করেন। এই ফাঁদে রাতে একটি হাঁস রেখে ফাঁদের মুখ খুলে রাখতেন খামারির মালিক। শুক্রবার সকালে ফাঁদে কিছু একটা আটকা পড়েছে শব্দ শুনে দেখতে গেলে মেছো বিড়ালিটি দেখতে পায় খামারে লোকজন। এর আগেও এই ফাঁদে আরো দুটি শেয়াল ধরা পড়ে।

 

এদিকে মেছো বিড়াল ধরা পড়ার খবরে স্থানীয়রা সেটি দেখতে খামারে ভিড় করেন। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে। বিষয়টি নজরে আসলে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং-এর সদস্যরা উধ্বর্তন বন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে দুর্গাপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মজনু প্রাং, ফরেস্টার রহিম উদ্দিন, এফজি মিশু দে, মালী মো. তুহিন উদ্দিন, বাগান মালী মো. তাজুল ইসলাম প্রাণীটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বনে অবমুক্ত করেন।

এ ব্যাপারে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক জানান, আমরা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্য এনিমেলস অফ সুসং-এর সদস্যদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে খামারির সঙ্গে কথা বলেছি। পরবর্তীতে আমাদের বন বিভাগের সদস্যদের মাধ্যমে প্রাণীটিকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুনরায় বনে প্রাণীটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মেছো বিড়াল একটি বিরল প্রজাতির প্রাণী। এসব প্রাণী সাধারণত বড় জলাশয়, পুকুর ও হাওর অঞ্চলে বসবাস করে। এদের মূল খাবারই হলো মাছ।

তবে বিভিন্ন সময় খাদ্যের সন্ধানে এরা লোকালয়ে চলে আসে এবং হাঁস-মুরগির খামারে ঢুকে পড়ে। এরা সাধারণত ইঁদুর, বিষধর সাপসহ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক প্রাণী খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। তবে এই প্রাণীর শরীরে কালো ছোপ ছোপ চিহ্ন থাকায় অনেক সময় মানুষ এটিকে চিতা বাঘ বা বাঘ বলে ভুল করে হত্যা করে। দেশের প্রথমবারের মতো এ বছর থেকেই পহেলা ফেব্রুয়ারি বিশ্ব মেছো বিড়াল দিবসও পালিত হয়েছে। প্রাণীটি একেবারেই নিরীহ প্রজাতির একটি প্রাণী। আমরা সচেতনতার মাধ্যমে সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি প্রাণীটির রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য। 

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ