ওসি আব্দুল মতিনকে গ্রেপ্তারের দাবি

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
শেয়ার
ওসি আব্দুল মতিনকে গ্রেপ্তারের দাবি
সংগৃহীত ছবি

নাটোরের গুরুদাসপুর থানার সাবেক ওসি আব্দুল মতিনের চাকরিচ্যুতি ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ফিরোজ আহমেদকে আটটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার নাজিরপুর বাজারে বিএনপি নেতা ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়। এর আগে নাজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ফিরোজ আহমেদ।

এরপর নাজিরপুর বাজারে ওসির চাকরিচ্যুতি ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ করেন তারা। 

এ সময় ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ওসি ও আইয়ুব চেয়ারম্যানের গ্রেপ্তার দাবি করেন। মানববন্ধনে বিএনপি নেতা ফিরোজ আহমেদ, ফেরদৌস আলী, মাজেম আলী ও সাবেক ইউপি সদস্য মোছাব্বের হোসেন দাবি করেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ফিরোজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যসহ অসংখ্য নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। 

ফিরোজ আহমেদের নামে ৮টি মামলা হলেও আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।

ওসি মতিন মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলে ফিরোজের পরিবারের কাছ থেকে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিলেও মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। এসব ঘটনায় পুলিশের আইজিসহ বিভিন্ন দপ্তরে ওসি মতিনের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন তারা।

ওসি মতিন বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশ পঞ্চগড় জোনে কর্মরত আছেন। তার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব আলীও ফোনে সাড়া না দেওয়ায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

কুড়িগ্রাম

হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির অবসান না হলে আন্দোলনের হুমকি এনসিপি নেতার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
শেয়ার
হাসপাতালের অনিয়ম-দুর্নীতির অবসান না হলে আন্দোলনের হুমকি এনসিপি নেতার
ছবি: কালের কণ্ঠ

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের নানা দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম আগামী একমাসের মধ্যে অবসান না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ। আজ রবিবার (৬ এপ্রিল) হাসপাতালটি ঘুরে দেখে গণমাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, হাসপাতালের নিম্নমানের সেবা, ডায়েট ও চিকিৎসা নিয়ে বারবার বলার পরেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। চিকিৎসক সংকটের অজুহাতে সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে কিন্তু সমাধান মিলছে না।

পদে পদে নানা দুর্নীতি ও হয়রানির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এসবের বিরুদ্ধে এনসিপি প্রতিবাদ অব্যাহত রাখবে।

তিনি বলেন, হাসপাতালে দালালরা যাতে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনে ছাত্রদের সেবক দল গঠন করে দালালমুক্ত করা হবে। চিকিৎসক সংকটসহ ওষুধ ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য সমস্যা নিয়ে খুব দ্রুততম সময়ে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করে সমাধান করার চেষ্টা করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জেলা সংগঠক মুকুল মিয়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ নাহিদসহ অন্যান্যরা।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

কেন্দুয়া-মদন সড়কের বেহাল দশা, অল্প বৃষ্টিতেই যাত্রীদের দুর্ভোগ

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
শেয়ার
কেন্দুয়া-মদন সড়কের বেহাল দশা, অল্প বৃষ্টিতেই যাত্রীদের দুর্ভোগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া-মদন পাকা সড়কের ভগ্নদশায় ঈদ পরবর্তী সময়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মস্থলে ফেরত যাত্রীরা। প্রায় ছয় কিলোমিটারজুড়ে অসংখ্য গর্তে পানি জমে যান চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কেন্দুয়া পৌরসভার সাউদপাড়া মোড় থেকে মদন উপজেলা সীমানা পর্যন্ত সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এসব গর্ত পানি জমে রাস্তা অচল হয়ে পড়ে।

গত কয়েকদিন ধরে এই সড়ক দিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী যানবাহনসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

ঢাকার গার্মেন্টস কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের পর কর্মস্থলে ফিরতে গিয়ে সাউদপাড়া মোড়ে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে ছিলাম। রাস্তার গর্তে পানি জমে সবকিছু অচল হয়ে গিয়েছিল।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু সাদেক তালুকদার জানান, গত দেড় বছর ধরে এই সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ।

প্রায়ই গাড়ি উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। গত বুধবারও একটি গাড়ি উল্টে গিয়েছিল।

ইজিবাইক চালক নজরুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি হলে রাস্তায় গাড়ি চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো গাড়ি গর্তে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কেন্দুয়া উপজেলা প্রকৌশলী আল আমিন সরকার স্বীকার করেছেন সড়কটির খারাপ অবস্থার কথা। তিনি জানান, ফান্ডিং স্বল্পতার কারণে দ্রুত সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সড়ক মেরামতের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছি।

উল্লেখ্য, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করে। ধান মৌসুমে এপথ দিয়ে হাওরাঞ্চলের ধানও দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত সড়কটি মেরামতের দাবি জানিয়েছেন।

মন্তব্য

চট্টগ্রামে জোড়া খুন : শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদসহ দুজন ৪ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
শেয়ার
চট্টগ্রামে জোড়া খুন : শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদসহ দুজন ৪ দিনের রিমান্ডে
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোড চন্দনপুরা অংশে প্রাইভেটকারকে ধাওয়া করে জোড়া খুনের ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ (ছোট সাজ্জাদ) গ্রেপ্তার হয়েছেন। একই সঙ্গে জোড়া খুনের ঘটনায় সাজ্জাদসহ গ্রেপ্তার ২ আসামির ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ রবিবার (৬ এপ্রিল) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ারের আদালত এই আদেশ দিয়েছেন। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- মো. বেলাল ও মানিক।

আরো পড়ুন
শেঙেন ভিসার জন্য অর্থ নেওয়ার অভিযোগে আটক ২ বাংলাদেশি

শেঙেন ভিসার জন্য অর্থ নেওয়ার অভিযোগে আটক ২ বাংলাদেশি

 

চট্টগ্রাম বাকলিয়া থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বাকলিয়া থানায় জোড়া খুনের মামলায় কারবান্দি সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয় আদালতে। আদালত তা মঞ্জুর করেছেন। একইসঙ্গে জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. বেলাল ও মানির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে দুজনের প্রত্যেকের ৪ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

’ 

গত ৩০ মার্চ ভোরে বাকলিয়া এক্সেসেস রোডের চন্দনপুরা অংশে প্রাইভটকারে গুলি করে বখতিয়ার হোসেন মানিক ও মো. আবদুল্লাহ নামে দুজনকে খুন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ তার স্ত্রীসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও আজ্ঞাতনামা ৬ জনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় একটি মামলা করেন মানিকের মা ফিরোজা বেগম।

আরো পড়ুন
হকি স্টিক ও কাঠের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে সাংবাদিকের দুই হাত ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

হকি স্টিক ও কাঠের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে সাংবাদিকের দুই হাত ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

 

মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, সাজ্জাদ ও তার স্ত্রীর পরিকল্পনায় দুজনকে খুন করা হয়। এরপর ৩ এপ্রিল ভোরে বেলালকে নগরের বহদ্দারহাট এলাকা থেকে এবং মানিককে ফটিকছড়ি উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বেলালকে সিসিটিভি ফুটেজে গুলি চালাতে দেখা গেছে।

মন্তব্য

নতজানু ও দলকানা সাংবাদিকতা ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটায় : কাদের গনি চৌধুরী

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
শেয়ার
নতজানু ও দলকানা সাংবাদিকতা ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটায় : কাদের গনি চৌধুরী
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, ‘নতজানু ও দলকানা সাংবাদিকদের কারণে দেশ পিছিয়ে গেছে, উত্থান ঘটেছে ফ্যাসিবাদের। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ আজ সুদূরপরাহত। ফলে সাংবাদিকতার আত্মিক মৃত্যু ঘটেছে। পতিত হাসিনার লালিত মিডিয়ার কারণে দেশের মানুষ সঠিক ও নির্ভুল সংবাদ থেকে বহুদূর পিছিয়েছে।

’ 

রবিবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজার প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার আয়োজিত জরুরি মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ‘এখন সময় এসেছে বাস্তবতা ও সত্যের লালন এবং ফ্যাসিবাদের আগ্রাসন রুখতে। এ ব্যাপারে সবার সম্মিলিত প্রয়াস ও সাংবাদিকদের দৃঢ় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।’

সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সিনিয়র সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক মো. কামাল হোসেন আজাদের সভাপতিত্বে ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাফরের সঞ্চালনায় জরুরি সভায় বক্তব্যে দেন সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাবেক সহসভাপতি এম আর মাহবুব, সিনিয়র সদস্য আবু ছিদ্দিক ওসমানী প্রমুখ।

 

এতে সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সাবেক সভাপতি ও কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি, সিনিয়র সদস্য এস এম আমিনুল হক চৌধুরী, আতাহার ইকবাল, শামসুল হক শারেক ইবনে আমিনসহ সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ