মানুষ ভোট দিতে না পারার কারণেই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল : নাছির

নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালী প্রতিনিধি
শেয়ার
মানুষ ভোট দিতে না পারার কারণেই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল : নাছির
ছবি: কালের কণ্ঠ

মানুষ ভোট দিতে না পারার কারণেই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। ২০১৪, ১৮ ও ২৪-এর নির্বাচনে মানুষ যদি ভোট দিতে পারতো, তাহলে ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান ঘটতো না। সুতরাং গণ-অভ্যুত্থান তৈরি হয়েছে ২০১৪, ১৮ ও ২৪-এ মানুষ সংক্ষুব্ধ ছিল, তরুণরা জীবন দিয়ে গণ-অভ্যুত্থান সফল করে।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকালে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ মাঠে আলোকিত নাগরিক সমাজের আয়োজনে আলোকিত প্রজন্ম অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেছেন, ঐক্যের বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি, ঐক্য যেন না থাকে সেই জন্যই ঐক্য বিনষ্টের বক্তব্যগুলো দেওয়া হচ্ছে এবং বাংলাদেশে যে একটি সাধারণ নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনের জন্য সাধারণ মানুষ অপেক্ষা করছে, কখন সাধারণ নির্বাচন হবে। সেই সাধারণ নির্বাচনকে বিলম্ব করতে নানা বক্তব্য, প্রভাকাণ্ড, বিভাজনের রাজনীতি চলছে, যেগুলো অতীতে আওয়ামী লীগ করেছে, আমরা এরকম রাজনীতি চাই না।

তিনি আরো বলেন, নতুন যে রাজনৈতিক দল গঠন হয়েছে তাদের চাপে প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বর থেকে নির্বাচনকে জুনের মধ্যে নিয়ে গিয়ে বিলম্বিত করছে। এর মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন এবং জনগণকে দেওয়া ওয়াদা থেকে সরে এসেছেন।

আলোকিত নাগরিক সমাজের সভাপতি মিজান বিন মজিদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-  নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, জেলা কমিটির সদস্য সচিব হারুনর রশীদ আজাদ, চর জব্বর ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জামসেদ উদ্দিন কিসলু, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কিরন, সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্যা প্রমুখ।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক

তিন দিনেই ঝরেছে ১৬ প্রাণ, দুর্ঘটনাস্থলে বসলো গতিরোধক

কাউছার আলম (পটিয়া) চট্টগ্রাম)
কাউছার আলম (পটিয়া) চট্টগ্রাম)
শেয়ার
তিন দিনেই ঝরেছে ১৬ প্রাণ, দুর্ঘটনাস্থলে বসলো গতিরোধক
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১৬ জনের। এ ছাড়াও  আহত হয়েছেন প্রায় ৩৫ জন। এসব দুর্ঘটনার পর টনক নড়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ)। দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে বসানো হয়েছে র‍্যাম্বল স্পিড।

 

পাশাপাশি সড়কের পাশে বসানো খুঁটিতে উড়ছে লাল নিশানাও। রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাটির সড়কের উভয় পাশে ৩-৪ ফিট রাস্তা প্রশস্তকরনের কাজও চলছে। গত বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে ওই এলাকায় একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ ১১ জন নিহত হওয়ার ঘটনার পরেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সওজ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী ও দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, এই র‍্যাম্বল স্পিড স্থাপনের ফলে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রিত হবে এবং দুর্ঘটনার হার হ্রাস পাবে।

এদিকে, চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দূরে লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্ঘটনাপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত। চুনতি অভয়ারণ্যের কাছের এই অংশে প্রায় তিন কিলোমিটার জুড়ে সড়কটি পাহাড়ি ঢালু ও এতে বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক বাঁকও রয়েছে। ফলে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। 

আরাকান সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মুসা বলেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য সড়ক প্রশস্তকরণসহ বাঁক অপসারণ এবং ডিভাইডার নির্মাণ এখন সময়ের দাবি।

দ্রুতই এসব বাস্তবায়ন করত হবে। 

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইনামুল হাছান বলেন, গত ২ এপ্রিল মহাসড়কে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে  উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক ঘটনাস্থল  পরিদর্শনে এসে মহাসড়কের এ অংশের বাঁক অপসারণের বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগের এই র‍্যাম্বল স্পিড স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দুর্ঘটনা কমানোর এই চেষ্টাকে অনেকে স্বাগত জানালেও, নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মহাসড়কের এই অংশটি অত্যন্ত নির্জন হওয়ায় ভিন্ন আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, মহাসড়কের এ অংশে গতিরোধ স্থাপনের ফলে আরো বেশী দুর্ঘটনা বাড়বে এবং চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিবে।  কারণ এলাকাটি নির্জন । এই এলাকায় র‍্যাম্বল স্পিডের কারণে গাড়ির গতি কমে যাওয়ার ফলে ডাকাতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটিকে অবিলম্বে চার লেনে উন্নীত করতে হবে। আপাতত নতুন স্থাপিত র‍্যাম্বল স্পিডগুলো দুর্ঘটনা কমাতে কতটুকু সহায়ক হবে এবং তা নতুন কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। প্রয়োজন হলে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হবে।

মন্তব্য

বুড়িচংয়ে মাদরাসাছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে

বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
শেয়ার
বুড়িচংয়ে মাদরাসাছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার বুড়িচং বাকশীমূল এলাকায় ফিসারিতে নিয়ে পানির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাইয়ে অর্ধচেতন করে মাদরাসার দাখিল পরীক্ষার্থী (১৬) এক তরুণীকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় মামলা করেছে ভুক্তভোগী তরুণী। আজ রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি আজিজুল হক। অভিযুক্ত রিয়াজুল হক হামিম (১৮) রেজাউল করিমের ছেলে।

আরো পড়ুন
রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল

 

ভুক্তভোগী তরুণী জানায়, ওই তরুণীর সঙ্গে হামিমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৭ মার্চ (মঙ্গলবার) রাত ৯টার দিকে হামিম তার বন্ধু রাব্বিকে নিয়ে তার বাড়ির পাশে গিয়ে দেখা করে। কথা বলার একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক পাশের এক ফিসারিতে নিয়ে যায় তারা। সেখানে তার পানির তৃষ্ণা পেলে তাকে পানির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাইয়ে অর্ধচেতন করে রাতভর ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের পর তাকে ফেলে হামিম পালিয়ে যায়। 

ভুক্তভোগীর বাবা-মা জানান, তারা নামাজ পড়ে মেয়ের রুমে গিয়ে দেখেন সে নেই। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে ভোরে তাকে রাস্তায় পাওয়া যায়। পরে মেয়ের কাছ বিস্তারিত শুনে প্রেমিক হামিমের বাড়িতে বিচার দিলে তার বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।

এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী বুড়িচং থানায় অভিযোগ করলে তাকে হত্যাসহ নানা ধরনের হুমকি দেওয়া দেয় হামিমের পরিবার। তাকে হামিম বিয়ে না করায় ইতিমধ্যে কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে সে।

আরো পড়ুন
মাতাল হয়ে থানায় ঢুকে অসদাচরণ, ২ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

মাতাল হয়ে থানায় ঢুকে অসদাচরণ, ২ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

 

বুড়িচং থানার ওসি আজিজুল হক কালের কণ্ঠকে জানান, ধর্ষণের অভিযোগটি তদন্ত করে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। অভিযুক্ত তরুণকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্তব্য

কক্সবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে জামায়াত নেতাসহ নিহত ৩

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার
শেয়ার
কক্সবাজারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে জামায়াত নেতাসহ নিহত ৩
নিহত জামায়াত আমির আবদুল্লাহ আল মামুন (বায়ে) ও তার চাচাতো ভাই আবদুল মান্নান।

কক্সবাজারের উখিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড আমিরসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো চারজন। রবিবার সকাল ১০টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পশ্চিম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

উখিয়া থানার ওসি আরিফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের দুটি টিম পাঠানো হয়েছে।

নিহতরা হলেন— রাজা পালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড শাখার জামায়াতে ইসলামীর আমির ও কুতুপালং বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল্লাহ আল মামুন (৪৫), তার চাচাতো ভাই আবদুল মান্নান ও বোন শাহীনা বেগম (৩৮)।

আরো পড়ুন
বিএনপি নেতার নামে জামায়াত নেতার কাছে চাঁদা দাবি, অডিও ভাইরাল

বিএনপি নেতার নামে জামায়াত নেতার কাছে চাঁদা দাবি, অডিও ভাইরাল

 

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য (ইউপি সদস্য) হেলাল উদ্দিন বলেন, মাত্র ১৪ কড়া ভিটি জমি নিয়ে মসজিদের খতিব ও জামায়াত নেতা মাওলানা আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই আবদুল মান্নানের বিরোধ চলছিল। রবিবার সকালে মাওলানা মামুন জমিতে কাজ করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন ছুরি ও ধারালো দা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় গুরুতর অবস্থায় আবদুল্লাহ আল মামুনকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ছাড়া তার চাচাতো ভাই আবদুল মান্নান ও তার বোন শাহীনাকে গুরুতর অবস্থায় পার্শ্ববর্তী কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। 

তিনি আরো জানান, সংঘর্ষে আহত চারজনের মধ্যে দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

মন্তব্য

মাতাল হয়ে থানায় ঢুকে অসদাচরণ, ২ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

সিংগাইর, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
সিংগাইর, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
শেয়ার
মাতাল হয়ে থানায় ঢুকে অসদাচরণ, ২ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মামলার আসামি ছাড়াতে মদ্যপ অবস্থায় থানায় যান দুই যুবদল নেতা। থানায় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে সিংগাইর থানার ভেতর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আজ রবিবার সকালে তাদের দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুন
একই গাছে ঝুলছিল মা-ছেলের লাশ, উদ্ধার করল পুলিশ

একই গাছে ঝুলছিল মা-ছেলের লাশ, উদ্ধার করল পুলিশ

 

গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবদল নেতা হলেন- সিংগাইর পৌর যুবদলের সদস্যসচিব মো. শফিকুল ইসলাম সরকার জীবন (৪৫) ও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সফিকুল ইসলাম (২৫)। জীবন সরকার এবং শফিকুল ইসলাম দুজনই সিংগাইর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দল গ্রামের বাসিন্দা।

সিংগাইর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পার্থ শেখর ঘোষ জানান, ‘উপজেলার গোবিন্দল গ্রামে একটি মারামারির মামলায় আরিফ নামে এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। খবর পেয়ে রাত সোয়া ১০টার দিকে মদ্যপ অবস্থায় পৌর যুবদলের সদস্যসচিব মো. শফিকুল ইসলাম সরকার জীবন ও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ সাত-আটজন লোক থানায় এসে আরিফকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেন।

 

ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানালে শফিকুল ইসলাম সরকার জীবন ও শফিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ ও গালিগালাজ করেন। এ সময় এক পুলিশ সদস্যকে হত্যার হুমকিও দেন তারা।’

তিনি আরো জানান, ‘মদ্যপ অবস্থায় থাকার কারণে রাতেই সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে তাদের ওয়াশ ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।’

সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজম বলেন, ‘মদ্যপ অবস্থায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই যুবদল নেতাসহ কয়েকজন থানায় এসে একটি মামলার এজাহারভুক্ত গ্রেপ্তারকৃত এক আসামিকে ছেড়ে দিতে বলেন।

এ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ ও গালিগালাজ করেন তারা। এ ঘটনায় রাতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়। তাদের রবিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

এ ব্যাপারে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। এ ঘটনা তদন্ত করা হবে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে যুবদলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ