ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

সংগীতশিল্পীর বাড়িতে আগুন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
সংগীতশিল্পীর বাড়িতে আগুন

তরুণ সংগীতশিল্পী পিজিত মহাজনের গ্রামের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে। গত ১০ জুন মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়ে এর বিচার চেয়েছেন পিজিত।

তার গ্রামের বাড়িটি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজানগর রানীরহাট পুলিশ ক্যাম্পের কাছেই হিন্দুপাড়ায় অবস্থিত। পূর্বশত্রুতার জেরে এক প্রতিবেশী এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা পিজিতের।

পিজিত জানান, তিনি ইতিমধ্যে থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশ এসে তার পুড়ে যাওয়া বাড়ির ধ্বংসাবশেষ দেখে গেছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তেমন কোনো কিনারা করতে পারেনি পুলিশ।

প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে পিজিত মহাজন বলেন, আমার সব কিছু শেষ, কিছুই অবশিষ্ট নেই আর।

আমার বাবা সারা জীবন মানুষের সেবা করেছেন। কারো কোনো ক্ষতি করেননি। আমার মা ছিলেন ধার্মিক মানুষ। সারাক্ষণ সংসার আর ধর্ম নিয়েই থাকতেন।
মানুষকে সহযোগিতা করতেন। অথচ আজ তাদেরই রেখে যাওয়া একমাত্র স্মৃতি আমাদের বাড়িটা পুড়িয়ে দিল!

পিজিত বলেন, আমি নিজেও গান গেয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। ক্যান্সার রোগীদের সহায়তায় গান করেছি, পুলিশ, সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য গান করেছি। আজ আমার এই বিপদে কে পাশে দাঁড়াবে?

জানা গেছে, স্থানীয় মুসলিমদের সহায়তায় পিজিতের বাড়ির মন্দিরটি রক্ষা পেয়েছে। কিন্তু সব আসবাবপত্র আর ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এদিকে ঘটনার তদন্তের বিষয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মিলকি বলেছেন, পুলিশ আন্তরিকভাবে তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু স্থানীয়দের কেউই অপরাধীদের সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে চাচ্ছেন না। তার পরও চেষ্টা চলছে, যত দ্রুত সম্ভব আসামিদের খুঁজে বের করার।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

‘তোমাদের গল্প’ থেকে ‘বরবাদ’: প্রশংসা কুড়াচ্ছে সিদ্দিক আহমেদের চিত্রনাট্য

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
শেয়ার
‘তোমাদের গল্প’ থেকে ‘বরবাদ’: প্রশংসা কুড়াচ্ছে সিদ্দিক আহমেদের চিত্রনাট্য
সংগৃহীত ছবি

এবারের ঈদে ছোট পর্দার আলোচিত কনটেন্ট ইউটিউব ফিল্ম ‘তোমাদের গল্প’। ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে মোস্তফা কামাল রাজের এই নাটকটি। যৌথ পরিবারের মধ্যে বন্ধন অটুট থাকার গল্প নিয়ে দেড় ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের এই ফিল্মটি দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছে। 

আর এই আবেগাপ্লুত করার কারিগর সিদ্দিক আহমেদ।

তার রচনা ও চিত্রনাট্যে নির্মিত হয়েছে ‘তোমাদের গল্প’। তরুণ চিত্রনাট্যকার হিসাবের তার খ্যাতি আছে বেশ; গেল ঈদে একই পরিচালকের ‘ওমর’ সিনেমার চিত্রনাট্যও তারই করা।

‘তোমাদের গল্প’ প্রসঙ্গে সিদ্দিক আহমেদ বলেন, ‘রাজ ভাইয়ের সাথে আমার আপন ভাইয়ের মতো সম্পর্ক। আমি বানাই বা উনি, তাতে কোনো পার্থক্য দেখিনি।

তা ছাড়া এমন অস্থির সময়ে কাজটা হওয়া জরুরি ছিল বেশি। আমারা দুজনেই মানুষকে একটা সম্পর্কের আর স্বস্তির গল্প দেখাতে চাইছিলাম।’

এই চিত্রনাট্য করতে স্বাভাবিকের চেয়ে সময় বেশি লেগেছে তার। কাস্টিং হয়ে যাওয়ার বেশ পরে তিনি চিত্রনাট্য জমা দেন।

এমন চিত্রনাট্য করার কারণ জানতে চাইলে সিদ্দিক বলেন, ‘চারিদিকে খুবই অস্থির সময় যাচ্ছে। আমরা মানুষ হিসেবে মানুষের সাথে সম্পর্ক ভুলে যাচ্ছি। নিজেদের আপনজন ভুলে যাচ্ছি স্বার্থের জন্য। সেখানে দাঁড়িয়ে একটা সম্পর্কের গল্প খুব প্রয়োজনীয় বলে মনে হয়েছিল আমার। সেই চিন্তা থেকেই গল্পটার জন্ম।
তা ছাড়া আমরা ক্রমে গ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছি। সেই শিকড়ে ফেরার গল্প আর যৌথ পরিবারের গন্ধ ধরতে চেয়েছিলাম। সে কারণেই সম্ভবত মাথায় গল্পটা আসে।’

নির্মাণের পর দর্শকের অনুভূতি দেখে লেখক অবাক হয়েছেন। এই কৃতিত্ব তিনি দিতে চান পরিচালককে। তার ভাষায় মোস্তফা কামাল রাজ গল্পে বিশ্বাস করে না বানালে এই গল্প আলোর মুখ দেখত না। তা ছাড়া পরিচালক যোগ্য লোকেদের অভিনয়ে নিয়েছেন। আজকালকার কনটেন্টে তো দায়সারা কাস্টিং নেওয়া হয়। পরিচালকের পাশপাশি এই লেখক কৃতিত্ব দিতে চান মিউজিক ডিরেক্টরকে। লেখকের মতে, দর্শকের ইমোশন ধরতে মিউজিক খুব ভালো ভূমিকা রেখেছে। 

লেখকের সঙ্গে কথায় কথায় জানা গেল তিনি ঈদে আলোচিত ‘বরবাদ’ সিনেমার চিত্রনাট্যেও কাজ করেছেন। স্ক্রিনে নাম নেই কেন জানতে চাইলে তিনি সরল ভঙ্গিতে জানালেন, সম্ভবত পরিচালক আমাকে যোগ্য ভাবেননি। এরপর এ প্রসঙ্গে সিনেমাটির পরিচালক মেহেদি হাসান হৃদয় বলেন, ভারত থেকে ভুল ডিসিপি আসায় উনার (সিদ্দিক আহমেদ) নাম ভুল করে বাদ পড়েছে। আমরা পরবর্তীতে ওটিটি ও অনলাইনে চিত্রনাট্যকার হিসাবে উনার নাম যুক্ত করব।

চলতি বছরের ‘ফেউ’ ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য করেছেন তিনি, মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার চিত্রনাট্যের সিনেমা ‘রইদ’, যেটি পরিচালনা করেছেন ‘হাওয়া’ খ্যাত নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। এ ছাড়া ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’, ‘টান’ এবং ‘ওমর’ সিনেমার চিত্রনাট্য করেছেন তিনি। 

নতুন কাজ প্রসঙ্গে সিদ্দিকের ভাষ্য, ‘আমি মূলত লেখক, এখন বইয়ের কাজ করছি। চিত্রনাট্যেও করছি ওটিটি ও সিনেমার জন্য করছি। নিজে যেহেতু নির্মাণ একাধিক সিনেমা ও ওয়েব কনটেন্ট নিয়ে আলোচনা চলছে প্রযোজকদের সঙ্গে।’ 

চিত্রনাট্যকার সিদ্দিক আহমেদ নির্মাণেও মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। অমনিবাস চলচ্চিত্র ‘জাগো বাহে’র ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘শব্দের খোয়াব’ তার সৃষ্টি। পুরান ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডের গল্পে নির্মাণ করেছেন ক্রাইম থ্রিলার ধাঁচের ওয়েব সিরিজ ‘অগোচরা’।

মন্তব্য

দর্শক হাসিয়ে কোটি কোটি আয়, সবচেয়ে ধনী ‘কমেডিয়ান’ কে?

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
শেয়ার
দর্শক হাসিয়ে কোটি কোটি আয়, সবচেয়ে ধনী ‘কমেডিয়ান’ কে?
কপিল শর্মা, ব্রহ্মানন্দম ও জনি লিভার

উপমহাদেশে সিনেমাপ্রেমীদের বরাবরই বিনোদনের সর্বোচ্চটুকু নিংড়ে দিয়েছেন কৌতুকাভিনেতারা। পর্দায় তাদের উপস্থিতির জন্য মুখিয়ে থাকেন দর্শকরা। হাসি ঠাট্রায় মাতিয়ে রাখেন একটি সিনেমাকে। বিশেষ করে ভারতীয় সিনেমায় কমেডিয়ানজের ভূমিকা থাকে জোরালো।

ভারতীয় কমেডিয়ানগন দর্শকদের কাছে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। যে তালিকায় রয়েছে অসংখ্য নাম।

বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় কমেডিয়ানদের কথা উঠলেই আমাদের মাথায় ঝট করে ভেসে ওঠে জনি লিভার, বীর দাস, কপিল শর্মা, ভারতী সিং এবং জাকির খানের নাম। বছরের পর বছর ধরে কমেডি শিল্প শীর্ষস্থানীয় বিনোদন মাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম স্থান দখল করে রেখেছে।

‘দ্য কপিল শর্মা শো’র মতো জনপ্রিয় স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো-এর মাধ্যমে বহু কৌতুকশিল্পী নাম, যশ এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। তবে প্রশ্ন হলো, ভারতের সবচেয়ে ধনী কমেডিয়ান কে?

আরো পড়ুন
‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

 

ভারতীয় রিপোর্ট অনুসারে, তেলেগু সিনেমার পরিচিত মুখ ব্রহ্মানন্দম কান্নেগান্তি ভারতের সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক। ব্রহ্মানন্দম তার অসাধারণ কমিক টাইমিংয়ের জন্য বিখ্যাত। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, তিনিই ভারতের সবচেয়ে ধনী কৌতুকশিল্পী, যার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

 

নিউজ ২৪ বিড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রহ্মানন্দমের আনুমানিক মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৫০৫ কোটি টাকা (৬০ মিলিয়ন ডলার), যদিও পলিটিক্যাল ডটকম এবং সিয়াসাত ডটকমের রিপোর্ট অনুসারে এই পরিমাণ ৪৯০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্রহ্মানন্দমের মোট সম্পত্তির পরিমাণ কপিল শর্মা এবং জনি লিভারের মতো জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পীদের চেয়েও বেশি। ভারতের অন্যান্য কমেডিয়ানদের মধ্যে কেউই তাঁর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেননি। ২০১২ সালে অনেক জনপ্রিয় নায়কের চেয়েও বেশি পারিশ্রমিক পেতেন ব্রহ্মানন্দম। এ বছরই সবচেয়ে বেশি সিনেমায় পর্দায় উপস্থিতির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠে তার।

১ হাজারের বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

আরো পড়ুন
পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

 

দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কপিল শর্মা। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকা। কমেডি সার্কাস দিয়ে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা পাওয়া কপিল নিজের ‘কপিল শর্মা’ শো দিয়ে পৌঁছে যান খ্যাতির চূড়ায়। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। অর্থ ও তারকাখ্যাতি প্রতিনিয়ত তার কাছে ধরা দিয়েছে। বর্তমানে ভারতের অন্যতম প্রভাবশালী তারকা তিনি।

অন্যদিকে চার দশক ধরে দর্শকদের হাসিয়ে আসা অভিনেতা জনি লিভারের সম্পত্তির পরিমান ২৮০ কোটির মতো। বাকী কমেডিয়ানদের সম্পদের পরিমান এই তিন কমেডিয়ানের চেয়ে অনেকটাই কম। এ প্রজন্মের জনপ্রিয় কমেডিয়ান বীর দাসের সম্পদের পরিমান ৮২ কোটি টাকা। রাজপাল যাদবের রয়েছে ৮০ কোটি টাকার সম্পদ।

মন্তব্য

‘বরবাদ’-এর পরিচালক ও সিনেমাটোগ্রাফারের ‘ভুল-বোঝাবুঝি’

ইমরুল নূর
ইমরুল নূর
শেয়ার
‘বরবাদ’-এর পরিচালক ও সিনেমাটোগ্রাফারের ‘ভুল-বোঝাবুঝি’
শৈলেশ আওয়াস্থি ও মেহেদি হাসান হৃদয়

ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত শাকিব খানের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘বরবাদ’ দেশ জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। রাজধানী থেকে শুরু করে রাজধানীর বাইরেও সিনেমাটি দেখতে সিনেমাহলে উপচে পড়ছে দর্শক। 

এর মধ্যে রবিবার সকালে সিনেমাটির ভারতীয় সিনেমাটোগ্রাফার শৈলেশ আওয়াস্থি আপত্তি জানান। তার দাবি, ‘বরবাদ’ সিনেমার প্রকৃত সিনেমাটোগ্রাফার তিনিই।

শুধু তা-ই নয়, সিনেমাটির সৃজনশীল ও ভিজ্যুয়াল নির্মাণে তারই প্রধান ভূমিকা। অথচ চূড়ান্ত ক্রেডিট থেকে তাকে বাদ দিয়ে সিনেমাটোগ্রাফির স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের রাজু রাজকে।

তিনি আরো লিখেছিলেন, ‘আমি আমার শতভাগ এফোর্ট এবং সৃজনশীল সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বরবাদ সিনেমাটা তৈরি করেছিলাম। পুরো ছবিতেই আমার সৃজনশীল ভূমিকা ছিল।

কিন্তু যখন আমার কঠোর পরিশ্রমকে উপেক্ষা করা হয় এবং আমার আবেগ, প্রতিশ্রুতি দিয়ে যা তৈরি করেছি তার কৃতিত্ব যখন অন্য কেউ নেয়, তখন এটা খুবই হতাশাজনক।’

যদিও কিছুক্ষণ পর সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়। এরপর আরো একটি স্ট্যাটাস দেন শৈলেশ আওয়াস্থি, যেখানে তিনি জানান, সিনেমাটির পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং পুরোটাই ছিল তাদের দুজনের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি।

No photo description available.

এই বিষয়ে ‘বরবাদ’ পরিচালক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার সিনেমার প্রধান সিনেমাটোগ্রাফারই হচ্ছে শৈলেশ আওয়াস্থি।

যেহেতু আমরা সিনেমাটির বেশির ভাগ শুটিংই মুম্বাইতে করেছি সে অংশটুকুর ডিওপি তিনিই ছিলেন। এর বাইরে বাংলাদেশে জাস্ট অল্প একটু দৃশ্য ছিল যেটার ডিওপি ছিলেন রাজু রাজ। তবে ‘বরবাদ’-এর প্রধান ডিওপি শৈলেশ আওয়াস্থিই। যেহেতু সিনেমাটি মুক্তির আগে নানা ঝামেলা ছিল সেসময় তাড়াহুড়া করে সব কিছু করায় এবং ডিসিপি রিসিভ করার সময় ভুলবশত সেখানে তার নামটি মিস হয়ে যায়। সেটি আর তখন খেয়াল করা হয়নি।
এ ছাড়া একদম শুরু থেকেই ডিওপি হিসেবে সবখানে আমরা তার নাম মেনশন করে এসেছি। যেটা হয়েছে সেটা একদমই ভুলবশত।’ 

এই বিষয়ে জানতে শৈলেশ আওয়াস্থির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মুম্বাই থেকে মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে যে ইস্যু ছিল সেটির সমাধান হয়ে গেছে।’

মেহেদি হাসান হৃদয়ের ওপর কোনো অভিযোগ নেই জানিয়ে এই সিনেমাটগ্রাফার আরো বলেন, ‘হৃদয়ের ওপর আমার কোনো অভিযোগ নেই। যা হয়েছিল সেটা যোগাযোগের অভাব। হৃদয় আমার ছোট ভাই, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ফেডারেশনের কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে যা সে আমাকে বলেছে এবং সেটা আমি বুঝেছি। যেহেতু আপনাদের ফিল্ম ফেডারেশনের নিয়ম, তাই স্থানীয় সিনেমাটোগ্রাফারকে কৃতিত্ব দিতে হবে। আমার এতে কোনো আপত্তি নেই।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের রিয়েল এনার্জি প্রডাকশন এবং ভারতের রিধি সিধি এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে আজিম হারুন ও শাহরিন আক্তার সুমি প্রযোজনা করেছেন সিনেমা ‘বরবাদ’। সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, কলকাতার ইধিকা পাল, যিশু সেনগুপ্ত।

মন্তব্য

‘আমার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে’, ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ প্রসঙ্গে আইরিনের হুঁশিয়ারি

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক
শেয়ার
‘আমার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে’, ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ প্রসঙ্গে আইরিনের হুঁশিয়ারি
আইরিন

‘আলো আসবেই’ শব্দটি দেশের মানুষের কাছে বেশ পরিচিত। গত বছর জুলাই আন্দোলনের সময় এই নামে শিল্পীদের গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি হয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমাতে। আর সেখানে যুক্ত হয়েছিলেন শোবিজের একদল শিল্পী। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সমালোচিত হয়েছিলেন সেই গ্রুপের সদস্যরা।

সম্প্রতি এক ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সেই গ্রুপের সদস্য ছিলেন চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা। আর এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই খেপেছেন আইরিন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে, এমন অভিযোগ জানিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

আরো পড়ুন
‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

‘যতই দেই তাদের খুশি করা যায় না’, গৃহকর্মী প্রসঙ্গে পরীমনির পাশে দাঁড়ালেন ন্যান্সি

 

এ চিত্রনায়িকার দাবি, সেই রিপোর্টে তার নাম জড়ানো অনাবশ্যক ও বিভ্রান্তিকর।

তাকে ফ্যাসিষ্টের সঙ্গে জড়ানো হয়েছে। সামাজিকমাধ্যম এক পোস্টে তিনি বলেন, “অতি সম্প্রতি নাগরিক টিভি নামক ইউটিউব চ্যানেলে কে বা কারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি ভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। আমি নাকি বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের কুখ্যাত ‘আলো আসবেই’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। তাদের পক্ষে কাজ করেছি।
আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছিলেন।”

তিনি আরো বলেন, ‘আন্দোলনের সময় নানাভাবে আমি আন্দোলনের পক্ষেই সোচ্চার ছিলাম। সরকারের নির্বিচার গণহত্যার বিরুদ্ধে।’ 

আরো পড়ুন
পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

পরকীয়া বন্ধে যে আইন করতে চান অপু বিশ্বাস

 

কখনও কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন না জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেন, ‘আমি তো কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে কখনও সম্পৃক্ত নই। আগেও ছিলামও না।

অতএব যে বা যারাই আমাকে নিয়ে এমন ভ্রান্তিকর ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে। তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনত পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে আইরিন আরও বলেন, ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে আমার কোনো সম্পৃক্ততার সুস্পষ্ট প্রমাণ যদি উপস্থাপন করতে না পারে। তাহলে আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রকাশ্যে আমার কাছে নিস্বার্থ ক্ষমা চাইতে হবে। দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। যদি তারা ক্ষমা না চায় তাহলে ওই বেসরকারি টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেলসহ সংশ্লিষ্ট সবার নামে মানহানি মামলা দায়ের করব।

এ প্রজন্মের চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা। এরই মধ্য বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। মাঝে বেশ কয়েক বছর অভিনয়ে অনিয়মিত থাকার পর গত বছর নির্মাতা সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘দুনিয়া’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন করেন আইরিন। সর্বশেষ তিনি নির্মাতা ইভান মনোয়ারের ‘ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প—কফিগার্ল’ নামের একটি শর্টফিল্মে কাজ করেছেন। বর্তমানে চলছে সম্পাদনা। শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ