জিম্মিদের শনিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে ফের যুদ্ধের হুমকি নেতানিয়াহুর

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
জিম্মিদের শনিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে ফের যুদ্ধের হুমকি নেতানিয়াহুর
সংগৃহীত ছবি

জিম্মিদের শনিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে ফের যুদ্ধ শুরুর হুমকি দিলেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার চার ঘণ্টার বৈঠকের পর নেতানিয়াহু একটি ভিডিও বিবৃতিতে এ কথা বলেন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। 

এর আগে গত সোমবার একই কথা বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেছিলেন, শনিবারের মধ্যে হামাসের কাছে থাকা সব জিম্মির মুক্তি না দিলে সেদিনই যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়া উচিত।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের জিম্মিদের মুক্তি ‘অনির্দিষ্টকালের’ জন্য স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পর ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেছিলেন।

হামাসের এ সিদ্ধান্তকে ভয়ানক হিসাবে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে কী হবে তার সিদ্ধান্ত তিনি ইসরায়েলের হাতে ছেড়ে দিতে চান।  ট্রাম্প বলেন, যদি শনিবার ১২টার মধ্যে সব জিম্মিকে ফেরত না দেওয়া হয় তা হলে আমি বলব এটি (যুদ্ধবিরতি) বাতিল করুন।

 

ট্রাম্পের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে নেতানিয়াহু গাজার স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসকে সতর্ক করে বলেন, যদি ফিলিস্তিনি দল শনিবার দুপুরের মধ্যে আমাদের জিম্মিদের ফিরিয়ে না দেয়, তাহলে গাজায় যুদ্ধবিরতি বাতিল করা হবে এবং তীব্র লড়াই আবার শুরু হবে।

নেতানিয়াহু জানান, তিনি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আরো জিম্মিদের মুক্তি স্থগিত রাখা নিয়ে হামাসের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলি বাহিনীকে গাজার ভেতরে এবং আশেপাশে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আরো পড়ুন
গাজায় নিহত বেড়ে ৪৮,২১৯

গাজায় নিহত বেড়ে ৪৮,২১৯

 

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী অবশ্য স্পষ্ট করেননি, তিনি বাকি ৭৬ জন জিম্মির মুক্তি দাবি করছেন, নাকি এই শনিবার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল তাদের মুক্তি দাবি করেন। তবে একজন মন্ত্রী বলেছেন, তিনি সকলের কথা বলছেন।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে যা বললেন টিউলিপ সিদ্দিক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে যা বললেন টিউলিপ সিদ্দিক
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাজ্যের মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগের পর প্রথমবারের মতো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত টিউলিপ সিদ্দিক। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। 

স্কাই নিউজের সঙ্গে আলাপকালে টিউলিপ বলেন, বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে তার আইনজীবীরা প্রস্তুত।

আওয়ামী লীগের সাথে তার সংশ্লিষ্টতার জন্য তিনি অনুতপ্ত কিনা জানতে চাইলে টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, ‘আপনি আমার আইনি চিঠিটি কেন দেখেন না এবং দেখেন না যে আমার কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আছে কিনা; (বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষ) একবারও আমার সাথে যোগাযোগ করেনি এবং আমি তাদের কাছ থেকে শোনার জন্য অপেক্ষা করছি।

আরো পড়ুন
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

 

তিনি আরো বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে (দুর্নীতির) অভিযোগ আসছে এবং কিন্তু কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেনি।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্কাই নিউজকে বলেন, ব্রিটিশ এই এমপির বাংলাদেশে ‘বিপুল সম্পদ রয়েছে’ এবং তাকে জবাবদিহি করা উচিত। 

পরে টিউলিপ সিদ্দিকের পক্ষে কাজ করা আইনজীবীরা কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) চিঠি লেখেন এবং সেখানে অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা এবং বিরক্তিকর’ বলে আখ্যায়িত করেন।

ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, কোনো প্রশ্ন থাকলে দুদককে ‘২০২৫ সালের ২৫ মার্চের মধ্যে’ টিউলিপ সিদ্দিককে জিজ্ঞাসা করতে হবে, অন্যথায় ‘আমরা ধরে নেব যে, উত্তর দেওয়ার জন্য কোনো বৈধ প্রশ্নের অবকাশ নেই।

টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলো তার খালা শেখ হাসিনার সাথে তার সংশ্লিষ্টাতার ওপর কেন্দ্র করে সামনে এসেছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা প্রাণঘাতী বিক্ষোভের পর গত বছরের আগস্টে হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গ্রেপ্তার, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য নির্যাতনের অভিযোগ হাসিনার বিরুদ্ধে স্বৈরশাসক তকমা এনে দিয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
সংগৃহীত ছবি

ভারতে একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে একজন পাইলট নিহত হয়েছেন। বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে দেশটির বিমানবাহিনীর একটি জাগুয়ার যুদ্ধবিমান গুজরাটের জামনগর বিমানঘাঁটির কাছে বিধ্বস্ত হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এনডিটিভির।

পুলিশ জানিয়েছে, বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।

বিধ্বস্ত হওয়ার আগে একজন পাইলট বিমান থেকে নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। বিমানে থাকা দ্বিতীয় পাইলটকে গ্রামবাসীরা মৃত অবস্থায় পান। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এরপরই ঘটনাস্থলে ঘন ধোঁয়া দেখেছেন।

দুর্ঘটনার কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনা তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
কেন ঢালাওভাবে বিভিন্ন দেশের পণ্যে শুল্ক বসালেন ট্রাম্প?

কেন ঢালাওভাবে বিভিন্ন দেশের পণ্যে শুল্ক বসালেন ট্রাম্প?

 

এর আগে গত সোমবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতের গুজরাটে একটি খোলা মাঠে আছড়ে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে বেসরকারি প্রশিক্ষণ একাডেমির একটি ছোট বিমান। এ ঘটনায় এক নারী প্রশিক্ষণার্থী পাইলট আহত হন।

 

মন্তব্য

কেন ঢালাওভাবে বিভিন্ন দেশের পণ্যে শুল্ক বসালেন ট্রাম্প?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
কেন ঢালাওভাবে বিভিন্ন দেশের পণ্যে শুল্ক বসালেন ট্রাম্প?

বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই তালিকায় বাংলাদেশও আছে, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আগে যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে শুল্ক ছিল ১৫ শতাংশ।

এ ছাড়া বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রায় ১০০টি দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।

বিবিসির খবরে বলা হয়, মার্কিন অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের জন্য অন্যান্য দেশের ওপর ‘ন্যূনতম ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক’ ঘোষণা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা আগামী ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। এ ছাড়া, আগামী ৯ এপ্রিল থেকে আরো প্রায় ৬০টি দেশের ওপর উচ্চতর শুল্ক আরোপ শুরু হবে। এই দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করেছিল।

অন্যদিকে, আজ থেকেই বিদেশে প্রস্তুতকৃত অটোমোবাইলের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ শুরু হচ্ছে।

আর যুক্তরাজ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হলেও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত সব দেশের পণ্য আমদানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

ঢালাওভাবে বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের কারণস্বরূপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বাজেভাবে’ ব্যবহার করেছে এবং আমেরিকান পণ্যের ওপর অসম শুল্ক আরোপ করেছে।

এটিকে তিনি ‘প্রতারণার’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। অন্যান্য দেশ অসম শুল্ক আরোপ করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের ওপর এই পাল্টা শুল্ক আরোপ করছে।

তবে ট্রাম্প বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক অন্যদের আরোপিত শুল্কের ‘প্রায় অর্ধেক’। সুতরাং সেই হিসাবে পুরোপুরি পাল্টা শুল্ক হচ্ছে না। তবে হ্যাঁ, আমি তা করতে পারতাম। কিন্তু এটি করলে অনেক দেশের জন্য কঠিন হয়ে যেত। আমি তা করতে চাইনি।

তিনি তার বক্তব্যে বারবার উল্লেখ করেন যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘মুক্তির দিন’। এই দিনটির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিল বলেও জানান।

আরো পড়ুন
বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই, মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

বিমসটেক মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট কো-অপারেশন চুক্তি সই, মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

 

তিনি বলেন, আজকের দিনটি আমেরিকান শিল্পের ‘পুনর্জন্মের’ দিন এবং আজ আমেরিকা ‘পুনরায় সম্পদশালী’ হলো।

মন্তব্য

ট্রাম্পের শুল্কারোপকে ‘ভুল’ ও ‘অযৌক্তিক’ বললেন বিশ্ব নেতারা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ট্রাম্পের শুল্কারোপকে ‘ভুল’ ও ‘অযৌক্তিক’ বললেন বিশ্ব নেতারা
ছবিসূত্র : এএফপি

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর উচ্চ আমদানি কর ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘোষণায় ট্রাম্পের সমালোচনা করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজসহ বিশ্বনেতারা। 

মেলোনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর আরোপিত ২০ শতাংশ শুল্ক হারকে ‘ভুল’ বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে আলবানিজ বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি কর ‘অযৌক্তিক’।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত সব পণ্যে সর্বজনীন ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক দিতে হবে। ৯ এপ্রিল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও চীনসহ প্রায় ৬০টি দেশকে নতুন করে উচ্চ শুল্কের মুখোমুখি হতে হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, এই পদক্ষেপগুলো ‘আমেরিকাকে আবার ধনী করে তুলবে’। তিনি আরো বলেন, এসকল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ‘খুব সদয়’ ছিলেন।

আরো পড়ুন
যেসব দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

যেসব দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প

 

ট্রাম্পের মিত্র মেলোনি বলেছেন, ইইউর পণ্যে আরোপিত শুল্ক ‘কোনো পক্ষের জন্যই যথাযথ হবে না’। তবে তিনি ‘বাণিজ্য যুদ্ধ রোধে’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তির বিষয়ে কাজ করবেন বলে জানান। তার স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, স্পেন তার কম্পানি ও কর্মীদের সুরক্ষা দেবে এবং একটি উন্মুক্ত বিশ্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ডের তাওইসেইচ মাইকেল মার্টিন বলেছেন, ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’ এবং ‘এটি থেকে কেউ উপকৃত হবে না।

ট্রাম্প যেসব দেশকে ‘সবচেয়ে ভয়াবহ দুষ্কৃতকারী’ হিসেবে বিবেচনা করেন, চীন তাদের মধ্যে একটি। দেশটির পণ্যের ওপর ৫৪ শতাংশ কর হার যুক্ত করা হয়েছে। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অবিলম্বে শুল্ক বাতিল’ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা আরো জানিয়েছে, অন্যথায় চীন ‘নিজস্ব অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হান ডাক-সু বলেছেন, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য যুদ্ধ এখন ‘বাস্তবে রূপ নিচ্ছে’ এবং পূর্ব এশীয় দেশটিতে ২৫শতাংশ হারে শুল্ক আরোপের পর তার সরকার ‘বাণিজ্য সংকট কাটিয়ে ওঠার’ উপায় খুঁজবে।

জাপান বলেছে, তাদের পন্যে ২৪ শুল্ক আরোপ ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’। অন্যদিকে থাইল্যান্ড বলেছে, তারা তাদের ৩৬ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে আলোচনা করবে। ট্রাম্পের নতুন পদক্ষেপের ফলে ভিয়েতনাম এবং কম্বোডিয়াসহ অন্যান্য এশীয় অর্থনীতি দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের শুল্ক আরোপ চীনের মতো দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিক্রিয়ামূলক মার্কিন পদক্ষেপ। কারণ চীন মার্কিন পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে। এদিকে ট্রাম্পের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরেই মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট অন্যান্য দেশগুলোকে ‘প্রতিশোধমূলক’ পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, ‘কারণ যদি প্রতিশোধ নেওয়া হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।’

গতকাল বুধবার ট্রাম্প তার ঘোষণায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার কানাডা ও মেক্সিকোর নাম উল্লেখ করেননি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী নির্বাহী আদেশ বজায় থাকবে। যাতে ফেন্টানাইল এবং সীমান্ত সংকট সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দুটি দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল।

সেকল দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে সেসব দেশগুলোর নেতারাও ট্রাম্পের পদক্ষেপের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার আলবানিজ বলেছেন, আমেরিকানদের এ কারণে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হবে।

সূত্র : বিবিসি

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ