ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

৩ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করবে সিপিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
৩ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করবে সিপিবি

আগামী ৩ জানুয়ারি (শুক্রবার) ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘ঢাকা সমাবেশ’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। ওই দিন বেলা ২টায় সমাবেশ শুরু হবে। সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখবেন। সমাবেশ শেষে লাল পতাকার মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে।

সিপিবি কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, জুলাই-আগস্ট হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, আহতদের সুচিকিৎসা ও নিহত-আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, প্রয়োজনীয় সংস্কার করে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা, বাজার ব্যবস্থার সংস্কার, উৎপাদন খরচ ও নিত্যপণ্যের দাম কমানো, রেশন ও ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি বন্ধ, মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ, শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি মানুষের দাবি পূরণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, লুটপাট-সাম্প্রদায়িকতা-আধিপত্যবাদ-সাম্রাজ্যবাদ রুখে দাঁড়ানোর দাবিতে এবং নীতিনিষ্ঠ বাম প্রগতিশীল রাজনীতির পতাকাতলে সমবেত হয়ে আশু দাবি আদায়, স্বৈরাচারী ব্যবস্থার উচ্ছেদ ও ব্যবস্থা বদলের সংগ্রাম এগিয়ে নিতে সমাজতন্ত্রের সংগ্রাম জোরদার করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ঢাকা সমাবেশের প্রচারপত্র সারাদেশে পৌঁছেছে। পার্টির নেতাকর্মীরা গণসংযোগ করে দেশবাসীর কাছে সমাবেশের খবর ও সিপিবির বক্তব্য পৌঁছে দিচ্ছেন।

সিপিবির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আগামী ৩ জানুয়ারি ঢাকা সমাবেশ সফল করতে পার্টির নেতাকর্মী-সমর্থক ও সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

একইসঙ্গে সমাবেশ সফল করতে প্রশাসনসহ সচেতন দেশবাসীর প্রতি সব ধরনের সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেছেন তারা।
 

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা : ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি
কিশোরগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধি
শেয়ার
দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা : ফজলুর রহমান

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, ‘আমি একা এই দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি। আমি একা প্রথম এই কথা বলছি। ইলেকশন হবে, ভোট দেবে মানুষ। আমাকে ভোট দিলে আমি হবো এমপি।

বুধবার (২ এপ্রিল) রা‌তে কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার এলংজুরি বাজারসংলগ্ন মাঠে এলংজুরি ইউনিয়ন বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষে এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি যে বক্তব্য দিই, অনেকের পক্ষে-বিপক্ষে অনেক সময় হয়। কী বক্তব্য দিই? আমি কারো বিরুদ্ধে নয়, কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়। আমি মানুষের পক্ষে।

আর মানুষের পক্ষে বলি বলেই আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে। কারণ মা না থাকলে যেমন কোনো সন্তানের জন্ম হবে না, ঠিক তেমনি মুক্তিযুদ্ধ না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। সেই মুক্তিযুদ্ধের যখন কেউ বিরোধিতা করে, তখনই তো আমি দেখি লোকটা কে রে? ওই যে লোকটা ৭১ সালে ওর বাবা যে দালাল ছিল, দালালের ছেলে। ৭১ সালে যে রাজাকার ছিল, সে রাজাকারের ছেলে।
আলবদর ছিল, আল বদরের নাতি। তা না হলে তো ৭১ সালের বিরোধিতা করা উচিত নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘হাসিনা আর মুক্তিযুদ্ধ এক রকম না। হাসিনা কেউ না, আরইলের ডিম। মুক্তিযুদ্ধ হলো মহাসাগর।

হাসিনা গ্যাছে গ্যাছে। হাসিনা খারাপ করছে মুক্তিযুদ্ধের কথা বইলা। হাসিনার বিচার হওয়া উচিত। মানুষ হত্যা করার অপরাধে তার ফাঁসি হওয়া ‍উচিত। মুক্তিযুদ্ধের দোষটা কী?’

তিনি বলেন, ‘এই দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা। আমি একা প্রথম বলছি, এটার জন্য জামায়াতে ইসলামী আমাকে বলবে (গা‌লাগাল কর‌বে)। কিন্তু ইলেকশন দিতে হবে। কারণ দেশটা হলো জনগণের। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে ভোটের মাধ্যমে দেশটা কারা চালাবে। ইলেকশন হবে, ভোট দেবে মানুষ। আমাকে ভোট দিলে আমি হবো এমপি। আমার দলকে বেশি ভোট দিলে আমার দল হবে সরকার। অন্য দলকে দিলে তারা হবে। ভোটটা হলে দেশ হবে জনগণের। আমি মনে করি, ভোট হওয়া উচিত।’

ফজলুর রহমান আরো বলেন, ‘ভোট যদি হয় আমি এই দেশে আসব। ভোট হলে আমি এ দেশে আসবই। আমি ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামের ঘরের দরজায় টোকা দিয়ে বলব, হে ইটনা, অষ্টগ্রাম, মিঠামইনের মানুষ, আপনার জন্য তো আমার জীবনের যৌবন ত্যাগ করেছি। আমি তো আপনার পাহারাদার বস্তিওয়ালা, জাগো। দেখেন বৃদ্ধ বয়সে ফজলুর রহমান আপনাদের কাছে এসেছে, আপনারা তাকে চান কি না, সেই কথা বলে দেন।’

ফজলুর রহমান বলেন, ‘রাজনীতি মানুষের জীবনের জন্য। মানুষের জীবন ভালো কাজ করার জন্য। এই যে মানুষের জীবন, এই মানুষের জীবনের পক্ষে আমি আমার জীবনে ৬১ বছর দিনের পর দিন সংগ্রাম করেছি। আমার জীবনে কোনো টাকা হয়নি, পয়সা হয়নি, ব্যাংক ব্যালান্স হয়নি। আমি জীবনে কোনো দিন মানুষকে ঠকাইনি। আমি ফোর টুয়েন্টি না, বাটপারি না, চিটার না। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী। ভাটি এলাকাতে জন্মগ্রহণ করে আমার জীবন ধন্য হয়েছে।’

এলংজুরি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. হারিছ উদ্দিনের সভাপতিত্বে পথসভায় অন্যদের মধ্যে ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, সিনিয়র সহসভাপতি মো. মনির উদ্দিন প্রমুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন।

মন্তব্য

‘ঐক্যমতের ভিত্তিতে ড. ইউনূস ২ থেকে ৪ বছর সরকারে থাকতে পারেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
শেয়ার
‘ঐক্যমতের ভিত্তিতে ড. ইউনূস ২ থেকে ৪ বছর সরকারে থাকতে পারেন’
ছবি: কালের কণ্ঠ

সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে ড. ইউনূস ২ থেকে ৪ বছর সরকারে থাকতে পারেন বলে মন্তব্য করে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, ‘এতে বাংলাদেশের গত ৫ দশক ধরে যে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর হবার আকাংখা সেটা পূরণে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 

আরো পড়ুন
ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে গনঅভ্যুত্থানের সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো সরকার এতো জনসমর্থন নিয়ে কোনোদিন আবির্ভূত হয়নি। রাজনৈতিক দলের গণতন্ত্র, নির্বাচনী দাবী ও সংস্কারের বিষয়ে তরুণদের যে আকাঙ্খা সবগুলোই যৌক্তিক।

কারণ সংস্কার, নির্বাচন, বিচার এই পুরোটা মিলেই ৭১ এর লড়াই, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান। কিন্তু এই প্রত্যেকটা কাজ করতে হবে ঐক্যমতের ভিত্তিতে।’

আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো ১৫ বছর ধরে বার বার বলে আসছে আমরা ভোট চাই, নির্বাচন চাই, গণতন্ত্র চাই। কিন্তু তরুণদের আঙ্খাকাগুলো যদি পড়েন, দেয়ালে দেয়ালে লেখা আছে তাদের শ্লোগানগুলো।

তবে ওখানে কিন্তু কোথাও লেখা নেই অবিলম্বে নির্বাচন দেন। ওরা বলছে “বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর”, “আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ”, “বাংলাদেশ দুই চাই, ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তর বিলোপ চাই”, “বাংলাদেশে যেন নতুন কোনো ফেরাউনের জন্ম না হয়”। এই যে তরুণদের আঙ্খাকাগুলো, এই আঙ্খাকাগুলো কিন্তু সেপারেট। কিন্তু দুইটাই হলো মর্যাদার জায়গায় সমান।

সভায় বক্তব্য দেন- বরিশাল জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক প্রকৌশলী কল্লোল চৌধুরী, সদস্য সচিব প্রকৌশলী মো. রাব্বী, যুগ্ম-আহ্বায়ক এস এস আনিক, এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ সহ বরিশালের সাংবাদিকগণ। 

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন, জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন, জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
সংগৃহীত ছবি

সরকারি তত্ত্বাবধানে ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শন করায় নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

গতকাল বুধবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে সাধারণ মানুষের মাঝে ঈদ নিয়ে আলাদা ধরনের উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল না। কিন্তু এবারের ঈদ সবার মাঝেই যেন প্রকৃত ঈদ হয়ে ফিরে এসেছে। সরকারি উদ্যোগে সুলতানি আমলের মতো করে ঈদ উদযাপন আমাদের জীবনে আনন্দের নতুন মাত্রা তৈরি করেছে।

কিন্তু ঢাকায় ঈদ মিছিলে মূর্তিসদৃশ প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। 

বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি পবিত্র উৎসব এবং ইসলাম মূর্তি, প্রতিমা বা কোনো দৃশ্যমান অবয়বের মাধ্যমে ধর্মীয় আনন্দ প্রকাশের অনুমতি দেয় না। ইসলামের ইতিহাসে এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই, যেখানে রাসুল (সা.), সাহাবা বা পরবর্তী খলিফারা ঈদ উদযাপনে মূর্তি বা প্রতিমা বহন করেছেন।

আমরা সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই- ঈদ আমাদের ধর্মীয় আবেগের বিষয়।

একে সাংস্কৃতিক পরীক্ষাগারে পরিণত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইসলামী ঐতিহ্যের বাইরে গিয়ে প্রতিমা সংস্কৃতি অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টা ঈদকে ঘিরে সরকারি উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আনন্দ মিছিলকে জনগণের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পর্যালোচনা হচ্ছে : প্রেস সচিব

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার পর্যালোচনা হচ্ছে : প্রেসসচিব

 

ওই বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি ঈদ মিছিলে মূর্তিসদৃশ প্রতীক বহনের ঘটনা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও ঈদের পবিত্রতার পরিপন্থী। যারা ঈদ আয়োজনে অপ্রয়োজনীয় এই বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সহ-মুখপাত্রের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সহ-মুখপাত্রের মৃত্যু
ফাইল ছবি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মিরপুর মডেল থানার সহ-মুখপাত্র তানিফা আহমেদ নিহত হয়েছেন। বুধবার চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

বুধবার (২ এপ্রিল) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক শোক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মিরপুর মডেল থানার সহ-মুখপাত্র, আমাদের রাজপথের সহযোদ্ধা তানিফা আহমেদ চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

‘তানিফা ছিলেন সংগ্রামী, সাহসী এবং আদর্শবান একজন কর্মী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে তিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে গেছেন। তার অকালে চলে যাওয়া আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’

‘তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একজন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সহ-মুখপাত্র তানিফা আহমেদ।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ