ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট আসছে ঈদে

জিয়াদুল ইসলাম
জিয়াদুল ইসলাম
শেয়ার
৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট আসছে ঈদে

মহামারি করোনার সংক্রমণ রোধে আসন্ন রোজার ঈদেও সর্বসাধারণের মাঝে নতুন ও খুচরা টাকা বিনিময়ের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে না। তবে রোজা ও ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটায় গ্রাহকদের বাড়তি চাহিদার কথা বিবেচনায় এবার নতুন-পুরনো মিলে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ছোট-বড় মূল্যমান মিলে একেবারে নতুন নোট রয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। লকডাউন শুরুর আগে থেকেই এই টাকা বাজারে ছাড়া শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

লকডাউন দেওয়ার আগে থেকেই নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হচ্ছে। ব্যাংকের যাঁরা গ্রাহক, তাঁরা লেনদেনের সময় নতুন টাকা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এ ছাড়া এটিএম বুথেও মিলছে নতুন টাকা। এদিকে ঈদের আগে নগদ টাকার চাহিদা বাড়তে শুরু করায় আন্ত ব্যাংক কলমানি বাজারে লেনদেনও বাড়ছে।

ঈদ সালামিতে নতুন টাকা পেতে পছন্দ করে ছোট-বড় সবাই। এর পাশাপাশি বকশিশ, ফিতরা কিংবা দান-খয়রাতেও অনেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করে। আবার ঈদের আগের মাসের বেতন ও বোনাসের টাকা নতুন নোটে পাওয়ার আশা করেন চাকরিজীবীরা। এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে বাড়তি কেনাকাটায় বাজারে নগদ টাকার চাহিদা বাড়ে।

এসব বিষয় মাথায় রেখেই প্রতিবছর দুই ঈদে নতুন টাকা বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে করোনার কারণে গত বছরের রোজা ও কোরবানির ঈদেও সর্বসাধারণের মাঝে নতুন টাকা বিনিময় বন্ধ রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো আছে। এবার নতুন-পুরনো মিলে ৩৫ হাজার কোটি টাকা প্রস্তুতি রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ হাজার কোটি টাকাই নতুন নোট।

বাকি টাকা ঈদের আগেই চাহিদা অনুযায়ী বাজারে ছাড়া হবে।’ বিশেষ ব্যবস্থায় এবার নতুন টাকা জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তে যাব না। বাংলাদেশ ব্যাংকের জন্য পুরো জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হোক সেটা আমরা চাই না। তাই যা হবে ব্যাংকের মাধ্যমেই করা হবে।’

জানা যায়, দ্বিতীয় দফার করোনার সংক্রমণ রোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে প্রথম ৯ দিন সরকারি বিধি-নিষেধের পর ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে টানা লকডাউন চলছে। দেশ আবার লকডাউনে যাচ্ছে—এমন খবরে ওই সময় নগদ টাকার চাহিদা অনেক বেড়ে গিয়েছিল এবং আকস্মিকভাবে অনেক টাকা ব্যাংকের বাইরে তথা জনগণের হাতে চলে যায়। যার কারণে ঈদের প্রস্তুতি হিবেসে রাখা নতুন টাকা ওই সময় থেকেই বাজারে ছাড়তে বাধ্য হয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এখন পর্যন্ত হিসাবে ১৫-২০ হাজার কোটি টাকা বাজারে চলে গেছে। ঈদের আগে নগদ টাকার চাহিদা আরো বাড়বে। ফলে প্রস্তুতি হিসেবে রাখা বাকি সব টাকাই ঈদের আগেই বাজারে ছাড়তে হবে।

জানা গেছে, সারা বছর ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বিভিন্ন মূল্যমানের নোট প্রয়োজন হয়। এর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ প্রয়োজন হয় দুই ঈদে। তবে এবার করোনার সংকটের কারণে এবার নগদ টাকার চাহিদা বেশি হচ্ছে। ঈদের আগে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন টাকা বাজারে এলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ পড়বে কি না, জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা বলেন, সে রকম কোনো চাপ পড়বে না। কারণ ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল বন্ড অকশন করে বা বন্ড বিক্রি করে এই টাকা নেবে। তা ছাড়া এই টাকা খুবই শর্টটাইমের। ১৫ দিন পরেই বাংলাদেশ ব্যাংক তুলে নেবে। যার কারণে এটার খুব বড় ধরনের প্রভাব নেই।

এদিকে লকডাউনের কারণে এ মাসের শুরু থেকেই ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তোলার চাপ বেড়েছে। মাঝখানে কয়েক দিন সেই চাপ কিছুটা কমার পর ঈদের কারণে আবার বাড়তে শুরু করেছে। ফলে গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে সংকটে পড়া ব্যাংকগুলো আন্ত ব্যাংক কলমানি বাজার থেকে অর্থ ধার করছে। এতে তিন দিন ধরে এই বাজারে লেনদেন আবার বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার আন্ত ব্যাংক কলমানি বাজারে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার মতো লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবস বুধবার যার পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। তার আগের কার্যদিবস মঙ্গলবার হয়েছিল তিন হাজার ১৬৪ কোটি টাকার। তবে লেনদেন বাড়লেও এই বাজারের সুদহার দীর্ঘদিন ধরেই সোয়া ৫ শতাংশেই স্থিতিশীল রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
বাংলাদেশে ব্যবসার অনুমোদন পেয়েছে স্টারলিংক
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে বাংলাদেশে ব্যবসা করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।

রবিবার (৬ এপ্রিল) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এ কথা জানান।

বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে কাজ করতে হলে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) থেকে নিবন্ধন নিতে হয়।

তিনি বলেন, ‘গত মাসের ২৯ তারিখ আমরা অনুমোদন দিয়েছি।

মন্তব্য

দেশের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এলো মার্চে

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
দেশের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স এলো মার্চে

সব রেকর্ড ভেঙে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক মাসে রেমিট্যান্স এসেছে। গত মার্চ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে তিন বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি।

রবিবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ২.৬৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে এসেছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার।

একই অর্থবছরে গত জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

মন্তব্য

অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট আইএমএফ : সালেহউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট আইএমএফ : সালেহউদ্দিন
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি জানান, আইএমএফ প্রতিনিধিদল মনে করছে যে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে ও সঠিক পথেই এগোচ্ছে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

আইএমএফের মিশনপ্রধান ক্রিস পাপাজর্জিওর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করছে এবং তারা ৪.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের আগে হালনাগাদ আর্থিক তথ্য পর্যালোচনার জন্য আলোচনা শুরু করেছে।

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ঢাকায় আইএমএফের আবাসিক প্রতিনিধি জয়েন্দু দে ও জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ সিওকহিউন ইউন।

ড. সালেহউদ্দিন আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ শিগগিরই আইএমএফের ঋণের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি একসঙ্গে পাবে।

উল্লেখ্য, মোট ৪.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে তিনটি কিস্তি ছাড় হয়েছে।

আইএমএফ দল কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি, খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার ও ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আইএমএফ প্রতিনিধিদল অর্থ মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করবেন।

পরিদর্শন শেষে ১৭ এপ্রিল অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে একটি চূড়ান্ত বৈঠক ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আইএমএফ মিশন শেষ হবে।

মন্তব্য

এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
শেয়ার
এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ

দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) এপ্রিল মাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

রবিবার (৬ এপ্রিল) ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৪৫০ টাকায় অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জানায়, এপ্রিল মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৪৫০ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এর আগে, গত ৩ মার্চ সেই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৮ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৪৭৮ টাকা।

আর জানুয়ারি মাসের শুরুতে সেই মাসের জন্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল এলপিজির দাম। তবে গত ১৪ জানুয়ারি এই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৫৯ টাকা পুনঃনির্ধারণ করা হয়।

এদিকে, রোববার এপ্রিল মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ২ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬৬ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, এপ্রিল মাসের জন্য সৌদি আরামকোর প্রোপেন এবং বিউটেনের ঘোষিত সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টন যথাক্রমে ৬১৫ মার্কিন ডলার ও ৬০৫ মার্কিন ডলার এবং প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ অনুযায়ী প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৬০৮.৫০ মার্কিন ডলার বিবেচনায় এপ্রিল মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা হলো।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ