ঢাকা, সোমবার ০৭ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, সোমবার ০৭ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৭ শাওয়াল ১৪৪৬

কারাগারে ৩০-৪০ জনের জায়গায় রাখা হয় ১০০ বন্দিকে : চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
শেয়ার
কারাগারে ৩০-৪০ জনের জায়গায় রাখা হয় ১০০ বন্দিকে : চসিক মেয়র
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশেনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ‘কারাগারে কয়েদিদের অতিরিক্ত চাপ। আমি দেখেছি প্রতিটি রুমে কয়েদিদের থাকার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গা থাকে না। ৩০-৪০ জনের জায়গায় ১০০ জনকে রাখা হয়। এটা বড়ই অমানবিক।

কয়েদিদের নির্দিষ্ট পরিমাণ থাকার জায়গা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’ 

তিনি বলেন, গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কারণে কারাগারের চাপ আরো বেড়ে যাওয়ায় বন্দিদের জন্য পর্যাপ্ত জায়গার সংকট সৃষ্টি হয়। কারাগারে কয়েদিদের তুলনায় বাথরুমের সংখ্যা অত্যন্ত কম। এতে করে বন্দিদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এটি অত্যন্ত অমানবিক অবস্থা। বন্দিদের ন্যূনতম মৌলিক অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জেল রোডস্থ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত ব্যক্তিগত উদ্যোগে কয়েদিদের মাঝে পোষাক, ঔষধসহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

কারাগারে থাকা বন্দিদের মানবিক জীবন নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।  তিনি বলেন, ‘কাসিমপুর কারাগারে আমি দেখেছি ফুটবল খেলার মাঠ আছে, কলাগাছ, কাঁঠালগাছ আছে এগুলোর ফল কয়েদিরা খায়। চট্টগ্রামে কারাগার সুপ্রশস্ত না হওয়ায় আনোয়ারা, সীতাকুণ্ড বা মিরসরাইয়ের মতো এলাকায় কয়েদিদের জন্য খেলার মাঠ, বাগান ও পর্যাপ্ত মুক্ত জায়গা থাকবে এমন নতুন কারাগার গড়ে তোলার বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।’

স্বাস্থ্যসেবা ও মানসিক সহায়তার সম্পর্কে মেয়র বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে সবকিছু। কায়েদিদের জন্য একজন ডাক্তারের পাশাপাশি একজন সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।

কারণ এখানে আত্মহত্যার অনেক ঘটনা হয়েছে। যখন একজন কয়েদি এখানে ঢুকে সে যখন হয়তোবা দোষী না এতে করে হতাশাগ্রস্ত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। কাজেই আমার মনে একজন সাইকোলজিস্ট থাকলে কয়েদিদের মানসিক সাপোর্ট দেওয়া সম্ভব হবে। কারাগারে মানসম্মত ওষুধের অভাব রয়েছে। আমি দেখেছি  অনেক সময় এই নিম্নমানের ওষুধ ব্যবহারের কারণে রোগীরা সুস্থ হচ্ছে না বরং এলার্জির মতো চর্মরোগে আক্রান্ত হয়ে যায়। সে জন্য মানসম্মত ফার্মাসিউটিক্যাল কম্পানির ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।’

ডেপুটি জেলার ইব্রাহীমের সঞ্চালনায় এবং সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মাসুদ হাসান জুয়েল, জিয়াউর রহমান জিয়া, আলাউদ্দিন আলী, আবুল বশর ও অন্যান্য কর্মকর্তা।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আইনজীবী খুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
শেয়ার
দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আইনজীবী খুন
সংগৃহীত ছবি

মৌলভীবাজার জেলা বারের আইনজীবী শহরের হিলালপুর এলাকার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট সুজন মিয়া দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন।

রবিবার (৬ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে মৌলভীবাজার কোট রোডস্থ পৌরসভার সামনে ফুসকার পাশে তাকে ছুরিকাহত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান।

তবে কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে সঠিক কারণ জানা যায়নি। তিনি আরো বলেন, হত্যাকারীদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ ইত্যাদি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য

নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির কমিটি গঠন

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
শেয়ার
নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির কমিটি গঠন
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌরসভা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা নতুন কমিটিতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব নজির আহমেদ ভূঁইয়াকে পুনরায় আহ্বায়ক করা হয়।

রবিবার (৬ এপ্রিল) রাতে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপি আহ্বায়ক জাকারিয়া তাহের সুমন ও সদস্য সচিব ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম নজির আহমেদ ভূঁইয়ার হাতে উপজেলা ও পৌরসভা কমিটি হস্তান্তর করেন। উপজেলা কমিটিতে সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আফসার নয়নকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

নাঙ্গলকোট পৌরসভা বিএনপি নতুন কমিটিতে আনোয়ার হোসেন মুকুলকে পুনরায় আহ্বায়ক ও  আব্দুল কাদের জিলানীকে পুনরায় সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।

মন্তব্য

খুলনায় আনন্দ মেলায় একজন ছুরিকাহত

খুলনা অফিস
খুলনা অফিস
শেয়ার
খুলনায় আনন্দ মেলায় একজন ছুরিকাহত

খুলনা মহানগরীর জাতিসংঘ পার্কে চলমান ঈদ আনন্দ মেলাস্থলে পলাশ (১৮) নামের একজন সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়েছেন। তবে হামলার কারণ জানা যায়নি।

কেএমপির খুলনা থানার ওসি হাওলাদার হুসাইন মাসুম বলেন, রাত ৯টার দিকে জাতিসংঘ পার্কের মেলার রেলগাড়িরস্থলে সন্ত্রাসীরা পলাশের পেটে ছুরিকাঘাত করে। এতে তার পেটের নাড়িভূড়ি বের হয়ে যায়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। আহত পলাশ নগরীর সদর থানাধীন মতলেবের মোড়ের বাসিন্দা মো. আব্দুল হামিদ খানের ছেলে।

উল্লেখ্য, গত পয়লা এপ্রিল থেকে জাতিসংঘ পার্কে ঈদ আনন্দ মেলা শুরু হয়েছে। যা আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চলার কথা।

মন্তব্য

মদ্যপ অবস্থায় থানায় ঢুকে গালিগালাজ, যুবদলের দুই নেতা বহিষ্কার

সিংগাইর, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
সিংগাইর, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
শেয়ার
মদ্যপ অবস্থায় থানায় ঢুকে গালিগালাজ, যুবদলের দুই নেতা বহিষ্কার
গ্রেপ্তার যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম সরকার জীবন ও শফিকুল ইসলাম

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে দুই যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল। একটি মারামারি মামলার এজহারভুক্ত আসামিকে ছাড়াতে মদ্যপ অবস্থায় থানায় ঢুকে পুলিশের সঙ্গে অসাদাচারণ ও গালিগালাজ করার অভিযোগে তাদের বহিষ্কার হয়। 

রবিবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া।

বহিষ্কৃতরা হলেন- সিংগাইর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম সরকার (জীবন) ও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য শফিকুল ইসলাম (২৫)।

বিজ্ঞপ্তিতিতে জানানো হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন অনুমোদন করেছেন।

এ ছাড়া বহিষ্কৃতদের কোনো কর্মকাণ্ডের দায় দল বহন করবে না বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি যুবদলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত শনিবার দিবাগত রাতে একটি মারামারি মামলার এজহারভুক্ত এক আসামিকে ছাড়াতে মদ্যপ অবস্থায় থানায় ঢুকে পুলিশের সঙ্গে অসাদাচারণের অভিযোগে দুই যুবদল নেতা গ্রেপ্তার হন। এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় রবিবার সকালে তাদের দুজনকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান তারা।

সিংগাইর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পার্থ শেখর ঘোষ জানান, শনিবার একটি মারামারির মামলায় আরিফ নামে এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

খবর পেয়ে রাত সোয়া ১০টার দিকে মদ্যপ অবস্থায় পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম সরকার জীবন ও পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ ৭/৮ জন লোক থানায় এসে আরিফকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেন। ছেড়ে দিতে অপারাগতা প্রকাশ করলে শফিকুল ইসলাম সরকার জীবন ও শফিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ ও গালিগালাজ করেন। পরে তাদের গ্রেপ্তার করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ