ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

ঢাকা, রবিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৫
২৩ চৈত্র ১৪৩১, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৬

নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন? এই ৫ কাজ কখনোই করবেন না

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন? এই ৫ কাজ কখনোই করবেন না

নতুন কোনো সম্পর্কে জড়ানোর পর মানুষ স্বাভাবিকভাবে খুব উত্তেজিত থাকে। এ সময় আবেগের বশবর্তী হয়ে অনেকে অনেক কাজ করে ফেলে। এ জন্য কোনো কাজ করার আগে অবশ্যই চিন্তাভাবনা করতে হবে। সম্পর্কের শুরুতে কয়েকটি কাজ মোটেও করা যাবে না।

 

সত্য বলা :
প্রথমত সব সময় চেষ্টা করুন সত্য কথা বলতে। আপনার সঙ্গীর একজন ভক্তকে আপনার পছন্দ না হওয়া সত্ত্বেও ভালো বলতে হবে বিষয়টা এমন না। নিজের যা পছন্দ-অপছন্দ তা খোলাখুলিভাবে বলুন। হতে পারে তা কোনো খাবার আবার হতে পারে ঘুরতে যাওয়ার জায়গা।

নিজের পছন্দ-অপছন্দ খোলাখুলিভাবে বলুন।

আপনার নিজের জায়গা করে নিন :
আপনার নিজের জন্য কিছু সময়ের প্রয়োজন হয়, তাহলে সঙ্গীর কাছে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করে নিন। আপনি সব সময় আপনার সঙ্গীকে আপনার সঙ্গে আড্ডা দিতে বাধ্য করবেন না। তাকেও কিছু জায়গা ছেড়ে দিন।

নিজের মতো করে বই পড়তে পারেন বা টিভি দেখতে পারেন।

বন্ধুদের সময় দেওয়া বন্ধ না করা :
আপনি নতুন সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে বন্ধুদের ভুলে যাবেন না। আগের বন্ধুদের মনে রাখুন। তাদেরকে সময় দিন। সম্পর্কে জড়ানোর আগে তাদেরকে যেমন সময় দিতেন, তেমনটাই বজায় রাখুন।

আপনার মনের কথা বলতে ভয় পাবেন না :
নিজের গুরুত্ব বজায় রাখুন। আপনার মনের সব কথা সঙ্গীকে জানতে দিন। একটি পরিস্থিতি, ঘটনা বা চিন্তাভাবনা সম্পর্কে আপনি কী অনুভব করেন তার সঙ্গে আলোচনা করুন। সম্পর্কের শুরুতে সঙ্গী আপনাকে যত বেশি চিনবে, ততই ভালো।


আপনার চেহারায় পরিবর্তন আনবেন না :

আপনি যদি বেশ কয়েক দিন ধরে কার্ল চুল পছন্দ করেন, তাহলে সম্পর্কের পরেও ওমনই থাকুন। হতে পারে আপনার সঙ্গী স্ট্রেইট চুল পছন্দ করেন, কিন্তু আপনার নিজের পছন্দকে ওই সময় প্রাধান্য দিন। আপনি যেভাবে পোশাক পরেন, বা আপনি কিভাবে আপনার মেকআপ করতে চান তার জন্যও একই কথা মেনে চলুন। দিনের শেষে, নিজেকে খুশি রাখা জরুরি। যে সত্যিকার অর্থে আপনাকে পছন্দ করে, সে আপনার ভালো লাগাকে গুরুত্ব দেবে।

সূত্র : বিউটিফুল ইন।

মন্তব্য

পুরনো বন্ধুত্ব ভাঙা কখন ইতিবাচক? কখন আবার বন্ধুত্বে ফিরবেন

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
পুরনো বন্ধুত্ব ভাঙা কখন ইতিবাচক? কখন আবার বন্ধুত্বে ফিরবেন
সংগৃহীত ছবি

সিনেমা, গান, আর বইয়ের মাধ্যমে প্রেমের বিচ্ছেদ সম্পর্কে আমরা অনেক কিছুই দেখি বা শুনি। কিন্তু বন্ধুত্বের সম্পর্ক থেকে বিচ্ছেদ নিয়ে আমরা খুব কিছু দেখি না। প্রেমের সম্পর্কের সমাপ্তি নিয়ে যেমন আলোচনা হয়, বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে তেমনটা হয় না।

ইতিহাসের দিকে তাকালেও দেখা যায়, অন্যান্য সম্পর্কের তুলনায় বন্ধুত্ব নিয়ে গবেষণা খুব কম হয়েছে।

অথচ, আমাদের শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি ও জীবনকে আরো পরিপূর্ণ করার ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব একটি বিশাল ভূমিকা রাখে।

ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার সামাজিক মনস্তত্ত্ব গবেষক গ্রেস ভেইথ বন্ধুত্বের ভাঙন নিয়ে কাজ করেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ হয়তো অবাক হবে যে বন্ধুত্ব কিভাবে শেষ হয়! গবেষকরা এখন কেবল তা নিয়ে ভাবা শুরু করেছেন। এই বিষয়ে গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

আরো পড়ুন
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ফোলা থাকে কেন

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ফোলা থাকে কেন

 

মিজ ভেইথ মনে করেন, বন্ধুত্বের সমাপ্তি নিয়ে আলোচনা কম হওয়ার কারণে মানুষ এতে খুব বেশি অনিশ্চয়তায় পড়ে। তারা বুঝতে পারে না যে এই ভাঙনকে তারা কিভাবে সামলাবেন, বা ভাঙ্গনের পর যে আবেগীয় অনুভূতি তৈরি হয়, সেগুলোর সঙ্গে কিভাবে মানিয়ে নেবেন। তবে, বন্ধুত্ব শেষ করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ধারা বা নিয়ম নেই।

বন্ধুত্ব চিরস্থায়ী?

নিউইয়র্কের স্টেট ইউনিভার্সিটি কলেজ, কোর্টল্যান্ডের মনোবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কেইটালিন ফ্ল্যানেরি বলেন, ‘আমাদের জীবনের প্রথম সম্পর্ক তৈরি হয় আমাদের বাবা-মা বা যারা আমাদের বড় করেন তাদের সঙ্গে।

কিন্তু কিশোর বয়সে প্রবেশ করলে, আমাদের গুরুত্ব চলে যায় সমবয়সীদের দিকে। তখন সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা আর মর্যাদাই প্রধান হয়ে ওঠে।’

তিনি বলেন, ‘বন্ধুরা আমাদের সারা জীবন ধরে নিজেদের পরিচয় গড়তে সাহায্য করে। তারা আমাদের জন্য একধরনের আয়না ও পথপ্রদর্শক। একই সঙ্গে, আমরা তাদের কাছ থেকে স্বীকৃতিও চাই।

এ কারণেই সামাজিক সমর্থন, আনন্দ, আর সঙ্গ পাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে ওঠে বন্ধুত্ব।’

আরো পড়ুন
ঈদ আপ্যায়নে রাখুন ভিন্ন স্বাদের স্ন্যাকস

ঈদ আপ্যায়নে রাখুন ভিন্ন স্বাদের স্ন্যাকস

 

গ্রেস ভেইথ উল্লেখ করেন, বন্ধুত্বের শুরুটা সাধারণত পরস্পরের মধ্যকার মিল এবং একে অপরের কাছাকাছি থাকার ভিত্তিতে হয়।

বন্ধুত্ব ভেঙ্গে যাওয়া নিয়ে যেসব গবেষণা করা হয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই হয়েছে শিশু ও কিশোরদের ওপর। কারণ এই বয়সে বন্ধুত্বের ভাঙন খুব সাধারণ ব্যাপার।

মিজ ফ্ল্যানেরির এক গবেষণায় ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৩৫৪ জন উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের ৮৬ শতাংশ জানিয়েছে যে তারা সাম্প্রতিক সময়ে কোনো না কোনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক শেষ করেছে।

বেশিরভাগই বন্ধুত্ব ভাঙার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে ঝগড়া বা বিশ্বাসঘাতকতা। অন্যরা বলেছে, বন্ধুর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়া বা সঙ্গ উপভোগ না করাই বন্ধুত্ব শেষ হওয়ার কারণ।

আরো পড়ুন
ঈদ আতিথেয়তা জমবে ভিন্ন স্বাদের কাবাবে

ঈদ আতিথেয়তা জমবে ভিন্ন স্বাদের কাবাবে

 

বন্ধুত্ব ভাঙার কারণে উচ্চ মাধ্যমিকের কিশোর-কিশোরীরা বিভিন্ন মিশ্র অনুভূতির মুখোমুখি হয়েছে। তাদের মনে দুঃখ ছিল, কিন্তু একই সঙ্গে তারা কেউ কেউ স্বস্তি বা আনন্দও অনুভব করেছে। তবে, এটি নির্ভর করেছে বিচ্ছেদের কারণ, কিভাবে তা ঘটেছে, এবং কে সে সম্পর্ক শেষ করেছে তার ওপর।

কিছু ক্ষেত্রে বন্ধুত্ব একেবারে শেষ না হয়ে ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ থেকে ‘সাধারণ বন্ধু’ পর্যায়ে নেমে আসে।

মিজ ভেইথ বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি মেনে নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ যে বন্ধুত্ব ভাঙাটা জীবনেরই একটি অংশ এবং এটি খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। তবে এটি বন্ধুদের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। বরং বন্ধুরা কতটা কাছের এবং গ্রহণযোগ্য, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ এখানে।’

সব বন্ধুত্বের ভাঙ্গন বেদনাদায়ক বা নাটকীয় হয় না। কখনো কখনো সম্পর্ক ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। উনিশ শত আশির দশকের এক গবেষণায় ২০ থেকে ২৮ বছর বয়সী ৯০ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে দেখা যায়, একই লিঙ্গের বন্ধুত্ব শেষ হওয়ার পাঁচটি প্রধান কারণ ছিল।

সেগুলো হলো– দূরত্ব বেড়ে যাওয়া, বন্ধুকে আর পছন্দ না করা, যোগাযোগ কমে যাওয়া, অন্য সম্পর্কের (যেমন, ডেটিং বা বিয়ে) প্রভাব, এবং সম্পর্ক স্বাভাবিকভাবে মলিন হওয়া।

আরো পড়ুন
সম্পর্কের ভীত মজবুত হতে পারে যে তিন গুণে

সম্পর্কের ভীত মজবুত হতে পারে যে তিন গুণে

 

সাধারণ বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে দূরত্ব বেশি প্রভাব ফেললেও ঘনিষ্ঠ ও সবচেয়ে কাছের বন্ধুত্বগুলো সাধারণত যোগাযোগের অভাব বা অন্য সম্পর্কের প্রভাবের কারণে শেষ হয়।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, শক্তিশালী বন্ধুত্বগুলো জীবনের এইসব পরিবর্তনের মাঝেও টিকে থাকে। মিজ ভেইথ বলেন, ‘যখনই আমি কোনো বন্ধুত্বের সমাপ্তি দেখি, সেখানে এমন অনেক দিক পাই যা বন্ধুত্বকে প্রভাবিত করে। কিন্তু পাশাপাশি এমন উদাহরণও অনেক আছে যেখানে জীবনের নানা ধরনের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে বন্ধুত্ব আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে।’

সারাজীবনের বন্ধুর অন্যদিক

বন্ধুত্ব থেকে প্রত্যাশা ও বন্ধুত্ব ভাঙার কারণগুলো লিঙ্গভেদে ভিন্ন হতে পারে। এক জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ (৬৬ শতাংশ) আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন যে তাদের প্রায় সব ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাদেরই লিঙ্গের। এই ধারণা পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে বেশি।

উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময়ে মেয়েদের বন্ধুত্ব সাধারণত মানসিক নির্ভরতা ও ঘনিষ্ঠতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। তবে ছেলেদের বন্ধুত্ব মূলত বিনোদনমূলক কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল।

আরো পড়ুন
বন্ধুত্বের নজির, প্রতিদিন স্কুলে উড়ে আসে শালিক পাখিটি

বন্ধুত্বের নজির, প্রতিদিন স্কুলে উড়ে আসে শালিক পাখিটি

 

বন্ধুত্ব গঠনের প্রেক্ষাপটেও লিঙ্গভেদে পার্থক্য রয়েছে। নারীরা সাধারণত একাধিক, ঘনিষ্ঠ, একজন বন্ধুর সঙ্গে আলাদা সম্পর্ক গড়ে তোলে। অন্যদিকে, পুরুষদের বন্ধুত্ব নেটওয়ার্কভিত্তিক হয়। তারা প্রত্যেকেই প্রত্যেকের বন্ধু। ফলে, পুরুষদের তুলনায় নারীরা তাদের ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে বেশি সময় ব্যয় করে বলে মনে করেন কেইটলিন ফ্ল্যানেরি।

এ কারণে নারীদের বন্ধুত্বে ঝগড়া বা বিরোধ হলে তা অনেক বেশি সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। মিজ ফ্ল্যানেরি বলেন, নারীরা সাধারণত বন্ধুত্বে বিশ্বস্ততা আর মানসিক সমর্থনের ক্ষেত্রে বেশি উচ্চমান ধরে রাখে। আর যখন কোনো বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যায়, তখন তারা ছেলেদের তুলনায় বেশি দুঃখ, একাকিত্ব, মানসিক চাপে ভোগে এবং বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা ঝগড়ার পর পুরুষদের তুলনায় বন্ধুর সঙ্গে ঝামেলা মিটিয়ে নিতে বেশি সময় নেয়। তাদের রাগও দীর্ঘ সময় ধরে থাকে।

নারী ও পুরুষভেদে বন্ধুত্ব ভাঙার কারণগুলোও ভিন্ন হতে পারে। মিডওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের বন্ধুত্ব বেশি ভেঙে যায় শারীরিক দূরত্বের কারণে। অন্যদিকে, নারীদের বন্ধুত্বে বাধা তৈরি করে ডেটিং বা বিয়ের মতো বিষয়গুলো।

আরো পড়ুন
সম্পর্কের স্থায়িত্ব বাড়াতে যা করবেন

সম্পর্কের স্থায়িত্ব বাড়াতে যা করবেন

 

বন্ধুত্ব ভাঙ্গা কখন ইতিবাচক হতে পারে

ভবিষ্যতে কোনো এক সময়ে পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে আবার দেখা হবে—এই আশা নিয়ে কি সম্পর্ক ধরে রাখা উচিত? এর উত্তরে মিজ ভেইথ ও মিজ ফ্ল্যানেরি বলছেন, তার কোনো প্রয়োজন নেই। কখনো কখনো ছেড়ে দেওয়া ভালো। যেমন, একটি বিষাক্ত (টক্সিক) বন্ধুত্ব শেষ করলে ভালো কিছু হতে পারে।

মিজ ফ্ল্যানেরি বলেন, ‘আমরা অনেক সময় বন্ধুত্বকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখি। সব বন্ধুত্ব কিন্তু আমাদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে না। বেশিরভাগ সময় এর ভালো দিক আছে। তবে আমাদের এমন বন্ধুদেরই বেছে নেওয়া উচিত, যারা আমাদের সাহায্য করবে।’

কিছু বন্ধুত্ব আমাদের ভালো অনুভব করায়, আবার কিছু আমাদের ক্লান্ত আর হতাশ করে। তবে বন্ধুত্ব শেষ করার আরেকটি চ্যালেঞ্জ– কাউকে আঘাত না দিয়ে এটি শেষ করা। এমনটাই মনে করেন তারা।

একটি বিতর্কিত কিন্তু সাধারণ পদ্ধতি হলো ‘ঘোস্টিং’। এটি ডেটিংয়ের জগতে পরিচিত একটি শব্দ। কারো সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক শেষ করতে তাদের থেকে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে যাওয়া হয়, যাতে অপরদিকের মানুষটির মুখোমুখি হতে না হয়। বর্তমানে বন্ধুত্ব শেষ করতেও এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী যুবকদের ওপর করা এক গবেষণায় জানতে চাওয়া হয়েছিল, তারা কেন তাদের বন্ধুত্ব শেষ করেছে?

তাদের বলা কারণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল— বিষাক্ত সম্পর্ক, আগ্রহ হারানো, বিরক্তিকর লাগা, নিজেকে রক্ষা করা এবং কখনো কখনো সীমা অতিক্রম করা।

আরো পড়ুন
বিশ্বজুড়ে ঈদের জনপ্রিয় খাবার

বিশ্বজুড়ে ঈদের জনপ্রিয় খাবার

 

অনেক ক্ষেত্রে বন্ধুত্বের সময়কাল দীর্ঘ ছিল। কিন্তু এটি ‘ধীরে ধীরে ঘোস্টিং’-এর প্রবণতাকে আটকাতে পারেনি। অর্থাৎ, তারা হঠাৎ করে সম্পর্ক না ভেঙ্গে ধীরে ধীরে দূরে সরে গেছে।

যারা এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছে, তারা ‘দুঃখিত, হতাশ, আহত’ হয়েছে। কিন্তু তবুও তারা এটিকে নিজেদের সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে দেখেছে। তারা মনে করেছে, এই টক্সিক বন্ধুত্বের বিষয়ে সরাসরি আলোচনা করা হলেও তা শেষমেষ কোনো কাজে আসবে না।

তবে মিজ ভেইথ একটি ভিন্ন, সম্ভবত আরো ভালো পদ্ধতির পরামর্শ দিয়েছেন। তা হলো– বন্ধুত্ব বজায় রাখা ও মজবুত করার উপায় শেখা এবং ঝগড়া বা মতবিরোধের মোকাবিলা করা।

আরো পড়ুন
শহর ও গ্রামের ঈদ : সংস্কৃতির পার্থক্য

শহর ও গ্রামের ঈদ : সংস্কৃতির পার্থক্য

 

‘অনেক মানুষ রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে মনে করেন, ঝগড়া মিটিয়ে নেওয়া জরুরি। এটি আমরা স্বাভাবিক মনে করি। কিন্তু বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে আমরা চাই, সব কিছু স্বাভাবিকভাবে চলুক। আর তা না হলে আমরা সহজেই হাল ছেড়ে দিই। অনেকেই মনে করেন, বন্ধুত্ব মানেই তা সহজ, আনন্দময়, মজাদার হওয়া উচিত। এটি সত্যি। কিন্তু এর ফলে অনেক সময় ধারণা জন্মায় যে বন্ধুত্বের ঝগড়া মেটানোটা প্রয়োজনীয় নয়।’

রোমান্টিক সম্পর্ক ও বন্ধুত্বে একই ধরনের আবেগীয় অনুভূতি থাকে। যেমন– উষ্ণতা আর আনন্দ। তবে এই দুইয়ের মাঝে একটি বড় পার্থক্য হলো, রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একগামিতা প্রত্যাশা করা হয়। যদিও এটি সংস্কৃতি বা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে বন্ধুত্বে একগামিতার কোনো প্রত্যাশা নেই। ফলে মাঝে মাঝে জটিলতা তৈরি হয়। যেমন, খুব কাছের কোনো বন্ধুর যদি অন্য কোনো বন্ধু থাকে, তখন ঈর্ষা অনুভব হতে পারে।

এক্ষেত্রে মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, অন্য বন্ধুরা থাকলেও আপনার বন্ধুত্ব হুমকির মুখে পড়বে না। বন্ধুত্বের মনস্তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রচুর সময় আর মনোযোগ নিয়ে থাকে।

আরো পড়ুন
ঈদ যেন স্বজনদের মিলনমেলা

ঈদ যেন স্বজনদের মিলনমেলা

 

একটি সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ৬১ শতাংশ আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক মনে করেন যে ঘনিষ্ঠ বন্ধু থাকা একটি পরিপূর্ণ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জীবনের অনেক সময়েই বন্ধুরা সেই স্থিতি ও সমর্থন দিতে পারে, যা শুধু বিয়েতে পাওয়া যায়। রোমান্টিক সম্পর্কে বিচ্ছেদ হওয়া এবং পরে ভেবে-চিন্তে আবার একসঙ্গে হওয়ার ঘটনা অস্বাভাবিক নয়।

তাহলে কি আমরা পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে পুনর্মিলন বা তাদেরকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবতে পারি? মিজ ফ্ল্যানেরি বলছেন, এটি নির্ভর করে বন্ধুত্বের ধরনের ওপর। ‘আমার মনে হয়, কিছু ক্ষেত্রে সেই বন্ধুত্ব পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। আবার কিছু ক্ষেত্রে সেটি না মেটানোই ভালো।

‘এটি অনেক বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। আপনি কি সেই বন্ধুত্ব শেষ হওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন? সেই সম্পর্ক কি আপনার জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে? যদি আপনার মনে হয় যে আপনি সত্যিই সেই বন্ধুত্বকে মিস করছেন, তাহলে সেটি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা যেতে পারে।’

আরো পড়ুন
আধুনিক যুগে সম্পর্কের তৃতীয় ব্যক্তি কে?

আধুনিক যুগে সম্পর্কের তৃতীয় ব্যক্তি কে?

 

সূত্র : বিবিসি বাংলা

মন্তব্য

সাপ্লিমেন্টের বিকল্প হতে পারে যেসব খাবার

জীবনযাপন ডেস্ক
জীবনযাপন ডেস্ক
শেয়ার
সাপ্লিমেন্টের বিকল্প হতে পারে যেসব খাবার
সংগৃহীত ছবি

বর্তমান সময়ে অনলাইনে ওয়েলনেস ইনফ্লুয়েন্সাররা বিভিন্ন ধরনের মাল্টিভিটামিন সাপ্লিমেন্টের প্রমোশন করেন। অনেকের ধারণা, খাবার থেকে হয়তো পুষ্টি মিলছে না। তাই ভিটামিনের ওষুধ খেলেই নাকি সুস্থ থাকা যাবে।

কিন্তু চিকিৎসকরা এই বিষয়ে একমত নন।

বেশির ভাগ চিকিৎসকের দাবি, কারণ ছাড়া মাল্টিভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার কোনো দরকার নেই। এমনকি অযথা ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভিটামিনের ওষুধ খেলে শরীরের ক্ষতিও হতে পারে। 

মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন অনেক সাপ্লিমেন্ট রয়েছে, যা ‘ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ’ বিক্রি হয়। আবার কোনোটা ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসেবেও বিক্রি হয়।

এগুলো ‘নিউট্রাসিউটিক্যালস’। এই ধরনের সাপ্লিমেন্ট অনেক সময় কিডনি ও লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তাই এ ধরনের সাপ্লিমেন্ট এড়িয়ে চলাই ভালো।

আরো পড়ুন
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ফোলা থাকে কেন

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ফোলা থাকে কেন

 

যেমন ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে গিয়ে যদি বেশি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন, তখন পেটে অস্বস্তি বাড়তে থাকে।

ডায়ারিয়া, বমি, ক্লান্তি, মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। কিন্তু মাসেল ও নার্ভ ফাংশন, ঘুম, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ম্যাগনেসিয়াম অপরিহার্য।

তবে কী করবেন? চিকিৎসকদের মতে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের বদলে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান। আমন্ড, কাজু, বিভিন্ন ডাল, দানাশস্য, কলা, শাক-সবজিতে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়। সেগুলো খেলেই উপকার মিলবে।

আরো পড়ুন
ঈদ আতিথেয়তা জমবে ভিন্ন স্বাদের কাবাবে

ঈদ আতিথেয়তা জমবে ভিন্ন স্বাদের কাবাবে

 

একইভাবে দেহে আয়রনের ঘাটতি মেটাতে অযথা সাপ্লিমেন্ট না খেয়ে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। আয়রনের সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে অনেক ক্ষেত্রে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। রেড মিট, চিকেন, বিভিন্ন ধরনের মাছ, সব ধরনের ডাল, পালং শাকের মতো বিভিন্ন শাক খেলে সহজেই দেহে আয়রনের ঘাটতি মিটে যাবে এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও বাড়বে। ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণের জন্য লেবুজাতীয় ফল খেতে পারেন। যেকোনো লেবুতেই ভিটামিন সি থাকে। এ ছাড়া পেয়ারা, আমের মতো ফলেও এই পুষ্টি পাওয়া যায়।

পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, সুষম খাবারই দেহে সমস্ত পুষ্টির জোগান দেয়। প্রতিদিনের খাবার পাতে ভাত-ডাল, শাক-সবজি, মাছ-মাংস বা ডিম থাকলেই হলো। যে মৌসুমে যে শাক-সবজি ও ফল পাওয়া যায়, সেটাই খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার মেলে।

আরো পড়ুন
শহর ও গ্রামের ঈদ : সংস্কৃতির পার্থক্য

শহর ও গ্রামের ঈদ : সংস্কৃতির পার্থক্য

 

সূত্র : এই সময়

মন্তব্য
রাশিফল

আজ ৬ এপ্রিল, দিনটি কেমন যাবে আপনার?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
আজ ৬ এপ্রিল, দিনটি কেমন যাবে আপনার?

জীবনের প্রতিটি দিন নতুন কিছু সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসে আর প্রতিটি দিন আমাদের একটু একটু করে শিখতে ও বিকশিত হতে সাহায্য করে। আজ ৬ এপ্রিল, ২০২৫ দিনটি আপনার জন্য কেমন হতে পারে, কীভাবে সামলাবেন জীবন ও কাজের চ্যালেঞ্জগুলো, সেটি জানতে হলে পড়ুন আজকের রাশিফল।

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল): শুভ কোনো পরিবর্তন হতে পারে। কঠিন কোনো কাজ অনেক সহজ মনে হবে।

ভালো সময়কে কাজে লাগিয়ে লাভবান হতে পারেন। ভালো ব্যবহার দিয়ে কাজ আদায় করা সহজ হবে। প্রিয়জনের সমস্যায় কাছে থাকুন।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২০ মে): ব্যক্তিগত কাজে সক্রিয় থাকতে পারেন।

নতুন পরিকল্পনার অগ্রগতি হবে। প্রিয় মানুষকে কাছে পেতে পারেন। দৈনন্দিন কাজকর্মে সাফল্য ও সুনাম বজায় থাকবে। বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সময় ও সুযোগের সদ্ব্যবহার করুন।
সুস্থ থাকুন।

মিথুন (২১ মে-২০ জুন): ভালো কোনো কাজের আশ্বাস পেতে পারেন। শুভযোগাযোগে ভালো কিছু হতে পারে। কোনো তথ্য আপনার কাজের সহায়ক হবে। আর্থিক লেনদেনে সতর্ক থাকতে হবে।

অগ্র-পশ্চাৎ ভেবে কাজে অগ্রসর হবেন।

কর্কট (২১ জুন-২০ জুলাই): নতুন কাজের অগ্রগতি হবে। আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন। ব্যবসায় পুরনো জট খুলবে। নতুন চিন্তাধারায় আকৃষ্ট হতে পারেন। আপনি যে পরিবর্তনগুলোর জন্য লড়াই করছেন তার কোনো দিকনির্দেশনা পেতে পারেন।

আরো পড়ুন
বনে ফিরল খাঁচায় বন্দি হওয়া মেছো বিড়াল

বনে ফিরল খাঁচায় বন্দি হওয়া মেছো বিড়াল

 

সিংহ (২১ জুলাই-২১ আগস্ট): কোনো শুভ প্রচেষ্টার অগ্রগতি হতে পারে। নিজস্ব ভাবনাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। বুদ্ধিবলে বিরূপ পরিস্থিতিকেও অনুকূলে নিয়ে আসতে পারবেন। অতীত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সাফল্যের পথে অগ্রসর হবেন।

কন্যা (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর): আজ দিনের বেশির ভাগ সময় মানসিক দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যেই কাটবে। পুরনো পাওনা আদায়ে বিলম্ব হবে। ব্যয় বাড়বে। অবসাদে ভুগলেও দিনের শেষে উৎফুল্ল থাকবেন। কর্মস্থলে নিজের দক্ষতা প্রদর্শনের চেষ্টা অব্যাহত রাখুন।

তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর): প্রত্যাশিত প্রত্যাশিত কাজে অগ্রগতি হবে। আয়ের নতুন উৎস খুঁজে পাবেন। অর্থ উপার্জনের সুযোগ বাড়বে। গুরুত্বপূর্ণ কাজে গতি আসবে। অসমাপ্ত কাজ অনেকটা শেষ হবে। অনুকূল পরিস্থিতির সদ্ব্যবহার করুন। ভালো থাকুন।

আরো পড়ুন
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৬ এপ্রিল)

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (৬ এপ্রিল)

 

বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর): কোনো পরিকল্পনায় পরিকল্প পরিবর্তন আনতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে সুনাম বজায় থাকবে। ব্যবসার ক্ষেত্রে অর্থের জোগান ভালো হবে। আপনার দৃঢ়তা ও বিশ্বস্ততা অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। একটু পরিশ্রম করলেই ভালো ফল পেতে পারেন।

ধনু (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর): দিনটি আনন্দের মধ্যে কাটবে। বিদেশ থেকে শুভসংবাদ পেতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ আছে। পাওনা আদায়ে কিছুটা অগ্রগতি হবে। ব্যবসায় লাভজনক কোনো সুযোগ আসতে পারে। পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

মকর (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি): ভালো কোনো কাজের আশ্বাস পেতে পারেন। কারো • অসুস্থতায় কিছুটা উদ্বেগ থাকতে পারে। শুভও স্থিতিহীন ভাবাবেগ ক্ষতির কারণ হতে পারে। কাজে বাধা এলেও দীর্ঘস্থায়ী হবে না। পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলুন।

আরো পড়ুন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

 

কুম্ভ (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি): আজ ব্যক্তিগত দায়-দায়িত্ব বাড়তে পারে। সম্মিলিত কাজে অগ্রগতির সম্ভাবনা। বন্ধুস্থানীয় ব্যক্তির সাহচর্য আনন্দ দেবে। নতুন পরিকল্পনা মাথায় আসবে। উপযুক্ত কাজ করার জন্য শক্তি সঞ্চয় করুন।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ): সম্ভাবনাময় কিছু কাজ নিয়ে ভাবতে পারেন। বেকারদের চাকরিসংক্রান্ত কাজে অগ্রগতি হবে। প্রত্যাশিত কাজে বাধা এলে তা অতিক্রম করতে হবে। ধীরগতিতে চলা কাজে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করুন।

আহমেদ মাসুদ, বিশিষ্ট অকাল্ট সাধক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জ্যোতিষী, ফেংশুই ও বাস্তু বিশেষজ্ঞ। যোগাযোগ: ০১৭১১০৫৭৩৭৭ই-মেইল: amasud9995@gmail.com www.astrologerahmedmasud.com

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য
স্বাস্থ্যচিত্র

নিজেই বানান ফার্স্টএইড কিট

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
শেয়ার
নিজেই বানান ফার্স্টএইড কিট
সংগৃহীত ছবি

ব্যান্ডেজ

ছোট বা মাঝারি কাটা-ছেঁড়ার চিকিৎসায় ব্যান্ডেজ অত্যন্ত কার্যকর। ব্যান্ড এইডের পাশাপাশি সঙ্গে রাখুন মেডিক্যাল গজ ও টেপ।

ইনস্ট্যান্ট আইস প্যাক

দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত হলে, ব্যথা প্রশমনে আইস প্যাকের জুড়ি নেই।

প্রয়োজনীয় ওষুধ

নিজের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধের পাশাপাশি সঙ্গে রাখুন ব্যথানাশক, বমি নিরোধক, মাথা ব্যথা ও পেটের অসুখের ওষুধ।

ওরাল স্যালাইনও রাখা উচিত।

তুলা ও অ্যালকোহল প্যাড

আঘাতের স্থান পরিষ্কার করা ও গজের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যান্ডেজ করার জন্য মেডিক্যাল গ্রেড তুলা রাখুন। চামড়া দ্রুত জীবাণুমুক্ত করার জন্য অ্যালকোহল প্যাড খুবই কাজের।

অ্যান্টিসেপটিক ও পোড়ার ওষুধ

অ্যান্টিসেপটিক সলিউশনের ছোট বোতল সঙ্গে রাখুন।

পোড়ার ক্ষত চিকিৎসায় ব্যবহৃত মলমও রাখা উচিত।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ