জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মীজানুর রহমান এসব কথা বলেছেন, 'গ্রামে ওয়াজ টোয়াজ হতো সেইগুলোতে যেতাম। সবাই এসে বসতো। হুজুররা এসে কথা বলতো। ভালোই লাগতো, খারাপ না।
বিনোদনের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হচ্ছে মৌলভীদের ওয়াজ: জবি উপাচার্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

আজ সোমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, 'কনসার্ট হয় না, লাইভ, এডিটিং, টিভি, মোবাইল এবং ইউটিউব।
মীজানুর রহমান আরো বলেন, 'সাম্প্রদায়িকতা মানে কেবল হিন্দু মুসলিমের সাম্প্রদায়িকতা না। সুন্নিরা কি শিয়াদের মুসলমান মনে করে। ইউটিউবে হুজুরদের ওয়াজ শুনে দেখবেন যে, উনি ছাড়া কেউ মুসলমান না। সবাই কাফের। যারা মোনাজাত করছে তারা কাফের।
জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত ১৫ তম আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় টিম ইসলামিক স্টাডিজ ডিবেটিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন এবং লোকপ্রশাসন বিভাগ রানার আপ হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর

মোদি সরকারের সমালোচনা করে যা বললেন আসিফ নজরুল
অনলাইন ডেস্ক

ভারতে মোদি সরকার মুসলমানবিরোধী আরো একটি পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভ্যারিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আসিফ নজরুল বলেন, নতুন আইন পাস করে তারা মুসলমানদের ‘ওয়াক্ফ’ সম্পত্তি পরিচালনা বোর্ডে অমুসলিমদেরও রাখার এবং এসব সম্পত্তিতে সরকারের সরাসরি খবরদারির বিধান করেছে। এই আইন ব্যবহার করে পুরনো মসজিদসহ মুসলমানদের বহু ঐতিহাসিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আইন উপদেষ্টা লেখেন, ভারতে হিন্দু মন্দির পরিচালনা কমিটিতে অন্য ধর্মাবলম্বীরা স্থান পান না। এই প্রশ্ন সেখানে উঠেছে যে, ওয়াক্ফ বোর্ডে তাহলে অমুসলিমদের রাখা হবে কেন?
তিনি আরো লেখেন, এই আইন ভারতে মুসলমান ও অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মের মানুষের বিরুদ্ধে ভারতের হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর ক্রমাগত বৈষম্য ও নিপীড়নের আরেকটি অধ্যায় রচনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আসিফ নজরুল বলেন, পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এরাই আবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের ভুয়া অভিযোগ তুলে যাচ্ছে অব্যাহতভাবে।

ঈদের ছুটি শেষে খুলল সরকারি অফিস
অনলাইন ডেস্ক

ঈদুল ফিতরের টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরেছে মানুষ। আজ রবিবার থেকে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত অফিস খুলেছে।
সচিবালয়ে দেখা যায়, ছুটি কাটিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে এসেছেন। এ সময় একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন।
এর আগে গত ২৭ মার্চ খোলা ছিল এসব অফিস। পরদিন ২৮ মার্চ থেকে টানা ৯ দিনের ছুটি শুরু হয়।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ২০ মার্চ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ৩ এপ্রিল নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এ জন্য টানা ৯ দিনের ছুটি মেলে।
গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঈদুল ফিতরের পাঁচ দিনের ছুটির অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। আগে এ ছুটি ছিল তিন দিন। এরপর ২১ অক্টোবর ছুটির বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি।
গত ৪ ও ৫ এপ্রিল দুই দিন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক বন্ধ। আগের দিন ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার হওয়ায় নির্বাহী আদেশে এ দিন ছুটি ঘোষণা করায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা ৯ দিন ছুটি পান।

ইউনূস-মোদি বৈঠক
প্রেসসচিবের বক্তব্যকে ‘ক্ষতিকর’ বলছে ভারতীয় মিডিয়া
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বক্তব্যকে ক্ষতিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির একাধিক গণমাধ্যম একই সংবাদ প্রকাশ করেছে।
শুক্রবার ব্যাঙ্ককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হয় তা নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
প্রেসসচিব তার পোস্টে লিখেছেন, ‘দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। বৈঠকে মোদি বলেন, শেখ হাসিনার সাথে ভারতের সুসম্পর্ক থাকাকালীন আমরা আপনার প্রতি তার (হাসিনার) অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি। কিন্তু আমরা আপনাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়েছি।’
প্রেসসচিব আরো লিখেছেন, ‘অধ্যাপক ইউনূস যখন শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের কথা উত্থাপন করেন, তখন মোদির প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক ছিল না।
তবে অসমর্থিত সূত্রের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলমের বক্তব্য ‘ক্ষতিকর ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। বৈঠকে ড. ইউনূসের সঙ্গে বাংলাদেশের পতিত সরকারের সম্পর্ক নিয়ে মোদির করা মন্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে।
একই সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমটি আরো দাবি করেছে, বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে প্রেসসচিবের মন্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই।

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
অনলাইন ডেস্ক

সরকারি সফরে রাশিয়া গেলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। চারদিনের রাশিয়া সফর শেষে আগামী ১০ এপ্রিল তিনি ক্রোয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। রবিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সফরকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সফর শেষে আগামী ১২ এপ্রিল সেনাপ্রধান বাংলাদেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।